• ই-পেপার

বিসিবি নির্বাচন ৭ জুন

পাকিস্তানের ‘যম’ লিটন

ক্রীড়া ডেস্ক
পাকিস্তানের ‘যম’ লিটন
সেঞ্চুরির পর লিটনের উদযাপন। ছবি : মীর ফরিদ, সিলেট থেকে

বাংলাদেশের বিপক্ষে বারবার মঞ্চ প্রস্তুত করেও উদযাপন করা হয় না পাকিস্তানের। আসলে প্রতিপক্ষের উদযাপনের মুহূর্তটা কেড়ে নেন লিটন দাস। আজও যেমন সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ ছিল পাকিস্তানের সামনে। কিন্তু লিটন সেটা হতে দিলেন না।

পাকিস্তানকে পেলেই বাংলাদেশের ত্রাণকর্তা হন লিটন। বারবার খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তুলছেন তিনি। বিপরীতে পাকিস্তানের ‘যম’ হয়ে ওঠছেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।

টেস্ট ক্যারিয়ারের ৬ সেঞ্চুরির তিনটিই পাকিস্তানের বিপক্ষে করেছেন লিটন। তিন অঙ্কের শুরুটাও পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০২১ সালে। চট্টগ্রামে অভিষেক সেঞ্চুরির ইনিংসটি খেলেন ১১৪ রানের। সেই ইনিংসটিও খেলেছেন এমন এক সময় যখন ৪৯ রানে ৪ ‍উইকেট হারিয়ে ‘থরহরি কম্প’ বাংলাদেশের।

 

সেদিন মুশফিকুর রহিমকে (৯১) সঙ্গে নিয়ে পঞ্চম উইকেটে ২০৬ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে টেস্টে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করেছিলেন লিটন। তার সেঞ্চুরিতেই প্রথম ইনিংসে ৩৩০ রান করেছিল বাংলাদেশ। যদিও তার ১১ চার ও ১ ছক্কার ইনিংসটি পূর্ণতা পায়নি। কেননা দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিং ধ্বসে ৮ উইকেটের হার দেখেছিল বাংলাদেশ।

রাওয়ালপিন্ডিতে অবশ্য শুধু লিটনের ব্যাট হাসেনি, হেসেছে বাংলাদেশও। প্রতিপক্ষের বিপক্ষে প্রথমবার টেস্ট জয়ের সঙ্গে সিরিজও জিতেছে। সেটিও আবার তাদের মাটিতে। দুই টেস্টের সিরিজে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করাটা সম্ভব হয়েছে লিটনের অনবদ্য সেঞ্চুরির কারণে। 

দলীয় ২৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস যখন তাসের ঘরের মতো ভেঙে যাওয়ার পথে ঠিক তখনি বাধ সাধলেন লিটন। সপ্তম উইকেটে সিরিজসেরা মেহেদী হাসান মিরাজের (৭৮) সঙ্গে ১৬৫ রানের জুটি গড়েন ৩১ বছর বয়সী ব্যাটার। ১৩ চার ও ৪ ছক্কায় ১৩৮ রানের ইনিংস খেলে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশকে ২৬২ রানের সংগ্রহ এনে দেন। পরে দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের ব্যাটিং অর্ডার ধসিয়ে ৬ ‍উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ। 

 

আজ সিলেটেও বাংলাদেশের প্রায় একই পরিণতি হয়েছিল। স্কোরকার্ডে ১১৬ রান জমা হতেই ৬ উইকেট নেই নাজমুল হোসেন শান্তর দলের। সেখান থেকে তাইজুল ইসলাম ও শরীফুল ইসলামদের সঙ্গী করে বাংলাদেশকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিলেন লিটন। দলের কঠিন মুহূর্তে যেভাবে ব্যাটিং করলেন তাতে মোহাম্মদ আব্বাস-খুররাম শেহজাদদের আনন্দ ফিকে হয়ে যায়। অথচ, একের পর এক উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানের বোলাররা তখন উড়ছিল সিলেটে।

পাকিস্তানের বোলারদের মাটিতে নামিয়ে পরে অবিশ্বাস্য এক সেঞ্চুরি হাঁকালেন লিটন। তিন অংকের ইনিংসের প্রতিটি বাউন্ডারি ছিল চোখে লেগের থাকার মতো। যেমনটা তার ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ব্যাটিং দেখে ইয়ান বিশপ বলেছিলেন, ‘লিটন যখন ব্যাট করে, মনে হয় মোনালিসার মত কোনো চিত্রকর্ম দেখছি।’ ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবদন্তি আজকের ইনিংসটি দেখলে হয়তো পুরোনো কথাই আরেকবার আওড়াবেন! পাকিস্তানের কিংবদন্তি রমিজ রাজা সিলেটের ধারাভাষ্যকক্ষ থেকে তো লিটনের ইনিংসটিকে এক শব্দে ‘মাস্টারক্লাসই’ বলে দিলেন।

১২৬ রানে থামার আগে মাঠের প্রায় চতুর্দিকে বল পাঠিয়েছেন লিটন। ১৬ চার ও ২ ছক্কার ইনিংসে কি ছিল না? হুক, পুল, সুইপ সবই খেলেছেন। তিন অংক যেমন স্পর্শ করলেন দারুণ এক কাভার ড্রাইভে। ইনিংসটি খেলার পথে অবশ্য দুইবার জীবন পেয়েছেন তিনি। ৩২ রানের সময় স্পিনার সাজিদ খানকে ক্যাচ দিয়ে প্রথমবার বেঁচে যান তিনি। অন্যদিকে ৫২ রানের সময় উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান ক্যাচ ধরে আবেদন করলে আম্পায়ার সাড়া দেন না। তবে হাতে রিভিউ থাকার পরে না নেওয়ায় জীবন পান লিটন। কেননা পরে রিপ্লেতে দেখা যায় লিটনের গ্লাভসে লেগেছিল বল। 

 

সবমিলিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছেন লিটন। ৭ টেস্টে ৬৫০ রান করেছেন তিনি। ৩ ছক্কার বিপক্ষে হাঁকিয়েছেন ২ ফিফটি। ৪৯২ রান নিয়ে দুইয়ে আছেন মুশফিক। কমপক্ষে ৭ টেস্ট খেলেছেন এমন দলের বিপক্ষেও সর্বোচ্চ ৫৯.০৯ গড় পাকিস্তানের বিপক্ষেই।
 
পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়ার ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ গড়ের তালিকা করা হলেও সেখানে বেশ সমৃদ্ধ লিটনের পরিসংখ্যান। বাবর আজম-শান মাসুদদের বিপক্ষে কমপক্ষে ১০ ইনিংস ব্যাটিং করেছেন এমন ব্যাটারদের মধ্যে বীরেন্দর শেবাগ (৯১.১৪) ও কুমার সাঙ্গাকারার গড়ের (৭৪.৬৪) পরেই লিটনের অবস্থান।

দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বকাপ দলে এক দ্বৈত নাগরিক

ক্রীড়া ডেস্ক
দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বকাপ দলে এক দ্বৈত নাগরিক
জার্মানিতে জন্ম নেওয়া জেন্স ক্যাস্ট্রপ দক্ষিণ কোরিয়ার হয়ে বিশ্বকাপে খেলবেন। ছবি : ইনস্টাগ্রাম

জন্ম জার্মানিতে, তার বাবা জার্মান, খেলছেন জার্মান ক্লাবে, বয়সভিত্তিক ফুটবলেও খেলেছেন জার্মানির হয়ে। কিন্তু জার্মানি জাতীয় দলে কখনোই ডাক পড়েনি। 

জার্মানি জাতীয় দলের হয়ে খেলার স্বপ্ন পূরণ না হওয়ায় শেষমেশ মায়ের দেশ দক্ষিণ কোরিয়াকে বেছে নেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে দক্ষিণ কোরিয়া জাতীয় দলে অভিষেকের পর থেকে এখন পর্যন্ত খেলেছেন ৫ ম্যাচ।

এবার আরো বড় স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে জেন্স ক্যাস্ট্রপের। দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন ২২ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। এর মধ্য দিয়ে ইতিহাসও গড়ে ফেলেছেন বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখের এই ফুটবলার। দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়া প্রথম দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ফুটবলার এখন ক্যাস্ট্রপ। 

প্রত্যাশিতভাবে এবারের বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়াকে নেতৃত্ব দেবেন সন হিউং-মিন। দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড তার। সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় দ্বিতীয় (৫৪)। 

চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলার অপেক্ষায় থাকা সন ছাড়া দলে স্ট্রাইকার হিসেবে ওহ হিউন-গিউ এবং চো গুয়ে-সাংকে রাখা হয়েছে। এতে আক্রমণে সনের ওপর কোরিয়ানদের অতিমাত্রায় নির্ভরতা আরো স্পষ্ট হয়েছে।

ক্যাস্ট্রপ ছাড়া স্কোয়াডে আর কোনো চমক নেই বললেই চলে। পিএসজি মিডফিল্ডার কাং লি ইন ও বায়ার্ন মিউনিখ ডিফেন্ডার কিম মিন-জায়ে প্রত্যাশিতভাবে দলে জায়গা পেয়েছেন। এ ছাড়া মূল একাদশে গোলপোস্টের নিচে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে জো হিউন-উ এবং কিম সেউং-গিউয়ের মধ্যে লড়াই হবে।

দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বকাপ স্কোয়াড

গোলরক্ষক : কিম সেউং-গিউ, সং বাম-কুন, জো হিউন-উ। 

রক্ষণভাগ : কিম মুন-হোয়ান, কিম মিন-জায়ে, কিম তে-হিয়ন, পার্ক জিন-সিওপ, সিওল ইয়ং-উ, জেনস ক্যাস্ট্রপ, লি কি-হিয়োক, লি তে-সেওক, লি হান-বিওম, চো ইউ-মিন। 

মাঝমাঠ : কিম জিন-গিউ, বে জুন-হো, পাইক সেউং-হো, ইয়াং হিউন-জুন, ইওম জি-সাং, কাং লি ইন, লি ডং-গিয়ং, লি জে-সাং, হাওয়াং ইন-বিওম, হাওয়াং হি-চ্যান। 

আক্রমণভাগ : সন হিউং-মিন (অধিনায়ক), ওহ হিউন-গিউ, চো গুয়ে-সাং।

বাবার এক ফোনেই বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ ছেলে

ক্রীড়া ডেস্ক
বাবার এক ফোনেই বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ ছেলে
সংগৃহীত ছবি

প্রত্যেক খেলোয়াড়েরই স্বপ্ন বিশ্বকাপে খেলা। তেমনি এক সুযোগ পেয়েছেন তিউনিসিয়ার লুই বেন ফারহাত। তবে উদীয়মান তারকার স্বপ্ন পূরণে বাদ সাধলেন তার বাবা। কোচকে ফোন দিয়ে তার বাবা জানিয়েছেন, ছেলেকে যেন স্কোয়াডে রাখা না হয়। অথচ, ছেলে বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়ায় খুশি হওয়ার কথা বাবার।

শেষ পর্যন্ত স্বপ্নকে বিসর্জন দিয়ে বাবার সিদ্ধান্তই মেনে নিলেন ফারহাত। ২০২৬ বিশ্বকাপে দেশের হয়ে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তরুণ ফুটবলার। সরে যাওয়ার স্পষ্টত কারণ জানা না গেলেও তিউনিসিয়ার একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, খারাপ পারফরম্যান্সের কারণে জার্মান লিগে সম্ভাব্য দলবদল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এই আশঙ্কা থেকেই সরে গেছেন তিনি।

এই সিদ্ধান্তে দেশটির ফুটবল অঙ্গনে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। সমর্থকদের একাংশ বিস্মিত, অন্য অংশ ক্ষুব্ধ। বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে এমন ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছে তিউনিসিয়া শিবিরও।

সম্প্রতি তিউনিসিয়া জাতীয় দলের সর্বশেষ অনুশীলন ক্যাম্পে ছিলেন লুই বেন ফারহাত। কোচ সাবরি লামুশির পরিকল্পনায়ও ছিলেন তিনি। তবে শুক্রবার সকালে হঠাৎ করেই পরিস্থিতি বদলে যায়।

সংবাদ সম্মেলনে সাবরি লামুশি জানান, সকালে ফুটবলারের বাবার কাছ থেকে ফোন পান তিনি। সেখানে জানানো হয়, এখনই জাতীয় দলে বিশ্বকাপ খেলার জন্য প্রস্তুত নন বেন ফারহাত এবং তিনি দলে যোগ দেবেন না।

ঘটনায় নিজের ক্ষোভও লুকাননি তিউনিসিয়া কোচ। লামুশি বলেন, ‘আজ সকালে লুই বেন ফারহাতের বাবার ফোন পাই। তিনি বলেন, এখনই তাকে জাতীয় দলে নেওয়ার সময় হয়নি এবং তারা রাজি নন। আমি বিস্মিত হয়েছি। পরে আমি লুইকে ফোন করি, সে ধরেনি। আবার তার বাবাকে ফোন করি, তিনিও ধরেননি। এটা অসম্মানজনক আচরণ। এই অধ্যায় এখানেই শেষ।’

তিউনিসিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, খেলোয়াড়ের পরিবার আশঙ্কা করছে বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্স হলে জার্মান বুন্দেসলিগায় সম্ভাব্য ট্রান্সফার বাধাগ্রস্ত হতে পারে। বর্তমানে কার্লসরুহের হয়ে খেলছেন বেন ফারহাত এবং জার্মানির বেশ কয়েকটি ক্লাব তাকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে।

তবে জাতীয় দলের ডাকে সাড়া না দেওয়ার সিদ্ধান্ত সহজভাবে নিচ্ছেন না সমর্থকেরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই এটিকে দেশের প্রতি দায়বদ্ধতার অভাব হিসেবে দেখছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, নিজের ক্যারিয়ারকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অধিকার একজন খেলোয়াড়ের রয়েছে। 

বার্সেলোনার সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টানছেন লেভানডোভস্কি

ক্রীড়া ডেস্ক
বার্সেলোনার সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টানছেন লেভানডোভস্কি
সংগৃহীত ছবি

চলতি মৌসুমে বার্সেলোনার সঙ্গে পোলিশ তারকা রবার্ট লেভানডভস্কির চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। চুক্তির মেয়াদ শেষে এই গ্রীষ্মে বার্সা ছাড়ছেন ৩৭ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার। শনিবার (১৬ মে) নিজ ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে এমনটি জানান তিনি।

২০২২ সালে বায়ার্ন মিউনিখ থেকে বার্সেলোনা যোগ দিয়েছিলেন লেভানডোভস্কি। বার্সেলোনার হয়ে ১৯১ ম্যাচে ১১৯ গোল করেছেন। লেভানডোভস্কি বার্সাকে এই মৌসুমের শিরোপাসহ তিনটি লা লিগা শিরোপা এবং ২০২৫ সালের কোপা দেল রে জিততে সাহায্য করেছেন।

স্যোশাল প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রামে লেভানডোভস্কি বলেন, ‌‌‘চার বছরের কঠোর পরিশ্রম ও চ্যালেঞ্জ পর, এখন এগিয়ে যাওয়ার সময়। মিশন সম্পূর্ণ , এই অনুভূতি নিয়ে বিদায় নিচ্ছি। চার মৌসুমে তিন শিরোপা।

চরম দুর্দিনে এবং আর্থিক সংকটে থাকা অবস্থায় বার্সায় যোগ দেন এই ফরোয়ার্ড। লা লিগা শিরোপা পুররুদ্ধারসহ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপার লড়াইয়েও সাহায্য করেন।

বার্সা তার যোগ্য স্থানে ফিরে এসেছে বলে যোগ করেন লেভানডোভস্কি।

আগামীকাল বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যু স্টেডিয়ামে শেষবারের মতো রিয়াল বেটিসের বিপক্ষে মাঠে নামবেন লেভানডোভস্কি। কোচ হানসি ফ্লিক নিশ্চিত করেছেন যে তিনি প্রথম একাদশেই থাকবেন।