• ই-পেপার

দল গোছাতে মাঠে বিএনপি

আজ কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
আজ কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার সফরে যাবেন আজ। প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে স্থানীয় পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, রাজনৈতিক জনসভা ও সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে কক্সবাজার সেজেছে নতুন সাজে। এ নিয়ে ব্যাপক তৎপরতা ও প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনে। বিএনপিসহ তার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মাঝেও বিরাজ করছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস। তবে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের তোরণ নির্মাণ না করতে দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাই ব্যাপক জনসমাগমের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বরণের জোর প্রস্তুতি চলছে কক্সবাজারজুড়ে।

প্রধানমন্ত্রীর সফর তদারকি করতে শুক্রবার দুপুরে কক্সবাজার পৌঁছেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ ছয়জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকাল ১০টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। সেখান থেকে সরাসরি সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন। সেখানে আয়োজিত পথসভায়ও অংশ নেবেন। পরে তিনি ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করবেন এবং মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

এ ছাড়া গণ অভ্যুত্থানের শহীদ মো. ওয়াসিমের কবর জিয়ারত এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। বিকালে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে আয়োজিত রাজনৈতিক জনসভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্রসৈকত পরিদর্শন করবেন। এর আগে নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরি উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। রাতে কক্সবাজার শহরের লং বিচ হোটেলের অডিটোরিয়ামে সুধী সমাবেশে যোগ দেবেন। এরপর রাতেই কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে গতকাল জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে এক প্রস্তুতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন। সভা শেষে জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের নির্ধারিত কর্মসূচিগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। প্রতিটি কর্মসূচি নির্বিঘ্ন ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের সব বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

কক্সবাজারে ছয়জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের সার্বিক প্রস্তুতি যাচাই করতে এর মধ্যে কক্সবাজার পৌঁছেছেন সরকারের ছয় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। কক্সবাজারে পৌঁছে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করছেন। বৈঠক শেষে তারা একে একে প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে থাকা প্রকল্পগুলোর উদ্বোধনী স্থান, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের জায়গা, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির স্থান এবং রাজনৈতিক জনসভা ও সুধী সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেন। এর আগে নির্ধারিত বিভিন্ন কর্মসূচির স্থান পরিদর্শন করেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরের প্রতিটি কর্মসূচি সফল করতে আমরা সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণে এ সফর স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে আমরা আশা করছি।

কক্সবাজারবাসীর প্রত্যাশা : কক্সবাজারবাসী আশা করছেন, প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ, পর্যটন নগরীকে পরিকল্পিতভাবে আধুনিক পর্যটন শহরে রূপান্তর, পান, লবণ ও মৎস্য শিল্পের আধুনিকায়নের বিষয়ে ঘোষণা দিবেন। এ ছাড়া ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার দাবিও রয়েছে তাদের।

রেকর্ড কিপার নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায়, ৩ জনের দণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
রেকর্ড কিপার নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায়, ৩ জনের দণ্ড
সংগৃহীত ছবি

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের (ডিএলআরএস) রেকর্ড কিপার পদের লিখিত পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ৩ পরীক্ষার্থীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুন) ঢাকার ডেমরায় অবস্থিত ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা চলাকালে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ৩ জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কে এম মোজাম্মেল হক, মোসাম্মৎ মর্জিনা আক্তার ও ফারুক মন্ডল।

জানা গেছে, মোবাইল ফোন ব্যবহার করে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে কে এম মোজাম্মেল হককে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৮৮ ধারায় ৫০ টাকা অর্থদণ্ড ও এক দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এদিকে, ইলেকট্রনিক বিশেষায়িত হিয়ারিং ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে মোসাম্মৎ মর্জিনা আক্তারকে একই ধারায় ৫০ টাকা অর্থদণ্ড ও তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

অপরদিকে, মো. মিজানুর রহমানের পরিবর্তে ফারুক মন্ডল নামে অন্য একজন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। পরিচয় জালিয়াতির ঘটনায় ফারুক মন্ডলকে ১০০ টাকা অর্থদণ্ড ও এক দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জাকিয়া মুনতাহিম।

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিয়োগ পরীক্ষার স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে অসদুপায় অবলম্বনকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, রেকর্ড কিপার পদের লিখিত পরীক্ষায় মোট ৮ হাজার ১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬ হাজার ৮৯৫ জন উপস্থিত ছিলেন।

আদ্-দ্বীন থেকে রেফার্ড রোগীদের চিকিৎসায় ৬ হাসপাতালকে নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আদ্-দ্বীন থেকে রেফার্ড রোগীদের চিকিৎসায় ৬ হাসপাতালকে নির্দেশ
ফাইল ছবি

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন উইমেনস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের পর সেখানে চিকিৎসাধীন ও রেফার্ড রোগীদের জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে রাজধানীর ছয়টি সরকারি হাসপাতালকে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

শুক্রবার (১২ জুন) রাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত বা রেফার করা রোগীদের কোনো ধরনের বিলম্ব ছাড়াই প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দিতে হবে। এ লক্ষ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল এবং বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আদ্-দ্বীন উইমেনস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে হাসপাতালটি থেকে যেসব রোগী অন্যত্র স্থানান্তর বা রেফার করা হচ্ছে, তাদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত চিঠি সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোর পরিচালক এবং আদ্-দ্বীন হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালকের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত ২৭ মে হাসপাতালটির একটি ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত প্রতিবেদনে অক্সিজেনের স্বল্পতা, দায়িত্বে অবহেলা এবং চিকিৎসকের অনুপস্থিতিকে মৃত্যুর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

পরে গত ৪ জুন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে তাদের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় বৃহস্পতিবার হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। লাইসেন্স বাতিলের পর নতুন রোগী ভর্তি, বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলেও আগে থেকে ভর্তি রোগীদের চিকিৎসা অব্যাহত রাখা হয় এবং দ্রুত অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়।

নেপালে বিশিষ্টজনদের আম উপহার দিল বাংলাদেশ দূতাবাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
নেপালে বিশিষ্টজনদের আম উপহার দিল বাংলাদেশ দূতাবাস
ছবি: কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশ দূতাবাস এ বছরের “Season’s Best Compliments” উদ্যোগের আওতায় শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্যের কূটনৈতিক নিদর্শন হিসেবে নেপালের বিশিষ্টজনের মাঝে বাংলাদেশের উৎকৃষ্ট ও সুস্বাদু আম উপহার প্রদান করেছে।

প্রায় ১ হাজার ৭৫০ কেজিরও বেশি উন্নত মানের বাংলাদেশি আম কাঠমান্ডুতে অবস্থানরত নেপালের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক কোরের সদস্যবৃন্দ, ব্যবসায়ী নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ এবং বাংলাদেশ ও এর জনগণের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের নিকট উপহার হিসেবে প্রেরণ করা হয়।

দূতাবাসের টিম নেপালের রাষ্ট্রপতি,  স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দসহ ৩৬০ জনেরও বেশি সম্মানিত প্রাপকের কাছে আমের প্যাকেটসমূহ পৌঁছে দেন। 

আমগুলো বাংলাদেশের আমের রাজধানী হিসেবে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুটি বাগান থেকে সদ্য সংগ্রহ করা হয়। গুণগত মান ও সতেজতা নিশ্চিত করতে সেগুলো বাংলাবান্ধা বন্দর ব্যবহার করে, ফুলবাড়ি ল্যান্ডপোর্ট (শিলিগুড়ি সীমান্ত) এবং কাকরভিটা বন্দর (Nepal) হয়ে অতি  সতর্কতার সঙ্গে kathmandu পরিবহন করা হয়।

এ আমগুলো ছিল স্থানীয় জিআই সনদপ্রাপ্ত জনপ্রিয় ‘ক্ষীরশাপাত’ জাতের আম, যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সুস্বাদু আম হিসেবে ব্যাপকভাবে সমাদৃত ও প্রশংসিত।

এই শুভ উদ্যোগ বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব এবং জনগণের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন। এ শুভেচ্ছা উপহার উভয় বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করতে উষ্ণতা, সদিচ্ছা ও কূটনৈতিক সৌহার্দ্যের প্রতীক হিসেবে কাজ করছে।

নেপালে এ অনন্য “ম্যাংগো ডিপ্লোমেসি” উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়নে যারা অবদান রেখেছেন, বাংলাদেশ দূতাবাস তাঁদের সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।

দল গোছাতে মাঠে বিএনপি | কালের কণ্ঠ