• ই-পেপার

বৃষ্টি আইনে বাংলাদেশের লক্ষ্য ৭ ওভারে ৪১

‘ভাগ্যেরও দরকার আছে’

ক্রীড়া ডেস্ক
‘ভাগ্যেরও দরকার আছে’
মুখের হাসির মতোই আজ সিলেটে ব্যাট হেসেছে লিটনের। ছবি : মীর ফরিদ, সিলেট থেকে

পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে বরাবরই ব্যাট হাসে লিটন দাসের। সেই তাকেই যদি ‘জীবন’ দেন পাকিস্তানের ফিল্ডাররা তাহলে উইকেটরক্ষক-ব্যাটারের জন্য দিনটা ‘সোনায়-সোহাগা’ হওয়ার কথা। হয়েছেও। ভাগ্যের সহায়তা পেয়ে দিনটা নিজের করে নিয়েছেন ৩১ বছর বয়সী ব্যাটার।

সিলেট টেস্টে ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন লিটন। ১২৬ রানের ইনিংসটি খেলার পথে দুবার ‘জীবন’ পেয়েছেন তিনি। দিনশেষে তার সুযোগ পাওয়ার বিষয়টা তুলে ধরেছেন পাকিস্তানের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসা খুররাম শেহজাদ। পাকিস্তানি পেসারের কথার সুর অনেকটা এমন—লিটন আজ ভাগ্যবান ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে এসে অনেকটা সরল স্বীকারোক্তি লিটনের। তবে প্রতি উত্তরে কিছুটা ভিন্ন সুরও ছিল। তা হচ্ছে-ভাগ্যেকে পাশে পেলেই কি সবাই কাজে লাগাতে পারে। তিনি বলেছেন, ‘ভাগ্যবান? ঠিক আছে, কখনো ভাগ্যেরও দরকার আছে। আর ভাগ্যের কথা, ক্রিকেটে তো সব সময় আপনার এক শতে এক শ হবে না। কিন্তু নির্দিষ্ট দিনে ভাগ্য সহায় হলে আরো কাজে লাগে।’

বাংলাদেশের কঠিন সময়ে ভাগ্যেকে পাশে পেয়েছেন লিটন। কেননা ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে প্রথম ইনিংসে ধুঁকছিল বাংলাদেশ। এমন কঠিন সময়ে টেলএন্ডারদের নিয়ে বাংলাদেশকে উদ্ধার করেছেন তিনি। ২৭৮ রানের সংগ্রহ এনে দিয়েছেন দলকে। সে সময় সতীর্থদের সঙ্গে তার কী পরিকল্পনা ছিল, সেটাই ম্যাচ শেষে ব্যাখ্যা করলেন তিনি। 

লিটন বলেছেন, ‘ব্যাটিংয়ে নামার সময় উইকেটটা একটু কঠিন ছিল। জানতাম না খেলাটা এত দূরে যাবে। যখন শুরুতে যাই মনে হচ্ছিল, টেলএন্ডের অবস্থা খুব একটা ভালো না। চিন্তা ছিল মারতে গিয়ে যদি আরো ৩০ রান করে অলআউটও হয়ে যাই, অন্তত কঠিন কন্ডিশনে আমাদের বোলাররা বোলিং করতে পারবে।’

এর আগে শেহজাদ বলেছেন, ‘তারা ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল। লিটনের ভাগ্য সহায় হয়েছে। একটা নয়, দুটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল। যদি সেগুলো নেওয়া যেত। তাহলে হয়তো সব কিছুই আলাদা হতো। হয়তো দুই শর আগেই অলআউট হয়ে যেত তারা।’

নাটকীয় জয়ে শিরোপা সেল্টিকের

ক্রীড়া ডেস্ক
নাটকীয় জয়ে শিরোপা সেল্টিকের

স্কটিশ প্রিমিয়ারশিপের রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে হার্টসকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নিয়েছে সেল্টিক। এই নাটকীয় জয়ে রেকর্ড ৫৬ বার স্কটিশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল দলটি।

স্কটল্যান্ডের সেল্টিক পার্কে অনুষ্ঠিত ম্যাচে হার্টসকে ৩-১ ব্যবধানে হারায় সেল্টিক।  

ম্যাচের ৪৩ মিনিটে অধিনায়ক লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ডের হেডার থেকে গোল করে হার্টসকে এগিয়ে নেন। এই স্কোরের ওপর ভিত্তি করে হার্টস গত ৬০ বছরের মধ্যে প্রথম লিগ শিরোপা জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। কারণ শিরোপা জিততে তাদের কেবল ম্যাচটি ড্র করার প্রয়োজন ছিল।

প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে গোল করে সেল্টিককে সমতায় ফেরান আরনে এঙ্গেলস।

ম্যাচের ৮৭ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় কালাম অস্মন্ডের পাস থেকে ডাইজেন মাইডা গোল করে সেল্টিককে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। লাইন্সম্যান প্রাথমিকভাবে গোলটিকে অফসাইড ঘোষণা করে। পরে ভিএআর চেকে দেখা যায় অফসাইড হয়নি। তাতে গোলটি বহাল থাকে।

ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের ৮ম মিনিটে হার্টসের গোলরক্ষক অ্যালেক্সান্ডার শভোলো ফ্রি-কিক নেওয়ার জন্য ওপরে উঠে আসলে সেল্টিক পাল্টা আক্রমণ চালায় এবং ফাকা পোস্টে বল জড়িয়ে জয় নিশ্চিত করেন তরুণ খেলোয়াড় কালাম অস্মন্ড।

ম্যাচ শেষ হওয়ার ঠিক কয়েক সেকেন্ড আগে অস্মন্ডের গোলের পর হাজার হাজার উত্তেজিত সেল্টিক সমর্থক মাঠে প্রবেশ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দুই দলের খেলোয়াড়দের দ্রুত টানেলে নিয়ে যায়। 

পাকিস্তানের ‘যম’ লিটন

ক্রীড়া ডেস্ক
পাকিস্তানের ‘যম’ লিটন
সেঞ্চুরির পর লিটনের উদযাপন। ছবি : মীর ফরিদ, সিলেট থেকে

বাংলাদেশের বিপক্ষে বারবার মঞ্চ প্রস্তুত করেও উদযাপন করা হয় না পাকিস্তানের। আসলে প্রতিপক্ষের উদযাপনের মুহূর্তটা কেড়ে নেন লিটন দাস। আজও যেমন সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ ছিল পাকিস্তানের সামনে। কিন্তু লিটন সেটা হতে দিলেন না।

পাকিস্তানকে পেলেই বাংলাদেশের ত্রাণকর্তা হন লিটন। বারবার খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তুলছেন তিনি। বিপরীতে পাকিস্তানের ‘যম’ হয়ে ওঠছেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।

টেস্ট ক্যারিয়ারের ৬ সেঞ্চুরির তিনটিই পাকিস্তানের বিপক্ষে করেছেন লিটন। তিন অঙ্কের শুরুটাও পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০২১ সালে। চট্টগ্রামে অভিষেক সেঞ্চুরির ইনিংসটি খেলেন ১১৪ রানের। সেই ইনিংসটিও খেলেছেন এমন এক সময় যখন ৪৯ রানে ৪ ‍উইকেট হারিয়ে ‘থরহরি কম্প’ বাংলাদেশের।

 

সেদিন মুশফিকুর রহিমকে (৯১) সঙ্গে নিয়ে পঞ্চম উইকেটে ২০৬ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে টেস্টে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করেছিলেন লিটন। তার সেঞ্চুরিতেই প্রথম ইনিংসে ৩৩০ রান করেছিল বাংলাদেশ। যদিও তার ১১ চার ও ১ ছক্কার ইনিংসটি পূর্ণতা পায়নি। কেননা দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিং ধ্বসে ৮ উইকেটের হার দেখেছিল বাংলাদেশ।

রাওয়ালপিন্ডিতে অবশ্য শুধু লিটনের ব্যাট হাসেনি, হেসেছে বাংলাদেশও। প্রতিপক্ষের বিপক্ষে প্রথমবার টেস্ট জয়ের সঙ্গে সিরিজও জিতেছে। সেটিও আবার তাদের মাটিতে। দুই টেস্টের সিরিজে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করাটা সম্ভব হয়েছে লিটনের অনবদ্য সেঞ্চুরির কারণে। 

দলীয় ২৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস যখন তাসের ঘরের মতো ভেঙে যাওয়ার পথে ঠিক তখনি বাধ সাধলেন লিটন। সপ্তম উইকেটে সিরিজসেরা মেহেদী হাসান মিরাজের (৭৮) সঙ্গে ১৬৫ রানের জুটি গড়েন ৩১ বছর বয়সী ব্যাটার। ১৩ চার ও ৪ ছক্কায় ১৩৮ রানের ইনিংস খেলে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশকে ২৬২ রানের সংগ্রহ এনে দেন। পরে দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের ব্যাটিং অর্ডার ধসিয়ে ৬ ‍উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ। 

 

আজ সিলেটেও বাংলাদেশের প্রায় একই পরিণতি হয়েছিল। স্কোরকার্ডে ১১৬ রান জমা হতেই ৬ উইকেট নেই নাজমুল হোসেন শান্তর দলের। সেখান থেকে তাইজুল ইসলাম ও শরীফুল ইসলামদের সঙ্গী করে বাংলাদেশকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিলেন লিটন। দলের কঠিন মুহূর্তে যেভাবে ব্যাটিং করলেন তাতে মোহাম্মদ আব্বাস-খুররাম শেহজাদদের আনন্দ ফিকে হয়ে যায়। অথচ, একের পর এক উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানের বোলাররা তখন উড়ছিল সিলেটে।

পাকিস্তানের বোলারদের মাটিতে নামিয়ে পরে অবিশ্বাস্য এক সেঞ্চুরি হাঁকালেন লিটন। তিন অংকের ইনিংসের প্রতিটি বাউন্ডারি ছিল চোখে লেগের থাকার মতো। যেমনটা তার ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ব্যাটিং দেখে ইয়ান বিশপ বলেছিলেন, ‘লিটন যখন ব্যাট করে, মনে হয় মোনালিসার মত কোনো চিত্রকর্ম দেখছি।’ ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবদন্তি আজকের ইনিংসটি দেখলে হয়তো পুরোনো কথাই আরেকবার আওড়াবেন! পাকিস্তানের কিংবদন্তি রমিজ রাজা সিলেটের ধারাভাষ্যকক্ষ থেকে তো লিটনের ইনিংসটিকে এক শব্দে ‘মাস্টারক্লাসই’ বলে দিলেন।

১২৬ রানে থামার আগে মাঠের প্রায় চতুর্দিকে বল পাঠিয়েছেন লিটন। ১৬ চার ও ২ ছক্কার ইনিংসে কি ছিল না? হুক, পুল, সুইপ সবই খেলেছেন। তিন অংক যেমন স্পর্শ করলেন দারুণ এক কাভার ড্রাইভে। ইনিংসটি খেলার পথে অবশ্য দুইবার জীবন পেয়েছেন তিনি। ৩২ রানের সময় স্পিনার সাজিদ খানকে ক্যাচ দিয়ে প্রথমবার বেঁচে যান তিনি। অন্যদিকে ৫২ রানের সময় উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান ক্যাচ ধরে আবেদন করলে আম্পায়ার সাড়া দেন না। তবে হাতে রিভিউ থাকার পরে না নেওয়ায় জীবন পান লিটন। কেননা পরে রিপ্লেতে দেখা যায় লিটনের গ্লাভসে লেগেছিল বল। 

 

সবমিলিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছেন লিটন। ৭ টেস্টে ৬৫০ রান করেছেন তিনি। ৩ ছক্কার বিপক্ষে হাঁকিয়েছেন ২ ফিফটি। ৪৯২ রান নিয়ে দুইয়ে আছেন মুশফিক। কমপক্ষে ৭ টেস্ট খেলেছেন এমন দলের বিপক্ষেও সর্বোচ্চ ৫৯.০৯ গড় পাকিস্তানের বিপক্ষেই।
 
পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়ার ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ গড়ের তালিকা করা হলেও সেখানে বেশ সমৃদ্ধ লিটনের পরিসংখ্যান। বাবর আজম-শান মাসুদদের বিপক্ষে কমপক্ষে ১০ ইনিংস ব্যাটিং করেছেন এমন ব্যাটারদের মধ্যে বীরেন্দর শেবাগ (৯১.১৪) ও কুমার সাঙ্গাকারার গড়ের (৭৪.৬৪) পরেই লিটনের অবস্থান।

দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বকাপ দলে এক দ্বৈত নাগরিক

ক্রীড়া ডেস্ক
দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বকাপ দলে এক দ্বৈত নাগরিক
জার্মানিতে জন্ম নেওয়া জেন্স ক্যাস্ট্রপ দক্ষিণ কোরিয়ার হয়ে বিশ্বকাপে খেলবেন। ছবি : ইনস্টাগ্রাম

জন্ম জার্মানিতে, তার বাবা জার্মান, খেলছেন জার্মান ক্লাবে, বয়সভিত্তিক ফুটবলেও খেলেছেন জার্মানির হয়ে। কিন্তু জার্মানি জাতীয় দলে কখনোই ডাক পড়েনি। 

জার্মানি জাতীয় দলের হয়ে খেলার স্বপ্ন পূরণ না হওয়ায় শেষমেশ মায়ের দেশ দক্ষিণ কোরিয়াকে বেছে নেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে দক্ষিণ কোরিয়া জাতীয় দলে অভিষেকের পর থেকে এখন পর্যন্ত খেলেছেন ৫ ম্যাচ।

এবার আরো বড় স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে জেন্স ক্যাস্ট্রপের। দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন ২২ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। এর মধ্য দিয়ে ইতিহাসও গড়ে ফেলেছেন বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখের এই ফুটবলার। দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়া প্রথম দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ফুটবলার এখন ক্যাস্ট্রপ। 

প্রত্যাশিতভাবে এবারের বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়াকে নেতৃত্ব দেবেন সন হিউং-মিন। দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড তার। সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় দ্বিতীয় (৫৪)। 

চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলার অপেক্ষায় থাকা সন ছাড়া দলে স্ট্রাইকার হিসেবে ওহ হিউন-গিউ এবং চো গুয়ে-সাংকে রাখা হয়েছে। এতে আক্রমণে সনের ওপর কোরিয়ানদের অতিমাত্রায় নির্ভরতা আরো স্পষ্ট হয়েছে।

ক্যাস্ট্রপ ছাড়া স্কোয়াডে আর কোনো চমক নেই বললেই চলে। পিএসজি মিডফিল্ডার কাং লি ইন ও বায়ার্ন মিউনিখ ডিফেন্ডার কিম মিন-জায়ে প্রত্যাশিতভাবে দলে জায়গা পেয়েছেন। এ ছাড়া মূল একাদশে গোলপোস্টের নিচে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে জো হিউন-উ এবং কিম সেউং-গিউয়ের মধ্যে লড়াই হবে।

দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বকাপ স্কোয়াড

গোলরক্ষক : কিম সেউং-গিউ, সং বাম-কুন, জো হিউন-উ। 

রক্ষণভাগ : কিম মুন-হোয়ান, কিম মিন-জায়ে, কিম তে-হিয়ন, পার্ক জিন-সিওপ, সিওল ইয়ং-উ, জেনস ক্যাস্ট্রপ, লি কি-হিয়োক, লি তে-সেওক, লি হান-বিওম, চো ইউ-মিন। 

মাঝমাঠ : কিম জিন-গিউ, বে জুন-হো, পাইক সেউং-হো, ইয়াং হিউন-জুন, ইওম জি-সাং, কাং লি ইন, লি ডং-গিয়ং, লি জে-সাং, হাওয়াং ইন-বিওম, হাওয়াং হি-চ্যান। 

আক্রমণভাগ : সন হিউং-মিন (অধিনায়ক), ওহ হিউন-গিউ, চো গুয়ে-সাং।

বৃষ্টি আইনে বাংলাদেশের লক্ষ্য ৭ ওভারে ৪১ | কালের কণ্ঠ