• ই-পেপার

বেঞ্চে কিংসলে, অভিষেক জনির

৬০ বছরের ‘অভিশাপ’ থেকে ইংল্যান্ডের মুক্তি

ক্রীড়া ডেস্ক
৬০ বছরের ‘অভিশাপ’ থেকে ইংল্যান্ডের মুক্তি

১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রথমে পিছিয়ে পড়েও জার্মানির বিপক্ষে জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর দীর্ঘ ৬০ বছর প্রথমে পিছিয়ে পড়ে কোন ম্যাচে জয় পায়নি থ্রি লায়নরা। অবশেষে দেশকে সে অভিশাপ থেকে মুক্তি দিলেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচের সপ্তম মিনিটে পিছিয়ে পড়ার পর কোন ভাবেই ম্যাচে ফিরতে পারছিল না ইংল্যান্ড। অবশেষে ম্যাচের শেষ দিকে ৭৫ ও ৮৬ মিনিটে কেইনের দুর্দান্ত দুই গোলে জয় নিজেদের করে নেয় থমাস টুখেলের দল।

ম্যাচের নায়ক বনে যাওয়ার পাশাপাশি কেইন ভেঙেছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার পেলের রেকর্ডও। চলতি আসরেই পাঁচ গোল করে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভাঙার পাশাপাশি মোট ১৩ গোল নিয়ে পেছনে ফেলেছেন পেলেকেও।

এরই সঙ্গে দলকে শেষ ষোলোয় নিয়ে গেলেন কেইন। সেখানে কোয়ার্টারে ওঠার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশ মেক্সিকো। 

পেলের রেকর্ড ভেঙে ইংল্যান্ডকে জয় এনে দিলেন কেইন

ক্রীড়া ডেস্ক
পেলের রেকর্ড ভেঙে ইংল্যান্ডকে জয় এনে দিলেন কেইন
রয়টার্সের ছবি

ম্যাচের লম্বা সময় এগিয়ে ছিল ডিআর কঙ্গো। তাদের সপ্তম মিনিটে করা গোল শোধ দিতে মরিয়া ইংল্যান্ডের ত্রাণকর্তা হয়ে এগিয়ে এলেন হ্যারি কেইন। ম্যাচের শেষ দিকে ১১ মিনিটের ব্যাবধানে দুই গোল করে দলকে ২-১ গোলের জয় এনে দেন তিনি। 

ম্যাচের শুরুতেই ইংল্যান্ড শিবিরে আঘাত হানে ডিআর কঙ্গো। মাত্র সাত মিনিটের মাথায় ব্রিটিশদের স্তব্ধ করা এক গোলে লিড এনে দেন ব্রায়ান সিপেঙ্গা। গোল হজম করে এলোমেলো খেলতে থাকে ইংল্যান্ড।

প্রথমার্ধের পানি বিরতির পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও কিন্তু ডিআর কঙ্গোর গোলকিপার লিওনেল এমপাসির বাধায় আর গোল পাওয়া হয়নি কেইনদের।

মাঝে ৪২ মিনিটে বক্সের ভেতরে ব্যাবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন কঙ্গোর উইসা। অ্যারন ওয়ান-বিসাকার বাড়ানো বলে তার নেওয়া শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

এর দুই মিনিটের মাথায় কঙ্গোর ডি বক্সে কঙ্গোর গোলকিপার লিওনেল এমপাসির বাধায় পড়ে যান কেইন। জোড়াল পেনাল্টির আবেদন করলেও উল্টো রেফারি বাঁশি বাজান কেইনের বিরুদ্ধেই। সিমুলেশনের অভিযোগে কঙ্গোর পক্ষেই ফাউল দেওয়া হয়।

এরপর বিরতির আগে যোগ করা সময়ে আবারো ত্রাতা হয়ে আসেন গোলকিপার এমপাসি। জুড বেলিংহামের হেডে বল জাচ্ছিল জালের দিকে। প্রায় নিশ্চিত সে গোল দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতায় ঠেকিয়ে দেন কঙ্গোর গোলরক্ষক।

বিরতির পর আরো আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ইংল্যান্ড। ম্যাচ বাঁচাতে একের পর এক আক্রমণেও যখন কোন কূলকিনারা পাচ্ছিল না টুখেলের দল তখনই এগিয়ে আসেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

ম্যাচের ৭৫ ও ৮৬ মিনিটের মাথায় গোল করে অনাকাঙ্ক্ষিত এক ইতিহাস বদলান তিনি। ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রথমে পিছিয়ে পড়েও জার্মানির বিপক্ষে জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর দীর্ঘ ৬০ বছর পর পিছিয়ে পড়ে কোন ম্যাচ জিতল থ্রি লায়নরা।

এতে ম্যাচের নায়ক বনে যাওয়ার পাশাপাশি ভেঙেছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার পেলের রেকর্ডও। চলতি আসরেই পাঁচ গোল করে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভাঙার পাশাপাশি মোট ১৩ গোল নিয়ে পেছনে ফেলেছেন পেলেকেও।

এই রেকর্ডের সঙ্গে দলকে শেষ ষোলোয় নিয়ে গেলেন কেইন। সেখানে কোয়ার্টারে ওঠার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশ মেক্সিকো।

ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনার পরিকল্পনায় হঠাৎ পরিবর্তন

ক্রীড়া ডেস্ক
ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনার পরিকল্পনায় হঠাৎ পরিবর্তন
ছবি : রয়টার্স

নকআউট পর্বের মহড়া শুরু, এবার পা হড়কালেই বিদায়। বিশ্বকাপের মঞ্চ এখন এমন এক সমীকরণে দাঁড়িয়ে, যেখানে একটা ছোট্ট ভুলও ডেকে আনতে পারে চরম বিপর্যয়। ঠিক এমন এক অগ্নিপরীক্ষার সামনে দাঁড়িয়ে লিওনেল স্কালোনির আর্জেন্টিনা, যেখানে প্রতিপক্ষের নাম কেপ ভার্দে।

এই বাঁচা-মরার লড়াইয়ের আবহেই আকাশী-সাদা শিবিরের ভ্রমণসূচিতে এসেছে কিছুটা বদল। আজ বুধবার কানসাস সিটিতেই নিজেদের শেষ অনুশীলন সেরে নেওয়ার কথা আলবিসেলেস্তেদের। বাংলাদেশ সময় গভীর রাতে শুরু হতে যাওয়া এই সেশনেই মায়ামির বিমান ধরার আগের শেষ প্রস্তুতিটুকু ঝালিয়ে নেবেন মেসিরা।

অনুশীলনের ক্লান্তি মুছে কিছুটা বিশ্রামের পর কানসাসকে বিদায় জানিয়ে মায়ামির উদ্দেশ্যে উড়াল দেবে আর্জেন্টিনা দল। সেখানে পৌঁছানোর পর থেকেই শুরু হয়ে যাবে কেপ ভার্দে বধের চূড়ান্ত ছক কষা। বাংলাদেশ সময় আগামী শনিবার ভোর ৪টায় মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর ম্যাচে মাঠে নামবে দুই দল।

আগের সূচি অনুযায়ী ম্যাচের ঠিক আগের দিন মায়ামি পৌঁছানোর কথা ছিল স্কালোনির শিষ্যদের। তবে পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন এনে আগেভাগেই সেখানে যাচ্ছে দল। ফলে ম্যাচের আগের শেষ ট্যাকটিক্যাল সেশনটি মায়ামির মাঠেই সারবেন তারা, যেখানে রণকৌশলে শেষ ছোঁয়া দেবেন মাস্টারমাইন্ড স্কালোনি।

হার্ড রক স্টেডিয়াম অবশ্য আর্জেন্টিনার জন্য কোনো অচেনা দুর্গ নয়। ২০১৪ কোপা আমেরিকার শিরোপা জয়ের মধুর স্মৃতি জড়িয়ে আছে এই মাঠেই।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে থেকে বিরতিতে কঙ্গো

ক্রীড়া ডেস্ক
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে থেকে বিরতিতে কঙ্গো

ম্যাচের শুরুতেই ইংল্যান্ড শিবিরে আঘাত হানে ডিআর কঙ্গো। মাত্র সাত মিনিটের মাথায় ব্রিটিশদের স্তব্ধ করা এক গোলে লিড এনে দেন ব্রায়ান সিপেঙ্গা। গোল হজম করে পানি বিরতি পর্যন্ত এলোমেলো খেলতে থাকে ইংল্যান্ড।

পানি বিরতির পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও কিন্তু ডিআর কঙ্গোর গোলকিপার লিওনেল এমপাসির বাধায় আর গোল পাওয়া হয়নি কেইনদের।

মাঝে ৪২ মিনিটে বক্সের ভেতরে ব্যাবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন কঙ্গোর উইসা। অ্যারন ওয়ান-বিসাকার বাড়ানো বলে তার নেওয়া শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

এর দুই মিনিটের মাথায় কঙ্গোর ডি বক্সে কঙ্গোর গোলকিপার লিওনেল এমপাসির বাধায় পড়ে যান কেইন। জোড়াল পেনাল্টির আবেদন করলেও উলটো রেফারি বাঁশি বাজান কেইনের বিরুদ্ধেই। সিমুলেশনের অভিযোগে কঙ্গোর পক্ষে ফাউল দেওয়া হউ।

এরপর বিরতির আগে যোগ করা সময়ে আবারো ত্রাতা হয়ে আসেন গোলকিপার এমপাসি। জুড বেলিংহামের হেডে বল জাচ্ছিল জালের দিকে। প্রায় নিশ্চিত সে গোল দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতায় ঠেকিয়ে দেন কঙ্গোর গোলরক্ষক। এতেই লিড নিয়েই বিরতিতে গিয়েছে কঙ্গো।

বেঞ্চে কিংসলে, অভিষেক জনির | কালের কণ্ঠ