• ই-পেপার

গরুর মাংসের দামের কাছাকাছি দেশি মুরগির দাম

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় গবেষণা ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় গবেষণা ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
 
তারেক রহমান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান অভিঘাত আজ বিশ্ববাসীর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা। এই প্রেক্ষাপটে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ উদযাপন বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি ঘোষিত এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘জলবায়ু কার্যক্রম’ (ক্লাইমেট অ্যাকশন) বৈশ্বিক জলবায়ু উদ্যোগকে আরো বেগবান করতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে জলবায়ু সংকট সমগ্র মানবজাতির জন্য অন্যতম বড় বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, তাপদাহ, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, আকস্মিক বন্যা, খরা এবং জীববৈচিত্র্যের অবক্ষয় বিশ্বজুড়ে পরিবেশ, অর্থনীতি ও মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলছে।
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে খুবই সামান্য অবদান রাখলেও ভৌগোলিক অবস্থান, উচ্চ জনঘনত্ব এবং জলবায়ু-সংবেদনশীল অর্থনীতির কারণে বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স ২০২৬ অনুযায়ী বাংলাদেশ উচ্চ জলবায়ু ঝুঁকির সম্মুখীন। লবণাক্ততা বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদন হ্রাস, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্রমবর্ধমান তীব্রতা আমাদের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি বলেন, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় বাংলাদেশ ইতিমধ্যে জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (এনএপি) ও জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (এনডিসি) বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সমন্বিত ও দূরদর্শী নীতি কাঠামো অনুসরণ করছে। পাশাপাশি উপকূলীয় সুরক্ষা, সামাজিক বনায়ন, দুর্যোগ প্রস্তুতি, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন এবং প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধানকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
 
বর্তমান সরকার পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘এ লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, যা পরিবেশ রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একইসঙ্গে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের কাজ শুরু হয়েছে।’

কার্বন ক্রেডিট ও বৈশ্বিক কার্বন মার্কেটের সম্ভাবনা কাজে লাগাতেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ, সবুজ শিল্পায়ন, পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ, উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, গণপরিবহন উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার জোরদার করা হচ্ছে।’
 
বাণীতে তিনি সমন্বিত উদ্যোগ, পরিবেশ সচেতনতা এবং দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে একটি সবুজ, নিরাপদ, বাসযোগ্য ও জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বাধা

আইএফসির ৮০ মিলিয়ন ডলার ঋণ পাচ্ছে না মেঘনা গ্রুপ

অনলাইন ডেস্ক
আইএফসির ৮০ মিলিয়ন ডলার ঋণ পাচ্ছে না মেঘনা গ্রুপ
সংগৃহীত ছবি

ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি) থেকে ৮০ মিলিয়ন ডলার ঋণ পেতে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চারটি জাহাজ কিনতে ঋণ পেতে এ আবেদন করেছিল এমজিআই। ঋণের অর্থ পেতে এমজিআইয়ের পক্ষে অনাপত্তিপত্রের (এনওসি) জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করেছিল বেসরকারি মধুমতি ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে আবেদনটি নাকচ করা হয়েছে। তবে মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামাল জানান, কোনো কারণ না দেখিয়েই তাদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আইএফসির ঋণ পেতে হলে অনেক শর্ত পূরণ করতে হয়। সব শর্ত পূরণ করার পর, আমরা ৪টি জাহাজ কিনতে ৮০ মিলিয়ন ডলারের ঋণের অনুমোদন পেয়েছিলাম। কিন্তু এনওসির জন্য আমাদের আবেদনটি শেষ পর্যন্ত গ্রহণ করা হয়নি। প্রত্যাখ্যানের কোনো কারণও আমাদের জানানো হয়নি।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই ঋণ পরিশোধের জন্য এমজিআইয়ের পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উৎস আছে। তা সত্ত্বেও এই অনুমোদন দেওয়া হয়নি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিডার অধীনে থাকলে, বিডাই বৈদেশিক ঋণের প্রাথমিক অনুমোদন দেয়। আর কোনো প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) অধীনে পরিচালিত হলে বৈদেশিক ঋণ নিতে তাদের অবশ্যই কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এনওসি নিতে হয়। এমজিআইর এই কম্পানি বেজার আওতাভুক্ত হওয়ায় এটির জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদনের প্রয়োজন ছিল।’

তিনি জানান, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের ঝুঁকির কথা বিবেচনা করেই আবেদনটি নাকচ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান  বলেন, ‘বৈদেশিক ঋণের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সতর্ক থাকে। কারণ এ ধরনের ঋণ সামগ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বৈদেশিক ঋণ নেয় এবং তা পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তবে সেই ঋণের দায় শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও রাষ্ট্রের ওপর এসে পড়তে পারে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক ইকুইটি অংশীদারি এবং সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগকে স্বাগত জানায়, কিন্তু বৈদেশিক ঋণকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে। কারণ এগুলো বৈদেশিক মুদ্রায় পরিশোধ করতে হয়।’

আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘উৎপাদন দেশীয় বাজারের জন্য হলে এবং এ থেকে রপ্তানি আয় না এলে ঋণ পরিশোধের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ থাকে না। এ কারণেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ ধরনের প্রস্তাবগুলো নিবিড় পর্যালোচনা করে এবং সব সময় অনুমোদন দেয় না।’

মেঘনা গ্রুপ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী এবং অন্যতম প্রধান ভোগ্যপণ্য আমদানিকারক ও প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠান। এই ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর নিজস্ব ১১০টিসহ মোট ১৪৫টি জাহাজ রয়েছে।

সূত্র : ডেইলি স্টার বাংলা।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন

অনলাইন ডেস্ক
পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।

আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জনপ্রশাসন সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের সভায় এ অভিনন্দন জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ কথা জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আজ সন্ধ্যা ৭টায় মন্ত্রিপরিষদের সভা শুরু হয়।

এদিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়া প্রসঙ্গে বলা হয়, এই অর্জন বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান গৌরব, কূটনৈতিক সক্ষমতা এবং বহুপক্ষীয় সম্পর্কের প্রতি আস্থার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

সভায় মন্ত্রিসভার সদস্যরা ও সংশ্লিষ্ট সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

তামাকপণ্যে সুনির্দিষ্ট কর আরোপের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
তামাকপণ্যে সুনির্দিষ্ট কর আরোপের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের
সংগৃহীত ছবি

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও রাজস্ব বৃদ্ধি—উভয় লক্ষ্য অর্জনে আগামী অর্থবছরের বাজেটে তামাকজাত দ্রব্যের ওপর উচ্চ হারে ‘সুনির্দিষ্ট কর’ আরোপের দাবি জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) দীর্ঘদিন ধরেই এই কর ব্যবস্থার সুপারিশ করে আসছে। বাংলাদেশেও প্রচলিত অ্যাড ভ্যালোরেম (মূল্যভিত্তিক) কর পদ্ধতির পাশাপাশি নির্দিষ্ট পরিমাণ ‘সুনির্দিষ্ট কর’ চালু করা জরুরি।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যুরো (বিইআর) এবং বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর টোব্যাকো ট্যাক্স পলিসি (বিএনটিটিপি) আয়োজিত এক ওয়েবিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘তামাক কর ব্যবস্থাপনা ও জনস্বাস্থ্যে এর প্রভাব’ শীর্ষক এই আলোচনা সভাটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমে অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. রুমানা হকের সভাপতিত্বে ওয়েবিনারে প্যানেল আলোচক হিসেবে অংশ নেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সাবেক চেয়ারম্যান আমিন উল আহসান, জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের সাবেক সমন্বয়কারী হোসেন আলী খন্দকার এবং কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল্লাহ দেশের বর্তমান তামাক কর কাঠামোর বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেন এবং কর ব্যবস্থায় সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

তিনি বলেন, তামাকপণ্যের ওপর কার্যকর কর আরোপ শুধু রাজস্ব বাড়ানোর বিষয় নয়; এটি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষারও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। তাই আগামী বাজেটে তামাক কর ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার আনতে হবে।

ওয়েবিনারে বক্তারা দেশের তামাক কর প্রশাসনের অন্যতম বড় দুর্বলতা হিসেবে জর্দা ও গুলের মতো ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের ওপর কার্যকর কর আদায় পদ্ধতির অভাবকে চিহ্নিত করেন। তারা বলেন, দেশে জর্দা ও গুলের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হলেও এগুলো থেকে আদায় হওয়া করের পরিমাণ খুবই কম। ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে এবং তামাক নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যও ব্যাহত হচ্ছে। ধোঁয়াবিহীন তামাকের কর ব্যবস্থায় আধুনিক ও কার্যকর পদ্ধতি চালু করা গেলে রাজস্ব বৃদ্ধি ও তামাকের ব্যবহার কমানো—উভয়ই সম্ভব।

তামাক কোম্পানিগুলোর ভূমিকার সমালোচনা করে বক্তারা বলেন, তামাক কোম্পানিগুলো নীতি নির্ধারণে হস্তক্ষেপ করতে এবং নিজেদের ব্যবসা বাড়াতে বিভিন্ন সময় নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ায়। সম্প্রতি তারা অবৈধ ব্যবসা ও চোরাচালান বৃদ্ধির তত্ত্ব নিয়ে প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে, যা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ (এনবিআর) বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে বিশ্বাস করানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে দেশের কোনো গবেষণাতেই এই দাবির সত্যতা পাওয়া যায়নি।

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক কম্পানির এমন মিথ্যাচারে কর্ণপাত না করে সরকারকে অবিলম্বে সুনির্দিষ্ট কর আরোপের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান বিশেষজ্ঞরা।

গরুর মাংসের দামের কাছাকাছি দেশি মুরগির দাম | কালের কণ্ঠ