• ই-পেপার

ফুটবলে মাতল লালমাইয়ের বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুরা

ডেমরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
ডেমরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি
ছবি: কালের কণ্ঠ

ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে রাজধানীর ডেমরায় পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেমরা থানা শাখা।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণ, ঝোপঝাড় ও আগাছা পরিষ্কার এবং এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হয় এবং বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানানো হয়।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর করলে হবে না; প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ বাড়ি, আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত এক দিন জমে থাকা পানি অপসারণ এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

বসুন্ধরা শুভসংঘ ঢাকা মহানগরের সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মিলটনের সার্বিক নির্দেশনায় এবং ডেমরা থানা শাখার সভাপতি শাহারুল ইসলাম শাকিল ও সাধারণ সম্পাদক সাদমানের নেতৃত্বে কর্মসূচিতে অংশ নেন রমনা থানা শাখার সভাপতি আশিক আহমেদ, যাত্রাবাড়ী থানা শাখার সভাপতি মো. তৌফিকুল ইসলাম, সহসভাপতি শাওন সূত্রধর, ডেমরা থানা শাখার সহসাধারণ সম্পাদক ডি. এম. রিয়াদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সম্রাট, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা রেজাউর রহমান বাপ্পি, সদস্য শাহীন ও রুবায়েতসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।

আবদুল হান্নান মিলটন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সচেতনতা, পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক দায়িত্ববোধ। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখলে ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তিনি স্বাস্থ্যসম্মত নগরী গড়ে তুলতে তরুণদের আরো সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

ডেমরা থানা শাখার উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশই সুস্থ জীবনের ভিত্তি। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই।

কর্মসূচি শেষে অংশগ্রহণকারীরা নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ গড়ে তুলতে সক্রিয়ভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

আয়োজকরা জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেমরা থানা শাখা ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে।

শেরপুরে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

মেহেদী হাসান শামীম, শেরপুর
শেরপুরে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে শেরপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে শেরপুর সদর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে ফলদ, বনজ, ঔষধি ও কাঠ জাতীয় বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ফলজ বৃক্ষের চারা রোপণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ শেরপুর জেলা শাখার উপদেষ্টা সাংবাদিক হাকিম বাবুল, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসানাত জাহান, সহকারী শিক্ষক বাদরুন নাহার, তামান্না জান্নাত, শামীমা আক্তার, স্বপ্না রানী সূত্রধর, নাসরিন রহমান রুমি ও হালিমা খাতুন, ক্লিনআপ শেরপুর জেলা শাখার সমন্বয়ক আল আমিন রাজু, বসুন্ধরা শুভসংঘ শেরপুর জেলা শাখার সভাপতি মিনহাজ উদ্দিন, সহসভাপতি আশরাফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মেহেদী হাসান শামীম, প্রচার সম্পাদক জিহাদ রানা, আপ্যায়নবিষয়ক সম্পাদক রাকিব আহমেদ, সদস্য জুয়েল আহমেদসহ সংগঠনের অন্য সদস্যরা।

গাছের চারা পেয়ে শিক্ষার্থী প্রিয়াঙ্কা রানী পাল আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, ‘বসুন্ধরা শুভসংঘ ও বসুন্ধরা টিস্যুর কাছ থেকে গাছ উপহার পেয়ে খুব ভালো লাগছে। আমি গাছটি বাড়িতে নিয়ে যত্নসহকারে রোপণ করব এবং বড় করে তুলব।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসানাত জাহান বলেন, ‘বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষ বিতরণ ও বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ একটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এ ধরনের কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা ও গাছ লাগানোর আগ্রহ বৃদ্ধি করবে। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বসুন্ধরা শুভসংঘকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’

বসুন্ধরা শুভসংঘ শেরপুর জেলা শাখার উপদেষ্টা সাংবাদিক হাকিম বাবুল বলেন, ‘বৃক্ষ আমাদের পরম বন্ধু। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর নিয়মিত পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে।’

বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা জানান, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তাই সমাজের প্রতিটি মানুষকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং তার পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

নীলফামারীতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
নীলফামারীতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ
ছবি: কালের কণ্ঠ

‘সবুজ সুন্দর আগামী’ এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃক্ষপ্রেম গড়ে তোলার লক্ষ্যে নীলফামারীতে বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার (১ জুলাই) নীলফামারী জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় শতাধিক ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়। 

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বসুন্ধরা শুভসংঘের স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন। গাছের চারা হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ করা যায়। অনেকেই নিজেদের বাড়ি ও বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে চারা রোপণ করে পরিচর্যার অঙ্গীকার করেন। সবুজে ঘেরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সময় সৃষ্টি হয় প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশ।

শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা তুলে দেন উত্তর হাড়োয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোরাদ আলী, শহীদ জিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম ছারওয়ার, সহকারী শিক্ষক সাইদুল আলম, বসুন্ধরা শুভসংঘ নীলফামারী জেলা শাখার সভাপতি আজাহারুল ইসলাম রাজা, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান জীবন, ক্রীড়া সম্পাদক তানজিল আহমেদসহ শুভসংঘের অন্যান্য সদস্য, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় সুধীজন।

বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে গাছ লাগানোর অভ্যাস গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। একটি গাছ শুধু ছায়া বা ফলই দেয় না; এটি মানুষের জীবন রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ রোপণ ও পরিচর্যার আহ্বান জানানো হয়।

উত্তর হাড়োয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোরাদ আলী বলেন, ‘দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণের মতো সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করায় বসুন্ধরা শুভসংঘকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। শিক্ষার্থীদের হাতে একটি করে গাছের চারা তুলে দেওয়ার মাধ্যমে তাদের মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণের দায়িত্ববোধ তৈরি হবে। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের নাগরিক। তাদের ছোট ছোট উদ্যোগই ভবিষ্যতে একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

শহীদ জিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম ছারওয়ার বলেন, ‘বসুন্ধরা শুভসংঘের এই মহতী উদ্যোগে অংশ নিতে পেরে আমরা আনন্দিত। বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তন একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। এ পরিস্থিতিতে বেশি বেশি গাছ লাগানোর কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের মধ্যে গাছ লাগানোর আগ্রহ সৃষ্টি এবং পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের কর্মসূচি অত্যন্ত কার্যকর ও প্রশংসনীয়।’

বসুন্ধরা শুভসংঘ নীলফামারী জেলা শাখার সভাপতি আজাহারুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু গাছের চারা বিতরণ নয়; প্রতিটি চারা যেন যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে বড় হয়ে পরিবেশ ও মানুষের উপকারে আসে, সেই সচেতনতা তৈরি করাও আমাদের দায়িত্ব। বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে পরিবেশ, শিক্ষা, মানবিক সহায়তা ও স্বেচ্ছাসেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ভবিষ্যতেও পরিবেশ রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে আমাদের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীরা গাছের চারা নিয়ে বাড়ি ফেরেন এবং নিয়মিত পরিচর্যার অঙ্গীকার করেন। শিক্ষকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ এবং সামাজিক সচেতনতা আরো বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সবুজায়ন বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ঢাকায় বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে ফল উৎসব অনুষ্ঠিত

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
ঢাকায় বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে ফল উৎসব অনুষ্ঠিত
ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশীয় মৌসুমি ফলের প্রতি শিশু-কিশোরদের আগ্রহ বৃদ্ধি, পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা তৈরি এবং সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজধানীর ভাটারা থানায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) বসুন্ধরা শুভসংঘ ভাটারা থানা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ ফল উৎসবে মাদরাসার শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন। উৎসবমুখর পরিবেশে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দেশীয় ফল উপভোগ করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ ভাটারা থানা শাখার উপদেষ্টা অধ্যাপক প্রকৌশলী ড. মো. রশিদুল হাসান।

বসুন্ধরা শুভসংঘ ভাটারা থানা শাখার সভাপতি মো. সাব্বির হোসেন রুপকের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি কাজী এহসানুল হক জিহাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফাইয়াজ রশিদ, কর্ম ও পরিকল্পনা সম্পাদক গাজী মশিউর রহমানসহ সংগঠনের সদস্যরা।

অনুষ্ঠানে আম, কাঁঠাল, লিচু, জাম, পেয়ারা, কলা, আনারস, তরমুজ, পেঁপে ও মাল্টাসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফল আকর্ষণীয়ভাবে সাজিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. রশিদুল হাসান বলেন, বাংলাদেশ ফলের দেশ। মৌসুমি ফল শুধু সুস্বাদুই নয়, মানবদেহের জন্যও অত্যন্ত উপকারী। শিশু-কিশোরদের ফাস্টফুড ও কোমল পানীয়ের প্রতি অতিরিক্ত ঝোঁক স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই দেশীয় ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

তিনি বসুন্ধরা শুভসংঘের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শিক্ষার্থীরা জানান, একসঙ্গে বিভিন্ন ধরনের দেশীয় ফল খাওয়ার সুযোগ পেয়ে তারা আনন্দিত। এ ধরনের আয়োজন দেশীয় ফলের প্রতি আগ্রহ বাড়ায় বলেও তারা মত প্রকাশ করে।

আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের ফল উৎসব ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।