• ই-পেপার

তাইওয়ান সীমান্তে আবারও চীনের যুদ্ধবিমান-নৌযান শনাক্ত

চাগোস দ্বীপপুঞ্জ কেনার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
চাগোস দ্বীপপুঞ্জ কেনার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি : রয়টার্স

ভারত মহাসাগরের চাগোস দ্বীপপুঞ্জ সরাসরি মরিশাসের কাছ থেকে কিনে নেওয়ার একটি পরিকল্পনা বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস। ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য টেলিগ্রাফ-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন কর্মকর্তারা এমন একটি প্রস্তাব তৈরি করেছেন। এর মাধ্যমে যুক্তরাজ্যকে পাশ কাটিয়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ডিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য আলাদা চুক্তি করা হতে পারে। ‘ডিয়েগো গার্সিয়া’ হলো মধ্য ভারত মহাসাগরের চাগোস দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত একটি ব্রিটিশ-নিয়ন্ত্রিত প্রবাল দ্বীপ। এটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

জানা গেছে, এই পরিকল্পনা হোয়াইট হাউসের বিবেচনায় থাকা কয়েকটি বিকল্পের একটি। এসব বিকল্প নিয়ে একটি নীতিপত্রও প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রস্তাবগুলোর লক্ষ্য হলো ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার চাগোস দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব মরিশাসের কাছে হস্তান্তর করলে তার বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজে বের করা। 

চাগোস দ্বীপপুঞ্জ দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও মরিশাস দাবি করে আসছে, দ্বীপপুঞ্জটি তাদের ভূখণ্ডের অংশ। এ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বহু বছর ধরে বিরোধ চলছে। অন্যদিকে ডিয়েগো গার্সিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যা ভারত মহাসাগর অঞ্চলে ওয়াশিংটনের কৌশলগত উপস্থিতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বরাবরই মনে করেন যে, যুক্তরাজ্যের উচিত নয় ভারত মহাসাগরের ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত চাগোস দ্বীপপুঞ্জ মরিশাসের কাছে হস্তান্তর করা। এই দ্বীপপুঞ্জের অন্তর্গত ডিয়েগো গার্সিয়া অ্যাটলে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের যৌথ সামরিক ঘাঁটি অবস্থিত।

এক মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ভারত মহাসাগরে ডিয়েগো গার্সিয়ার কৌশলগত অবস্থানের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য সামরিক স্থাপনায় পরিণত করেছে। তিনি আরো বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্বীপটির কার্যকারিতা বজায় রাখার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র নিয়মিতভাবে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরো জানান, দ্বীপটির আঞ্চলিক নিরাপত্তা কেন্দ্র হিসেবে কার্যকারিতা বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র নিয়মিতভাবে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে, চলতি বছরের এপ্রিলে চাগোস দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব মরিশাসের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা সাময়িকভাবে স্থগিত করে যুক্তরাজ্য সরকার।

চাগোস দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত ডিয়েগো গার্সিয়া বিমান ও সামরিক ঘাঁটি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে দ্বীপপুঞ্জটির মালিকানা নিয়ে মরিশাস ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চাগোস দ্বীপপুঞ্জ সংক্রান্ত চুক্তিটিকে ‘বড় ভুল’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। 

এদিকে যুক্তরাজ্য সরকারের এক মুখপাত্র বলেছেন, সরকার এমন একটি পরিস্থিতি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছিল, যেখানে ডিয়েগো গার্সিয়া সামরিক ঘাঁটির ওপর ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ হুমকির মুখে ছিল। তাই যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলে প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিগুলোর প্রভাব বিস্তার ঠেকাতে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল।

মুখপাত্র আরো বলেন, ডিয়েগো গার্সিয়া প্রায় ৬০ বছর ধরে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এটি দুই দেশের জন্যই একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সামরিক সম্পদ।
 

ফিলিপাইন জুড়ে ভূমিকম্পের তাণ্ডবলীলা, নিহত ৩

অনলাইন ডেস্ক
ফিলিপাইন জুড়ে ভূমিকম্পের তাণ্ডবলীলা, নিহত ৩
ছবি : রয়টার্স

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্দানাও দ্বীপে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ৭.৮ মাত্রার এক ভূমিকম্প। সোমবারের (৮ জুন) এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩ জন নিহত এবং ৫ জন আহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে দেশটির পুলিশ। 

ভূমিকম্পের পর ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া ও জাপানসহ এই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশ সুনামি সতর্কতা জারি করেছে। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, শক্তিশালী এই কম্পনের ফলে বিস্তীর্ণ এলাকা কেঁপে ওঠে। প্রাথমিক হিসেবে অন্তত ৩৭টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার বেশিরভাগই বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। ধসে পড়া ভবনের নিচে আরো কেউ আটকে আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে উদ্ধারকারী দল।

ফিলিপাইন ইনস্টিটিউট অব ভলক্যানোলজি অ্যান্ড সিসমোলজি জানিয়েছে, মূল ভূমিকম্পটি আঘাত হানার পর থেকে স্থানীয় সময় সকাল ১১টা (জিএমটি ০৩:০০) পর্যন্ত ওই অঞ্চলে ১৩৮টি আফটারশক বা অনুকম্পন রেকর্ড করা হয়েছে। এই আফটারশকগুলোর মাত্রা ছিল ১.৩ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৬.৭ পর্যন্ত, যা উদ্ধারকাজকে ব্যাহত করছে। ফিলিপাইন প্রশাসন উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। 

সূত্র : বিবিসি

ইসরায়েলে আরো ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

অনলাইন ডেস্ক
ইসরায়েলে আরো ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
ছবি : রয়টার্স

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে আবারও এক দফা ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের দিকে নিক্ষেপ করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে আইডিএফ জানায়, হামলা প্রতিহত করতে তাদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয়ভাবে কাজ করছে এবং ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ভূপাতিত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

আইডিএফ সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেছে, মোবাইল ফোন বা সাইরেনের মাধ্যমে সতর্কবার্তা পেলে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে। নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।

এদিকে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার পর ইরানের রাজধানী তেহরান এবং তাবরিজ ও ইসফাহান শহরে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই হামলা এমন সময় চালানো হলো, যখন ইরান উত্তর ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। নতুন হামলার আগে ইরান রবিবার রাতে ইসরায়েলের দিকে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। ইরানের অভিযোগ, লেবাননে ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলা যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করেছে।

তেহরানের হুঁশিয়ারি ছিল, দক্ষিণ লেবাননে চলমান হামলা বন্ধ না করলে ইসরায়েলকে আরো হামলার মুখে পড়তে হবে। স্থানীয় সময় রাত প্রায় ১০টার দিকে শুরু হওয়া এই হামলার পর ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, ইরান থেকে ছোড়া সব ক্ষেপণাস্ত্রই প্রতিহত করা হয়েছে এবং এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলের রামাট ডেভিড বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, দক্ষিণ লেবাননের টাইর ও নাবাতিয়েহ অঞ্চলে বেসামরিক মানুষের হত্যাকাণ্ড ও বাস্তুচ্যুতির জবাব হিসেবে এই হামলা করা হয়েছে।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছে, ইসরায়েল আবার হামলা চালালে ইরানের প্রতিক্রিয়া বড় হবে এবং এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের স্বার্থসংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুও এর আওতায় আসতে পারে। এ হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফোনে নেতানিয়াহুকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া তিনি ব্রিটিশ সংবাদপত্র ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেছেন, পরিস্থিতি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনিই নিচ্ছেন। 

এর আগে ইসরায়েল লেবাননের রাজধানী বৈরুতে দক্ষিণ উপশহরে হামলা চালায়। এতে অন্তত দুজন নিহত এবং ২০ জন আহত হন। সাম্প্রতিক এই হামলা-পাল্টাহামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরো বেড়ে গেছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই বলেছেন, ইরান বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন ও লেবাননের বিরুদ্ধে আগ্রাসন মেনে নেবে না বলে জানিয়েছিল। তার ভাষায়, ‘ইসরায়েলের হামলা ছিল একটি সতর্কবার্তা। নতুন কোনো আগ্রাসনের জবাব আরো কঠোর হবে।’

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে ফোন করে ইরানের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা না চালানোর আহ্বান জানাবেন। ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের হামলায় কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। আশা করি, ইসরায়েলও পাল্টা হামলা করবে না। 

ইসরায়েল ও ইরান উভয়েই তাদের বার্তা দিয়েছে, এখন আর নতুন সংঘাতের প্রয়োজন নেই।’

তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি চূড়ান্ত চুক্তির খুব কাছাকাছি রয়েছে এবং বর্তমান পরিস্থিতির কারণে সেই প্রচেষ্টা ভেস্তে যাক, তা তিনি চান না। তবে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এর আগে জানিয়েছিলেন, ইরানের হামলার জবাবে তারা ‘শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া’ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
 

উত্তর কোরিয়ায় শি চিনপিং, বৈঠকে বসছেন কিমের সঙ্গে

অনলাইন ডেস্ক
উত্তর কোরিয়ায় শি চিনপিং, বৈঠকে বসছেন কিমের সঙ্গে
ছবি : রয়টার্স

চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং আজ সোমবার দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ং পৌঁছেছেন। গত সাত বছরে উত্তর কোরিয়ায় এটি তার প্রথম সফর।

সফরে তিনি উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো উত্তর কোরিয়ার ওপর চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব আরো শক্তিশালী করা।

চীন দীর্ঘদিন ধরে উত্তর কোরিয়ার প্রধান অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগী। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বাড়িয়েছে এবং ইউক্রেন যুদ্ধের সময় রাশিয়াকে সমর্থন করেছে। ফলে দুই দেশের সম্পর্কের ভারসাম্য নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, শি চিন পিং উত্তর কোরিয়াকে খাদ্য, সার, পর্যটন এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রকল্পে সহায়তার প্রস্তাব দিতে পারেন। এর মাধ্যমে চীন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে তার ঐতিহ্যগত জোটকে আরো শক্তিশালী করতে চায়। 

এদিকে উত্তর কোরিয়া তার পারমাণবিক কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। দেশটির নেতা কিম জং উন সম্প্রতি পারমাণবিক শক্তি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

ধারণা করা হচ্ছে, শি চিন পিং সফরের সময় পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে সরাসরি চাপ না দিয়ে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়টি গুরুত্ব দেবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফর শুধু চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের জন্য নয়, বরং পূর্ব এশিয়ার কৌশলগত ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপরও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।