• ই-পেপার

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ

যে ভাষণে আজও জেগে ওঠে বাঙালি

সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রকল্পের স্কিমগুলো অগ্রাধিকারভিত্তিতে সম্পন্নের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রকল্পের স্কিমগুলো অগ্রাধিকারভিত্তিতে সম্পন্নের নির্দেশ
ছবি: কালের কণ্ঠ

মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব উন্নয়ন প্রকল্প সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে বলে ‍জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান । তিনি বলেন, ‘একটি স্কিমের বিপরীতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়ে। তাই জনস্বার্থ ও অগ্রাধিকার বিবেচনায় নীতিমালার আওতায় যথাযথ প্রকল্প নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে।’

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন উপজেলায় চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে স্টিয়ারিং কমিটির প্রকল্প অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় সচিব বলেন, বাজেটের বরাদ্দ অনুযায়ী প্রকৃত জনকল্যাণমুখী প্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন। প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত প্রকল্প গ্রহণ করলে কাজের মান বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে অসংখ্য আবেদনের মধ্য থেকে অগ্রাধিকারভিত্তিতে সঠিক স্কিম নির্বাচন করতে হবে। পাশাপাশি বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের আওতাধীন পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের অনুমোদন ও বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে খাগড়াছড়ি শহরের কেন্দ্রীয় বাজারে মাছ, মাংস ও সবজি মার্কেট সম্প্রসারণ ও সংস্কার, খাগড়াছড়ি আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভবন নির্মাণ, খাগড়াছড়ি ইংলিশ ভয়েস স্কুল প্রতিষ্ঠা, বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন এবং দুঃস্থ নারীদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে গবাদিপশু বিতরণ কর্মসূচি।

বাজার আধুনিকায়ন প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। একই পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে খাগড়াছড়ি ইংলিশ ভয়েস স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য। এছাড়া আটটি বৌদ্ধ বিহারের অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে ব্যয় হবে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা। দুঃস্থ নারীদের স্বাবলম্বী করতে মহিলা সমিতির মাধ্যমে ১ কোটি টাকা ব্যয়ে গরু, ছাগল ও শুকর বিতরণ করা হবে।

সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, যুগ্মসচিব অতুল সরকার, উপসচিব মোহাম্মদ সামছুল হক, উপসচিব মো. সালাহ্উদ্দীন এবং খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস মেহেদী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া পরিকল্পনা বিভাগ, অর্থ বিভাগ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ভার্চ্যুয়ালি সভায় অংশ নেন।

আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে সবুজ অবকাঠামো নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বাসস
আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে সবুজ অবকাঠামো নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ছবি : পিএমও

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চলে সবুজ ও টেকসই অবকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা চালু এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির বাধ্যতামূলক ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় পরিবেশগত সমস্যা সমাধান এবং প্রকল্পের নকশায় টেকসই জ্বালানি সমাধান অন্তর্ভুক্ত করার শর্তে ‘চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চলের জন্য সহায়ক অবকাঠামো প্রকল্প’ অনুমোদন করা হয়।

সভা শেষে রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি এ তথ্য জানান। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে একনেকের এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শিল্পায়নের গতি ত্বরান্বিত করা ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে প্রায় ৪ হাজার ১৮৯ কোটি ৪৫ লাখ ৯৭ হাজার টাকা ব্যয়ে ‘সাপোর্টিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রজেক্ট ফর চাইনিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন’ প্রকল্পটি অনুমোদন দিয়েছে একনেক। 

মোট প্রকল্প ব্যয় ৪ হাজার ১৮৯ কোটি ৪৫ লাখ ৯৭ হাজার টাকার মধ্যে সরকার দেবে ১ হাজার ৭২২ কোটি ১৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। বাকি ২ হাজার ৪৬৭ কোটি ২৬ লাখ ১২ হাজার টাকা প্রকল্প ঋণ ও অনুদান থেকে আসবে।

প্রকল্প প্রস্তাব পর্যালোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থাসমূহকে প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেন।

তিনি আধুনিক পরিবেশগত মান ও প্রটোকল অনুসরণ করে শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে তোলার নির্দেশ দেন।

একটি আধুনিক বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) স্থাপনের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিশোধনের পর শোধিত পানি যেন পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করা হয়।

তিনি মূল প্রকল্প প্রস্তাবের ত্রুটিগুলো দূর করে প্রকল্প নকশায় কোনো পরিবেশগত ঘাটতি যাতে না থাকে তা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

এছাড়া প্রকল্পে সৌরভিত্তিক নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। পরিচ্ছন্ন ও টেকসই জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে পুরো শিল্পাঞ্চলে সৌর প্যানেল স্থাপনেরও নির্দেশনা দেন তিনি।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, উন্নত পানি শোধন ও পুনর্ব্যবহার সুবিধা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির সংযুক্তি সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের শর্তে প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের চূড়ান্ত পরিকল্পনায় বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোকে এসব পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পদক্ষেপগুলোর প্রতিফলন ঘটাতে হবে।

সংসদ হুটহাট কথা বলার জায়গা নয় : স্পিকার

অনলাইন ডেস্ক
সংসদ হুটহাট কথা বলার জায়গা নয় : স্পিকার
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় সংসদে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে কার্যপ্রণালী বিধি ও সংবিধান অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেছেন, সংসদ হুটহাট করে কথা বলার জায়গা নয়। এখানে কথা বলতে হলে নির্দিষ্ট নিয়ম ও সময় মেনে চলতে হবে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদেরবাজেট অধিবেশনের অষ্টম দিনের বৈঠকে পয়েন্ট অব অর্ডার নিয়ে আলোচনার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান এবং রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমীন পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে কথা বলার পর স্পিকার রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান এবং রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমীন পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে কথা বলার পর স্পিকার পয়েন্ট অব অর্ডার নিয়ে আলোচনাকালে সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, ‘সংসদ চলে কার্যপ্রণালী বিধি ও সংবিধানের ভিত্তিতে। এখানে ৩৫০ জন সদস্যেরই সমান অধিকার রয়েছে। তবে সংসদের কার্যক্রম পরিচালিত হয় নির্দিষ্ট আইন-কানুন ও বিধির আওতায়।’

পয়েন্ট অব অর্ডার তোলার সঠিক সময় সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ হওয়ার পরই এ বিষয়ে কথা বলার সুযোগ রয়েছে। বাজেট অধিবেশন চলাকালে সাধারণত পয়েন্ট অব অর্ডার কম গ্রহণ করা হয়, কারণ এ সময় গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা চলে।

তিনি আরো বলেন, ‘যখন ইচ্ছা দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিয়ে দেওয়া সংসদীয় রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কোনো বিষয়ে আলোচনা করতে হলে বিধি অনুযায়ী নোটিশ দিতে হয়।’

সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানের তোলা একটি প্রসঙ্গের জবাবে স্পিকার বলেন, ‘মুজিবুর রহমান দেখেছেন আমি মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শন করেছি, যা তার কাছে সংসদীয় রীতির পরিপন্থী মনে হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তিনি পয়েন্ট অব অর্ডার তুলেছেন।’ 

সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমীনের পয়েন্ট অব অর্ডারের বিষয়ে স্পিকার বলেন, ‘আমি আপনার সেন্টিমেন্টের প্রশংসা করি। আপনি শিক্ষক এবং বেতন না পাওয়া পৌর কর্মচারীদের দুঃখ-দুর্দশার কথা বলেছেন। কিন্তু সবকিছুর একটি নির্দিষ্ট সময় আছে। সংসদ মুখোমুখি চালানো যায় না। কোনো বিষয়ে আলোচনা করতে হলে আগে নোটিশ দিতে হয়। আপনি যদি নিয়ম অনুযায়ী নোটিশ দিতেন, তবে আমরা হয়তো বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করতে পারতাম। সুতরাং, ভবিষ্যতে সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসরণ করে দাঁড়ানোর জন্য আপনাদের কাছে সবিনয় নিবেদন রইল।’

সদস্যদের উদ্দেশে স্পিকার আরো মনে করিয়ে দেন যে, পয়েন্ট অব অর্ডার কেবল চলমান বিষয়ের ওপর ভিত্তি করেই হওয়া উচিত এবং সংসদীয় রীতিনীতি বজায় রাখা প্রত্যেকের দায়িত্ব।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে সাংবাদিকরা সব সময় পাশে ছিলেন : মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে সাংবাদিকরা সব সময় পাশে ছিলেন : মির্জা ফখরুল
ছবি: কালের কণ্ঠ

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন ও সংগ্রামের প্রতিটি ধাপে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং কঠিন সময়ে সবসময় পাশে ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সাংবাদিক সমাজের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের সংকটময় সময়ে তাদের অবদান কখনো ভোলার নয়।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘১৬ জুন—সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)-এর সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

স্থায়ীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে আমরা সবসময় সাংবাদিক বন্ধুদের পাশে পেয়েছি। অত্যন্ত কঠিন সময়গুলোতেও তারা আমাদের সঙ্গে ছিলেন। আমি কখনো ভুলতে পারি না, যেদিন রাতে প্রেসক্লাবে আমাকে আটক করে রাখা হয়েছিল, সেদিন সাংবাদিক বন্ধুরা আমাকে নিরাপত্তা দিয়ে আমার প্রাণ রক্ষা করেছিলেন।’

গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় সাংবাদিকদের অবদান জাতি স্মরণ রাখবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। অতীতের নানা প্রতিকূল সময়ের তুলনায় বর্তমানে সাংবাদিকরা অনেক বেশি স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

বেকার সাংবাদিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নতুন উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, এখনও অনেক সাংবাদিক কর্মহীন রয়েছেন। তথ্যমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় বন্ধ হয়ে যাওয়া সংবাদপত্রগুলো পুনরায় চালু হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, পাশাপাশি নতুন সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেও সাংবাদিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার ছিল সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং এ বিষয়ে সরকারের ঘোষিত অঙ্গীকার বাস্তবায়নে নিরলস কাজ চলছে বলেও তিনি জানান।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর গণমাধ্যম-সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে একটি কার্যকর নীতিনির্ধারণী ফোরাম গঠন জরুরি।’ তথ্য মন্ত্রণালয় গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল ও জনকল্যাণমুখী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমের দায়িত্ব দেশের সমগ্র জনগণের স্বার্থ ও উন্নয়নের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত।’