• ই-পেপার

ফুটবলে এক বছরের নিষেধাজ্ঞায় বিকেএসপি

সূর্যবংশীকে নিয়ে ভারতীয় কিংবদন্তির ভবিষ্যদ্বাণী

ক্রীড়া ডেস্ক
সূর্যবংশীকে নিয়ে ভারতীয় কিংবদন্তির ভবিষ্যদ্বাণী
সংগৃহীত ছবি

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) চলতি মৌসুমে মনোমুগ্ধকর ব্যাটিং শৈলি প্রদর্শন করে যাচ্ছে ভারতীয় তরুণ ব্যাটসম্যান বৈভব সূর্যবংশী। সূর্যবংশীর অসাধারণ পাওয়ার-হিটিং ক্ষমতা ও পরিপক্কতার প্রশংসা করেছেন ভারতীয় কিংবদন্তি ক্রিকেটার অনিল কুম্বলে। আইপিএলের এক মৌসুমে সর্বাধিক ছক্কা মারা ক্রিস গেইলের রেকর্ড ভাঙার সম্ভাবনায় আছে এই তরুণ ক্রিকেটারের। এমন ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন অনিল কুম্বলে।
 
এশিয়া নিউজ ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গেল মঙ্গলবার লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে রাজস্থান রয়্যালসের রান তাড়া করার সময় ১৫ বছর বয়সী এই কিশোরের নির্ভীক মনোভাব এবং অসাধারণ বাউন্ডারি হাকানোর ক্ষমতায় মুগ্ধ হয়েছেন অনিল কুম্বলে।

ম্যাচে সূর্যবংশী ৩৮ বলে ৯৩ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলে রয়্যালসকে ১৯.১ ওভারে ২২১ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে সাহায্য করেন।

কুম্বলে বলেছেন, এত অল্প বয়সে তার সচেতনতা ও স্থিরতা তাকে আধুনিক ক্রিকেটে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে। খুব কম ব্যাটসম্যানই এত সহজে কভারের উপর দিয়ে ছক্কা মারতে পারে।

এমন প্রতিভাকে বর্ণনা করার মতো শব্দ এখনও মানুষের কাছে আছে। আমার নিজের শব্দভাণ্ডারই ফুরিয়ে আসছে। এই ছেলেটি খুবই বিশেষ। যা আরো বেশি চোখে পড়ে তা হলো তার মানসিকতা। যখনই সে কথা বলে, তাকে তার বয়সের তুলনায় অনেক বেশি পরিণত মনে হয় বলে যোগ করেন তিনি।

সূর্যবংশী প্রথম ভারতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে এক আইপিএল আসরে ৫০টি ছক্কা হাঁকান। চলতি মৌসুমে ছক্কার সংখ্যা এখন ৫৩। এক আইপিএল মৌসুমে সর্বাধিক ছক্কার তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন ক্রিস গেইল (২০১২ সালে ৫৯টি), তারপরে রয়েছেন সূর্যবংশী (২০২৬ সালে ৫৩*), আন্দ্রে রাসেল (২০১৯ সালে ৫২টি), ক্রিস গেইল (২০১৩ সালে ৫১টি), জস বাটলার (২০২২ সালে ৪৫টি), ক্রিস গেইল (২০১১ সালে ৪৪টি) এবং অভিষেক শর্মা (২০২৪ সালে ৪২টি)। 

এক মৌসুমে সর্বাধিক ছক্কার রেকর্ডটি ক্রিস গেইলের দখলে, আর সূর্যবংশী ৫৩। এতে রাজস্থানের আরো একটি লিগ ম্যাচ এবং তারপর প্লে-অফ। এতে আরো কয়েকটি ম্যাচের সুযোগ পাবেন রাজস্থানের এই খেলোয়াড়। কুম্বলে ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, সূর্যবংশী গেইলের রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস গড়বেন।

কুম্বলের ভবিষদ্বাণী নিয়ে ইতিমধ্যে সর্বমহলে আলোচিত হচ্ছে। দেখা যাক চলতি আইপিএলে এই বিস্ময় বালক গেইলের রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে কি না।

পাকিস্তানের অধিনায়কত্ব ছাড়তে পারেন শান মাসুদ

ক্রীড়া ডেস্ক
পাকিস্তানের অধিনায়কত্ব ছাড়তে পারেন শান মাসুদ
শান মাসুদ। ছবি: কালের কণ্ঠ

শান মাসুদের নেতৃত্বের রেকর্ড মোটেও ভালো নয়। তার অধিনায়কত্বে ১৬ টেস্ট খেলে ১২টিতেই হেরেছে পাকিস্তান। এর মধ্যে টানা দুবার বাংলাদেশের বিপক্ষে হয়েছে ধবলধোলাই, যেটিকে পাকিস্তান ক্রিকেটের অধঃপতন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নেতৃত্বে এমন বাজে অভিজ্ঞতার পর অধিনায়কত্ব ছাড়তে পারেন শান মাসুদ। তার জায়গা নিতে পারেন বাবর আজম, যার আগে দুই দফা পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা আছে। 

সিলেট আজ বাংলাদেশের কাছে পাকিস্তান ৭৮ রানে হারার পর শান মাসুদের নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যদিও মাসুদ এখনো পদত্যাগের ঘোষণা দেননি। 

তবে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও সুপারের দাবি, বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ হারার পর অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শান মাসুদ। জিও সুপারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাসুদ তার ঘনিষ্ঠজনদের জানিয়েছেন, তিনি আর অধিনায়কত্ব করতে চান না। 

যদিও ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে শান মাসুদ জানালেন,  চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি), ‘আমার উদ্দেশ্য পরিষ্কার। আমি যদি টেস্ট ক্রিকেটে কোনো দায়িত্ব নিয়ে থাকি, সেটা দলের উন্নতির জন্যই। কিছু বিষয় আছে, যা বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা ও বিতর্কের দাবি রাখে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সব সময় বোর্ডই নিয়ে থাকে।’

৩৬ বছর বয়সী এই ব্যাটার আরো বলেন, ‘যে অবস্থাতেই থাকি, আমার চেষ্টা একই থাকবে। শুধু অধিনায়কের চেয়ারে বসে বা খেলোয়াড় হিসেবে কথা বলতেই হবে, এমন নয়। জীবন আমাদের কোথায় নিয়ে যায়, আমরা জানি না। তবে এই জার্সি আমি গর্বের সঙ্গে পরেছি এবং এই কাজের জন্য সবকিছু পাশে সরিয়ে রেখেছি।’

এদিকে, পাকিস্তানের দলীয় সূত্রের বরাতে একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শান মাসুদ অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিলে তার জায়গা নিতে পারেন বাবর আজম। 

দলের এক কর্মকর্তা সিলেট টেস্টের আগে বলেছেন, ‘বোর্ডের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি বাবরকে আবার অধিনায়ক হিসেবে দেখতে চান। তাদের বিশ্বাস, এখনই বাবরকে নেতৃত্ব দেওয়ার সঠিক সময়। সে যদি সিলেট টেস্টে ব্যাটিংয়ে ছন্দ ফিরে পায়, তাহলে অধিনায়ক হিসেবে ফেরার দৌড়ে শক্ত অবস্থানে থাকবে। বোর্ডের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনায় জানা গেছে, বাবর নিজেও অধিনায়ক হতে আগ্রহী।’ 

ফেডারেশন কাপ

দুইবার পিছিয়ে পড়েও মোহামেডানকে হারিয়ে হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস

ক্রীড়া ডেস্ক
দুইবার পিছিয়ে পড়েও মোহামেডানকে হারিয়ে হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস
ফেডারেশন কাপের ফাইনালে আজ হ্যাটট্রিক করেছেন দরিয়েলতন। ছবি : কালের কণ্ঠ

ফাইনাল বলে কথা! বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় ফেডারেশন কাপের ফাইনালটাও তাই দেখার মতোই হলো। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে এক দল আরেক দলকে বিন্দুমাত্র ছাড় দিচ্ছিল না।

এমন রোমাঞ্চকর ফাইনালে দু’দুবার পিছিয়ে পড়ে বসুন্ধরা কিংস। তবে ম্যাচে কখনোই মনোবল হারায়নি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। যার প্রমাণ ম্যাচ শেষের ফল। দুর্দান্ত কামব্যাকে ৩-২ গোলের জয়ে শিরোপা নিজেদের ঘরেই রাখল বসুন্ধরা। তাতে হ্যাটট্রিক শিরোপা জিতল তারা। আর সব মিলিয়ে পঞ্চম ট্রফি।

বসুন্ধরার হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের নায়ক দরিয়েলতন গোমেজ। দলের হ্যাটট্রিক শিরোপার মতো আজ ফাইনালে হ্যাটট্রিক করেছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।

ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে পিছিয়ে পড়ে বসুন্ধরা। ডি বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক ফ্রি কিকে মোহামেডানকে আনন্দে ভাসান মোজাফফর মোজাফফরভ। ডান প্রান্ত থেকে উজবেকিস্তানের মিডফিল্ডারের শটটি জালে জড়ানো দেখা ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না বসুন্ধরার গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণের।

ফিরতি মিনিটেই অবশ্য ঘুরে দাঁড়ানোর রসদ পায় বসুন্ধরা। মোহামেডানের গোলরক্ষক সুজন বল ধরতে গিয়ে স্যামুয়েলকে বক্সের মধ্যে ফেলে দিলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে কিছু সময় বিরোধিতা করলেও শেষে মেনে নেয় মোহামেডান। দলকে সমতায় ফেরানোর সুযোগ পেয়ে ভুল করেননি দরিয়েলতন। সফল স্পটকিকে নিজের হ্যাটট্রিকের শুরুটা করেন তিনি।

সমতায় ফেরার পর ১২ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল বসুন্ধরা। তবে রাকিব হোসেন বলকে জালে জড়ালেও তার আগে বসুন্ধরার এক খেলোয়াড়ের হাতে বল লাগায় ফ্রি কিকের বাঁশি বাজান রেফারি। মন্দ ভাগ্য মোহামেডানেরও। ২২ মিনিটে পেনাল্টি পাওয়ার পরেও গোল করতে ব্যর্থ হন স্পটকিক নেওয়া মোজাফফরভ। মোহামেডানের অধিনায়কের শট ডান দিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক শ্রাবণ।

বিরতিতে যাওয়ার ১০ মিনিট আগে অবশ্য ঠিকই দ্বিতীয়বার এগিয়ে যাওয়ার উদযাপন করে মোহামেডান। ৩৫ মিনিটে বক্সের মধ্যে থেকে গোলটি করেন সৌরভ দেওয়ান। সমতায় ফেরানোর সুযোগ সৃষ্টি করলেও পরে সেটা পারেনি বসুন্ধরা। তবে বিরতির পর পরেই সমতায় ফেরে তারা।

এবারও সমতায় ফেরানোর নায়ক দরিয়েলতন। ৫০ মিনিটে রাকিব হোসেন ডিফেন্স চেরা এক পাসে গোলরক্ষককে একা পেয়ে ঠান্ডা মাথায় বলকে জালে জড়ান তিনি। আর ৭৯ মিনিটে মোহামেডানের আবারও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন শেষ করে দেন। প্রায় মাঝ মাঠে রিমনের পাস ধরে প্রতিপক্ষের শেষ ডিফেন্ডারকে দৌড়ে ছিটকে ফেলে বক্সে পরে যাওয়ার আগ মুহূর্তে আলতো টোকায় বলকে জালে জড়ান। 

এরপর গায়ের জার্সি খুলে কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের মতো দৌড় শুরু করলেন দরিয়েলতন। তবে উদযাপনের মূল আকর্ষণ দৌড় শেষেই ছিল। জার্সিটা মাটিতে রেখে তার চারপাশে দাঁড়িয়ে সতীর্থদের সঙ্গে গোল হয়ে উদযাপন করলেন তিনি। সেই উদযাপনের রেশ পরে ম্যাচ শেষেও রইল। ৩-২ গোলের জয়ে শিরোপা নিজেদের কাছেই রাখল বসুন্ধরা। ফেডারেশন কাপের আগে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যালেঞ্জ কাপ জিতেছে বসুন্ধরা।

শামিকে অসম্মান, সমালোচনার মুখে অজিত আগারকার

ক্রীড়া ডেস্ক
শামিকে অসম্মান, সমালোচনার মুখে অজিত আগারকার
সংগৃহীত ছবি

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের জন্য স্কোয়াড ঘোষণা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ড। টেস্ট দলে এবারও জায়গা হলো না ভারতীয় তারকা পেসার মোহাম্মদ শামীর। স্কোয়াড থেকে মোহাম্মদ শামির বাদ পড়াটা কি কোন ইঙ্গিত বহন করছে। নির্বাচকরা এই অভিজ্ঞ পেসারের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন। এ নিয়ে জোর গুঞ্জন চলছে ভারতীয় ক্রিকেট অঙ্গনে। বিষয়টি পরিষ্কার করেছে প্রধান নির্বাচক অজিত আগারকার। ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়ায় স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন শামী।

হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সব ফরম্যাটে তরুণ খেলোয়াড়দের নিয়ে দল গড়ার দিকে ব্যাপকভাবে মনোযোগ দিয়েছে ভারত। সিনিয়র খেলোয়াড়দের সুযোগ দ্রুত কমে আসছে বলে মনে হচ্ছে। টিম ম্যানেজমেন্টের বর্তমান দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্টতই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ইঙ্গিত । বিশেষ করে সাদা বলের ক্রিকেটে বেশ কিছু তরুণকে ধারাবাহিকভাবে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এতে শামির জাতীয় দলে পুনরায় জায়গা পাওয়া ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়বে।

প্রধান নির্বাচক অজিত আগারকার বলেছেন, টিম ম্যানেজমেন্ট মনে করে শামি এখনো লাল বলের ক্রিকেটের ধকল সামলানোর জন্য শারীরিকভাবে প্রস্তুত নন।

আমাদের যতটুকু জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে তার শরীর তাকে সায় দিচ্ছে… আমি জানি সে এই বছর ঘরোয়া মৌসুমে খেলেছে। কিন্তু আমি যে তথ্য পেয়েছি, তাতে এই মুহূর্তে সে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের জন্যই প্রস্তুত। তাই তার নাম নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে যোগ করে এই নির্বাচক।

শামীকে বাদ দেওয়ার ব্যাখ্যা নিয়ে প্রধান নির্বাচকের তীব্র সমালোচনা করেছেন ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যান ওয়াসিম জাফর। তিনি এই যুক্তিকে শামীর মতো একজন খেলোয়াড়ের প্রতি ‘অসম্মানজনক’ বলে অভিহিত করেছেন।

উল্লেখ্য, এই অভিজ্ঞ ফাস্ট বোলার গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে শেষবার ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। তারপর থেকে সম্পূর্ণ ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পেতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। লাল বলের ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তনে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরে রঞ্জি ট্রফিতে খেলেছিলেন। কিন্তু তাতে টেস্টে ডাক পেলেন না।

ফুটবলে এক বছরের নিষেধাজ্ঞায় বিকেএসপি | কালের কণ্ঠ