• ই-পেপার

মাঠেই লুটিয়ে পড়লেন ডেনমার্কের তারকা ফুটবলার, অতঃপর...

চোট সারাতে নাসার প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন নেইমার

ক্রীড়া ডেস্ক
চোট সারাতে নাসার প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন নেইমার
নাসার প্রযুক্তি থেকে অনুপ্রাণিত একটি বিশেষ অ্যান্টি-গ্র্যাভিটি ট্রেডমিল ব্যবহার করছেন নেইমার।

বিশ্বকাপের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে, আর সেই লড়াইয়ে সময়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন নেইমার। ব্রাজিলের তারকা ফুটবলারের চোট সারাতে এবার ব্যবহার করা হচ্ছে নাসার প্রযুক্তি থেকে তৈরি বিশেষ এক যন্ত্র, যা তার বিশ্বকাপ খেলার আশা আরো উজ্জ্বল করে তুলেছে।

ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবো এসপোর্তে-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডান পায়ের কাফ ইনজুরি থেকে দ্রুত সেরে উঠতে নাসার প্রযুক্তি থেকে অনুপ্রাণিত একটি বিশেষ অ্যান্টি-গ্র্যাভিটি ট্রেডমিল ব্যবহার করছেন নেইমার।

আরো পড়ুন
বিশ্বকাপের আগে নিরাপত্তা শঙ্কা, ইংল্যান্ড দলের ঘাঁটির কাছে গোলাগুলিতে আহত ৯

বিশ্বকাপের আগে নিরাপত্তা শঙ্কা, ইংল্যান্ড দলের ঘাঁটির কাছে গোলাগুলিতে আহত ৯

 

শনিবার (৬ জুন) এই বিশেষ যন্ত্রে অনুশীলন করেছেন ৩৪ বছর বয়সী এই ফুটবলার। ট্রেডমিলটির বিশেষত্ব হলো, এটি শরীরের ওজনের একটি অংশ কমিয়ে দেয়। ফলে ইনজুরিগ্রস্ত স্থানে কম চাপ পড়ে এবং খেলোয়াড় স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম ঝুঁকিতে দৌড়াতে পারেন।

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বের বিভিন্ন ক্রীড়াবিদ পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসছেন। ইতিমধ্যে ব্রাজিলের কয়েকটি ক্লাবও নিজেদের মেডিক্যাল সুবিধার অংশ হিসেবে এটি যুক্ত করেছে।

আরো পড়ুন
মাঠেই লুটিয়ে পড়লেন ডেনমার্কের তারকা ফুটবলার, অতঃপর...

মাঠেই লুটিয়ে পড়লেন ডেনমার্কের তারকা ফুটবলার, অতঃপর...

 

নেইমারের শারীরিক অবস্থার সর্বশেষ মূল্যায়নের জন্য আজ সোমবার (৮ জুন) নতুন করে ইমেজিং পরীক্ষা করা হবে। সেই পরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর করবে তার পরবর্তী পুনর্বাসন পরিকল্পনা।

যদি মেডিক্যাল টিম তাকে সবুজসংকেত দেয়, তাহলে তিনি দলের সঙ্গে শারীরিক অনুশীলনে ফিরবেন। এরপর ধীরে ধীরে বল নিয়ে অনুশীলন শুরু করার অনুমতি দেওয়া হবে, তবে সেটি নির্ভর করবে তার উন্নতির গতির ওপর।

ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি আগেই জানিয়েছিলেন, নেইমারের অবস্থা নিয়ে তারা আশাবাদী। যদিও বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তার খেলা এখনো নিশ্চিত নয়, তবু সেলেসাও শিবিরের বিশ্বাস, দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ তারকা সময়মতো সুস্থ হয়ে উঠতে পারবেন।

আগামী ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ব্রাজিল। সেই ম্যাচের আগে নেইমারের ফিটনেস নিয়ে পুরো ফুটবল বিশ্বের নজর এখন ব্রাজিল দলের মেডিক্যাল রিপোর্টের দিকে।

বিশ্বকাপের আগে নিরাপত্তা শঙ্কা, ইংল্যান্ড দলের ঘাঁটির কাছে গোলাগুলিতে আহত ৯

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের আগে নিরাপত্তা শঙ্কা, ইংল্যান্ড দলের ঘাঁটির কাছে গোলাগুলিতে আহত ৯

বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইংল্যান্ড জাতীয় দলের বেসক্যাম্পের কাছাকাছি এলাকায় গোলাগুলির ঘটনায় অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি বিশ্বকাপ আয়োজন ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

স্থানীয় সময় শনিবার (৬ জুন) ভোর প্রায় ৪টার দিকে কানসাস সিটির ব্যস্ত সড়ক ট্রুস্ট অ্যাভিনিউ এলাকায় গুলির ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও জরুরি সেবা সংস্থার সদস্যরা। মুহূর্তেই এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা তৎপরতা শুরু হয়।

আরো পড়ুন
মাঠেই লুটিয়ে পড়লেন ডেনমার্কের তারকা ফুটবলার, অতঃপর...

মাঠেই লুটিয়ে পড়লেন ডেনমার্কের তারকা ফুটবলার, অতঃপর...

 

পুলিশ জানিয়েছে, আহত নয়জনকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে কারো আঘাত প্রাণঘাতী নয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আহতদের বিস্তারিত অবস্থা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

ঘটনাস্থলটি ইংল্যান্ড জাতীয় দলের নির্ধারিত অনুশীলন কেন্দ্র থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত। বিশ্বকাপ চলাকালে কানসাস সিটিকেই নিজেদের বেসক্যাম্প হিসেবে ব্যবহার করবে ইংল্যান্ড।

এই ঘটনার পর নিরাপত্তা জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। তদন্ত শুরু করেছে মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পাশাপাশি বিশ্বকাপ উপলক্ষে কানসাস সিটিতে অবস্থান করা সব জাতীয় দলের নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন
বিশ্বকাপের আগ মুহূর্তে ব্রাজিল দলে পরিবর্তন

বিশ্বকাপের আগ মুহূর্তে ব্রাজিল দলে পরিবর্তন

 

শুধু ইংল্যান্ড নয়, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, নেদারল্যান্ডস এবং আলজেরিয়াও কানসাস সিটিতে তাদের প্রস্তুতি ক্যাম্প স্থাপন করবে। ফলে আয়োজকদের কাছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এরই মধ্যে প্রস্তুতি ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী অবস্থায় রয়েছে ইংল্যান্ড। তবে মাঠের বাইরের এই ঘটনা বিশ্বকাপের আগে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। আয়োজকরা অবশ্য আশ্বস্ত করেছেন যে টুর্নামেন্ট চলাকালে খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও সমর্থকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্বকাপের আগ মুহূর্তে ব্রাজিল দলে পরিবর্তন

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের আগ মুহূর্তে ব্রাজিল দলে পরিবর্তন
ওয়েসলির পরিবর্তে ব্রাজিল দলে ডাকা হয়েছে মিডফিল্ডার এদেরসনকে। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগে ব্রাজিল দলে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গেছেন রাইট ব্যাক ওয়েসলি। তার পরিবর্তে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে ডাকা হয়েছে মিডফিল্ডার এদেরসনকে।

মিশরের বিপক্ষে ব্রাজিলের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে ইনজুরিতে পড়েন ওয়েসলি। ম্যাচের মাত্র ১৫ মিনিটের মাথায় উরুতে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। পরে মেডিকেল পরীক্ষায় তার বাঁ উরুর অ্যাডাক্টর মাংসপেশিতে গুরুতর চোট ধরা পড়ে। ফলে বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় ২২ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডারের।

আরো পড়ুন
যুদ্ধের ছায়ায় বিশ্বকাপ, ইরানের সামনে কঠিন পরীক্ষা

যুদ্ধের ছায়ায় বিশ্বকাপ, ইরানের সামনে কঠিন পরীক্ষা

 

ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) এক বিবৃতিতে ওয়েসলির চোটের বিষয়টি নিশ্চিত করে। পাশাপাশি তার দ্রুত সুস্থতা কামনা জানিয়ে জানানো হয়, বিশ্বকাপ স্কোয়াডে তার পরিবর্তে যোগ দিচ্ছেন এদেরসন।

২৬ বছর বয়সী এদেরসন বর্তমানে ইতালিয়ান ক্লাব আতালান্তার হয়ে খেলছেন। শিগগিরই ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে। জাতীয় দলের হয়ে এখন পর্যন্ত তিনটি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। সর্বশেষ ব্রাজিলের জার্সিতে মাঠে নেমেছিলেন ২০২৫ সালের মার্চে।

ওয়েসলির ইনজুরি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তিও। তিনি বলেন, ওয়েসলি দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবং তার অনুপস্থিতি অবশ্যই অনুভূত হবে। তবে এদেরসনের অভিজ্ঞতা ও সামর্থ্যের ওপর আস্থা রাখছেন তিনি।

বিশ্বকাপে ব্রাজিল তাদের অভিযান শুরু করবে ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। গ্রুপ পর্বে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ হাইতি ও স্কটল্যান্ড।

যুদ্ধের ছায়ায় বিশ্বকাপ, ইরানের সামনে কঠিন পরীক্ষা

বিবিসি
যুদ্ধের ছায়ায় বিশ্বকাপ, ইরানের সামনে কঠিন পরীক্ষা
ছবি : রয়টার্স

২০২৫ সালের ২৫ মার্চ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করার পরও কেউ কল্পনা করেনি যে ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে এত প্রতিকূলতার মুখে পড়বে ইরান। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই যুদ্ধ, কূটনৈতিক সংকট, ভিসা জটিলতা এবং রাজনৈতিক বিতর্কে ঘেরা হয়ে পড়েছে ‘টিম মেল্লি’।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজিত বিশ্বকাপের ঠিক আগে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরো তিক্ত হয়ে ওঠে। সামরিক সংঘাতের জেরে দুই দেশের উত্তেজনা এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়েও তৈরি হয় অনিশ্চয়তা।

সবচেয়ে বড় বাধা ছিল যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ভিসা। শেষ পর্যন্ত খেলোয়াড় এবং প্রয়োজনীয় সাপোর্ট স্টাফদের ভিসা দেওয়া হলেও ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা ভিসা পাননি। এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। ইরানের অভিযোগ, খেলাধুলায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করছে ওয়াশিংটন।

শুধু তাই নয়, ভিসার শর্ত অনুযায়ী ইরান দলকে ম্যাচের দিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে ম্যাচ শেষে একই দিনে দেশ ছাড়তে হবে। ফলে দলটি তাদের পূর্বনির্ধারিত যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা ক্যাম্প বাতিল করে ফিফার অনুমোদন নিয়ে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় ঘাঁটি গেড়েছে।

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ইরানের তিনটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে। ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তাদের অভিযান। এরপর একই শহরে বেলজিয়াম এবং সিয়াটলে মিশরের মুখোমুখি হবে তারা।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের ইতিহাস চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বৈরী। ১৯৭৯ সালে তেহরানে মার্কিন দূতাবাস দখল এবং তার পরবর্তী জিম্মি সংকটের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।

ফুটবল প্রায়শই দুই দেশের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের অন্যতম সুযোগ করে দিয়েছে।

১৯৯৮ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে ইরান। ম্যাচ শুরুর আগে মার্কিন খেলোয়াড়দের ফুল উপহার দিয়েছিলেন ইরানি ফুটবলাররা। সেই দৃশ্য আজও বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।

তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। রাজনৈতিক উত্তেজনা, যুদ্ধাবস্থা এবং পারস্পরিক অবিশ্বাসের কারণে সম্ভাব্য ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচ শুধু ফুটবল নয়, আন্তর্জাতিক রাজনীতিরও বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

দেশের ভেতরেও ইরান জাতীয় দলকে ঘিরে আগের মতো ঐক্য নেই। ২০২২ সালের বিক্ষোভ ও পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর জাতীয় দলকে ঘিরে বিভক্তি তৈরি হয়েছে। একাংশ এখনো দলটিকে জাতীয় গৌরবের প্রতীক হিসেবে দেখে, অন্যদিকে সমালোচকরা মনে করেন দলটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অতিরিক্তভাবে জড়িত।

তবু ফুটবল ইরানের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। কোটি কোটি সমর্থক বিশ্বকাপে তাদের দলের দিকে তাকিয়ে থাকবে। সাতবার বিশ্বকাপে খেলেও কখনো গ্রুপ পর্ব পেরোতে পারেনি ইরান। ৪৮ দলের নতুন ফরম্যাটে এবার সেই ইতিহাস বদলানোর স্বপ্ন দেখছে তারা।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, মাঠের ফুটবল কি সব আলোচনাকে ছাপিয়ে যেতে পারবে? যুদ্ধ, কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা, ভিসা সংকট এবং রাজনৈতিক বিভাজনের মধ্যে দাঁড়িয়ে ইরান সম্ভবত বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়া দলগুলোর একটি।