• ই-পেপার

২০৫৭ সালের মধ্যে পদ্মা সেতুর অর্থ উঠে আসবে

হজ শেষে ফিরেছেন ৬৬১৭৪ বাংলাদেশি, মারা গেছেন ৫৫

অনলাইন ডেস্ক
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৬১৭৪ বাংলাদেশি, মারা গেছেন ৫৫

পবিত্র হজ পালন শেষে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে মোট ১৮০টি ফিরতি ফ্লাইটে ৬৬ হাজার ১৭৪ জন বাংলাদেশি হাজি দেশে ফিরেছেন। তাদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৪৫৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ৬১ হাজার ৭১৫ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

এ বছর হজ করতে গিয়ে মোট ৫৫ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৭ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করেন। তবে মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

শুক্রবার (২৬ জুন) হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৯৭টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ৬১টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

এয়ারলাইনস ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৯৭টি ফ্লাইটে ৩০ হাজার ৫৭৩ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৬১টি ফ্লাইটে ২২ হাজার ৭২৯ জন, ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ৪ হাজার ২০০ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাকি হাজিরা নির্ধারিত এয়ারলাইনসের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন।

হজ বুলেটিন অনুযায়ী, ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১০ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সৌদি মেডিক্যাল সেন্টারগুলো ৬৭ হাজার ৩৬ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে এবং মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ৩৮৩ জন হাজিকে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দিয়ে সহায়তা করেছে।

গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজ পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২১ মে প্রাক হজ ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় এবং তা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

হজ অফিসের তথ্যমতে, এবার বাংলাদেশের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল।

বায়ুদূষণে শীর্ষে ইন্দোনেশিয়া, ঢাকার বাতাস মাঝারি মানের

অনলাইন ডেস্ক
বায়ুদূষণে শীর্ষে ইন্দোনেশিয়া, ঢাকার বাতাস মাঝারি মানের

বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের কারণে দিন দিন বাড়ছে বায়ুদূষণ। তবে স্বস্তি ফিরেছে ঢাকার বাতাসে। আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৮২ স্কোর নিয়ে ঢাকার বায়ু এখন ‘মাঝারি’ বা সহনীয় অবস্থানে রয়েছে। দূষণের বৈশ্বিক তালিকায় শীর্ষ ১৬ নম্বরে নেমে এসেছে বাংলাদেশের রাজধানী।

শুক্রবার (২৬ জুন) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, তালিকার শীর্ষে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা। শহরের দূষণ স্কোর ১৭৭, অর্থাৎ এই শহরের বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে উগান্ডার কাম্পালা। শহরটির দূষণ স্কোর ১৭৫, অর্থাৎ এই শহরের বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে চিলির সান্তিয়াগো শহরের দূষণ স্কোর ১৪৩, অর্থাৎ এই শহরের বাতাস সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে।

এদিকে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে আরো রয়েছে, কঙ্গোর কিনশাসা, ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিব, দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ, ইরাকের রাজধানী বাগদাদ, যুক্তরাষ্ট্রের বার্মিংহাম।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়। এ ছাড়া ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়।

এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

১৪ জেলায় বৃষ্টির পূর্ভাবাস, ঝড়ের শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
১৪ জেলায় বৃষ্টির পূর্ভাবাস, ঝড়ের শঙ্কা

দেশের ১৪ জেলায় দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

বার্তায় বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেওয়া সতর্কবার্তায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

বরাদ্দের অর্ধেকও খরচ করতে পারেনি সরকার

১১ মাসে এডিপি বাস্তবায়ন ৪৮ শতাংশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি প্রত্যাশার নিচে স্বাস্থ্য-শিক্ষায় মিশ্র চিত্র

অনলাইন ডেস্ক
বরাদ্দের অর্ধেকও খরচ করতে পারেনি সরকার

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) ২ লাখ কোটি টাকার বেশি উন্নয়ন বাজেটের অর্ধেকও খরচ করতে পারেনি সরকার। এ সময়ে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৪৮ দশমিক ২৩ শতাংশ। বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) তথ্য অনুযায়ী, জুলাই থেকে মে পর্যন্ত উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ৭৬৯ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। জুলাই-মে সময়ের হিসাবে এটি গত ১৬ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন বাস্তবায়ন হার।

চলতি অর্থবছরে এডিপির আকার ২ লাখ ৮ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা। সাধারণত অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে এডিপি বাস্তবায়নের হার ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশের মধ্যে থাকে। কিন্তু এবার তা ৫০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। ফলে অর্থবছরের শেষ মাসে ব্যয় বাড়লেও সামগ্রিক বাস্তবায়নের ঘাটতি পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা কঠিন হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ পাওয়া স্থানীয় সরকার বিভাগ অবশ্য তুলনামূলক ভালো অবস্থানে রয়েছে। বিভাগটির ২৪৪টি প্রকল্পে ৩৭ হাজার ৭০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ২৫ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা। বাস্তবায়নের হার প্রায় ৬৮ শতাংশ। স্থানীয় অবকাঠামো, গ্রামীণ সড়ক, পানি সরবরাহ ও নগর উন্নয়ন প্রকল্পগুলো এই ব্যয়ের বড় অংশ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক

বিভাগের চিত্র কিছুটা ভিন্ন। প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে বাস্তবায়ন হয়েছে ৪৬ দশমিক ২৩ শতাংশ। দেশের বিভিন্ন মহাসড়ক, সেতু ও যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প চলমান থাকলেও প্রত্যাশিত গতিতে ব্যয় হয়নি। অন্যদিকে বড় বরাদ্দ পাওয়া মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। ১২ হাজার ২৮ কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে বাস্তবায়ন হয়েছে ৮৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। একইভাবে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ৬৮ দশমিক ৭২ শতাংশ, কৃষি মন্ত্রণালয় ৬৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ প্রায় ৮০ শতাংশ বাস্তবায়ন করেছে। শিক্ষা খাতে চিত্র মিশ্র। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ৮ হাজার ৫৪ কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে বাস্তবায়ন করেছে মাত্র ৩৫ দশমিক ১৮ শতাংশ। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বাস্তবায়ন ৪৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ। তবে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ ৮৪ দশমিক ৪২ শতাংশ বাস্তবায়ন করে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখিয়েছে। স্বাস্থ্য খাতেও ব্যয়ের গতি প্রত্যাশার তুলনায় কম। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বাস্তবায়ন হার ২৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের বাস্তবায়ন ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ। স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়ন ও সরঞ্জাম ক্রয়সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকল্পে ধীরগতির প্রভাব এখানে পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রেলপথ মন্ত্রণালয় ৪২ দশমিক ৪৬ শতাংশ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ৪০ দশমিক ৮০ শতাংশ এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ৫০ দশমিক ২৫ শতাংশ বাস্তবায়ন করেছে। অন্যদিকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন ৭২ দশমিক ৫০ শতাংশ। সবচেয়ে দুর্বল পারফরম্যান্স দেখা গেছে কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে। সংসদবিষয়ক সচিবালয় তাদের বরাদ্দের এক টাকাও ব্যয় করতে পারেনি। এ ছাড়া স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ বরাদ্দের ২৫ শতাংশও বাস্তবায়ন করতে পারেনি।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

২০৫৭ সালের মধ্যে পদ্মা সেতুর অর্থ উঠে আসবে | কালের কণ্ঠ