• ই-পেপার

রোনালদোদের কোচ হতে পারেন গার্দিওলা!

ফুটবলকে বিদায় বলছেন ২১ শতকের জনপ্রিয় ও ক্যারিশম্যাটিক তারকা

ক্রীড়া ডেস্ক
ফুটবলকে বিদায় বলছেন ২১ শতকের জনপ্রিয় ও ক্যারিশম্যাটিক তারকা
বিশ্বকাপজয়ী জার্মান তারকা লুকাস পোডলস্কি। ছবি : সংগৃহীত

এক যুগের অবসান ঘটিয়ে পেশাদার ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন লুকাস পোডলস্কি। ২০১৪ বিশ্বকাপজয়ী এই জার্মান তারকা আগামীকাল নিজের ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলতে মাঠে নামবেন।

২১ শতকের অন্যতম জনপ্রিয় ও ক্যারিশম্যাটিক ফুটবলার হিসেবে পরিচিত পোডলস্কি দীর্ঘ ক্যারিয়ারে খেলেছেন ইউরোপের বড় বড় ক্লাবে। বায়ার্ন নিউমিখ, আর্সেনাল, ইন্টার মিলান ও গ্যালাতাসারাইয়ের মতো জায়ান্ট ক্লাবের জার্সিতে মাঠ মাতিয়েছেন তিনি।

তবে ফুটবল থেকে পুরোপুরি দূরে যাচ্ছেন না এই কিংবদন্তি ফরোয়ার্ড। বরং নতুন এক ভূমিকায় শুরু করতে যাচ্ছেন জীবনের আরেক অধ্যায়। নিজের শৈশবের ক্লাব  গোর্নিক জাব্জের পূর্ণ মালিকানা নিয়েছেন পোডলস্কি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই ক্লাবেই খেলছিলেন তিনি।

 

জার্মান জাতীয় দলের হয়ে ২০১৪ বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতি ছাড়াও অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অবদান রেখেছেন পোডলস্কি। শক্তিশালী শট, দুর্দান্ত বাম পা ও প্রাণবন্ত ব্যক্তিত্বের জন্য বিশ্বজুড়ে ভক্তদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি।

ফের বাবা হলেন আশরাফুল

ক্রীড়া ডেস্ক
ফের বাবা হলেন আশরাফুল
সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল। ছবি: কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলের পরিবারে এসেছে নতুন সুখবর। তৃতীয় সন্তানের বাবা হয়েছেন বাংলাদেশের এই সাবেক তারকা ক্রিকেটার। দ্বিতীয়বারের মতো আশরাফুল-আনিকা দম্পতির কোলজুড়ে এসেছে পুত্রসন্তান।

শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে বিষয়টি জানিয়েছেন আশরাফুল নিজেই। তিনি জানান, রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে মহান আল্লাহ তাআলা তাদের পরিবারে আরো একটি পুত্রসন্তান দান করেছেন।

ফেসবুক পোস্টে আশরাফুল লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ! 
আজ রাত ১০:৩৫ মিনিটে মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের পরিবারে আরেকটি পুত্র সন্তান দান করেছেন। প্রথমে একটি কন্যাসন্তান, তারপর একটি পুত্রসন্তান, আর আজ আবার একটি পুত্রসন্তানের বাবা হওয়ার সৌভাগ্য আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন।

আল্লাহর এই অগণিত নিয়ামতের জন্য আমি আল্লাহর কাছে অন্তরের গভীর থেকে শুকরিয়া আদায় করছি। সন্তান হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে আমানত ও রহমত। আল্লাহ যেন আমার সব সন্তানকে নেক, সুস্থ, দ্বীনদার ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার তাওফিক দান করেন।

আপনাদের সবার কাছে আমার সন্তানদের জন্য দোয়ার আবেদন রইল। আলহামদুলিল্লাহি আলা কুল্লি হাল।
(সকল অবস্থায় সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।)’

আশরাফুলের এই সুখবরের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনে ভাসছেন তিনি। ভক্ত-সমর্থকরাও নবজাতকের সুস্থতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করে দোয়া করছেন।

কুল-বিএসপিএর বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ হামজা

ক্রীড়া ডেস্ক
কুল-বিএসপিএর বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ হামজা
বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার জিতেছেন হামজা। ছবি : কালের কণ্ঠ

বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হয়েছেন হামজা চৌধুরী। আজ বিচারকদের রায়ে বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ হয়েছেন ২৮ বছর বয়সী ফুটবলার।

শুধু বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদই নন, ক্রীড়াপ্রেমীদের ভোটে পপুলার চয়েস অ্যাওয়ার্ডও জিতেছেন হামজা। ‘কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’ এ বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কারজয়ী হামজার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমা ও হকি খেলোয়াড় আমিরুল ইসলাম।

ইংল্যান্ডে থাকায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না হামজা। তবে পুরস্কার জেতার অনুভূতি ঠিকই প্রকাশ করেছেন লেস্টার সিটির এই মিডফিল্ডার। এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘এই পুরস্কার পেয়ে খুবই গর্ববোধ করছি। কুল-বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ড দেশের ঐতিহ্যবাহী পুরস্কার। আমি আমার পরিবার, কোচ, সতীর্থ, বন্ধু এবং ভক্তদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সারা বছর ধরে আমাকে ও জাতীয় দলকে সাপোর্ট দেওয়া জন্য।’

প্রথমবার এই ক্রীড়া পুরস্কার দেওয়া হয় ১৯৬৪ সালে।  সবমিলিয়ে ১৬ বিভাগে মোট ১৫ জন ক্রীড়াবিদ, সংগঠক ও সংস্থা পুরস্কার জিতেছেন।

পুরস্কার বিজয়ীরা—
বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ : হামজা চৌধুরী (চ্যাম্পিয়ন), ঋতুপর্ণা চাকমা (রানারআপ), আমিরুল ইসলাম (রানারআপ)।
পপুলার চয়েস অ্যাওয়ার্ড : হামজা চৌধুরী।
বর্ষসেরা ক্রিকেটার : রিশাদ হোসেন।
বর্ষসেরা ফুটবলার : হামজা চৌধুরী ও ঋতুপর্ণা চাকমা।
বর্ষসেরা হকি খেলোয়াড় : আমিরুল ইসলাম।
বর্ষসেরা আর্চার : আবদুর রহমান আলিফ।
বর্ষসেরা টেবিল টেনিস খেলোয়াড় : খই খই সাই মারমা।
বর্ষসেরা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় : আল আমিন জুমার।
বর্ষসেরা কোচ : পিটার বাটলার (নারী ফুটবল)।
বর্ষসেরা আম্পায়ার : সেলিম লাকী (হকি)।
বর্ষসেরা সংগঠক : কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল (আর্চারি)।
উদীয়মান ক্রীড়াবিদ : রিপন মন্ডল (ক্রিকেট)।
তৃণমূলের ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব : আলমগীর কবীর (ক্রিকেট কোচ)।
বিশেষ সম্মাননা : শাহনাজ পারভীন মালেকা (কাবাডি কোচ)।
সেরা পৃষ্ঠপোষক : প্রাইম ব্যাংক পিএলসি।
সক্রিয় ফেডারেশন : বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন।

র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশকে কোথায় দেখতে চান নতুন কোচ ডুলি

ক্রীড়া ডেস্ক
র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশকে কোথায় দেখতে চান নতুন কোচ ডুলি
বাংলাদেশের পতাকা হাতে কোচ থমাস ডুলি। ছবি : মীর ফরিদ

হাভিয়ের কাবরেরা এখন অতীত, বাংলাদেশের ফুটবলে শুরু হতে যাচ্ছে টমাস ডুলির অধ্যায়। গতকাল জার্মান বংশোদ্ভূত আমেরিকান কোচকে দুই বছরের জন্য নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। নতুন কোচকে ‘কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ডের’ অনুষ্ঠানে পরিচয় করে দিয়েছেন বাফুফের সভাপতি তাবিথ আউয়াল।

বিকেলে সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বাংলাদেশকে নিয়ে নিজের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন ডুলি। তার মেয়াদে বাংলাদেশকে কোথায় দেখতে চান সেটাই জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মিডফিল্ডার। তিনি বলেছেন, ‘আমার লক্ষ্য হলো র‍্যাংকিংয়ে ১৬০ বা ১৫০-এর মধ্যে চলে আসা। এটা রাতারাতি হবে না। এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। এ নিয়ে আমি একটা বইও লিখেছি— ‘দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট সাকসেস ইন সকার দ্যাট নো ওয়ান টিচেস’ (ফুটবলে সাফল্যের সেই সত্য যা কেউ শেখায় না)। সেখানে চারটি মূল স্তম্ভের কথা বলা হয়েছে এবং তার একটি হলো মানসিকতা।’

মানসিকতার বিষয়ে ডুলি বলেছেন, ‘মানসিকতা হুট করে বদলায় না, এটা হলো আপনার চিন্তা করার ধরন। আমাদের ফুটবল নিয়ে ভাবতে হবে এবং আমাদের কী করা দরকার তা বুঝতে হবে, তাহলেই আমরা যেকোনো কিছু অর্জন করতে পারব। লক্ষ্যটা বাস্তবসম্মত হতে হবে। ১৬০ এর নিচে নামাটা বাস্তবসম্মত। তবে তা আগামীকালই সম্ভব নয়, হয়তো এক বছরের মধ্যে সম্ভব।’

ডুলি বাস্তবসম্মত ব্যাখ্যা করলেন এভাবে, ‘বাস্তবসম্মত লক্ষ্য হলো দলটিকে এমন একটি অবস্থানে নিয়ে যাওয়া যাতে তারা আরও বেশি নজর কাড়তে পারে এবং সুন্দর ফুটবল খেলতে পারে। আমি ফুটবল খেলতে পছন্দ করি, বলের পেছনে দৌড়াতে পছন্দ করি না। আমি আমার খেলোয়াড়দেরও এটাই বলছি। বল তাড়া করা জিনিসটা আমি পছন্দ করি না। কারণ তখন আপনাকে শুধু শুধুই দৌড়াতে হয় বলটি ফিরে পাওয়ার জন্য, আর অধিকাংশ সময় আপনি বল ফেরতও পান না। আমি ফুটবল পায়ে রেখে খেলতে পছন্দ করি। আর আমি খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করতে চাই, কারণ কোনো কিছু পেতে হলে আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে।’