• ই-পেপার

ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় তাপমাত্রা বাড়বে

সাইবার সুরক্ষা আইনে কনটেন্ট অপসারণসহ আসতে পারে যেসব বড় পরিবর্তন

অনলাইন ডেস্ক
সাইবার সুরক্ষা আইনে কনটেন্ট অপসারণসহ আসতে পারে যেসব বড় পরিবর্তন
সংগৃহীত ছবি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সাইবার স্পেসে বিভিন্ন ধরনের গুজব, মানহানিকর ও ভুয়া কনটেন্ট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে কোনো বিভ্রান্তিকর ভিডিও, অডিও এবং ছবি তৈরি ঠেকাতে সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি সরকার। সোমবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, বিভ্রান্তিকর কনটেন্টের বিস্তার রোধে সরকার সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে।

সোমবার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে এ নিয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের একটি প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে এসব বিষয় জানা যায়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটাসহ আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করার বিধানও আইনে আনা হবে।

 

আরো পড়ুন
আলহামদুলিল্লাহ, অবশেষে সত্যের জয় হলো : নাসির

আলহামদুলিল্লাহ, অবশেষে সত্যের জয় হলো : নাসির

 

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ রহিত করে সাইবার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নতুন অধ্যাদেশ জারি করে। পরবর্তীতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে অধ্যাদেশটি আইন আকারে পাশ হয়।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী বলছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের অপতথ্য ছড়ানো ও মানহানিকর কনটেন্ট তৈরির পরিমাণ বাড়লেও নতুন এই আইনে এই ধরনের অপরাধের শাস্তির বিধান নেই। যে কারণে এসব অপরাধ বন্ধ করা যাচ্ছে না।

অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এই আইনটিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করলেও সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা এটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

আইন সংশোধন নিয়ে সরকারের ব্যাখ্যা
গত রোববার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হয়। সোমবার সরকারদলীয় সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া আইডি, বট নেটওয়ার্ক, এআই দিয়ে তৈরি ভুয়া কনটেন্ট, নারী ও শিশুদের অনলাইনে হয়রানি এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের বিষয়টি সংসদে তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুকে ভুয়া পরিচয়ে অসংখ্য অ্যাকাউন্ট ও পেজ পরিচালিত হচ্ছে। এ ছাড়া এআই ব্যবহার করে ভুয়া ছবি, ভিডিও ও অডিও তৈরি করে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

সরকারদলীয় সংসদ সদস্যের এই প্রশ্নের পরই এটি নিয়ে জবাব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি তখন বলেন, ‘কিছুদিন ধরে আমরা লক্ষ করছি, বাংলাদেশের সরকারের প্রধান তার স্ত্রী, তার কন্যা, আমার স্ত্রী কন্যা এবং অনেকের স্ত্রী ও কন্যা এবং সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অথবা প্রতিপক্ষ বিবেচনায় যেসব কনটেন্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা ভার্চুয়াল মিডিয়ায় প্রকাশিত হচ্ছে। স্বাধীনতার নামে এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে যেসব কনটেন্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে, সেটা আসলেই মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কি না, সেটা পুনরায় সংজ্ঞায়িত করা দরকার।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ভার্চুয়াল মিডিয়া এবং অনলাইনভিত্তিক সব প্ল্যাটফরমকে অন্তর্ভুক্ত করে ‘সাইবার স্পেস’-এর নতুন সংজ্ঞা নির্ধারণের কাজ চলছে। এ লক্ষ্যে সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের খসড়া প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে।

তিনি জানান, সংশোধিত আইনে গুজব, অপতথ্য, মানহানি এবং বিভ্রান্তিকর কনটেন্টের নতুন সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হবে। একই সঙ্গে এ ধরনের কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার প্রতিরোধে নতুন শাস্তির বিধান সংযোজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে অপমানজনক, বিরক্তিকর ও মানহানিকর কনটেন্ট তৈরির প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে আরো কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠা এবং ক্ষতিকর কনটেন্ট দ্রুত অপসারণ নিশ্চিত করার জন্য নতুন বিধান আনা হবে।’

সাইবার স্পেসের সংজ্ঞা নতুন করে নির্ধারণ করা হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ভার্চুয়াল মিডিয়াসহ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোকে আইনের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে আইনি সংস্কারে ড্রাফটে হাত দিয়েছি। আমি জানতাম না আজকে এই প্রশ্নটা এখানে আসবে।’

অপসারণ করা যাবে কনটেন্ট?
গত কয়েক মাসে বিশেষ করে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচনের পরও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করতে দেখা গেছে।

আরো পড়ুন
প্রাথমিক-মাধ্যমিকে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন ৪ বিষয়ের মধ্যে যা থাকবে

প্রাথমিক-মাধ্যমিকে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন ৪ বিষয়ের মধ্যে যা থাকবে

 

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী বলছে, আগের সাইবার সুরক্ষা আইন পরবর্তীতে সাইবার নিরাপত্তা আইনে পরিণত হলেও বর্তমান আইনে ভুয়া তথ্য, মানহানিকর কনটেন্ট ও ছবি তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করলেও তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় না।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাইবার সিকিউরিটি বিভাগের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সৈয়দ হারুন অর রশীদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘বর্তমান আইনে এ সংক্রান্ত যে ধারাগুলো রয়েছে সেখানে ভুয়া ও মানহানিকর কনটেন্টের কোনো অভিযোগ এলে সেগুলো নিয়ে আমরা বিটিআরসিতে লিখি। বিটিআরসি সেগুলো ডাউন করে কোনো কোনো ক্ষেত্রে।’

তার কাছে প্রশ্ন ছিল এই ধরনের কনটেন্টগুলো কি শুধুই ডাউন করা যায়? নাকি সেগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলা যায়? এর জবাবে এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এ নিয়ে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ মেটার সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা বা চুক্তি না থাকার কারণে এ নিয়ে খুব একটা সাড়া দেয় না মেটা কর্তৃপক্ষ। যে কারণে এসব কনটেন্ট ফেসবুক, ইউটিউব থেকে সব সময় সরানোও যায় না।

সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা বলেন, ‘চাইল্ড পর্নোগ্রাফি, সেক্সটর্শন কিংবা জঙ্গিবাদের মতো বিয়ষগুলো নিয়ে যখন কোনো অভিযোগ মেটা কর্তৃপক্ষের কাছে যায় তখন তারা এ সংক্রান্ত কনটেন্ট অপসারণে গুরুত্ব দেয়। এর বাইরে অন্য কনটেন্ট নিয়ে খুব একটা সাড়া পাওয়া যায় না।’

সোমবার জাতীয় সংসদে হেলেন জেরিন খান সম্পূরক একটি প্রশ্নে জানতে চান মেটাসহ আন্তর্জাতিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগে সরকার কোনো ব্যবস্থা নেবে কি না? এর জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশের আইনে এখনো এমন বিধান নেই, যার মাধ্যমে মেটাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কনটেন্ট সরাতে বাধ্য করা যায়।

তিনি আরো বলেন, ‘বিটিআরসি বা অন্য কর্তৃপক্ষ মেটাকে অনুরোধ পাঠালেও তারা অনেক সময় দ্রুত ব্যবস্থা নেয় না। তারা বলে, তোমাদের তো আইনটা ঠিকমতো নেই। সুতরাং আইনি কভার না থাকলে সেটা প্রেসার দেওয়া যায় না। নতুন সংশোধনে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে সমন্বয়, সময়সীমাভিত্তিক কনটেন্ট অপসারণ এবং রিপোর্ট করা কনটেন্ট অপসারণ প্রক্রিয়া কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করার বিধান থাকবে।’

মরক্কো থেকে ৫২৩ কোটি টাকার টিএসপি সার কিনবে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
মরক্কো থেকে ৫২৩ কোটি টাকার টিএসপি সার কিনবে সরকার
সংগৃহীত ছবি

রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে মরক্কোর ওসিপি ন্যুট্রিক্রপস এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় দুটি পৃথক লটে মোট ৬০ হাজার টন টিএসপি সার আমদানির প্রস্তাবে অনুমোদনের সুপারিশ করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এতে মোট ব্যয় হবে ৫২২ কোটি ৯৪ লাখ ৮৫ হাজার ১৭৫ টাকা। বুধবার (১০ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

আরো পড়ুন
প্রশাসনিক কাজে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রশাসনিক কাজে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

 

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ হাজার টন টিএসপি সার আমদানি করা হবে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫৪ কোটি ৩৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। প্রতি টনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৮৮ মার্কিন ডলার। মরক্কোর ওসিপি ন্যুট্রিক্রপস থেকে এই সার কেনা হবে।

আরো পড়ুন
চাঁদাবাজির অভিযোগে আড়াইহাজার থানার এসআই ক্লোজড

চাঁদাবাজির অভিযোগে আড়াইহাজার থানার এসআই ক্লোজড

 

আর এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে মরক্কোর ওসিপি ন্যুট্রিক্রপস থেকে ৩০ হাজার টন টিএসপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ২৬৮ কোটি ৫৬ লাখ ৫ হাজার ১৭৫ টাকা। প্রতি টনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭২৬ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার।

প্রশাসনিক কাজে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রশাসনিক কাজে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১০ জুন) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের চতুর্থ দিন কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের এক প্রশ্নোত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। বিকেল তিনটায় শুরু হওয়া জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম সভাপতিত্ব করছেন।

আরো পড়ুন
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৮ জনের মৃত্যু

হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৮ জনের মৃত্যু

 

কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বলেন, সম্প্রতি আপনি জেলা প্রশাসক সম্মেলনে দুর্নীতি ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার ব্যাপারে কড়া সতর্কবার্তাসহ জনস্বার্থে অনেকগুলো নির্দেশনা প্রদান করেছেন। জনস্বার্থে আপনার এই নির্দেশনাগুলো কী কী?

জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৬-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ও কমিশনারদের বেশ কয়েকটি নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স-নীতি অনুসরণপূর্বক প্রতিরোধমূলক ও দমনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা পরিহার করে দ্রুত বাস্তবসম্মত ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে সততা, মেধা ও দক্ষতাকে একমাত্র মানদণ্ড হিসেবে অনুসরণ করতে হবে। প্রশাসনিক কাঠামোর কার্যকারিতা বৃদ্ধি ও জবাবদিহি নিশ্চিতকল্পে প্রয়োজনীয় সংস্করমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

আরো পড়ুন
গ্রেপ্তারের ৪ দিনের মাথায় জামিন পেলেন আ. লীগ নেতা মঞ্জু

গ্রেপ্তারের ৪ দিনের মাথায় জামিন পেলেন আ. লীগ নেতা মঞ্জু

 

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, সেবা প্রদান ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী, দক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে হবে। আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে এবং সরকারি সেবা প্রদান হয়রানিমুক্ত, বিলম্বমুক্ত ও স্বচ্ছ রাখতে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।

নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান
ছবি: কালের কণ্ঠ

নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা বলেছেন, ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকার, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিও এবং জাতিসংঘের সংস্থাগুলো কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সহায়তা দিয়ে আসছে। এ কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য প্রতি বছর একটি যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। তবে জেআরপি ২০২৬-এর বাস্তবায়ন কাঠামো থেকে স্থানীয় এনজিওগুলোকে বাদ দেওয়া হয়েছে। যা খুবই উদ্বেগজনক খবর।

বুধবার (১০ জুন) কক্সবাজার প্রেসক্লাবে কক্সবাজার সিএসও এনজিও ফোরাম (সিসিএনএফ) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ সব কথা বলেন তারা। 

আরো পড়ুন
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৮ জনের মৃত্যু

হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৮ জনের মৃত্যু

 

সিসিএনএফ-এর প্রধান মডারেটর রেজাউল করিম চৌধুরীর সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতা করেন স্থানীয় এনজিও ‘প্রতিশ্রুতি’র আঞ্জুমান আরা, কোস্ট ফাউন্ডেশনের মো. ইকবাল উদ্দিন, মো. শাহিনুর ইসলাম ও তাহরিমা আফরোজ টুম্পা, কক্সবাজার পর্যটন শিল্প ও সমবায় সমিতি লিমিটেডের নেওয়াজ মো. সেলিম, রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল কবির, পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান মোজাফ্ফর আহমদ, কক্সবাজার সাহিত্য একাডেমির নুরুল ইসলাম, কক্সবাজার ইয়ুথ ফোরামের নাসিমা আখতার, কক্সবাজার উইমেন চেম্বার অব কমার্সের জাহানারা ইসলাম এবং কক্সবাজার প্রেসক্লাবের মমতাজ উদ্দিন বাহারী।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, জেআরপি বাস্তবায়ন থেকে স্থানীয় এনজিওদের বাদ দেওয়া গ্র্যান্ড বার্গেইনের অধীনে গৃহীত স্থানীয়করণ অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, যার স্বাক্ষরকারী ইউএনএইচসিআর (জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার)। ইউএনএইচসিআরকে অবশ্যই স্থানীয় এনজিওদের অংশীদারিত্বে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তারা বলেন, জেআরপি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় এনজিও প্রতিনিধির বক্তব্যের প্রস্তাবনা গ্রহণ করা হয়নি, অথচ আন্তর্জাতিক এনজিওর মাধ্যমে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে। বৈশ্বিক স্থানীয়করণ প্রতিশ্রুতির আলোকে জেআরপিকে অন্তর্ভুক্তিমূলক হতে হবে এবং আন্তর্জাতিক এনজিও, জাতিসংঘ সংস্থার পাশাপাশি স্থানীয় ও জাতীয় সংগঠনগুলোর অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। রোহিঙ্গা মানবিক কার্যক্রমে স্থানীয় অংশীজনদের অধিকতর অন্তর্ভুক্তি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় তাদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে রেজাউল করিম চৌধুরী রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং ক্যাম্পে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণের জন্য একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতে সরকার ও জাতিসংঘ সংস্থাগুলোকে নাফ নদীর পানি পরিশোধন করে সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়ারও আহ্বান জানান।

ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় তাপমাত্রা বাড়বে | কালের কণ্ঠ