• ই-পেপার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক মঙ্গলবার

তালিকায় নাম থাকলেও কখনো এসকর্ট নেননি ভূমিমন্ত্রী

শুধু একজন গানম্যান নিয়েই চলাফেরা করেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশেই দায়িত্ব পালন করতে চান

নিজস্ব প্রতিবেদক
তালিকায় নাম থাকলেও কখনো এসকর্ট নেননি ভূমিমন্ত্রী
ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। ছবি : সংগৃহীত

সম্প্রতি সরকারের ব্যয় সংকোচন, জ্বালানি সাশ্রয় এবং পুলিশের জনবল ও যানবাহনের সংকট বিবেচনায় ১৮ জন মন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ বিশেষ পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ তালিকায় ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনুর নামও তালিকাভুক্ত থাকলেও দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কখনোই পুলিশ এসকর্ট সুবিধা ব্যবহার করেননি বলে জানিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দায়িত্ব গ্রহণের শুরু থেকেই ভূমিমন্ত্রী কেবল একজন গানম্যান সঙ্গে নিয়ে সরকারি ও ব্যক্তিগত কর্মসূচিতে অংশ নেন। পুলিশের এসকর্ট বহর, পাইলট গাড়ি বা অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার কোনো সুবিধা তিনি কখনো গ্রহণ করেননি। ফলে এসকর্ট প্রত্যাহারের তালিকায় তার নাম থাকলেও বাস্তবে এ সিদ্ধান্তে তার চলাচল বা নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো পরিবর্তন আসেনি।

এ বিষয়ে কালের কণ্ঠকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘আমি সাদামাটাভাবে চলতে পছন্দ করি। একেবারে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে থাকতে চাই। তাই এ ধরনের (এসকর্ট) বিষয়গুলো কখনো প্রয়োজন মনে করি না।’

তিনি বলেন, ‘লক্ষ্য করলে দেখবেন, আমি যখন রাজশাহীতে যাই, তখন অনেক সময় রিকশায়ও চলাফেরা করি। এসকর্ট ছাড়াই সাধারণ মানুষের সঙ্গে চলতে আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।’

মন্ত্রী জানান, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জনগণের কাছাকাছি থাকাকেই তিনি গুরুত্ব দেন। তার মতে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ থাকলে তাদের সমস্যা, প্রত্যাশা ও বাস্তবতা আরো ভালোভাবে জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এসকর্ট প্রত্যাহারের সরকারি সিদ্ধান্তটি সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার অংশ হলেও ভূমিমন্ত্রীর ক্ষেত্রে এটি মূলত আনুষ্ঠানিক বিষয়। কারণ তিনি শুরু থেকেই এসকর্টবিহীন চলাফেরার নীতি অনুসরণ করে আসছেন। তার ব্যক্তিগত পছন্দও হচ্ছে অতি সাধারণ জীবনযাপন এবং অপ্রয়োজনীয় প্রটোকল এড়িয়ে চলা।

প্রসঙ্গত, সরকার সম্প্রতি ১৮ জন মন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ বিশেষ পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে দায়িত্বের গুরুত্ব বিবেচনায় কয়েকজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টার জন্য এ সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে।

খেলাপি ঋণের দুই মামলায় রিজেন্ট সাহেদ ফের গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
খেলাপি ঋণের দুই মামলায় রিজেন্ট সাহেদ ফের গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

এনআরবি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পৃথক দুই মামলায় ভুয়া রিপোর্ট কেলেঙ্কারির রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৭ জুলাই)  অর্থঋণ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. মোশাররফ হোসেন তাকে গ্রেপ্তারের এ আদেশ দেন।

মামলা  সূত্রে জানা গেছে,  এনআরবি ব্যাংক থেকে পৃথকভাবে ৫ লাখ ৫৫ হাজার এবং ১ কোটি ৫১ লাখ ৮১ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করে খেলাপি হন সাহেদ।

সাহেদের আইনজীবী দবির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আজ মামরা দুটিতে জামিন আবেদন করি। তবে আসামি সাহেদ ঋণের টাকার ২৫ শতাংশ জমা দিতে না পারায় আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। আমরা এখন আপিল করব।

মালদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে বিশেষ অতিথি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
মালদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে বিশেষ অতিথি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কুচকাওয়াজে দেশটির সরকারের বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

সোমবার (২৭ জুলাই) মালেতে রিপাবলিক স্কয়ারে অনুষ্ঠিত কুচকাওয়াজে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদাম। অনুষ্ঠানে মালদ্বীপ ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্সের বিভিন্ন শাখার সদস্যরা আনুষ্ঠানিক মার্চপাস্ট ও কসরত প্রদর্শন করেন। স্বাধীনতার ৬১তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশটির ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা ও জাতীয় গৌরব তুলে ধরা হয়।

কুচকাওয়াজ শেষে ড. খলিলুর রহমান মালদ্বীপের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যভিত্তিক একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও অংশ নেন। পরে বর্ণিল আতশবাজির মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।

এর আগে সকালে মালেতে লোনুজিয়ারাই পার্কে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর ‘ফাইভ মিলিয়ন ট্রিজ প্রজেক্ট’-এর আওতায় একটি ক্রিস্টিনা (Syzygium campanulatum) গাছের চারা রোপণ করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদাম এবং জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ ও জ্বালানি বিষয়ক মন্ত্রী আলী শরিফ উপস্থিত ছিলেন।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে ড. খলিলুর রহমান প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর সবুজায়ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকারও আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

তিনি বলেন, দুই দেশের এই উদ্যোগ পরিবেশগত টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পৃথিবীকে সুরক্ষিত রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের অভিন্ন অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে বিপুলসংখ্যক নিমগাছ রোপণের কথাও স্মরণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ওই গাছগুলো বর্তমানে ‘জিয়া ট্রিজ’ নামে পরিচিত।

কর্মসূচি প্রত্যাহার—৩০ জুলাই খোলা থাকবে সিএনজি স্টেশন

অনলাইন ডেস্ক
কর্মসূচি প্রত্যাহার—৩০ জুলাই খোলা থাকবে সিএনজি স্টেশন
ছবি: কালের কণ্ঠ

৩০ জুলাই সারা দেশে সিএনজি স্টেশন বন্ধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে। স্টেশন মালিক সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওই দিন সব সিএনজি স্টেশন খোলা থাকবে। 

আজ সোমবার রাজধানীর বিজয়নগরের আকরাম টাওয়ারে সংবাদ সম্মেলনে অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশজুড়ে গ্যাসসংকটের কারণে তারা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে।

কমিশন বৃদ্ধিসহ চার দাবিতে আগামী ৩০ জুলাই সারা দেশের সব সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিল বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

৩০ জুলাইয়ের কর্মসূচি প্রত্যাহার করলেও দাবি মানতে আগামী ২২ আগস্ট পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। দাবি না মানলে আগামী ২৩ আগস্ট থেকে দেশজুড়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে বলেও জানান সমিতির নেতারা।

সংগঠনটির চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে— প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে অন্তত ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা নির্ধারণ, ভবিষ্যতে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি পেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমিশন সমন্বয়ের ব্যবস্থা চালু করা, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পুরনো গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত জামানত নেওয়ার প্রথা বাতিল এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের ভূমি ইজারাসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার লাইসেন্স ও নবায়ন ফি যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা।