• ই-পেপার

আইওএফ লুটপাটকাণ্ড: এখনো অধরা সিন্ডিকেটের হোতারা

সব সরকারি প্রতিষ্ঠানকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিশেষ নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
সব সরকারি প্রতিষ্ঠানকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিশেষ নির্দেশনা

২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত সব দাপ্তরিক চিঠিতে নজরুল বর্ষের নির্ধারিত লোগো ব্যবহার করতে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

রবিবার (২৬ জুলাই) এ নির্দেশনা দিয়ে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সরকার চলতি বছরের ২৫ মে থেকে আগামী বছরের ২৫ মে পর্যন্ত সময়কে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী গত ২ জুলাই ‘নজরুল বর্ষ’র নির্ধারিত লোগো উন্মোচন করেন।

এতে আরো বলা হয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের আদর্শ, চেতনা ও সৃষ্টিকে জাতির কর্ম ও মননে সমুন্নত রাখার প্রয়াসে এবং যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনের অংশ হিসেবে ২৫ মে ২০২৭ পর্যন্ত সব দাপ্তরিক পত্রে নির্ধারিত লোগো ব্যবহারের জন্য সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় অনুরোধ জানিয়েছে। সেই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ নির্দেশনা জারি করেছে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সরাসরি জাহাজ চলাচল চালুর বিষয়ে আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সরাসরি জাহাজ চলাচল চালুর বিষয়ে আলোচনা

বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে বাণিজ্য ও যোগাযোগ বাড়াতে সরাসরি জাহাজ চলাচল চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পাশাপাশি অভিবাসন, প্রবাসী কল্যাণ, পর্যটন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্লু-ইকোনমি ও সামুদ্রিক সংযোগ জোরদারের বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদামের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

বৈঠকে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করতে অভিবাসন ও প্রবাসী কল্যাণ, পর্যটন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্লু-ইকোনমি, সামুদ্রিক যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।

এ সময় দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও যোগাযোগ সহজ করতে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে সরাসরি জাহাজ চলাচল চালুর সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় হয়। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময়ের বিষয়েও আলোচনা করেন তারা।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বৈঠকে সরকারের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতির প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরো গভীর করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

বৈঠকে মালদ্বীপের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (স্টেট মিনিস্টার) ড. মোহাম্মদ ফাহমি হাসান এবং মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নজমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হলেন ড. আখতার হোসেন খান

অনলাইন ডেস্ক
অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হলেন ড. আখতার হোসেন খান

বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বর্তমান উপাচার্য ড. মো. আখতার হোসেন খান। 

রবিবার (২৬ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নাঈমা খন্দকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল আইন, ২০১৭-এর ৭(১) ধারা অনুযায়ী স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন ড. মো. আখতার হোসেন খানকে আগামী ৪ বছরের জন্য বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিরের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল আইন, ২০১৭ অনুযায়ী তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন। চেয়ারম্যান পদে থাকাকালীন তিনি বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল আইন, ২০১৭ এর ৭(৪) ধারা অনুযায়ী পদমর্যাদা এবং প্রচলিত বিধি মোতাবেক বেতন-ভাতাদি ও পদ-সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা পাবেন। চেয়ারম্যান পদে তাঁর মেয়াদ হবে ৪ বছর। তবে সরকার প্রয়োজনে যে কোন সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবে।

অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেন।

আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অত্যন্ত মেধাবী ও সম্ভাবনাময় : শ্রমমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অত্যন্ত মেধাবী ও সম্ভাবনাময় : শ্রমমন্ত্রী

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, ‘আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অত্যন্ত মেধাবী ও সম্ভাবনাময়। সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে তারা দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। আজকের এই তরুণ বিজয়ী শিক্ষার্থীদের দেখে আমি তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী।’

রাজধানী (২৬ জুলাই) ঢাকার বিজয়নগরস্থ শ্রম ভবনের সম্মেলনকক্ষে ‘মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত রচনা/প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে সনদপত্র ও ক্রেস্ট তুলে দেন।

শ্রমমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার একটি শ্রমবান্ধব সরকার। দক্ষ শ্রমিক ছাড়া কোনো জাতির পক্ষে উন্নতি করা সম্ভব নয়। উদাহরণ হিসেবে, চীন তাদের দক্ষ শ্রমশক্তিকে কাজে লাগিয়ে আজ বিশ্বদরবারে অনেক দূর এগিয়ে গেছে।’

বিশ্বজুড়ে শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশকে সবার আগে প্রাধান্য দেওয়া হলেও আমাদের দেশের কলকারখানাগুলোতে এখনো বিষয়টিতে কাঙ্ক্ষিত গুরুত্ব দেওয়া হয় না।’

এ বিষয়ে শ্রম পরিদর্শকদের নির্দেশনা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, পরিদর্শনে গিয়ে কেবল আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শেষ না করে, শ্রমিকদের মুখোমুখি হয়ে তাদের সমস্যাগুলো জানার চেষ্টা করুন এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। কারণ এই জনশক্তি আমাদের দেশের মূল্যবান সম্পদ, আর এর কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব। এ ছাড়া তরুণ ও বর্তমান প্রজন্মকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অহেতুক সময় নষ্ট না করে জ্ঞানচর্চা ও সৃজনশীল কাজে সময় ব্যয় করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

আইওএফ লুটপাটকাণ্ড: এখনো অধরা সিন্ডিকেটের হোতারা | কালের কণ্ঠ