• ই-পেপার

একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (১৫ জুন)

সকালের মধ্যে ৩ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
সকালের মধ্যে ৩ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা
ফাইল ছবি

দেশের ৩ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সোমবার (১৫ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সোমবার সকাল ৯টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পূর্ব বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

রাতে শাহবাগে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর ‘ক্লিন-আপ ড্রাইভ’, ১০ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাতে শাহবাগে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর ‘ক্লিন-আপ ড্রাইভ’, ১০ ব্যবসায়ীকে জরিমানা
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন শাহবাগ এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফেরাতে সংসদ অধিবেশন শেষ করেই রাতের আঁধারে ঝটিকা অভিযান চালিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি। অভিযানে দোকানের সামনে ময়লা-আবর্জনা ফেলে পরিবেশ নষ্ট করার দায়ে ১০ ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে প্রায় ২ ঘণ্টাব্যাপী ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মধ্যে সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান পরিচালনা করা হয়।

রবিবার (১৪ জুন) রাত ৮টায় জাতীয় সংসদের অধিবেশন শেষে প্রতিমন্ত্রী আকস্মিকভাবে শাহবাগ এলাকায় পৌঁছান। পরিদর্শনের সময় বিভিন্ন দোকানের সামনে দীর্ঘসময় ধরে ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজাউদ্দৌলা পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা লঙ্ঘনের দায়ে অন্তত ১০ জন ব্যবসায়ীকে বিভিন্ন অংকের জরিমানা করেন। একই সঙ্গে দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে ভবিষ্যতে দোকানের সামনে কোনো ধরনের বর্জ্য না ফেলার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

অভিযানের অংশ হিসেবে স্থানীয় ব্যবসায়ী, পথচারী ও এলাকাবাসীর মধ্যে পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়। এসময় দোকানীদের মাঝে ঝুড়ি ও পলিথিন বিতরণ করেন তিনি। 

এসময় সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়ে তুলতে শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, নগরবাসীরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। যেখানেই অপরিচ্ছন্নতা ও অনিয়ম পাওয়া যাবে, সেখানে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহুরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মাহবুর রহমান তালুকদার, প্রধান প্রকৌশলী আজিজ আহমেদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজাউদ্দৌলা, সচিব জয়নাল আবেদীন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাহানে বিনতে ফেরদৌসসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বিভিন্ন সরকারি সংস্থাকে সময়মতো কর পরিশোধের তাগিদ ভূমিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিভিন্ন সরকারি সংস্থাকে সময়মতো কর পরিশোধের তাগিদ ভূমিমন্ত্রীর

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বিভিন্ন সরকারি সংস্থাকে সময়মতো ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করার তাগিদ দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, দেশ আমাদের সবার। দেশকে আগামী দিনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব আমাদের সবার।

রবিবার (১৪ জুন) রাজধানীর ভূমি ভবনে সংস্থার ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে করণীয় শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, অতীতে জোর করে কর আদায় করে সাম্রাজ্য বিস্তার করত, সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখত। কিন্তু আধুনিক সভ্যতায় নাগরিকগণ এবং প্রতিষ্ঠান করের মাধ্যমে আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনায় অবদান রাখে। আপনারা জানেন, একটি দেশ পরিচালনা করার জন্য অর্থের প্রয়োজন। আর এই অর্থের জোগানের জন্য ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান যেমনিভাবে কর প্রদান করছে তেমনি আমাদের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান করে থাকে।

ভূমি মন্ত্রী আরো বলেন, গত সপ্তাহে সংসদে যে বাজেট পেশ করা হয়েছে তা সবার নিকট গ্রহণ যোগ্যতা পেয়েছে। সরকার কোন কোন খাত থেকে অর্থ সংগ্রহ করে তার সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। তিনি উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য বলেন-আপনারা আপনাদের দপ্তরে প্রাপ্ত ভূমি উন্নয়ন কর দ্রুত পরিশোধ করবেন এবং পরবর্তীতে আপনাদের দপ্তরের বাজেট প্রণয়নের সময় ভূমি উন্নয়ন করের অর্থ বরাদ্দ রাখার ব্যবস্থা করবেন।

ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান এ জে এম সালাহউদ্দিন নাগরী এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ, ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুল্লাহ আল বাকি বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

১ বছর অনুপস্থিত, নির্বাচন কর্মকর্তার বেতন বৃদ্ধি দু’বছর স্থগিত

অনলাইন ডেস্ক
১ বছর অনুপস্থিত, নির্বাচন কর্মকর্তার বেতন বৃদ্ধি দু’বছর স্থগিত
সংগৃহীত ছবি

বিনা অনুমতিতে এক বছর অফিসে অনুপস্থিত থাকায় নির্বাচন কর্মকর্তা রওশন আরেফিনের দুই বছর বেতন বৃদ্ধি স্থায়ীভাবে স্থগিতাদেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রবিবার (১৪ জুন) নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা বিষয়টি জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে ইসি সচিব এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনও জারি করেছেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার অফিসের নির্বাচন কর্মকর্তা রওশন আরেফিনর বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিন অনুপস্থিতির অভিযোগ উত্থাপিত হয়। ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর তাকে ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন অফিস থেকে টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন অফিসে বদলি করা হয়। বদলির আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন অফিস ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর অবমুক্ত করার একাধারে প্রায় ১ বছর অতিক্রান্ত হলেও তিনি বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করেননি এবং বর্তমানে তিনি কোনো কর্মস্থলেই কর্মরত নেই। তিনি কর্তৃপক্ষের আইনানুগ আদেশসহ সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান লঙ্ঘন করেছেন।

তার এই কার্যকলাপ শৃঙ্খলার পরিপন্থী এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ ও বিধি ৩(গ) অনুযায়ী ‘পলায়ন’ এর অভিযোগ তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করে অভিযোগনামায় কারণ দর্শানো হয় বলেও জানিয়ে নির্বাচন কমিশন। এরপর তিনি লিখিত জবাব দাখিল করে ব্যক্তিগত শুনানির অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। এতে গত ২০ জানুয়ারি ব্যক্তিগত শুনানিতে তিনি আত্মপক্ষ সমর্থন করেন। শুনানি অন্তে ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিভাগীয় মামলাটি তদন্তের সিদ্ধান্ত হয়। তদন্তে তার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত ‘পলায়ন' এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

সার্বিক বিবেচনায় অভিযুক্ত কর্মকর্তা মিজ রওশন আরেফিন ‘পলায়ন’ এর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ বিধি ৪(২)(খ) অনুযায়ী তার দুটি বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি (২০২৬ ও ২০২৭ সালের) স্থায়ীভাবে স্থগিত করা হলো। তবে বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিতিকাল ১১ মাস ২৫ দিন তার জমা থাকা অর্জিত ছুটি (পূর্ণ গড় বেতনে) হিসেবে মঞ্জুর করা হলো। সেইসঙ্গে তার সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করায় সাময়িক বরখাস্তকাল কর্মকাল হিসেবে গণ্য হবে।