• ই-পেপার

ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ দলে চাঞ্চল্য

‘থাকছেন না’ ফোডেন-পামার-আর্নল্ডসহ যেসব তারকা

চার ‘বড় তারকা’ ছাড়াই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল ইংল্যান্ড

ক্রীড়া ডেস্ক
চার ‘বড় তারকা’ ছাড়াই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল ইংল্যান্ড
সংগৃহীত ছবি

অবশেষে গুঞ্জনটাই সত্যি হলো। ইংল্যান্ড জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ থমাস টুখেলের ঘোষিত ২৬ সদস্যের দলে জায়গা পেলেন না ফিল ফোডেন, হ্যারি ম্যাগুয়ার, ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার আরনল্ড ও কোল পালমার। 

তবে দলে সুযোগ পেয়েছেন ননি মাদুয়েকে এবং মৌসুম জুড়ে চোটের আঘাতে থাকা জুড বেলিংহ্যাম। আর ৬০ বছরের শিরোপা খরা ঘোচানোর লক্ষ্যে তাদের নেতৃত্ব দেবেন হ্যারি কেইন। আক্রমণভাগে তাকে সমর্থন যোগাবেন ইভান টনি, অলি ওয়াটকিন্স এবং মার্কাস রাশফোর্ড। 

বিশ্বকাপ শুরুর আগে আগামী ৬ জুন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এবং ১০ জুন কোস্টারিকার বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ইংল্যান্ড। এরপর ১৭ জুন ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান। গ্রুপের অন্য দুই প্রতিপক্ষ ঘানা ও পানামা। 

ইংল্যান্ডের পূর্ণাঙ্গ বিশ্বকাপ দল

গোলকিপার : জর্ডান পিকফোর্ড, ডিন হেন্ডারসন, জেমস ট্র্যাফোর্ড।

ডিফেন্ডার : এজরি কনসা, ড্যান বার্ন, জন স্টোনস, মার্ক গেহি, জারেল কুয়ানসাহ, টিনো লিভরামেন্তো, রিস জেমস, নিকো ও’রেইলি, জেড স্পেন্স।

মিডফিল্ড : জুড বেলিংহ্যাম, কোবি মাইনু, এলিয়ট অ্যান্ডারসন, ডেকলান রাইস, জর্ডান হেন্ডারসন, এবেরেচি এজে, মরগান রজার্স।

ফরোয়ার্ড : হ্যারি কেইন, ইভান টনি, অলি ওয়াটকিন্স, বুকায়ো সাকা, ননি মাদুয়েকে, মার্কাস রাশফোর্ড, অ্যান্থনি গর্ডন। 
 

টাইসনের বিপক্ষে বক্সিং রিংয়ে নামছেন ইব্রাহিমোভিচ!

ক্রীড়া ডেস্ক
টাইসনের বিপক্ষে বক্সিং রিংয়ে নামছেন ইব্রাহিমোভিচ!
ছবি : জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচের ইনস্টাগ্রাম থেকে

ফুটবল মাঠের পর এবার বক্সিং রিং মাতাতে প্রস্তুত জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। ৪৪ বছর বয়সী সুইডিশ কিংবদন্তি নিজেই ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি লড়বেন বিশ্বখ্যাত হেভিওয়েট বক্সার টাইসন ফিউরির বিপক্ষে।

নিজের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে এই চমকপ্রদ খবর জানান জ্লাতান। তিনি লেখেন, ‘চলুন, বক্সিংকে আবার তার পুরোনো গৌরবে ফিরিয়ে নিয়ে যাই!’

 

আগামী ১ আগস্ট আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে অনুষ্ঠিত হবে এই প্রদর্শনী লড়াই। জানা গেছে, এটি মূলত ফিউরির পরবর্তী বড় লড়াইয়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই আয়োজন করা হচ্ছে। সামনে অ্যান্থনি জশুয়ার বিপক্ষে সম্ভাব্য ম্যাচের আগে রিংয়ে নিজেকে ঝালিয়ে নিতে চান ফিউরি।

তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক সমর্থকই মজা করে বলছেন, ফিউরির কাজ মোটেও সহজ হবে না। কারণ ফুটবলের পাশাপাশি তায়কোয়ান্দো দক্ষতার জন্যও পরিচিত জ্লাতান।

ক্যারিয়ারে অসংখ্য অবিশ্বাস্য গোলের মতো এবারও নতুন চমক দিতে পারেন কি না, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে ২২ বছর পর ভারত চ্যাম্পিয়ন ইস্ট বেঙ্গল

ক্রীড়া ডেস্ক
নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে ২২ বছর পর ভারত চ্যাম্পিয়ন ইস্ট বেঙ্গল
সংগৃহীত ছবি

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। অবশেষে আবারও ভারতের শীর্ষ লিগের মুকুট উঠল ইস্ট বেঙ্গলের মাথায়। কলকাতার কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (আইএসএল) নাটকীয় প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে ইন্টার কাশিকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে লাল-হলুদ শিবির। 

ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (আইএসএল) ২০২৬-এর শেষ ম্যাচে জিতলেই শিরোপা নিশ্চিত ছিল ইস্ট বেঙ্গলের। তবে শুরুটা হয়েছিল দুঃস্বপ্নের মতো। ম্যাচের ১৫ মিনিটে আলফ্রেড প্লানাসের গোলে এগিয়ে যায় ইন্টার কাশি। মুহূর্তেই স্তব্ধ হয়ে যায় গ্যালারির হাজারো সমর্থক। 

কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে যেন নতুন রূপে মাঠে নামে বসুন্ধরা কিংসের সাবেক কোচ অস্কার ব্রুজোনের দল। গোল্ডেন বুটজয়ী ইউসুফ এজ্জেজ্জারি এবং মোহাম্মদ রশিদের গোলে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিয়ে বহু প্রতীক্ষিত শিরোপা জিতে নেয় কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি। 

২০০৪ সালে ন্যাশনাল ফুটবল লিগ জয়ের পর এই প্রথম আবার ভারতের শীর্ষ লিগের ট্রফি জিতল ইস্ট বেঙ্গল। দীর্ঘ দুই দশকের হতাশা, ব্যর্থতা আর অপেক্ষার অবসান ঘটল এক রোমাঞ্চকর রাতে। 

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছিল ইস্ট বেঙ্গল। ইউসুফ এজ্জেজ্জারির দূরপাল্লার শট অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়। মিগেল ফেরেইরার দুর্দান্ত বাইসাইকেল কিকও গোললাইন থেকে ঠেকিয়ে দেন ইন্টার কাশির ডিফেন্ডার নরেন্দর গাহলট। 

এরপরই আসে ধাক্কা। নিজেদের অর্ধ থেকে ডেভিড মুনিয়োজের নিখুঁত লং বল ধরে প্রথম স্পর্শেই গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন আলফ্রেড প্লানাস। পিছিয়ে পড়ে চাপে পড়ে যায় ইস্ট বেঙ্গল। 

প্রথমার্ধের বাকি সময়ে একের পর এক আক্রমণ করেও গোলের দেখা পায়নি লাল-হলুদরা। ১-০ ব্যবধানে পিছিয়েই বিরতিতে যায় তারা। 

তবে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ৫০ মিনিটে আনোয়ার আলির দারুণ থ্রু পাস পেয়ে ডিফেন্ডারদের কাটিয়ে ফাঁকা জালে বল পাঠান এজ্জেজ্জারি। সমতায় ফিরতেই নতুন উদ্যমে খেলতে শুরু করে ইস্ট বেঙ্গল। 

ক্রমেই বাড়তে থাকে চাপ। অবশেষে ৭৩ মিনিটে আসে শিরোপা নিশ্চিত করা গোল। বিপিন সিংয়ের বাড়ানো ক্রসে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন মোহাম্মদ রশিদ। 

শেষ কয়েক মিনিটে ইন্টার কাশি সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালালেও দৃঢ় রক্ষণে সব আক্রমণ সামলে নেয় ইস্ট বেঙ্গল। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসে ফেটে পড়ে পুরো স্টেডিয়াম। 

এবারের আইএসএলে ছিল না কোনো প্লে-অফ বা ফাইনাল। লিগ পর্ব শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দলকেই ঘোষণা করা হয়েছে চ্যাম্পিয়ন। আর সেই দৌড়ে শেষ দিনে মোহনবাগান, পাঞ্জাব এফসি, মুম্বাই সিটি এফসি ও জামশেদপুর এফসিকে পেছনে ফেলে সেরা হয়েছে ইস্ট বেঙ্গল। 

সমান পয়েন্ট পেয়েও গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় রানার্সআপ হয়েছে মোহনবাগান। শেষ ম্যাচে এসসি দিল্লিকে ২-১ গোলে হারালেও পাঁচ গোলের ব্যবধান পুষিয়ে উঠতে পারেনি তারা।

অন্যদিকে মুম্বাই সিটি এফসি ২-০ গোলে পাঞ্জাব এফসিকে হারিয়ে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করেছে। জামশেদপুর এফসি শিরোপার ক্ষীণ আশা নিয়ে মাঠে নামলেও ওডিশা এফসির সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে ছিটকে যায় লড়াই থেকে। 

ধোনি কি অবসর নেবেন? যা বললেন চেন্নাই কোচ

ক্রীড়া ডেস্ক
ধোনি কি অবসর নেবেন? যা বললেন চেন্নাই কোচ
মাহেন্দ্র সিং ধোনি

আইপিএলে আর দেখা যাবে কি না মাহেন্দ্র সিং ধোনিকে—এই প্রশ্নে আবারও সরগরম ক্রিকেট বিশ্ব। আর সেই জল্পনার মাঝেই ধোনির ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন চেন্নাই সুপার কিংসের বোলিং কোচ এরিক সিমন্স।

চলতি আইপিএল মৌসুমে একটি ম্যাচও খেলতে পারেননি ধোনি। প্রথমে কাফ ইনজুরিতে ভুগেছেন, পরে পুনর্বাসন শেষে ফেরার অপেক্ষায় থাকতেই আবার আঙুলে চোট পান তিনি।

চেন্নাইয়ের শেষ লিগ ম্যাচের আগে ধোনির অনুপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। পরে গুজরাট টাইটান্সের কাছে বড় ব্যবধানে হেরে প্লে-অফের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় দলের।

ম্যাচ শেষে ধোনি আগামী মৌসুমে খেলবেন কি না, এমন প্রশ্নে প্রথমে হাস্যকর ভঙ্গিতে প্রতিক্রিয়া দেন সিমন্স। এরপর তিনি বলেন, ‘শুধু ধোনিই জানেন তিনি কবে প্রস্তুত। আর ধোনিই সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি খেলবেন কি না।’

সিমন্স আরো জানান, ইনজুরির কারণে মাঠে নামতে না পারলেও নেটে দারুণ ব্যাটিং করেছেন ধোনি। তার ভাষায়, ‘অনেক দিন পর এত ভালোভাবে বল মারতে দেখেছি তাকে।’

তবে দলকে সাহায্য করতে পারবেন না মনে হলে ধোনি নিজেই সরে দাঁড়াবেন বলেও বিশ্বাস সিমন্সের। ‘সে নিজের জন্য নয়, সব সময় দলের ভালোটা ভেবেই সিদ্ধান্ত নেয়,’ বলেন চেন্নাই কোচ।

ধোনির অনুপস্থিতিতে এবারের আইপিএলে ভুগেছে চেন্নাই। অভিজ্ঞ এই তারকার নেতৃত্ব ও উপস্থিতি মাঠে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটি আরো একবার বুঝেছে দলটি।