• ই-পেপার

শৈত্যপ্রবাহ কমতে পারে আজ, বাড়তে পারে তাপমাত্রা

কন্যা হত্যার রায় শুনতে আদালতে রামিসার বাবা

নিজস্ব প্রতিবেদক
কন্যা হত্যার রায় শুনতে আদালতে রামিসার বাবা
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় শুনতে আদালতে গিয়েছেন তার বাবা মামলার বাদী আব্দুল হান্নান মোল্লা। বেলা ১০ টা ৩৫ মিনিটে তাকে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে যেতে দেখা গেছে।

এর আগে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আজ রবিবার (৭ জুন) সকাল ১১টায় রায় ঘোষণার কথা জানান আদালত।

রায়কে কেন্দ্র করে আজ সকাল ৮ টা ৫০ মিনিটে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে এবং এর কিছুটা আগে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগার থেকে মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় এনে রাখা হয়েছে। 

এর মধ্য দিয়ে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যার  ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে মামলাটি বিচারের শেষ পর্যায়ে পৌঁছাল।

১১ মাসে ফল রপ্তানি করে ১২ কোটি ৩০ লাখ ডলার আয়

অনলাইন ডেস্ক
১১ মাসে ফল রপ্তানি করে ১২ কোটি ৩০ লাখ ডলার আয়
ফাইল ছবি

ফল রপ্তানি করে ১১ মাসে ১২ কোটি ৩০ লাখ ২০ হাজার ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ। গেল ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে এ খাত থেকে আয় হয়েছিল ৬ কোটি ৭৫ লাখ ১০ হাজার ডলার। এক বছরের ব্যবধানে ফল রপ্তানি থেকে আয় ৮২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এটিই ফল রপ্তানি থেকে দেশের সর্বোচ্চ আয় বলে জানিয়েছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি)।

সূত্র জানায়, প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আম, পেয়ারা, কাঁঠালসহ বিভিন্ন দেশীয় ফলের চাহিদা বাড়ায় গত তিন অর্থবছর ধরে এ খাতে দ্রুত প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ফল রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল ২ কোটি ৯২ লাখ ৪০ হাজার ডলার, যা ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল মাত্র ১০ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক খাদ্য নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণে উন্নতি, রপ্তানিমুখী ফল চাষের সম্প্রসারণ এবং বিদেশি বাজারে প্রবেশাধিকারের সুযোগ ফল রপ্তানি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ‘বাদাম, তাজা বা শুকনো’ শ্রেণির পণ্য থেকে রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ এসেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-মে সময়ে এ খাত থেকে আয় হয়েছে ১২ কোটি ২৮ লাখ ১৮ হাজার ডলার, যেখানে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আয় ছিল ৬ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

এছাড়া হিমায়িত ফল ও বাদাম রপ্তানি থেকে আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৮২১ ডলারে। তাজা ফলের রপ্তানিও সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।

রপ্তানিকারকদের মতে, গ্রীষ্ম মৌসুমে আম এখনো দেশের প্রধান রপ্তানি ফল। বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, কুয়েত, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে এর চাহিদা বেশি।

উন্নত মান ও প্রতিযোগিতামূলক দামের কারণে পেয়ারা ও কাঁঠালও জনপ্রিয়তা পেয়েছে। পাশাপাশি আনারস, লিচু, কলাসহ অন্যান্য মৌসুমি ফলের চাহিদাও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।

বর্তমানে বাংলাদেশের ফল সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, কুয়েত, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকটি দেশসহ বিভিন্ন গন্তব্যে রপ্তানি হচ্ছে।

ইপিবির পরিচালক কুমকুম সুলতানা বলেন, ‘বাংলাদেশে ফল চাষে, বিশেষ করে পার্বত্য জেলাগুলোতে, উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। পার্বত্য অঞ্চলে এক ধরনের ফল বিপ্লব ঘটছে। ড্রাগন ফল, কাজুবাদাম ও কফির মতো ফসলের চাষ দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে, যা সত্যিই আশাব্যঞ্জক।"

এ বিষয়ে ইপিবির সহসভাপতি মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, ‘ফল রপ্তানি দেশের অর্থনীতিতে বেশি অবদান রাখে, কারণ এ খাত মূলত দেশীয় কাঁচামালের ওপর নির্ভরশীল। অন্যান্য অনেক খাতের মতো ফল উৎপাদনে আমদানিনির্ভর উপকরণের প্রয়োজন খুব বেশি হয় না।

তিন দিনের সফরে রাশিয়া গে‌লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
তিন দিনের সফরে রাশিয়া গে‌লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ফাইল ছবি

তিন দিনের সরকারি সফরে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। আজ রবিবার (৭ জুন) সকালে তিন দিনের সরকারি সফরে তিনি রওনা হন। তার সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। সফর শেষে আগামী ৯ জুন দেশে ফেরার কথা রয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর এটি ড. খলিলুর রহমানের প্রথম বিদেশ সফর। ফলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি বহুপক্ষীয় কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুও এই সফরে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।

সফরের দ্বিতীয় দিনে মস্কোতে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেয়ার কথা রয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর। এ ছাড়া রুশ সরকারের কয়েকজন শীর্ষ প্রতিনিধির সঙ্গে তার সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়েরও সম্ভাবনা রয়েছে।

আজ বায়ুদূষণের শীর্ষে কিনশাসা, ঢাকার অবস্থান কত

অনলাইন ডেস্ক
আজ বায়ুদূষণের শীর্ষে কিনশাসা, ঢাকার অবস্থান কত
সংগৃহীত ছবি

টানা কয়েক দিনের তাপদাহের পর ঢাকায় দেখা মিলেছে বৃষ্টির। তারপরও বাতাসের মানের উন্নতি হয়নি। রবিবার (৭ জুন) সকালে রাজধানী ঢাকার বাতাসের মান ‘সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় রয়েছে।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের বৈশ্বিক তালিকায় আজ সকাল সোয়া ৮টায় দূষণের দিক থেকে বিশ্বের প্রধান শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার অবস্থান পঞ্চম।

আইকিউএয়ারের লাইভ র‍্যাংকিংয়ের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকালে ঢাকার বায়ুমান সূচক বা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ১২৯ পয়েন্ট। এই স্কোর অনুযায়ী বাতাসের মানকে সংবেদনশীল মানুষের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। অর্থাৎ, সাধারণ মানুষের জন্য এই বাতাস তুলনামূলক সহনীয় হলেও শিশু, বয়স্ক ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য তা যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ।

আজ সকালে বৈশ্বিক দূষণের এই তালিকায় ২১১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। আইকিউএয়ারের মানদণ্ডে কঙ্গোর রাজধানীর বাতাস আজ ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। এর পরেই ১৬৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা এবং ১৫৫ ও ১৫১ পয়েন্ট নিয়ে যথাক্রমে তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর ও চিলির সান্তিয়াগো।

তালিকার শীর্ষ দশে থাকা অন্য শহরগুলোর মধ্যে চীনের উহান ১২২ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ এবং সেনেগালের ডাকার ১১০ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে প্রতিবেশী দেশ ভারতের কলকাতা ৯৬ পয়েন্ট, ইরাকের বাগদাদ ৮৬ পয়েন্ট এবং পাকিস্তানের করাচি ৮৬ পয়েন্ট নিয়ে বাতাসের মান ‘মাঝারি’ অবস্থায় রেখে তালিকার যথাক্রমে অষ্টম, নবম ও দশম স্থানে রয়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, একিউআই স্কোর ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে থাকলে তা সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এই সময়ে ঘরের বাইরে যাওয়ার সময় মাস্ক ব্যবহার করা এবং বিশেষ করে ফুসফুসের রোগীদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

আজকের বৈশ্বিক চিত্রে যেখানে কিনশাসার বাতাস মারাত্মক উদ্বেগের জন্ম দিচ্ছে, সেখানে মাত্র ১৫ একিউআই স্কোর নিয়ে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক আজ বিশ্বের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে।

শৈত্যপ্রবাহ কমতে পারে আজ, বাড়তে পারে তাপমাত্রা | কালের কণ্ঠ