• ই-পেপার

৩-৫টি শৈত্যপ্রবাহ, একাধিক লঘুচাপ—যেমন থাকবে জানুয়ারির আবহাওয়া

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফের ভূমিকম্প অনুভূত

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফের ভূমিকম্প অনুভূত

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে অনুভূত এ ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ইউরোপীয় মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের আসাম রাজ্যের শিলচরে, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী শিলচর এলাকায়।

ভূমিকম্পের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ঝাঁকুনি অনুভব করার কথা জানান। সিলেট, ময়মনসিংহ ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে ভূকম্পন অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

তবে এখন পর্যন্ত ভূমিকম্পের কারণে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে, গত রবিবার রাত ১১টা ৩৭ মিনিটের দিকে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্পে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশ কেঁপে ওঠে। ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভুটান।

সুদের হার কমালে ১ বছরের মধ্যে প্রাইভেট সেক্টর জেগে উঠবে : আবু আহমেদ

অনলাইন ডেস্ক
সুদের হার কমালে ১ বছরের মধ্যে প্রাইভেট সেক্টর জেগে উঠবে : আবু আহমেদ

সরকার সুদের হার কমালে ১ বছরের মধ্যে প্রাইভেট সেক্টর জেগে উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ। তিনি বলেন, ‘সরকার যদি সুদের হার কমায় তাহলে আমি আশা করছি, ১ বছরের মধ্যে প্রাইভেট সেক্টর জেগে উঠবে। প্রাইভেট সেক্টর না জাগলে, শুধু সরকারি অর্থায়নের মাধ্যমে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫.৫-এর মধ্যে পৌঁছানো কঠিন হবে।’

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

আবু আহমেদ বলেন, ‘আমাদের যেটা সমস্যা সেটা হলো, দিনের পর দিন সরকারের পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। এ জন্য বাংলাদেশের অর্থনীতি কর্জের মধ্যে ডুবে যাচ্ছে। সরকার পরিচালন ব্যয়ে যদি লাগাম টেনে ধরতে পারে, তাহলে অবশ্যই সাফল্য দেখা দেবে।’

তিনি বলেন, ‘জিডিপি প্রবৃদ্ধি বর্তমানে ৩.৪ বা ৩.৫, এখান থেকে ৫.৫-এর মধ্যে অবশ্যই নিতে হবে। মূল অর্থনীতি যদি সামনে না এগোয় তখন মূল্যস্ফীতি হবে, মানুষের জীবনধারণ কঠিন হয়ে পড়তে পারে। সরকারকে লিড নিতে হবে, আপাতত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালিয়ে নেওয়ার জন্য।’

এটা কি উচ্চাভিলাষী বাজেট—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে যেখানে ইকোনমি স্থবির হয়ে বসে আছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি অনেক বছর ধরে কম, সেখানে এটাকে উচ্চাভিলাষী বলাটা খারাপ বিষয় না। বাজেট বড়ই করতে হবে। যেটা নিয়ে আমরা চিন্তিত, ঘাটতি বাজেটের আকার বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে এবার অর্থমন্ত্রী চেষ্টা করেছেন, ঘাটতি বাজেটের আকারটা যাতে না বাড়ে।’

ফুটবল বিশ্বকাপ দেখার আমন্ত্রণ জানাল মার্কিন দূতাবাস

অনলাইন ডেস্ক
ফুটবল বিশ্বকাপ দেখার আমন্ত্রণ জানাল মার্কিন দূতাবাস

বাংলাদেশের জনগণকে ফুটবল বিশ্বকাপ দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এক বার্তায় দূতাবাসের পক্ষ থেকে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়।

বার্তায় উল্লেখ করা হয়, ‘ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬’ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়—এ এক বৈশ্বিক উদযাপন। ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস আপনাদের ম্যাচগুলো দেখার, উপভোগ করার এবং যুক্তরাষ্ট্রে এই বৈশ্বিক আয়োজনের উত্তেজনা অনুভব করার আমন্ত্রণ জানাচ্ছে।

পাউচ ও হিটেড টোব্যাকো বৈধকরণ জনস্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে : বাটা ও বিএনটিটিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
পাউচ ও হিটেড টোব্যাকো বৈধকরণ জনস্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে : বাটা ও বিএনটিটিপি
সংগৃহীত ছবি

প্রস্তাবিত বাজেটে তামাকজাত দ্রব্যের দাম কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়নি বরং নতুন দুই ধরণের তামাক পণ্যকে করের আওতায় এনে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। এভাবে নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকোর (ই-সিগারেট, ভেপ ইত্যাদি) বৈধকরণ এবং তামাকজাত দ্রব্যের সামান্য মূল্য বৃদ্ধি জনস্বাস্থ্যকে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলে মনে করছে বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা) ও তামাক করবিষয়ক নলেজ হাব বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর টোব্যাকো ট্যাক্স পলিসি (বিএনটিটিপি)।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) গণমাধ্যমে প্রেরিত তাৎক্ষণিক বাজেট প্রতিক্রিয়ায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। আরো বলা হয়, প্রথমে আইন থেকে নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকো পণ্য নিষিদ্ধের বিধান বাদ দেওয়া হয়েছে। তারপর জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ ও পরামর্শ উপেক্ষা করে করের আওতায় এনে এসব পণ্যকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতিসহ দেশের কোটি কিশোর-তরুণ নতুন নেশার ফাঁদে আটকে পড়বে। শুধুমাত্র রাজস্ব আয় বিবেচনায় নিয়ে এমন ক্ষতিকর নেশাকে বৈধতা দেওয়ায় মানুষ হতাশ হয়েছে। 

প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়েছে, জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় তামাকজাত দ্রব্যে অ্যাডভেলরেমের পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট করারোপের দাবি জানিয়েছিলেন দেশের জনস্বাস্থ্য ও তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু সরকার কেবল সিগারেটের যৎসামান্য মূল্য বাড়িয়েছে। সিগারেটের ১০ শলাকার মূল্য নিম্ন স্তরে ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ টাকা, মধ্যম স্তরে ৮০ টাকা থেকে ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরে ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা এবং অতিউচ্চ স্তরে ১৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০ টাকা করা হয়েছে। বাজারে সিগারেটের প্রায় ৭৫ শতাংশ বিক্রি হয় নিম্ন স্তরের সিগারেট। এই স্তরের মূল্য মাত্র ২ টাকা বা ৩.৩ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে দেশে গড় মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে। তাই সামান্য মূল্যবৃদ্ধি নিম্ন স্তরের সিগারেটকে আরো সহজলভ্য করবে। 

আরো বলা হয়, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকের ব্যবহার কমিয়ে আনা ও রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছর সরকার তামাকজাত দ্রব্যের মূল্য ও কর হার বৃদ্ধি করে থাকে। কিন্তু নিম্ন স্তরের সিগারেটের নামমাত্র মূল্যবৃদ্ধিতে ধূমপানের হার বৃদ্ধি পাবে পাশাপাশি অন্যান্য স্তরের সিগারেটের ভোক্তারা নিম্ন স্তরের সিগারেট সেবন শুরু করবে। ফলে ধূমপানের প্রবণতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতির অবনতি ঘটবে। বহুল ব্যবহৃত সিগারেটের সামান্য মূল্য বৃদ্ধি সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যকেও পূরণ করবে না বরং সুনির্দিষ্ট কর আরোপ না করায় তামাক কোম্পানির মুনাফা অযাচিতভাবে বৃদ্ধি পাবে। একইসঙ্গে বাজেট প্রস্তাবনা থেকে ‘ও তদূর্ধ্ব’ শব্দটি বাতিল না করায় মূল্য কারসাজির মাধ্যমে তামাক কম্পানির রাজস্ব ফাঁকি ও মুনাফা বৃদ্ধির সুযোগ থেকে যাবে।

প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়, নিম্ন স্তরের সিগারেটের নামমাত্র মূল্য বৃদ্ধি, ই-সিগারেট ও নিকোটিন পাউচকে বৈধতা প্রদান, বিড়ি, জর্দা ও গুলের মূল্য বৃদ্ধি না করা জনস্বাস্থ্যে প্রশ্নে আমাদের পেছনের দিকে চলার উদাহারণ হয়ে থাকবে। এসব সিদ্ধান্ত অত্যন্ত হতাশাজনক এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রশ্নে নেতিবাচক। তবে সিগারেটের ট্যাক্স স্ট্যাম্পে কিউআর কোড ব্যবহার, ডিজিটাল ট্রাক ও ট্রেস ব্যবস্থার প্রচলন, সিগারেট ও বিড়ির কাগজের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ কয়েকটি প্রস্তাবের প্রশংসা করে তারা বলেন, এসব পদক্ষেপ সিগারেটের অবৈধ বাণিজ্য প্রতিরোধের মাধ্যমে কর ফাঁকি প্রতিরোধ ও সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে কার্যকর অবদান রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

৩-৫টি শৈত্যপ্রবাহ, একাধিক লঘুচাপ—যেমন থাকবে জানুয়ারির আবহাওয়া | কালের কণ্ঠ