জেল থেকে জামিনে কারামুক্ত হওয়া নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াত আইভীকে তার বাসায় দেখতে যাওয়ার পর টরিক আহমেদ নামের সিটি করপোরেশনের চতুর্থ শ্রেণির এক কর্মচারীকে ছাঁটাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। টরিক আহমেদ আইভীর পাশের বাড়ির বাসিন্দা। তিনি নিজেই এ অভিযোগ করেছেন।
তিনি দাবি করেছেন, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন তাকে ডেকে নিয়ে সাবেক মেয়র আইভীর বাসায় যাওয়ার বিষয় নিয়ে কথা বলেন। এরপর তিনি চাকরি থেকে ছাঁটাই হন।
সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন খান চাকরিচ্যুত করার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, আইভীর সঙ্গে দেখা করার কারণে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়নি।
টরিক আহমেদ জানান, তিনি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে পিয়নের কাজ করতেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রশাসক শাখাওয়াত হোসেন তাকে ডেকে নিয়ে বলেন, টরিক বুধবার রাতে সাবেক মেয়র আইভীর বাসায় গিয়েছিল। তার ছবি ফেসবুকে এসেছে। বিষয়টি অস্বীকার না করে টরিক জানান, প্রতিবেশী হওয়ায় ও দীর্ঘদিন পর জেল থেকে ছাড়া পাওয়ায় তিনি আইভীকে দেখতে গিয়েছিলেন।
টরিক আহমেদের দাবি, প্রশাসক তাকে আইভীর কাছ থেকে বেতন নিতে বলে চাকরি থেকে ছাঁটাই করেন।
প্রশাসক শাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, টরিক নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাজ করে একটি ব্যাংকের এজেন্ট শাখায় চাকরি করেন। সিটি করপোরেশনে হাজিরা দিয়ে তিনি চলে যান। এ অভিযোগে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। সাবেক মেয়র আইভীর সঙ্গে দেখা করায় তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়নি।
উল্লেখ্য, জামিনে মুক্তি পেয়ে গতকাল বুধবার রাতে বাড়িতে যান সেলিনা হায়াৎ আইভী। এরপর আত্মীয়-স্বজন আর শুভানুধ্যায়ীরা একে একে দেখা করতে যাচ্ছেন তার সঙ্গে। অনেকেই ফোনে কথা বলছেন।




