• ই-পেপার

১০৫ ফ্লাইটে দেশে ফিরলেন ৪৫১৫৮ হাজি, মারা গেছেন ৪৯

প্রতি উপজেলায় ১০ হাজার কৃষি কার্ড পৌঁছানো হবে : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রতি উপজেলায় ১০ হাজার কৃষি কার্ড পৌঁছানো হবে : প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষকদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আগামী এক বছরের মধ্যে প্রতি উপজেলায় আট থেকে ১০ হাজার কৃষি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।’ শনিবার (১৩ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিবার বাজেটের পর নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও এবার বাড়েনি। প্রস্তাবিত বাজেটে ট্যাক্স কমানো ও মদ-সিগারেটের দাম বাড়ানোর পরও সেই বাজেটও বিরোধী দলের ভালো লাগে না।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য এবং সে জন্যই আমরা কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছি। একই সঙ্গে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষক ভাইদের বীজ ও কীটনাশক ওষুধ কেনার জন্য এককালীন আড়াই হাজার টাকার সুবিধা দেওয়া হবে।’

এর আগে শনিবার সকাল ১০টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

হাম উপসর্গে আরো ৫ প্রাণহানি

অনলাইন ডেস্ক
হাম উপসর্গে আরো ৫ প্রাণহানি
ছবি: কালের কণ্ঠ

দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে নতুন করে ৭৯৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। শনিবার (১৩ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে শুধু ঢাকা বিভাগেই ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগে হামের উপসর্গে একজন করে মোট ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৬৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬৩ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরো ৭৩৩ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত মোট ৮৪ হাজার ৮৯৯ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ১০ হাজার ২৪৮ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৬৯ হাজার ৬০৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৬৫ হাজার ৮৫২ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
 

বেসরকারি চাকরিজীবীরা পাবেন পেনশন

অনলাইন ডেস্ক
বেসরকারি চাকরিজীবীরা পাবেন পেনশন
সংগৃহীত ছবি

বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তা জোরদার করতে সর্বজনীন পেনশনব্যবস্থাকে আরো বিস্তৃত করা হচ্ছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই স্কিমের আওতায় অবসরের সময় মোট জমার ৩০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ গ্র্যাচুইটি বা এককালীন আনুতোষিক হিসেবে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাজেটে উপস্থাপন করা হয়।

অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় জানানো হয়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা, যা আগের অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দের তুলনায় বেশি।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত চারটি স্কিমে ৩ লাখ ৭৭ হাজারের বেশি মানুষ নিবন্ধন করেছে। মোট তহবিল জমা দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৬০ কোটি টাকা, আর বিনিয়োগ হয়েছে প্রায় ২৮৬ কোটি টাকার কাছাকাছি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের বেসরকারি খাতে কর্মরত প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শ্রমিক-কর্মীর বড় অংশই অবসরকালীন কোনো নিশ্চিত আয়ের আওতায় নেই। সরকারি চাকরিজীবীরা পেনশন সুবিধা পেলেও বেসরকারি খাতে দীর্ঘদিন ধরেই এমন কাঠামোগত নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল।

স্কিমকে আরো কার্যকর ও আকর্ষণীয় করতে কয়েকটি নতুন প্রস্তাবও আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে শরিয়াহভিত্তিক পেনশন স্কিম চালু, নমিনিদের জন্য আজীবন পেনশন সুবিধা এবং আউটসোর্সিং কর্মীদের প্রগতি স্কিমে অন্তর্ভুক্ত করা।

প্রস্তাবিত প্রগতি স্কিম অনুযায়ী, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও কর্মী উভয়েই চাঁদা দেবেন ৫০-৫০ অনুপাতে। মাসিক চাঁদার পরিমাণ থাকবে ১ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে। অবসরের পর আজীবন মাসিক পেনশন পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

এ ছাড়া মাসিক চাঁদার ওপর কর রেয়াত এবং প্রাপ্ত পেনশন করমুক্ত থাকবে। ৬০ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ অর্থ এককালীন গ্র্যাচুইটি হিসেবে উত্তোলনের সুযোগও থাকবে। রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টিযুক্ত বিনিয়োগের মাধ্যমে এই তহবিল পরিচালিত হবে।

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন কত?

অনলাইন ডেস্ক
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন কত?
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো চালুর ঘোষণা এসেছে। আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিষয়টি উঠে আসে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় জাতীয় সংসদে।

অর্থমন্ত্রী জানান, প্রায় ১১ বছর ধরে সরকারি কর্মচারীরা আগের বেতন কাঠামোর আওতায় রয়েছেন। এ সময় মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় নতুন পে স্কেল কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রথম ধাপে ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকেই আংশিকভাবে নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা চালু হবে। পরে ধাপে ধাপে পূর্ণ সুবিধা কার্যকর করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে। বিভিন্ন গ্রেডে বেতন প্রায় দ্বিগুণ থেকে আড়াই গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

সূত্র বলছে, পুরো কাঠামো তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রথম ধাপে মূল বেতনের প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি কার্যকর হবে। পরবর্তী অর্থবছরে বাকি অংশ যুক্ত হবে। আর ২০২৮-২৯ অর্থবছরে বাড়িভাড়া, চিকিৎসাভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পুরোপুরি সমন্বয় করা হবে।

বর্তমানে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের ব্যয় বছরে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে অতিরিক্ত আরো বড় অঙ্কের অর্থ প্রয়োজন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নতুন পে স্কেলে গ্রেডভিত্তিক বেতন পরিবর্তন

গ্রেড-১ : ৭৮ হাজার → ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা

গ্রেড-২ : ৬৬ হাজার → ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা

গ্রেড-৩ : ৫৬,৫০০ → ১ লাখ ১৩ হাজার টাকা

গ্রেড-৪ : ৫০ হাজার → ১ লাখ টাকা

গ্রেড-৫ : ৪৩ হাজার → ৮৬ হাজার টাকা

গ্রেড-৬ : ৩৫,৫০০ → ৭১ হাজার টাকা

গ্রেড-৭ : ২৯ হাজার → ৫৮ হাজার টাকা

গ্রেড-৮ : ২৩ হাজার → ৪৭,২০০ টাকা

গ্রেড-৯ : ২২ হাজার → ৪৫,১০০ টাকা

গ্রেড-১০ : ১৬ হাজার → ৩২ হাজার টাকা

গ্রেড-১১ : ১২,৫০০ → ২৫ হাজার টাকা

গ্রেড-১২ : ১১,৩০০ → ২৪,৩০০ টাকা

গ্রেড-১৩ : ১১ হাজার → ২৪ হাজার টাকা

গ্রেড-১৪: ১০,২০০ → ২৩,৫০০ টাকা

গ্রেড-১৫: ৯,৭০০ → ২২,৮০০ টাকা

গ্রেড-১৬ : ৯,৩০০ → ২১,৯০০ টাকা

গ্রেড-১৭ : ৯ হাজার → ২১,৪০০ টাকা

গ্রেড-১৮ : ৮,৮০০ → ২১ হাজার টাকা

গ্রেড-১৯ : ৮,৫০০ → ২০,৫০০ টাকা

গ্রেড-২০ : ৮,২৫০ → ২০ হাজার টাকা।