• ই-পেপার

৮ মাসের ‘আমলনামা’ প্রকাশ করলেন বিডার আশিক চৌধুরী

ঘনীভূত হতে পারে লঘুচাপ, জেলেদের গভীর সাগরে যেতে নিষেধ

অনলাইন ডেস্ক
ঘনীভূত হতে পারে লঘুচাপ, জেলেদের গভীর সাগরে যেতে নিষেধ

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ আরো ঘনীভূত হতে পারে। তাই জেলেদের গভীর সাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানান, উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি একই এলাকায় অবস্থান করছে।

এটি ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে সব সমুদ্র বন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

পে স্কেল বাস্তবায়নে ফের অপেক্ষা, জটিলতা কোথায়?

অনলাইন ডেস্ক
পে স্কেল বাস্তবায়নে ফের অপেক্ষা, জটিলতা কোথায়?

সরকারি চাকরিজীবীদের বহু প্রতীক্ষিত নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সুপারিশমালা এখনো চূড়ান্ত করতে পারেনি গঠিত উচ্চপর্যায়ের সচিব কমিটি। বুধবার (১৫ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে এ সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও সুপারিশমালা চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি। জটিলতা কাটাতে আগামী সপ্তাহে সচিব কমিটির আবারও বৈঠকে বসার কথা রয়েছে।

অন্যদিকে, চলমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট ও ডলার সংকটের মাঝে এই নতুন ও উচ্চ হারের বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে আইএমএফ (আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল) আপত্তি তুলেছে।

আইএমএফের উদ্বেগ ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক
গত ১২ জুলাই থেকে ঢাকা সফরে থাকা আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক করেছে। বৈঠকে প্রতিনিধিদলটি চলমান আর্থিক সংকটের মধ্যে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের তীব্র বিরোধিতা করে। সংস্থাটি মনে করে, সুনির্দিষ্ট আয়ের উৎস ঠিক না করে এই বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে গেলে দেশের অর্থনৈতিক সংকট আরো গভীর হবে। বিশেষ করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশের ক্রয়ক্ষমতা হঠাৎ বেড়ে গেলে বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়বে।

বুধবারের বৈঠকে যা আলোচনা হলো
সূত্র জানায়, বুধবারের বৈঠকে পে স্কেল বাস্তবায়নের নানা প্রতিবন্ধকতা, সরকারের বর্তমান আর্থিক সক্ষমতা এবং বাস্তবায়নের বিভিন্ন ধাপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পে কমিশনের প্রস্তাবিত ২০টি গ্রেডের বেতন কাঠামো নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সেখানে গ্রেডের সংখ্যা কমিয়ে আনা বা সমন্বয়ের বিষয়েও একাধিক মতামত উঠে আসে।

মূল সুপারিশ অনুযায়ী:

  • সর্বনিম্ন (২০তম) গ্রেডের বেতন: ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা।
  • সর্বোচ্চ (১ম) গ্রেডের বেতন: ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা (নির্ধারিত)।

বৈঠক শেষে অর্থ বিভাগের সচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘কমিটি কত সময় নেবে বা কয়টি বৈঠক করবে, সেটা তাদের এখতিয়ার। তারা কাজ করছেন। সচিব কমিটির সুপারিশ হাতে পেলে আমরা পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেব। এর জন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আরো কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে।’

অর্থ বিভাগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সময় পে স্কেলের ঘোষণা এলেও বর্তমান বিএনপি সরকার তা বাস্তবায়নে বেশ আন্তরিক। সদ্য শুরু হওয়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ মোট বরাদ্দ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকায়। নতুন পে স্কেলের আংশিক বাস্তবায়ন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সুবিধা ও পেনশনভোগীদের সমন্বিত সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যেই মূলত অতিরিক্ত ৪৪ হাজার কোটি টাকার আর্থিক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করে। তখন সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় বর্তমান সরকার সেই সুপারিশ হুবহু গ্রহণ করছে না।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি দেশের বর্তমান রাজস্ব আয়, মূল্যস্ফীতি, বাজেট ঘাটতি ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন একটি খসড়া প্রস্তুত করছে। সেই খসড়ার ভিত্তিতেই এগিয়ে চলছে গেজেট চূড়ান্তের কাজ।

আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান ও বিশেষ দূত হলেন রাবাব ফাতিমা

অনলাইন ডেস্ক
আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান ও বিশেষ দূত হলেন রাবাব ফাতিমা
রাবাব ফাতিমা

আফগানিস্তানে জাতিসংঘের সহায়তা মিশনের (ইউএনএএমএ) প্রধান ও আফগানিস্তানবিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে বাংলাদেশের কূটনীতিক রাবাব ফাতিমাকে নিয়োগ দিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। 

বার্তাসংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে জানা যায়, গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) জাতিসংঘের মুখপাত্রের দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, রাবাব ফাতিমা কিরগিজস্তানের রোজা ওতুনবায়েভার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রশাসনে রাবাব ফাতিমার ৩০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তার কর্মজীবনে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় কূটনীতি, নীতিনির্ধারণ, অ্যাডভোকেসি, কর্মসূচি পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

রাবাব ফাতিমা ২০২২ সালের জুন থেকে জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল এবং স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি), স্থলবেষ্টিত উন্নয়নশীল দেশ (এলএলডিসি) ও উন্নয়নশীল ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর (এসআইডিএস) উচ্চ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এর আগে তিনি নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত এবং জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে তিনি জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নেন।

জাতিসংঘে দায়িত্ব পালনকালে তিনি শান্তিবিনির্মাণ কমিশনের সভাপতি, ইউএন উইমেনের নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া ইউনিসেফের নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি এবং ইউএনডিপি, ইউএনএফপিএ ও ইউএনওপিএসের নির্বাহী বোর্ডের সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।

১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র ক্যাডারে যোগ দেন রাবাব ফাতিমা। কর্মজীবনে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ছাড়াও নিউইয়র্ক ও জেনেভায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এবং কলকাতা ও বেইজিংয়ে বাংলাদেশ মিশনে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া কমনওয়েলথ সচিবালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।

কাতার থেকে দেশে ফিরেছেন স্পিকার

বাসস
কাতার থেকে দেশে ফিরেছেন স্পিকার

কাতারের আমিরের কাছে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা হস্তান্তর শেষে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম দোহা থেকে ঢাকায় ফিরেছেন।

তিনি বুধবার রাত ৩টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে স্পিকার এক সংক্ষিপ্ত সরকারি সফরে কাতারের সাবেক আমির ও বর্তমান আমিরের পিতার মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানাতে গত ১৪ জুলাই, দুপুরে দোহায় পৌঁছান। তিনি কাতারের সাবেক আমির ও বর্তমান আমিরের পিতা শেখ হামাদ বিন খলিফা আল সানির মৃত্যুতে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল সানির কাছে  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোকবার্তা হস্তান্তর করেন।

স্পিকার এ সময় মহামহিম আমির এবং শোকসন্তপ্ত রাজপরিবারের সদস্যদের প্রতি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং প্রয়াত আমিরের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

শোকবার্তা হস্তান্তরের পর স্পিকার কাতারের শুরা কাউন্সিলের স্পিকার হাসান বিন আবদুল্লাহ আল-গানিমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

৮ মাসের ‘আমলনামা’ প্রকাশ করলেন বিডার আশিক চৌধুরী | কালের কণ্ঠ