• ই-পেপার

বাংলাদেশি টিকার পরীক্ষায় আগ্রহী নেপাল

কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?

অনলাইন ডেস্ক
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। গত রবিবার জাতীয় সংসদে তিনি জনগণের মনের কথা বলেছেন। জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে তার বক্তব্যে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে। ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, যা তদন্ত হওয়া দরকার। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বাধীন শ্বেতপত্রের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে এ তদন্ত হতে পারে। জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। দেড় বছরের শাসনকালে ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের অপকর্ম এবং অপশাসনের ক্ষতচিহ্ন এখন সর্বত্র।

রাজনীতি থেকে অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি থেকে শুরু করে দেশরক্ষার কৌশল, আইন- বিচার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, কোথায় নেই ইউনূসের অপশাসনের কালো ছায়া? গভীরভাবে ইউনূসের শাসন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ইউনূস এবং তার সহযোগীরা যেন দেশ ধ্বংসের এক মহোৎসবে মেতেছিলেন। লুটেরা দুর্বৃত্ত ডাকাত দল যেমন একটি গ্রামে আগুন ধরিয়ে লুটপাট করে, ইউনূস গং দেড় বছরে বাংলাদেশের মাটিতে ঠিক তেমনটিই করেছে।

২০২৪-এর ৫ আগস্টের পর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতারা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বেছে নেন। দেশবাসী আশা করেছিল শান্তিতে নোবেলজয়ীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ নতুন সম্ভাবনার পথে যাত্রা শুরু করবে। দেশে শান্তিশৃঙ্খলা ফিরে আসবে, আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। মানুষের মানবিক মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। মানুষ নতুনভাবে বাঁচতে পারবে। কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ইউনূসের ভদ্রবেশী মুখোশ খুলে যায়। এ দেশের মানুষ দেখে শান্তির দূতের আড়ালে হিংস্র দানবের রূপ। ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্র্বর্তী সরকার দেড় বছরে দুটি কাজ অত্যন্ত সফলভাবে করেছে। প্রথমত দেশকে বিভক্ত করা, দ্বিতীয়ত দেশের সম্পদ লুটপাট করা।

২৪-এর ৫ আগস্ট ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঐক্যের প্রতীক। দলমতনির্বিশেষে সব রাজনৈতিক দল এবং জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। এই ঐক্যের শক্তি যে কী অসাধারণ জুলাই গণ অভ্যুত্থান তার প্রমাণ। ইউনূসের দায়িত্ব ছিল খুব সংক্ষিপ্ত ও সহজ। অন্তর্র্বর্তী সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। কিন্তু ক্ষমতা নিয়েই ড. ইউনূস বাংলাদেশে রাজনৈতিক বিভাজনের বিষবাষ্প ছড়িয়ে দেন। সংস্কারের নামে তিনি পরিকল্পিতভাবে সৃষ্টি করেন রাজনৈতিক অনৈক্য, অবিশ্বাস। এর একমাত্র কারণ ছিল ক্ষমতা আঁকড়ে রাখা।

সংস্কারের নামে ইউনূস সরকার শুরু করেছিল নাটক। যে নাটক দেশকে ক্ষতবিক্ষত করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সঠিকভাবেই জাতীয় সংসদে বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন ও জাতীয় স্বার্থে সবাই মিলে একমত হয়ে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা হয়েছে। সংস্কার নাটকের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টি তিনি অন্যত্র সরিয়ে নেন। এরপর ইউনূস সরকার এবং তাঁর উপদেষ্টাদের লুটপাটের কাহিনি আজ সারা বিশ্ব জানে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ বলেছে ইউনূস আমলে ঘুষ লেনদেনের নতুন রেকর্ড হয়েছে। সুইস ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ইউনূস আমলে সেখানে টাকা রাখার রেকর্ড হয়েছে।

ইউনূসের নিজস্ব দুর্নীতির ফিরিস্তি বাংলাদেশের সব গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, এনিয়ে নতুন করে কিছু লিখতে চাই না। শুধু ইউনূস একা নন আসিফ নজরুল, রিজওয়ানা হাসান, আদিলুর রহমানসহ অধিকাংশ উপদেষ্টার একমাত্র কাজ ছিল দুর্নীতি এবং লুটপাট। দেড় বছর একজন উপদেষ্টা যখন নিজের চিকিৎসার নামে প্রায় কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে আত্মসাৎ করেন তখন এই অন্তর্বর্তী সরকারের নৈতিকতার মান কতটা নিচে ছিল তা বুঝতে অসুবিধা হয় না।

অন্তর্বর্তী সরকার, কোথায় দুর্নীতি করেনি? বিচারক নিয়োগ থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের পদায়নে দেড় বছরে সীমাহীন দুর্নীতি হয়েছে। শিশুদের হামের টিকা থেকে পুলিশের পোশাক কেলেঙ্কারি, সর্বত্র ইউনূস সরকারের দুর্নীতির চিত্র স্পষ্ট। এসব দুর্নীতি, অনিয়ম এবং স্বেচ্ছাচারিতা যেন রাষ্ট্র পরিচালনার নতুন সংজ্ঞা আমাদের সামনে হাজির করেছে। ক্ষমতায় যাওয়া মানেই দুর্নীতির লাইসেন্স পাওয়া। ক্ষমতায় যাও, দুর্নীতি কর, দেশ বেচে দাও, বিদেশে টাকা পাচার করো-তারপর জাতির বিবেক হয়ে জনগণকে জ্ঞান দাও-এটাই ছিল ইউনূস সরকারের মূলমন্ত্র।

যেকোনো দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও আইনের শাসনের জন্য এটা রীতিমতো চ্যালেঞ্জ। ইউনূস সরকার কেবল সীমাহীন দুর্নীতি এবং লুটপাট করেনি রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। রাষ্ট্র পরিচালনার আইনকানুন, রীতিনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন। আর এ কারণেই ইউনূস শাসনের দেড় বছরের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। আইনের শাসনের মূল ভিত্তি তিনি ভালো করেই জানেন। এখন তিনি আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দায়িত্বে। বিগত চার মাসে তিনি নিশ্চয়ই অনুভব করছেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে বাধা কোথায়? ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য করণীয় কী?

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার একটি মৌলিক নীতি হলো, প্রতিটি অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা। একজন অপরাধী, দুর্নীতিবাজের একমাত্র পরিচয় হলো, তিনি অপরাধী। বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকারের অংশ সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে আইনের দৃষ্টিতে সব নাগরিকের সমান অধিকার। আইনের এই সাম্যতার নীতি তখনই কার্যকর হবে যখন ড. ইউনূস এবং তার উপদেষ্টাদের মতো হোয়াইট কালার ক্রিমিনালরা আইনের আওতায় আসবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিশ্চয়ই উপলব্ধি করেছেন, একটি অন্যায়ের বিচার না করলে আরেকটা অন্যায়ের বিচার করার নৈতিক অধিকার থাকে না। আইনের পরিভাষায় বলা হয়, একটি বিচারহীনতা আরও দশটি অপরাধের জন্ম দেয়। ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের নিষ্পত্তি না হলে জনগণের কাছে ভুল বার্তা যাবে।

সাধারণ মানুষ মনে করবে ক্ষমতায় থাকলে যা খুশি তাই করা যায়, তার বিচার করা হয় না। এর ফলে নির্বাচিত সরকার সম্পর্কে মানুষের মনে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি সরকারের ভিতরে অনেক সুযোগসন্ধানী মনে করবে ড. ইউনূস ও তাঁর উপদেষ্টারা যদি এত দুর্নীতি করেও পার পেয়ে যায় তাহলে আমরা একটু করলে দোষের কী?

আমাদের মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশে আবার তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয়েছে। ইউনূস সরকার নামে অন্তর্র্বর্তী সরকার হলেও, এটি আসলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আদলে গঠিত হয়েছিল। আজকে যদি ইউনূসের অনিয়মের তদন্ত না হয় তাহলে পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকার একই পথে হাঁটবে। ইউনূস এবং তার উপদেষ্টারা সুশীল সমাজের সফেদ পোশাকে কালি লেপ্টে দিয়েছেন। দেড় বছরের ইউনূস শাসনের পর এখন সাধারণ মানুষের মধ্যে সুশীল সমাজ সম্পর্কে ভিন্ন ধারণা তৈরি হয়েছে। নিরীহ মানুষ এখন মনে করে সুশীল মানেই ইউনূস গংদের মতো মতলববাজ, দুর্নীতিবাজ। এ কারণেই সুশীল সমাজের ইমেজ রক্ষার জন্য হলেও ইউনূস সরকারের দেড় বছরের সব অপকর্মের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া দরকার।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রবিবার জাতির কণ্ঠ হিসেবে ভাষণ দিয়েছেন। মনে রাখতে হবে, বিএনপি জনগণের কাছে তিনটি প্রধান অঙ্গীকার করেছে নির্বাচনের আগে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা এবং রাষ্ট্রীয় অপচয় বন্ধ। এই তিন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হলে ইউনূস সরকারের অপকর্মের তদন্ত করতেই হবে। ইউনূস আমলে মব সন্ত্রাস, লুটপাটের মাধ্যমে আইনের শাসনের চরম লঙ্ঘন হয়েছে। তাই এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে আগের আবর্জনা পরিষ্কার করতে হবে। দুর্নীতি দমন করতে হলে, দেড় বছরের সীমাহীন দুর্নীতির তদন্তের কোনো বিকল্প নেই। সরকার দুর্নীতি দমন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আশা করি স্বল্পতম সময়ের মধ্যে নতুন কমিশন গঠিত হবে। নতুন কমিশনের প্রথম কাজ হবে ড. ইউনূস এবং তার উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে জমাকৃত অভিযোগের তদন্ত। রাষ্ট্রীয় অপচয়েও ইউনূস সরকার ছিল শীর্ষে। ড. ইউনূসের উড়োজাহাজ ভর্তি করে প্রমোদ ভ্রমণ থেকে ধর্ম উপদেষ্টার ৮২ লাখ টাকার চিকিৎসা বিল, সবই রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয়ের প্রামাণ্যচিত্র। এসবের সুষ্ঠু তদন্ত না করলে নতুন করে অপচয়বিরোধী পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব নয়। তাই এই সরকারকে সফল হতে হলে, ইউনূস সরকারের আমলে সব ধরনের অনিয়মের তদন্ত করতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (৩০ জুন)

অনলাইন ডেস্ক
একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (৩০ জুন)
কর ছাড় দিয়ে অর্থ বিল পাস

কর ছাড় দিয়ে অর্থ বিল পাস

বিতর্কের কারণে শেষ পর্যন্ত কালো টাকা সাদার বিধান থেকে সরে এসেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর জাতীয়...

 

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ বাস্তবায়ন

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ বাস্তবায়ন

দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও পানির সংকট নিরসনে জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেকোনো মূল্যে তিস্তা...

 

মেসি আমাকে ভুল প্রমাণ করেছে

মেসি আমাকে ভুল প্রমাণ করেছে

আমি জীবনে অনেক অসাধারণ ফুটবলারের সঙ্গে খেলেছি। অনেক প্রতিভা খুব কাছ থেকে দেখেছি। কিন্তু লিওনেল মেসিকে যতটা কাছ...

 

বহুমাত্রিক শিল্প স্রষ্টার প্রয়াণ

বহুমাত্রিক শিল্প স্রষ্টার প্রয়াণ

চিত্রকলা, ভাস্কর্য, সংগীত, চলচ্চিত্র, নাটকসহ শিল্পাঙ্গনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আছে তাঁর সৃজনশীলতার উজ্জ্বল...

 

মুস্তাফা মনোয়ার শিল্পের সর্বাঙ্গীণ সুন্দর মানুষ

মুস্তাফা মনোয়ার শিল্পের সর্বাঙ্গীণ সুন্দর মানুষ

বাংলাদেশের শিল্পাঙ্গনে যাঁদের আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি, তাঁদের অন্যতম ছিলেন শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার।...

 

সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির পথে বাংলাদেশ ব্যাংক

সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির পথে বাংলাদেশ ব্যাংক

মূল্যস্ফীতি এখনো স্বস্তিদায়ক পর্যায়ে না আসায় নতুন অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) মুদ্রানীতিতেও সতর্ক...

 

এনআইডির এক ভুল সংশোধনে ৫ বছর পার ব্রিটিশ বাংলাদেশির!

এনআইডির এক ভুল সংশোধনে ৫ বছর পার ব্রিটিশ বাংলাদেশির!

একটি মাত্র ভুল। জন্ম সাল ১৯৭৮, করা হয়েছে ১৯৮৭। অর্থাৎ ৭৮ হয়ে যায় ৮৭। ৭ আর ৮ সংখ্যার এদিক-সেদিকে বয়স কমে যায় ৯ বছর।...

 

কর্ণফুলী টানেলে আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি

কর্ণফুলী টানেলে আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেলে প্রতি মাসে যে পরিমাণ টাকা আয় হয়, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে তার দ্বিগুণ ব্যয় হয়।...

 

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আহসান হাবিব। বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আবদুর...

 

প্রার্থী বাছাইয়ে চ্যালেঞ্জে বিএনপি

প্রার্থী বাছাইয়ে চ্যালেঞ্জে বিএনপি

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। মাঠ পর্যায়ে প্রার্থীদের প্রচার...

 

আলোয় ফেরার গল্প লিখছে বসুন্ধরা আই হসপিটাল

আলোয় ফেরার গল্প লিখছে বসুন্ধরা আই হসপিটাল

চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাসিন্দা আবদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ছানি সমস্যায় ভুগছিলেন। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে চোখের দৃষ্টিও...

 

উজানের ঢলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাঁচ জেলায় বন্যার শঙ্কা

উজানের ঢলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাঁচ জেলায় বন্যার শঙ্কা

ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা হালকা বৃষ্টির প্রভাবে তিস্তা নদীর পানি আবারও দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।...

 

অব্যবস্থাপনায় নাকাল রোগী

অব্যবস্থাপনায় নাকাল রোগী

সকাল ৮টা থেকে টিকিটের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন শান্তি বেগম। দেড় ঘণ্টা পর টিকিট পেলেও চিকিৎসকের দেখা মেলেনি। নার্সরা...

 

যত দিন সুস্থ ছিলেন কাজই করে গেছেন

যত দিন সুস্থ ছিলেন কাজই করে গেছেন

মুস্তাফা মনোয়ার আমাদের সময়ের সবচেয়ে গুণী ও সৃজনশীল একজন অসাধারণ মানুষ। তাঁর কাছে সরাসরি কাজ শেখার সুযোগ পেয়েছি,...

 

নির্মাতার বিরুদ্ধে পারসার অভিযোগ

নির্মাতার বিরুদ্ধে পারসার অভিযোগ

বরাবরই চুপচাপ স্বভাবের অভিনেত্রী পারসা ইভানা। তবে এবার আর চুপ থাকতে পারলেন না, পরিচালক ফারহাদ আহমেদ ইশানের...

 

‘এনগেজড’ মানে বাগদান নয়!

‘এনগেজড’ মানে বাগদান নয়!

গতকাল দুপুর থেকে ছোট পর্দার অভিনেত্রী নাজনীন নীহাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হৈচৈ। নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে...

 

জীবন-জীবিকার মানোন্নয়নে প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়

জীবন-জীবিকার মানোন্নয়নে প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়

ইসলাম অলসতা বা অন্যের ওপর নির্ভরশীলতাকে সমর্থন করে না; বরং ইসলামের দৃষ্টিতে হালাল উপায়ে উপার্জনের লক্ষ্যে...

 

বিপদ-মুসিবতের পথ ধরে আল্লাহর নৈকট্য লাভ

বিপদ-মুসিবতের পথ ধরে আল্লাহর নৈকট্য লাভ

কোনো মানুষের ওপর যদি এমন কোনো বিপদ আসে, যার আগে তার কোনো গুনাহ নেই, তাহলে বলা হয়, এটি তার ধৈর্যের পরীক্ষা এবং...

 

নগদবিহীন অর্থনীতি এবং বাস্তবতা

নগদবিহীন অর্থনীতি এবং বাস্তবতা

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে নগদবিহীন অর্থনীতি গড়ে তোলার ব্যাপারে অগ্রসর হতে শুরু করেছে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ...

 

কৈবর্ত বিদ্রোহ থেকে অক্টোবর বিপ্লব : ইতিহাসের ফিরে ফিরে আসা...

কৈবর্ত বিদ্রোহ থেকে অক্টোবর বিপ্লব : ইতিহাসের ফিরে ফিরে আসা...

ইতিহাস সোজা পথে হাঁটে না কখনো, বরং চক্রাকারে ঘোরে, ঘড়ির কাঁটার মতোই একসময় ফিরে আসে ঠিক একই বিন্দুতে। নির্মমভাবে...

 

ডিজিটাল যুগে মানুষের অস্থিরতা ও মনোজগতের পরিবর্তন

ডিজিটাল যুগে মানুষের অস্থিরতা ও মনোজগতের পরিবর্তন

আজকের পৃথিবীকে অনেকে হাইপারকানেক্টেড ওয়ার্ল্ড বা অতিসংযুক্ত বিশ্ব হিসেবে বর্ণনা করেন। তথ্য, প্রযুক্তি ও...

 

সংসদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার কুশল বিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক
সংসদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার কুশল বিনিময়
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় সংসদ কক্ষেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় সংসদের দিনের অধিবেশন সমাপ্তি ঘোষণার পর প্রধানমন্ত্রীর আসনের কাছে গিয়ে তার সঙ্গে করমর্দন করেন বিরোধীদলীয় নেতা।

অধিবেশনের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন আসন থেকে উঠছিলেন, তখন ডা. শফিকুর রহমান এগিয়ে যান। দুই নেতা বেশ কিছুক্ষণ হাসিমুখে কথা বলেন এবং একে অপরের খোঁজখবর নেন।

এ সময় বিরোধী দলের অন্যান্য সংসদ সদস্যরাও প্রধানমন্ত্রীর আসনের সামনে গিয়ে তার সঙ্গে কুশল বিনিময় ও সংক্ষিপ্ত সৌজন্য সংলাপে অংশ নেন। সরকারি ও বিরোধী দলের শীর্ষ দুই নেতার এই আন্তরিক করমর্দন ও কুশল বিনিময়ের সময় সংসদ কক্ষে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

এর আগে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সকাল ১০টা ৩১ মিনিটে এ অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

তুরাগ ও ফরিদপুরের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত চায় এইচআরএসএস

নিজস্ব প্রতিবেদক
তুরাগ ও ফরিদপুরের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত চায় এইচআরএসএস
সংগৃহীত ছবি

ফরিদপুরে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে এক ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু এবং ঢাকার তুরাগ নদ থেকে তিন দিনে তিনটি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। 

সোমবার (২৯ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম বলেছেন, দুটি ঘটনাই জনমনে নিরাপত্তা, আইনের শাসন ও মানবাধিকার সুরক্ষা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। 

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রের হেফাজতে থাকা কোনো ব্যক্তির জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সাংবিধানিক ও আইনগত দায়িত্ব। ফলে হেফাজতে মৃত্যুর প্রতিটি ঘটনা স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।’ এই কারণে ফরিদপুরের ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ, কার্যকর ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত পরিচালনা এবং দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে তুরাগ নদ থেকে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে একাধিক মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাকেও উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি। এইচআরএসএস বলেছে, এসব মৃত্যুর পেছনে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা, পরিকল্পিত হত্যা অথবা অন্য কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা জড়িত রয়েছে কিনা, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত উদঘাটন করতে হবে। পাশাপাশি নিহতদের পরিচয়, মৃত্যুর কারণ এবং তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে যথাসময়ে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশ করে জনমনে আস্থা ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানানো হয়েছে। 

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘প্রতিটি অস্বাভাবিক মৃত্যু, বিশেষ করে রাষ্ট্রের হেফাজতে মৃত্যু কিংবা রহস্যজনকভাবে একাধিক মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড অনুযায়ী দ্রুত, স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্তের দাবি রাখে। তদন্তে কোনো ধরনের প্রভাব বা পক্ষপাত যেন না থাকে এবং ভুক্তভোগী পরিবারের ন্যায়বিচারের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।’ 

এইচআরএসএস সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী এবং বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, উভয় ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন, দোষীদের আইনের আওতায় আনা এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

বাংলাদেশি টিকার পরীক্ষায় আগ্রহী নেপাল | কালের কণ্ঠ