• ই-পেপার

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বললেন

‘বিএনপি চেয়েছে দেশকে দরিদ্র করতে আর শেখ হাসিনা দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছেন’

মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রবিবার বিকেলে সরকারি সফরে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। সরকার গঠনের পর এটি তার প্রথম বিদেশ সফর।

দুপুর আড়াইটার দিকে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে রওনা হয়।

মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-এর আমন্ত্রণে সরাসরি চীন সফর করবেন বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী আগামী শুক্রবার রাতে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই দুই দেশ (মালয়েশিয়া ও চীন) সফরের আগে গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

বিকেলে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী

বাসস
বিকেলে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ বিকেলে এক সরকারি সফরে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। 

প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট বিকেলে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে সরাসরি চীন সফর করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই দুই দেশ (মালয়েশিয়া ও চীন) সফরের আগে গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), দুটি চুক্তি, একটি কর্মপরিকল্পনা এবং একটি প্রোটোকলসহ ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ সময় বহু প্রতীক্ষিত তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হবে। 
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর।

তিনি উল্লেখ করেন , মালয়েশিয়া ও চীনে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদল তুলনামূলকভাবে ছোট রাখা হয়েছে। এতে ২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য রয়েছেন। আমরা এটিকে একটি যুক্তিসঙ্গত পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করেছি।

তিনি বলেন, এই সফরগুলোকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব শক্তিশালীকরণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি বড় কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করবেন। সরকারি সফরের অংশ হিসেবে তিনি ২৬ জুন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।

চীন সফরকালে প্রধানমন্ত্রী লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠেয় ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’-এর ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে (সামার দাভোস ফোরাম) অংশ নেবেন।

‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ ফোরামে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৭০০-এর বেশি প্রতিনিধি অংশ নেবেন। সেখানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবণতা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং উদ্ভাবননির্ভর প্রবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হবে।

সফরের মালয়েশিয়া পর্বে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে, চীন সফরে অবকাঠামো, প্রযুক্তি, সংযোগ এবং উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা আরো গভীর করার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরা হবে।

প্রধানমন্ত্রী আগামী শুক্রবার রাতে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

র‌্যাব

আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে কেউ বিশৃঙ্খলা করলে, ঝুঁকির মধ্যে পড়বে

অনলাইন ডেস্ক
আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে কেউ বিশৃঙ্খলা করলে, ঝুঁকির মধ্যে পড়বে

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে কেউ বিশৃঙ্খলা বা ঝুঁকি তৈরি করতে চায়, তাহলে তারা নিজেরাই ঝুঁকির মধ্যে পড়বে বলে জানিয়েছেন র‍্যাব-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান।

রবিবার (২১ জুন) মোহাম্মদপুরে র‌্যাব-২ কার্যালয়ে ৫ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে করা এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমরা সব স্টেশনগুলোতে অলরেডি ম্যাসেজ দিয়ে দিয়েছি। বিশেষ করে ২৩ জুন রিলেটেড কেউ যদি বিশৃঙ্খলা করতে চায়, যদি কোনো ঝুঁকি তৈরি করতে চায়, তাহলে তারা নিজেরাই ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। আমি আবারও বলছি, যদি কেউ ২৩ তারিখকে নিয়ে অস্ত্র দিয়ে হোক বা যেভাবেই হোক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো ঝুঁকি তৈরি করতে চায় তাহলে তারা নিজেরাই ঝুঁকির মধ্যে থাকবে। যেকোনো ভাবেই হোক আমরা প্রতিহত করব। 

নয়মুল হাসান বলেন, ‘গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাউরা সোহেলকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরো দুই ছিনতাইকারী শফিকুল ইলাম সবুজ ও রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
 
পরে আরো দুজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানান তিনি। গ্রেপ্তার হওয়া মাউরা সোহেলের নামে ছিনতাই-চাঁদাবাজির ১৪টি মামলা রয়েছে।
 

নবম পে স্কেলে ১০-২০তম গ্রেডে ৬০% বাড়তে পারে বেতন, ১ম-৯ম গ্রেডে কত?

অনলাইন ডেস্ক
নবম পে স্কেলে ১০-২০তম গ্রেডে ৬০% বাড়তে পারে বেতন, ১ম-৯ম গ্রেডে কত?
সংগৃহীত ছবি

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে স্কেল আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। তবে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে সব স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বেসিকের ৫০ শতাংশ বৃদ্ধির পরিকল্পনা থাকলেও সরকার সে পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে।

নতুন পরিলকল্পনা অনুযায়ী, নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মচারীদের বেসিক বেশি বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রথম থেকে নবম গ্রেডের কর্মকর্তাদের বেতন তুলনামূলকভাবে কম বৃদ্ধি পেতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে নবম পে স্কেল নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ের মতবিনিময় করা হয়।

জানা গেছে, আলোচনায় প্রথম থেকে নবম গ্রেড পর্যন্ত কর্মকর্তাদের মূল বেতন যত বৃদ্ধি করা হবে, তার ৪০ শতাংশ আগামী অর্থবছরে কার্যকর করার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের মূল বেতন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত বাড়তির ৬০ শতাংশ আগামী অর্থবছরে প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির চাপ বিবেচনায় নিম্ন আয়ের সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে নতুন পে স্কেলে গ্রেডভিত্তিক বৈষম্য কিছুটা কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। নবম পে স্কেলের চূড়ান্ত কাঠামো, বেতন বৃদ্ধির হার এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আরো আলোচনা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের মতামত নেওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

এদিকে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নবম পে স্কেলের গেজেট এখনো জারি হয়নি।

বর্তমানে জনপ্রশাসনে ২০টি গ্রেডে কর্মচারীরা কাজ করছেন। তাদের মধ্যে প্রথম শ্রেণির কর্মচারীরা বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে ৯ম গ্রেডে নিয়োগ পান। আর ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডে অন্যান্য শ্রেণির কর্মচারীরা নিয়োগ পেয়ে থাকেন।

চলতি বছরের ২ এপ্রিল জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী জাতীয় সংসদে সরকারি কর্মচারীদের জনবল সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতে জানান, দেশে সরকারি চাকরিতে ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৮৯১ জন কর্মরত আছেন। এর মধ্যে গ্রেড-১ থেকে গ্রেড-৯ পর্যন্ত, অর্থাৎ প্রথম শ্রেণিতে কর্মরত কর্মচারীর সংখ্যা ১ লাখ ৯০ হাজার ৭৭৩ জন। বাকি ১২ লাখ ৬০ হাজার ১১৮ জন ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের পদগুলোতে কর্মরত। 

তিনি আরো জানান, দ্বিতীয় শ্রেণিতে কর্মরত ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭২৬ জন, তৃতীয় শ্রেণিতে ৬ লাখ ১৩ হাজার ৮৩৫ জন, চতুর্থ শ্রেণিতে ৪ লাখ ৪ হাজার ৫৫৭ ও অন্যান্য শ্রেণিতে কর্মরত কর্মচারীর সংখ্যা ৭ হাজার ৯৮০।

‘বিএনপি চেয়েছে দেশকে দরিদ্র করতে আর শেখ হাসিনা দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছেন’ | কালের কণ্ঠ