• ই-পেপার

বিশ্বকাপের আগ মুহূর্তে ব্রাজিল দলে পরিবর্তন

বিশ্বকাপের আগে নিরাপত্তা শঙ্কা, ইংল্যান্ড দলের ঘাঁটির কাছে গোলাগুলিতে আহত ৯

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের আগে নিরাপত্তা শঙ্কা, ইংল্যান্ড দলের ঘাঁটির কাছে গোলাগুলিতে আহত ৯

বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইংল্যান্ড জাতীয় দলের বেসক্যাম্পের কাছাকাছি এলাকায় গোলাগুলির ঘটনায় অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি বিশ্বকাপ আয়োজন ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

স্থানীয় সময় শনিবার (৬ জুন) ভোর প্রায় ৪টার দিকে কানসাস সিটির ব্যস্ত সড়ক ট্রুস্ট অ্যাভিনিউ এলাকায় গুলির ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও জরুরি সেবা সংস্থার সদস্যরা। মুহূর্তেই এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা তৎপরতা শুরু হয়।

আরো পড়ুন
মাঠেই লুটিয়ে পড়লেন ডেনমার্কের তারকা ফুটবলার, অতঃপর...

মাঠেই লুটিয়ে পড়লেন ডেনমার্কের তারকা ফুটবলার, অতঃপর...

 

পুলিশ জানিয়েছে, আহত নয়জনকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে কারো আঘাত প্রাণঘাতী নয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আহতদের বিস্তারিত অবস্থা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

ঘটনাস্থলটি ইংল্যান্ড জাতীয় দলের নির্ধারিত অনুশীলন কেন্দ্র থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত। বিশ্বকাপ চলাকালে কানসাস সিটিকেই নিজেদের বেসক্যাম্প হিসেবে ব্যবহার করবে ইংল্যান্ড।

এই ঘটনার পর নিরাপত্তা জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। তদন্ত শুরু করেছে মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পাশাপাশি বিশ্বকাপ উপলক্ষে কানসাস সিটিতে অবস্থান করা সব জাতীয় দলের নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন
বিশ্বকাপের আগ মুহূর্তে ব্রাজিল দলে পরিবর্তন

বিশ্বকাপের আগ মুহূর্তে ব্রাজিল দলে পরিবর্তন

 

শুধু ইংল্যান্ড নয়, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, নেদারল্যান্ডস এবং আলজেরিয়াও কানসাস সিটিতে তাদের প্রস্তুতি ক্যাম্প স্থাপন করবে। ফলে আয়োজকদের কাছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এরই মধ্যে প্রস্তুতি ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী অবস্থায় রয়েছে ইংল্যান্ড। তবে মাঠের বাইরের এই ঘটনা বিশ্বকাপের আগে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। আয়োজকরা অবশ্য আশ্বস্ত করেছেন যে টুর্নামেন্ট চলাকালে খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও সমর্থকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাঠেই লুটিয়ে পড়লেন ডেনমার্কের তারকা ফুটবলার, অতঃপর...

ক্রীড়া ডেস্ক
মাঠেই লুটিয়ে পড়লেন ডেনমার্কের তারকা ফুটবলার, অতঃপর...
ডেনমার্কের মিডফিল্ডার ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেন। ছবি : রয়টার্স

ফুটবল বিশ্বকে আবারও আতঙ্কে ফেললেন ডেনমার্কের মিডফিল্ডার ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেন। ইউক্রেনের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ চলাকালে হঠাৎ মাঠে লুটিয়ে পড়েন তিনি। তবে দ্রুত চিকিৎসা পাওয়ার পর জ্ঞান ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছে ডেনিশ ফুটবল ফেডারেশন।

রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে ফেডারেশন জানায়, ‘ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেনের জ্ঞান ফিরেছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি ভালো আছেন।’ ঘটনার পরপরই ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।

আরো পড়ুন
বিশ্বকাপের আগ মুহূর্তে ব্রাজিল দলে পরিবর্তন

বিশ্বকাপের আগ মুহূর্তে ব্রাজিল দলে পরিবর্তন

 

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের প্রায় ২০ মিনিট অতিবাহিত হওয়ার পর হঠাৎ মাটিতে পড়ে যান ৩৪ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। সঙ্গে সঙ্গে মাঠে নেমে আসেন চিকিৎসকরা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ডেনমার্ক ও ইউক্রেনের খেলোয়াড়রা তাকে ঘিরে মানববৃত্ত তৈরি করেন।

কিছুক্ষণ চিকিৎসার পর এরিকসেনকে অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হয়। স্বস্তির খবর হলো, মাঠ ছাড়ার সময় তিনি নিজেই হেঁটে অ্যাম্বুলেন্সে ওঠেন।

ডেনমার্ক দলের চিকিৎসক মর্টেন বোয়েসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ক্রিশ্চিয়ান ভালো আছে এবং নিজে হেঁটে মাঠ ছেড়েছে। যতদূর দেখেছি, তার পেসমেকার ঠিকভাবে কাজ করছে। সে কিছু সময়ের জন্য অচেতন ছিল, তবে খুব দ্রুত জ্ঞান ফিরে পায় এবং আমরা তার সঙ্গে কথা বলতে সক্ষম হই।

তিনি আরো জানান, ঘটনার কারণ জানতে এরিকসেনকে হাসপাতালে আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে রাখা হবে। দলের খেলোয়াড়দের উদ্দেশে এরিকসেন নিজেই বার্তা দিয়েছেন যে তিনি ভালো আছেন।

আরো পড়ুন
যুদ্ধের ছায়ায় বিশ্বকাপ, ইরানের সামনে কঠিন পরীক্ষা

যুদ্ধের ছায়ায় বিশ্বকাপ, ইরানের সামনে কঠিন পরীক্ষা

 

এটি গত পাঁচ বছরে দ্বিতীয়বারের মতো কোনো ম্যাচ চলাকালে এরিকসেনের মাঠে লুটিয়ে পড়ার ঘটনা। ২০২১ সালে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে ফিনল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাঠেই অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তখন জরুরি সিপিআর দিয়ে তার জীবন রক্ষা করা হয়।

পরবর্তীতে তার শরীরে একটি ইমপ্লান্টেবল কার্ডিওভার্টার-ডিফিব্রিলেটর (আইসিডি) বসানো হয়, যা হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। সেই ঘটনার পর ইতালিয়ান ক্লাব ফুটবল ছাড়তে হলেও ২০২২ সালে আবারও পেশাদার ফুটবলে ফিরে আসেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২৬ বিশ্বকাপে ডেনমার্ক ও ইউক্রেন কোনো দলই জায়গা করে নিতে পারেনি। ম্যাচটি পরিত্যক্ত হওয়ার আগে ডেনমার্ক ২-১ গোলে এগিয়ে ছিল।

যুদ্ধের ছায়ায় বিশ্বকাপ, ইরানের সামনে কঠিন পরীক্ষা

বিবিসি
যুদ্ধের ছায়ায় বিশ্বকাপ, ইরানের সামনে কঠিন পরীক্ষা
ছবি : রয়টার্স

২০২৫ সালের ২৫ মার্চ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করার পরও কেউ কল্পনা করেনি যে ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে এত প্রতিকূলতার মুখে পড়বে ইরান। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই যুদ্ধ, কূটনৈতিক সংকট, ভিসা জটিলতা এবং রাজনৈতিক বিতর্কে ঘেরা হয়ে পড়েছে ‘টিম মেল্লি’।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজিত বিশ্বকাপের ঠিক আগে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরো তিক্ত হয়ে ওঠে। সামরিক সংঘাতের জেরে দুই দেশের উত্তেজনা এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়েও তৈরি হয় অনিশ্চয়তা।

সবচেয়ে বড় বাধা ছিল যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ভিসা। শেষ পর্যন্ত খেলোয়াড় এবং প্রয়োজনীয় সাপোর্ট স্টাফদের ভিসা দেওয়া হলেও ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা ভিসা পাননি। এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। ইরানের অভিযোগ, খেলাধুলায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করছে ওয়াশিংটন।

শুধু তাই নয়, ভিসার শর্ত অনুযায়ী ইরান দলকে ম্যাচের দিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে ম্যাচ শেষে একই দিনে দেশ ছাড়তে হবে। ফলে দলটি তাদের পূর্বনির্ধারিত যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা ক্যাম্প বাতিল করে ফিফার অনুমোদন নিয়ে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় ঘাঁটি গেড়েছে।

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ইরানের তিনটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে। ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তাদের অভিযান। এরপর একই শহরে বেলজিয়াম এবং সিয়াটলে মিশরের মুখোমুখি হবে তারা।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের ইতিহাস চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বৈরী। ১৯৭৯ সালে তেহরানে মার্কিন দূতাবাস দখল এবং তার পরবর্তী জিম্মি সংকটের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।

ফুটবল প্রায়শই দুই দেশের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের অন্যতম সুযোগ করে দিয়েছে।

১৯৯৮ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে ইরান। ম্যাচ শুরুর আগে মার্কিন খেলোয়াড়দের ফুল উপহার দিয়েছিলেন ইরানি ফুটবলাররা। সেই দৃশ্য আজও বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।

তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। রাজনৈতিক উত্তেজনা, যুদ্ধাবস্থা এবং পারস্পরিক অবিশ্বাসের কারণে সম্ভাব্য ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচ শুধু ফুটবল নয়, আন্তর্জাতিক রাজনীতিরও বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

দেশের ভেতরেও ইরান জাতীয় দলকে ঘিরে আগের মতো ঐক্য নেই। ২০২২ সালের বিক্ষোভ ও পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর জাতীয় দলকে ঘিরে বিভক্তি তৈরি হয়েছে। একাংশ এখনো দলটিকে জাতীয় গৌরবের প্রতীক হিসেবে দেখে, অন্যদিকে সমালোচকরা মনে করেন দলটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অতিরিক্তভাবে জড়িত।

তবু ফুটবল ইরানের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। কোটি কোটি সমর্থক বিশ্বকাপে তাদের দলের দিকে তাকিয়ে থাকবে। সাতবার বিশ্বকাপে খেলেও কখনো গ্রুপ পর্ব পেরোতে পারেনি ইরান। ৪৮ দলের নতুন ফরম্যাটে এবার সেই ইতিহাস বদলানোর স্বপ্ন দেখছে তারা।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, মাঠের ফুটবল কি সব আলোচনাকে ছাপিয়ে যেতে পারবে? যুদ্ধ, কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা, ভিসা সংকট এবং রাজনৈতিক বিভাজনের মধ্যে দাঁড়িয়ে ইরান সম্ভবত বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়া দলগুলোর একটি।

ফ্রেঞ্চ ওপেন

গ্র্যান্ড স্ল্যামের ফাইনালে শেষ হাসি জভেরেভের

ক্রীড়া ডেস্ক
গ্র্যান্ড স্ল্যামের ফাইনালে শেষ হাসি জভেরেভের
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ অপেক্ষা, খুব কাছে গিয়েও বারবার স্বপ্নভঙ্গের বেদনা- সব হতাশা এবার দূর হলো লালচে মাটির কোর্টে। ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপা উঁচিয়ে ধরলেন আলেক্সান্ডার জভেরেভ। রবিবার ফ্রেঞ্চ ওপেনের পুরুষ এককের ফাইনালে ইতালির ফ্লাভিও কোবোল্লিকে পাঁচ সেটের লড়াইয়ে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন এই জার্মান তারকা। ৪১ বারের চেষ্টায় ২৯ বছর বয়সে প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জিতলেন জভেরেভ।

বছরের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্ল্যামের ফাইনালে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে বারবার মোড় বদলের পর শেষ হাসি হাসলেন জভেরেভ। সোয়া চার ঘণ্টার একটু বেশি সময় স্থায়ী ম্যাচে তার জয় ৬-১, ৪-৬, ৬-৪, ৬-৭ (৫-৭), ৬-১ গেমে।

এর আগে ২০২৪ সালের এই প্রতিযোগিতাসহ মোট তিনটি গ্র্যান্ড স্ল্যামের ফাইনালে উঠে প্রতিবার হারের তেতো স্বাদ পান জভেরেভ। চতুর্থবারে স্বপ্নের ট্রফিতে চুমু আঁকলেন তিনি।

এটিপি র‍্যাঙ্কিংয়ের দুই নম্বর খেলোয়াড় কার্লোস আলকারাস চোট পেয়ে টুর্নামেন্টে খেলতে না পারায় এবং শীর্ষ বাছাই ইয়ানিক সিনার আগেভাগে ছিটকে পড়ায়, জভেরেভের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়। সেই সঙ্গে দশম বাছাই এবং ‘অনেকটাই অচেনা’ ফ্লাভিও কোবোল্লি ফাইনালে ওঠায় অনেকেই জভেরেভকে আরো এগিয়ে রাখেন।

ম্যাচের শুরুটা সেকমই হয়, আগে কখনও কোনো মেজরে সেমি-ফাইনালে না ওঠা প্রতিপক্ষকে দাঁড়াতেই দেননি জভেরেভ। তবে এরপরই দৃশপটে পরিবর্তন আসে। পরের সেটে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান ২৪ বছর বয়সী ইতালিয়ান। তৃতীয় সেটে আবার এগিয়ে যান জভেরেভ।

চতুর্থ সেট নানা নাটকীয়তার পর গড়ায় টাইব্রেকারে। অসাধারণ দৃঢ়তায় সেটটি জিতে লড়াই জারি রাখেন কবোল্লি। পঞ্চম সেটে অবশ্য তাকে আর কোনো সুযোগ দেননি জভেরেভ। ম্যাচ পয়েন্ট নিশ্চিত হতেই কোর্টে শুয়ে পড়েন তিনি, পারেননি আবেগ ধরে রাখতে, অবশ্য আবেগকে বাঁধ দেওয়ার খুব একটা চেষ্টাও করেননি ২৯ বছর বয়সী তারকা।

তিন দশকের মধ্যে দেশের প্রথম পুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের কীর্তি গড়লেন জভেরেভ। তার আগে সবশেষ জার্মান মেজর জয়ী ছিলেন গ্রেট বরিস বেকার, ১৯৯৬ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিতেছিলেন তিনি।

এতদিন গ্র্যান্ড স্ল্যামে অপূর্ণতা থাকলেও বড় শিরোপা জয়ের স্বাদ অবশ্য আগে পেয়েছেন জভেরেভ। ২০২০ টোকিও অলিম্পিকসের এককে সোনার পদক জয়ী এই তারকা ২০১৮ ও ২০২১ সালের এটিপি ট্যুর ফাইনালসেও চ্যাম্পিয়ন হন।