• ই-পেপার

ভুল ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশে গণমাধ্যমকে সতর্ক করল তথ্য অধিদপ্তর

ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঢাকায় নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদির আমন্ত্রণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল ইরান দূতাবাসে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও ইরানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদার ও বহুমাত্রিক করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উভয় পক্ষ।

সাক্ষাতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)-এর পক্ষ থেকে সাম্প্রতিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের সরকার ও জনগণের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়। একই সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহতদের রূহের মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয়। প্রতিনিধি দল অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা এবং ইরানে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসার প্রত্যাশার কথাও জানায়।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালু, ব্যবসা-বাণিজ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষা ও বৃত্তির সুযোগ আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ও সাবেক রাষ্ট্রদূত আলহাজ গোলাম মসীহ। প্রতিনিধি দলে আরো ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলনের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ইমতিয়াজ আহমেদ সজল এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্যসচিব ও ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. রাজন সিকদার।

সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে সরকার সর্বোচ্চ কাজ করছে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বাসস
মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে সরকার সর্বোচ্চ কাজ করছে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
বান্দরবান পৌরসভার আমতলী পাড়ায় বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, পাহাড়ি, বাঙালি কিংবা অন্য যেকোনো সম্প্রদায়ের মানুষ, সবাই অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। তাই কোনো বৈষম্য নয়, সবার দুঃখ-কষ্ট লাঘবে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। 

তিনি বলেন, এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কোনো মানুষকে সরকার একা ছেড়ে দেবে না।

বুধবার বান্দরবান পৌরসভার আমতলী পাড়ায় বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণের সময় প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নিতে বান্দরবানে এসেছেন। 

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বন্যার প্রথম দিন থেকেই স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি সংস্থা নিরলস উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বন্যায় আক্রান্ত আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকারীদের জন্য রান্না করা খাবার ও কেন্দ্রের বাইরে অবস্থানকারীদের জন্য শুকনো খাবার সরবরাহের পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে মেডিক্যাল টিমও কাজ করছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই খাদ্য সহায়তা ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু করা হবে, যেন ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী কিনতে পারেন ও তাদের আর্থিক চাপ কিছুটা লাঘব হয়।

তিনি বলেন, বন্যায় যেসব পরিবারের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে, সরকারের উদ্যোগে প্রতিটি ঘরবাড়ি পর্যায়ক্রমে মেরামত করা হবে, যেন মানুষ দ্রুত নিজ বাড়িতে ফিরে স্বাভাবিকভাবে বসবাস করতে পারেন।

এ সময় অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরো বলেন, বন্যার পানি নেমে যাওয়ায়, এখন বিভিন্ন এলাকায় কাদা, আবর্জনা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্থানীয় প্রশাসন, পৌরসভা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে, যেন রোগব্যাধির ঝুঁকি কমে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো দ্রুত বসবাস উপযোগী হয়ে ওঠে।

ত্রাণ বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন–বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, সংরক্ষিত নারী আসনের তিন পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাধবী মার্মা, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস, পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার ও সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরীসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

ঢাকা শহরের সমস্যার মূল কারণগুলোর একটি সমন্বয়ের অভাব : মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা শহরের সমস্যার মূল কারণগুলোর একটি সমন্বয়ের অভাব : মির্জা ফখরুল

সিটি করপোরেশন, রাজউক, ওয়াসা, বিদ্যুৎ, সড়কসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আলাদাভাবে কাজ করায় পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে অসংগতি তৈরি হচ্ছে মন্তব্য করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাতারাতি ঢাকাকে বদলে ফেলা সম্ভব নয়। এর পেছনে অসংখ্য প্রাতিষ্ঠানিক বাধা রয়েছে। সিটি করপোরেশন একা কোনো সিদ্ধান্ত নিলেই হবে না, সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে একই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরের সমস্যার মূল কারণগুলোর একটি হলো নগর ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের অভাব। ঢাকার পুঞ্জীভূত নাগরিক সমস্যাগুলোর স্থায়ী ও কার্যকর সমাধানের জন্য সিটি করপোরেশনগুলোকে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘গভর্নমেন্ট’ বা নগর সরকারে রূপান্তর করা প্রয়োজন। 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নগর ভবনে আয়োজিত ‘নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা : আমার, আপনার সবার দায়িত্ব’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনগুলোকে যদি একটি স্বশাসিত সরকারে পরিণত করা না যায়—যা ঢাকা শহরের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিভাগ ও সেবা সংস্থার কার্যক্রম সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ করবে—তাহলে এই মেগাসিটির দীর্ঘদিনের সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব হবে না।

মির্জা ফখরুল বলেন, প্রায় প্রতিবছরই বর্ষার সময় বিভিন্ন সংস্থা উন্নয়নকাজ শুরু করে, কারণ ওই সময় প্রকল্পের অর্থ ছাড় হয়। এক সংস্থার কাজ শেষ হওয়ার আগেই অন্য সংস্থা রাস্তা কাটে, যা সমন্বয়হীনতার স্পষ্ট উদাহরণ।

ঢাকার জলাবদ্ধতার জন্য খাল দখল ও প্রাকৃতিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টিকে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। বলেন, রাজধানীর অনেক খাল ভরাট হয়ে গেছে এবং অনেক জায়গায় অবৈধ দখল অব্যাহত রয়েছে। অবশিষ্ট খালগুলো পুনরুদ্ধার এবং নদী দখল বন্ধ করা না গেলে জলাবদ্ধতা কমানো কঠিন হবে।

তিনি বলেন, একসময় বুড়িগঙ্গার পানি স্বচ্ছ ছিল, কিন্তু এখন দূষণ ও বর্জ্যের কারণে নদীর পরিবেশ ভয়াবহভাবে নষ্ট হয়েছে। এসব নদী পুনরুদ্ধার করা গেলে রাজধানীর পরিবেশ ও পানির নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সহজ হবে।
 

বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে কাজ করছে সরকার : ত্রাণমন্ত্রী

বাসস
বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে কাজ করছে সরকার : ত্রাণমন্ত্রী
চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস সম্মেলনকক্ষে অতিবৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি অঞ্চলে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা মোকাবেলায় সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করেছে। উদ্ধার কার্যক্রমের পাশাপাশি এখন ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন, কৃষি পুনরুদ্ধার এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস সম্মেলনকক্ষে চট্টগ্রামে অতিবৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনাসভায় বক্তব্যে এসব কথা বলেন ত্রাণমন্ত্রী।

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে এক দিনে প্রায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হওয়াটা একটি অস্বাভাবিক ঘটনা। এ কারণে আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি হয়ে জনজীবন, কৃষি ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দুর্যোগকালীন সময়ে প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী, সেনাবাহিনী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং স্বেচ্ছাসেবকদের আন্তরিক ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী জানান, বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় কৃষি খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন করে উঁচু স্থানে বীজতলা তৈরির ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যেন আসন্ন মৌসুমে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত না হয়।

মন্ত্রী আরো বলেন, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ, বিশুদ্ধ পানি, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, ডায়রিয়া ও অন্যান্য পানিবাহিত রোগ মোকাবেলার চিকিৎসাসামগ্রী প্রস্তুত রেখেছে। স্থানীয় প্রশাসনকে স্বাস্থ্যসেবার প্রস্তুতির বিষয়ে নিয়মিত তথ্য দেওয়ারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকার তিন ধাপে কাজ করে- দুর্যোগের আগে আগাম সতর্কতা, দুর্যোগ চলাকালে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম এবং দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনতে সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

তিনি সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুত করে প্রয়োজনীয় পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন এবং দুর্যোগ মোকাবেলায় জনগণকে সচেতন ও সহযোগিতাপূর্ণ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন–চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সভাপতি জাহিদুল করিম কচি।