• ই-পেপার

‘কফি উইথ করণে’ কেন কোহলিকে কখনো আমন্ত্রণ জানাননি করণ

চেলসির নতুন কোচ জাবি আলোনসো

ক্রীড়া ডেস্ক
চেলসির নতুন কোচ জাবি আলোনসো
ছবি : রয়টার্স

নতুন মৌসুমের আগে বড় চমক দেখাল চেলসি। ক্লাবটির নতুন ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাবেক রিয়াল কোচ জাবি আলোনসো। চার বছরের চুক্তিতে জুলাই থেকে দায়িত্ব নেবেন ৪৪ বছর বয়সী এই কোচ।

চেলসির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোনসোর নিয়োগের ঘোষণা আসে এফএ কাপের ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হারের এক দিন পর। ক্লাবটি আশা করছে, বারবার কোচ পরিবর্তনের অস্থিরতা কাটিয়ে আলোনসো স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারবেন।

গত জানুয়ারিতে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়েন আলোনসো। এর আগে জার্মান ক্লাব বায়ার লেভারকুসেনের দায়িত্বে তিন বছর কাটিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন তিনি। তার অধীনেই ২০২৪ সালে প্রথমবারের মতো বুন্দেসলিগা শিরোপা জেতে লেভারকুসেন। পাশাপাশি জিতেছিল জার্মান কাপও।

চেলসিতে যোগ দিয়ে আলোনসো বলেন, ‘চেলসি বিশ্বের অন্যতম বড় ক্লাব। এই ক্লাবের ম্যানেজার হতে পেরে আমি ভীষণ গর্বিত। মালিকপক্ষ ও ফুটবল পরিচালকদের সঙ্গে আলোচনায় বুঝেছি, আমাদের লক্ষ্য একই—এমন একটি দল গড়া, যারা নিয়মিত সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবং শিরোপার জন্য লড়বে।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘দলে দারুণ প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে এবং এই ক্লাবের সম্ভাবনাও অনেক বড়। এই দলকে নেতৃত্ব দেওয়াটা আমার জন্য সম্মানের। এখন মূল লক্ষ্য কঠোর পরিশ্রম, সঠিক সংস্কৃতি তৈরি করা এবং ট্রফি জেতা।’

চলতি মৌসুমে চেলসিতে কোচ পরিবর্তনের ধারা অব্যাহত ছিল। এনজো মারেস্কা ও লিয়াম রোজেনিয়রের পর অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে দ্বিতীয়বার দায়িত্ব পালন করছেন ক্যালাম ম্যাকফারলেন। মৌসুমের শেষ দুই প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচেও তিনিই দায়িত্বে থাকবেন।

খেলোয়াড়ি জীবনে লিভারপুলের হয়ে পাঁচ বছর খেলেছেন আলোনসো। ২০০৫ সালে ইংলিশ ক্লাবটির হয়ে জিতেছিলেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। এছাড়া রিয়াল সোসিয়েদাদ, রিয়াল মাদ্রিদ ও বায়ার্ন মিউনিখের জার্সিতেও খেলেছেন তিনি।

স্পেন জাতীয় দলের হয়েও ছিল সমৃদ্ধ ক্যারিয়ার। ১১৪ ম্যাচ খেলে ২০১০ বিশ্বকাপ ও দুটি ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের অংশ ছিলেন এই মিডফিল্ড তারকা।
 

বিশ্বকাপে যেমন হতে পারে আর্জেন্টিনার একাদশ

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে যেমন হতে পারে আর্জেন্টিনার একাদশ
ছবি : এআই

২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দল সাজাচ্ছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। মেসি-আলভারেজদের নিয়ে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে যাচ্ছেন তিনি। বিশ্বকাপের ঠিক আগমুহূর্তে তাই ফুটবল বিশ্লেষকদের আলোচনায় আছে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ। 

চতুর্থ শিরোপার মিশনে যাওয়া স্কালোনি আলবিসেলেস্তেদের খেলাতে পারেন ৪-৪-২ ফরমেশনে। 

সবকিছু ঠিক থাকলে গোলপোস্টের নিচে দেখা যেতে পারে ‘বাজপাখি’ খ্যাত এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে। 

সম্ভাব্য একাদশে রক্ষণে থাকতে পারেন নিকোলাস ট্যাগলিয়াফিকো, লিসান্দ্রো মার্তিনেস, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ও নাহুয়েল মলিনাকে। 

মাঝমাঠে থাকতে পারেন জুলিয়ানো সিমিওনে, রদ্রিগো ডি পল, এনজো ফার্নান্দেজ ও আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। 

আর আক্রমণে দলের প্রাণ ভোমরা লিওনেল মেসির সঙ্গে থাকতে পারেন হুলিয়ান আলভারেজ। এক্ষেত্রে মেসি ডানে ও আলভারেজ থাকতে পারেন বায়ে। 

সম্ভাব্য একাদশ 

গোলরক্ষক : এমিলিয়ানো মার্তিনেজ

ডিফেন্ডার : লিসান্দ্রো মার্তিনেস, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ট্যাগলিয়াফিকো ও নাহুয়েল মলিনা

মিডফিল্ডার : জুলিয়ানো সিমিওনে, রদ্রিগো ডি পল, এনজো ফার্নান্দেজ ও আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার 

ফরোয়ার্ড : লিওনেল মেসি ও হুলিয়ান আলভারেজ

বার্সা নাকি পিএসজি, চ্যাম্পিয়নস লিগে কার হয়ে জেতা কেমন ছিল জানালেন এনরিকে

ক্রীড়া ডেস্ক
বার্সা নাকি পিএসজি, চ্যাম্পিয়নস লিগে কার হয়ে জেতা কেমন ছিল জানালেন এনরিকে
সংগৃহীত ছবি

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনালের আগে আত্মবিশ্বাসী হলেও অতীত নিয়ে ভাবতে রাজি নন পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে। আর্সেনালের বিপক্ষে মহারণের আগে নিজের লক্ষ্য স্পষ্ট করে দিয়েছেন স্প্যানিশ এই কৌশলী। পিএসজির সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বার ইউরোপ সেরার মুকুট জিততে চান বলে জানিয়েছেন তিনি। 

সংবাদ সম্মেলনে এনরিকে বলেন, ‘প্রথম ট্রফিটা (২০১৫ সালে বার্সেলোনার হয়ে) ছিল অসাধারণ এবং ভোলার মতো নয়। কিন্তু এখন আমার সেটা মনেও পড়ে না। ওটা ইতিহাসের অংশ। দ্বিতীয় ট্রফিটাই (গত মৌসুমে পিএসজির হয়ে) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’ 

তবে ফাইনাল সামনে থাকলেও দল এখনই সেটি নিয়ে অতিরিক্ত ভাবছে না বলে জানান তিনি। এনরিকের মতে, বড় ম্যাচের সেরা প্রস্তুতি হচ্ছে প্রতিদিনের ম্যাচে শতভাগ মনোযোগ দেওয়া।

তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমরা এখনো ফাইনাল নিয়ে আলোচনা করিনি। সবচেয়ে ভালো প্রস্তুতি হলো আগামীকালের ম্যাচে পুরো মনোযোগ দেওয়া। ফাইনালে সবকিছু নির্ভর করবে ছোট ছোট মুহূর্তের ওপর, ঠিক যেমনটা হয়েছিল লিভারপুল বা বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ম্যাচগুলোতে। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, ফাইনালে ওঠাটাই কত বড় সৌভাগ্যের বিষয়।’

গত মৌসুমে ইন্টার মিলানকে ৫-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয়ের স্মৃতি নিয়েও খুব একটা আগ্রহ দেখাননি এনরিকে। তার মতে, অতীত নিয়ে বেশি ভাবলে মনোযোগ নষ্ট হয়।

এনরিকে বলেন, ‘আমি কিছুই মনে রাখতে চাই না। অতীত নিয়ে পড়ে থাকলে মনোযোগ সরে যায়। আমি বিশ্বাস করি, আমরা আবারো চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিততে সক্ষম। এটাই আমার অনুপ্রেরণা। আমি চাই খেলোয়াড় থেকে শুরু করে সমর্থক—সবাই প্রস্তুত থাকুক।’

দ্রগবার ‘অ্যাসিস্টে’ মুগ্ধ প্যারিস!

ক্রীড়া ডেস্ক
দ্রগবার ‘অ্যাসিস্টে’ মুগ্ধ প্যারিস!
পুরস্কার হাতে দ্রগবা। ছবি : সংগৃহীত

ফুটবল ছেড়েছেন অনেক আগেই। কিন্তু আইভরি কোস্ট তারকা দিদিয়ের দ্রগবা যেন এখনো মাঠের সেই পুরোনো জাদু ভুলে যাননি। ফ্রান্সের প্যারিসে আয়োজিত লেস ট্রফিস ইউএনএফপি গালায় তার একটি ছোট মুহূর্তই এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।

অনুষ্ঠানে ‘জ্যুয়র সিতোয়েন’-(সম্মানজনক মানবিক পুরস্কার) সম্মানে ভূষিত হন দ্রগবা। আফ্রিকাজুড়ে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে দীর্ঘদিনের সামাজিক কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

তবে পুরস্কারের মঞ্চের বাইরের এক ঘটনাই সবচেয়ে বেশি আলো কাড়ে। গালার মাঝেই এক কিশোর অতিথি দ্রগবার দিকে একটি বল ছুড়ে দেয়। কালো স্যুট পরে থাকা সাবেক এই স্ট্রাইকার মুহূর্তেই পুরোনো রূপে ফিরে যান। দারুণ দক্ষতায় বল নিয়ন্ত্রণ করে হাসিমুখে সেটি ফিরিয়ে দেন।

 

কিশোরটির উচ্ছ্বসিত প্রতিক্রিয়া দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অনেকেই মজা করে এটিকে দ্রগবার ‘ক্যারিয়ারের সেরা অ্যাসিস্ট’ বলেও মন্তব্য করেন।

ঘটনার পর আরো একটি আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হয়। সেই কিশোর চুপিচুপি দ্রগবার হাতে একটি গোলাপ তুলে দেয়, যা ছিল তার সঙ্গিনীর জন্য। বিষয়টি বুঝতে পেরে দ্রগবা হাসিমুখে ফুলটি তার সঙ্গিনীর হাতে তুলে দেন।