দীর্ঘ শিরোপা খরা ঘুচিয়ে আর্জেন্টাইন হিরো বনে গেছেন মহাতারকা লিওনেল মেসি। ম্যারাডোনার পর লিওনেল মেসি জনপ্রিয়তা আর্জেন্টিনা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে সারা বিশ্বে। মেসির শৈশবের আর্জেন্টাইন ক্লাব নিউক্যাসেল ওল্ড বয়েজের সমর্থকেরা অভিনব এক পাগলোমিতে মেতেছে। ঘরের ছেলে লিওনেল মেসিকে ফুটবল ইতিহাসের সেরা এবং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে সম্মান জানিয়ে একটি বিশাল ব্যানার প্রদর্শন করেছে ক্লাবটির সমর্থকরা।
লিওনেল মেসির শৈশবের এই ক্লাবটি এবং এর সমর্থকরা প্রায়ই তাদের প্রিয় তারকার প্রতি এভাবে ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা নিবেদন করে থাকে।
ক্লাবের সমর্থকরা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে গ্যালারিতে বড় বড় ব্যানার টানিয়ে মেসির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে। অতীতে রোজারিওতে মেসির পরিবারের ব্যবসার ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার পর ভক্তরা ব্যানার তুলে ধরেছিল, যাতে লেখা ছিল ‘লিও, তুমি একটি ভালোবাসাময় দেশের হৃদয়। নিউক্যাসেল তোমার পাশে আছে।’
ক্লাবটি তাদের ঘরের মাঠ এস্তাদিও মার্সেলো বিয়েলসা স্টেডিয়ামের একটি স্ট্যান্ডের নাম পরিবর্তন করে মেসির নাম রেকেছে। এই স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার অন্য এক মহান ফুটবল ঈশ্বর দিয়েগো ম্যারাডোনার নামেও একটি স্ট্যান্ড রয়েছে। যিনি ১৯৯৩-৯৪ মৌসুমে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ক্লাবটিতে খেলেছিলেন। ফলে একই ছাদের নিচে ফুটবল ইতিহাসের দুই অবিসংবাদিত সেরার নাম যুক্ত হয়েছে।
মেসি মাত্র ৬ বছর বয়সে এই ক্লাবের যুব দলে যোগ দেন এবং ১৩ বছর বয়সে বার্সেলোনায় পাড়ি জমানোর আগ পর্যন্ত এখানে খেলেছেন।
মেসিকে ইন্টার মায়ামি থেকে ধারে এনে অন্তত ৬ মাসের জন্য হলেও আবারও ক্লাবের লাল-কালো জার্সি গায়ে জড়ানোর একটি ঐতিহাসিক প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছে নিউক্যাসেল ওল্ড বয়েজ।
ক্যারিয়ারের শেষলগ্নে মেসি যেন তার প্রথম ভালোবাসার ক্লাবে ফিরে আসেন এমন চাওয়া ভক্তদের।







