• ই-পেপার

বিবিএসের দাবি

মাথাপিছু আয় ছাড়াল ৩ হাজার মার্কিন ডলার, জিডিপি ৫০০ বিলিয়ন

৫ বিভাগে মৌসুমি বায়ু, দেশজুড়ে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
৫ বিভাগে মৌসুমি বায়ু, দেশজুড়ে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

দেশের পাঁচ বিভাগে বিস্তার লাভ করেছে মৌসুমি বায়ু। এর প্রভাবে দেশজুড়ে বজ্রবৃষ্টি ঝরতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে কোথাও ভারি বর্ষণের আশঙ্কা করছে সংস্থাটি। 

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমিবায়ু বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। এটি আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে বাংলাদেশের বাকি অংশে বিস্তার লাভ করার জন্য অনুকূল অবস্থায় রয়েছে— এমন অবস্থায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

এ ছাড়া একই সময়ের মধ্যে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে ও রাতে সামান্য বাড়তে পারে।

এদিকে গতকাল সকাল ৬টা থেকে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পটুয়াখালীতে ৩৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে খুলনায় ৭৫ মিলিমিটার। 

বাজেটে কৃষক কার্ডের জন্য থাকছে ১ হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ

অনলাইন ডেস্ক
বাজেটে কৃষক কার্ডের জন্য থাকছে ১ হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ

বাজেটে ‘কৃষক কার্ড’ দেওয়ার জন্য প্রাথমিকভাবে এক হাজার ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করতে পারে সরকার। ১০০ উপজেলায় সাড়ে ৪২ লাখ কৃষককে এ কার্ড দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টায় সংসদে এ নতুন বাজেট পেশ করবেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

এ কার্ডের মাধ্যমে ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষকরা প্রতিবছর একবার আড়াই হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা পাবেন। 

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার হলো কৃষিকে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত করা। কৃষি খাতে মৌলিক রূপান্তর আনতে এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় ১০টি সেবা পৌঁছে দিতে সরকার চলতি বছরের পহেলা বৈশাখ আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু করেছিল।

প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের বিশাল এই ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক—দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।

বাজেটে শিক্ষা খাতে বাড়ছে ৪৩ হাজার কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক
বাজেটে শিক্ষা খাতে বাড়ছে ৪৩ হাজার কোটি টাকা
সংগৃহীত ছবি

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার সম্ভাব্য বিশাল বাজেট পেশ করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে এই বাজেট উত্থাপন করবেন তিনি।

এবারের বাজেটের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হতে যাচ্ছে শিক্ষা খাত, যেখানে গত অর্থবছরের তুলনায় বরাদ্দ একলাফে প্রায় ৪৩ হাজার কোটি টাকা বাড়ানোর আভাস পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে মোট ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করতে পারেন অর্থমন্ত্রী, যা দেশের মোট জিডিপির ২ শতাংশ। উল্লেখ্য, বিদায়ি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এই খাতে বরাদ্দ ছিল ৮৭ হাজার ২০৬ কোটি টাকা (জিডিপির ১.৩৯ শতাংশ)। নতুন বাজেটে সরকার মূলত গবেষণা ও উদ্ভাবনমূলক কাজে কার্যকর পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করতে এই বিপুল বরাদ্দ দিচ্ছে।

নতুন শিক্ষাক্রমে প্রথাগত পড়াশোনার বাইরে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দময় শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং ক্রীড়া ও সংস্কৃতির বিকাশকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে বিতর্ক, বিজ্ঞান মেলা ও সাহিত্যচর্চার মতো সহশিক্ষা কার্যক্রমে জোর দেবে সরকার।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসছে ভাষা শিক্ষায়। বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য এখন থেকে কারিকুলামে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এর আওতায় জাপানিজ, কোরিয়ান, ম্যান্ডারিন, আরবি, ফ্রেঞ্চ ও জার্মান ভাষার মতো আন্তর্জাতিক ভাষাগুলো শেখার সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা।

মাদরাসা শিক্ষার্থীদের মূলধারার কর্মসংস্থানে ফিরিয়ে আনতে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান, গণিত, ইংরেজি ও তথ্য-প্রযুক্তি শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং কর্মমুখী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা হবে। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ইউনিফর্ম, জুতা ও স্কুলব্যাগ সরবরাহ, প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং বিশেষায়িত সহায়ক প্রযুক্তি ও শিক্ষাসামগ্রী প্রদান করা হবে। পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে এবং সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে মিড-ডে মিল কর্মসূচি চালু ও পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সম্প্রসারণ এবং ছাত্রী ও শিক্ষিকাদের স্যানিটেশন ও হাইজিনকে প্রাধান্য দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে।

জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। আর বাজেটে মোট ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থাকতে পারে।

বাজেট

১০০ শতাংশ কর মওকুফ হচ্ছে যেসব খাত

অনলাইন ডেস্ক
১০০ শতাংশ কর মওকুফ হচ্ছে যেসব খাত

প্রস্তাবিত বাজেটে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের ওপর ব্যয়ের বোঝা কমাতে বেশ কিছু খাতে ১০০ শতাংশ কর অব্যাহতি ও শুল্ক মওকুফের ঐতিহাসিক প্রস্তাব করতে যাচ্ছে সরকার। কর মওকুফের এ বড় ঘোষণার মধ্যে রয়েছে ভোজ্য তেল উৎপাদন। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং আমদানিনির্ভরতা কমাতে দেশীয় তৈলবীজ ব্যবহার করে ভোজ্য তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রথম ৫ বছর ১০০ শতাংশ কর অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব করা হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করার সময় দেশীয় শিল্প এবং জনকল্যাণমূলক সেবায় এই বড় ছাড়ের ঘোষণা দিতে পারেন।

বাড়তি বরাদ্দ নেই বাজেটে, তবু সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুসংবাদ পরবর্তী ৩ বছর ৫০ শতাংশ এবং তার পরের ২ বছর ২৫ শতাংশ কর অব্যাহতির সুবিধা পাবেন উদ্যোক্তারা। অর্থাৎ ভোজ্য তেল খাতে দীর্ঘ ১০ বছরের জন্য কর ছাড়ের একটি বড় সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে বাজেটে।

পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে সৌরবিদ্যুৎ খাতে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত শূন্য শতাংশ কর হারের প্রস্তাব করা হতে পারে। এ ছাড়া সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারকারী গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের বিপরীতে ৫ শতাংশ কর রেয়াত দেওয়ার সুবিধাও রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থী পরিবহনে ব্যবহৃত ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে ভ্যাট ছাড়া বাকি সব ধরনের শুল্ক ও কর ১০০ শতাংশ মওকুফ করা হচ্ছে।

প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাতে এবং তরুণদের উৎসাহিত করতে বাজেটে প্রতিটি মোবাইল সিম কার্ডের ওপর থাকা ৩০০ টাকা কর সম্পূর্ণরূপে (১০০ শতাংশ) প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হতে পারে। এর ফলে সাধারণ মানুষের জন্য মোবাইল ও ইন্টারনেট সংযোগ আরো সাশ্রয়ী হবে।

এ ছাড়া স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় পর্যায়ের ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের সেবার ওপর থাকা ১৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণরূপে অব্যাহতি এবং ল্যাপটপ, ডেস্কটপ ও প্রিন্টার আমদানিতেও সমুদয় শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

কিডনি রোগীদের দীর্ঘদিনের দাবি বিবেচনায় নিয়ে ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানিতে থাকা ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়কর সম্পূর্ণ মওকুফ করা হচ্ছে, যা প্রতিটি ডায়ালিসিসের ব্যয় প্রায় ৮০০ টাকা কমিয়ে দেবে।

এ ছাড়া বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের ব্যবহারের জন্য ২১ ধরনের সহায়ক যন্ত্রপাতির আমদানিতে সমুদয় আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি ডিউটি ও অগ্রিম কর ১০০ শতাংশ অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে।