• ই-পেপার

নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি : বেড়েছে শিশুর খাদ্য ও ডায়াপারের দাম

নতুন পে-স্কেল জুলাই থেকেই কার্যকর, কার বেতন কত?

অনলাইন ডেস্ক
নতুন পে-স্কেল জুলাই থেকেই কার্যকর, কার বেতন কত?

দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১ জুলাই থেকে এই পে-স্কেল কার্যকর হবে। তবে এটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। বরাদ্দ বাড়বে ৯৬ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে এ খাতের বরাদ্দ নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি তিনি।

বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মচারীরা বিগত প্রায় ১১ বছর ধরে একই বেতন কাঠামোতে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। ইতোমধ্যে মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো আগামী ১ জুলাই (২০২৬) হতে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করার ঘোষণা দিচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল এর মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও অবকাঠামোগত বৈষম্য কমিয়ে সমতাভিত্তিক সুষম উন্নয়নে বহুমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো তথা পে-স্কেল আগামী মাস থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে।

এ ছাড়া সব পর্যায়ে দ্বিগুণ থেকে আড়াইগুণের মতো মূল বেতন বাড়ানো হয়েছে নতুন বেতনকাঠামোতে। এর ফলে সর্বনিম্ন গ্রেডে বাড়ি ভাড়াসহ মূল বেতনের সঙ্গে সব ভাতা যোগ করে দাঁড়াবে ৪১ হাজার ৯০৮ টাকা।

গ্রেড ১: ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

গ্রেড ২: ৬৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা।

গ্রেড ৩: ৫৬ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ১৩ হাজার টাকা।

গ্রেড ৪: ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা।

গ্রেড ৫: ৪৩ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮৬ হাজার টাকা।

গ্রেড ৬: ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭১ হাজার টাকা।

গ্রেড ৭: ২৯ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৮ হাজার টাকা।

গ্রেড ৮: ২৩ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৭ হাজার ২০০ টাকা।

গ্রেড ৯: ২২ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৫ হাজার ১০০ টাকা।

গ্রেড ১০: ১৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩২ হাজার টাকা।

গ্রেড ১১: ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা।

গ্রেড ১২: ১১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৪ হাজার ৩০০ টাকা।

গ্রেড ১৩: ১১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৪ হাজার টাকা।

গ্রেড ১৪: ১০ হাজার ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা।

গ্রেড ১৫: ৯ হাজার ৭০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২২ হাজার ৮০০ টাকা।

গ্রেড ১৬: ৯ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১ হাজার ৯০০ টাকা।

গ্রেড ১৭: ৯ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১ হাজার ৪০০ টাকা।

গ্রেড ১৮: ৮ হাজার ৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১ হাজার টাকা।

গ্রেড ১৯: ৮ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার ৫০০ টাকা।

গ্রেড ২০: ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা।

ভারত-বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বের সব লক্ষ্য অর্জন সম্ভব : দীনেশ ত্রিবেদী

অনলাইন ডেস্ক
ভারত-বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বের সব লক্ষ্য অর্জন সম্ভব : দীনেশ ত্রিবেদী
সংগৃহীত ছবি

ভারত ও বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বের যেকোনো লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব বলে মনে করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) কলকাতায় নেতাজি ভবন পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন তিনি। সড়কপথে বেনাপোল হয়ে শুক্রবার (১২ জুন) ঢাকায় আসছেন দীনেশ ত্রিবেদী।

তিনি বলেন, ‘আমার একমাত্র অগ্রাধিকার হলো বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের সম্পর্ক। আমরা সবাই ভাই-বোন। আমি আগেই বলেছি, আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য সীমান্ত নয়, স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নও অভিন্ন। (বাংলায় তিনি বলেন) একই আকাশ, একই বাতাস, একই যন্ত্রণা। তাই আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। প্রয়োজন শুধু ভালোবাসা ও পারস্পরিক আন্তরিকতা। তাহলেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।’

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক শুধু সীমান্তের নয়। বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের সঙ্গেও আমরা যুক্ত। আমাদের স্বপ্ন অভিন্ন। গণতন্ত্রের স্বপ্ন আমাদের সবার। তাই আমি শুধু ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের কথা বলছি না; এর সঙ্গে বাংলাদেশের আরো ২০ কোটি মানুষকে যোগ করছি। এই ১৬০ কোটি মানুষ, যারা আমাদের ভাই-বোন ও মা—তাদের কল্যাণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিশ্চিত, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর আশীর্বাদ, ভারতের মানুষের শুভ কামনা এবং বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন আমাকে সাহায্য করবে, যাতে আমরা একসঙ্গে এগিয়ে যেতে পারি এবং আমাদের লক্ষ্য অর্জনে সফল হতে পারি। একে অপরের মঙ্গল কামনা করার চেয়ে ভালো আর কিছু হতে পারে না।’

নেতাজি ভবন পরিদর্শনের সুযোগ পাওয়ায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিজেপি নেতা বলেন, ‘আসলে আমি নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান মনে করি। আমি এই এলাকাতেই বড় হয়েছি। এখান থেকে প্রায় ৪০০ গজ দূরে আমার বাড়ি, যেখানে আমি শৈশব কাটিয়েছি। তাই নেতাজিকে ঘিরে যে আবেগ, তা নিয়ে আমরা বড় হয়েছি। আমরা যে মূল্যবোধগুলো ধারণ করেছি, তার জন্য নেতাজির প্রতি কৃতজ্ঞ। আমার জন্য এর চেয়ে ভালো আর কিছু হতে পারে না যে দায়িত্ব নেওয়ার আগে নেতাজি ভবনে এসে তার থেকে প্রেরণা গ্রহণ করছি এবং গণতন্ত্রের সেই মূল্যবোধগুলো ধারণ করছি, যার জন্য নেতাজি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আমি নেতাজির আশীর্বাদ নিয়ে এমন এক দায়িত্ব পালনে যাচ্ছি, যা ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং এ দেশের জনগণ আমাকে দিয়েছেন।’

ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীনেশ ত্রিবেদী একজন বিরল ব্যক্তিত্ব, যিনি একজন রাজনীতিক হয়েও হাইকমিশনার হিসেবে কূটনৈতিক দায়িত্ব পেয়েছেন। এর আগে তিনি ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে তিনি ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দেন। বিদায়ি হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মাকে বেলজিয়াম এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস আজ

অনলাইন ডেস্ক
আন্তর্জাতিক শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস আজ
প্রতীকী ছবি

আন্তর্জাতি শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস আজ (১২ জুন)। দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য, ‘শিশুশ্রমকে লাল কার্ড : শিশুদের জন্য ন্যায্যতা, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য মর্যাদাপূর্ণ কাজ’। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি নানা আনুষ্ঠানিকতায় পালিত হয়ে থাকে।  

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ৮ জুন প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের তথ্যমতে, বিশ্বজুড়ে বর্তমানে প্রায় ১৩ কোটি ৮০ লাখ অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুশ্রমের সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে প্রায় ৫ কোটি ৪০ লাখ শিশু ঝুঁকিপূর্ণ কাজের সঙ্গে যুক্ত।

বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এ বছরের প্রতিপাদ্য, ‘শিশুশ্রমকে না বলি, শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করি’।

সড়কপথে ঢাকায় আসছেন দীনেশ ত্রিবেদী

অনলাইন ডেস্ক
সড়কপথে ঢাকায় আসছেন দীনেশ ত্রিবেদী
দীনেশ ত্রিবেদী

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আজ শুক্রবার সড়কপথ দিয়ে ঢাকায় পৌঁছাবেন। কলকাতা থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত হয়ে তিনি ঢাকায় আসবেন বলে জানা গেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় বেনাপোল সীমান্তে পৌঁছাবেন। তার সঙ্গে থাকবেন স্ত্রী মিনাল ত্রিবেদী। তার আগমন উপলক্ষে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রোটোকল ব্যবস্থা ইতিমধ্যে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশে দীনেশ ত্রিবেদীর আগমনের আগেই দুই দেশের টানাপোড়েন কাটিয়ে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্কের বার্তা দেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার কলকাতায় নেতাজি ভবন পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত এই নতুন হাইকমিশনার। বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত যেমন অভিন্ন, তেমনি স্বপ্নও অভিন্ন—তাই ভালোবাসা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘আমার একমাত্র অগ্রাধিকার হলো বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের সম্পর্ক। আমরা সবাই ভাই-বোন। আমি আগেই বলেছি, আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য সীমান্ত নয়, স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নও অভিন্ন। (বাংলায় তিনি বলেন) একই আকাশ, একই বাতাস, একই যন্ত্রণা। তাই আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। প্রয়োজন শুধু ভালোবাসা ও পারস্পরিক আন্তরিকতা। তাহলেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।’

গত ৫ জুন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে লেটার্স অব ক্রিডেনশিয়ালস (পত্রাধিকার) গ্রহণ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব পালনের আইনি ও কূটনৈতিক অনুমোদন লাভ করেন। এপ্রিল মাসে নিয়োগ ঘোষণার পর থেকে তিনি প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এবং এখন ঢাকায় এসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির কাছে ক্রিডেনশিয়ালস উপস্থাপন করে আনুষ্ঠানিকভাবে মিশন শুরু করবেন।

নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি : বেড়েছে শিশুর খাদ্য ও ডায়াপারের দাম | কালের কণ্ঠ