• ই-পেপার

সাহেদের অস্ত্র মামলায় রায় ২৮ সেপ্টেম্বর

সোনা চোরাচালানে ৫০ মাফিয়া

পরিবারসহ বিদেশে আস্তানা গড়েছে বিগ ফিশেরা আলামত জব্দেই সীমাবদ্ধ বেশির ভাগ বড় চালানের মামলা সাড়ে ১০ বছরে ঢাকার বিমানবন্দর থানায় ৬৯৭ মামলা দুবাই মালয়েশিয়া সৌদিকেন্দ্রিক সক্রিয় চক্র মুয়াল্লিমদের দলে ভেড়াচ্ছে সৌদিকেন্দ্রিক সিন্ডিকেট

অনলাইন ডেস্ক
সোনা চোরাচালানে ৫০ মাফিয়া

চলতি বছরের ২৮ মার্চ রাতে দুবাই থেকে ঢাকায় আসা বিমান বাংলাদেশের একটি ফ্লাইটের কার্গো কম্পার্টমেন্টের টয়লেট থেকে প্রায় ৩৮ কোটি টাকা মূল্যের ১৫৩টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। পরদিন অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে বিমানবন্দর থানায় মামলা হয়। কিন্তু তিন মাস পার হলেও এখনো তদন্তে কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছেন, বিমানে ৪৩৯ যাত্রী এবং ২০ জনের মতো বিমানবালা, টেকনিশিয়ান ও কেবিন ক্রু ছিলেন। এত লোকের মধ্যে সন্দেহভাজনদের খুঁজে জিজ্ঞাসাবাদ করা তদন্তকারীদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতোমধ্যে বিমানের সাত কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও মেলেনি কোনো ক্লু। এ অবস্থায় অবৈধ এই বিপুল সোনার আসল হোতাকে খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়।

অন্যদিকে গত বৃহস্পতিবার রাতে দুবাই থেকে ঢাকায় আসা বিমানের একটি ফ্লাইটের কার্গোহোল থেকে ৪৫ কোটি টাকা মূল্যের ১৬০টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায়ও যথারীতি বিমানবন্দর থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিমানের কার্গোহোল থেকে সোনাগুলো উদ্ধার হওয়ায় কোনো ফুটেজ দেখে বাহক শনাক্তের সম্ভাবনা নেই। আর বাহক না পেলে চোরাচালানের গডফাদার শনাক্ত করাও কঠিন। শুধু এ দুই ঘটনাই নয়, বিমানবন্দর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার বেশির ভাগ সোনা জব্দ ঘটনার পরবর্তীতে কোনো কূলকিনারা হয় না। যেসব সোনার চালানের সঙ্গে বাহক গ্রেপ্তার হয়, সে ক্ষেত্রে কিছু কিছু নাম বেরিয়ে এলেও তদন্ত সেখানেই শেষ। অভিযোগপত্রে ওই নামগুলো উল্লেখ করা হলেও বাস্তবে তারা আইনের আওতায় আসে না।

জানা গেছে, সোনা পাচারের বিগ ফিশেরা বিদেশে স্থায়ীভাবে সপরিবার বসতি গেড়েছেন। দেশে না আসায় তাদের আইনের আওতায় আনা যায় না। আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিমানবন্দরের অশুভ চক্রের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকার সোনা পাচার করছেন।

পুলিশ সূত্র জানিয়েছেন, দুবাই, মালয়েশিয়া ও সৌদি আরবকেন্দ্রিক গড়ে ওঠা এ চক্রে অর্ধশত মাফিয়া রয়েছেন। আর মাঝারি চোরাকারবারি রয়েছেন ২ শতাধিক। যারা বিভিন্ন পন্থায় দেশে সোনা পাচার করছেন।

বিমানবন্দর থানা সূত্র জানিয়েছেন, ২০১৬ থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত সাড়ে ১০ বছরে সোনা চোরাকালানসংক্রান্ত ৬৯৭টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে গত ছয় মাসে মামলা হয়েছে ২৭টি। মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে ৬৪৭টির। অন্য ৫০টির মধ্যে ৪২টি থানা পুলিশ ও ৮টি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত করছে। তবে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার সোনার চালানের অভিযোগপত্র দেওয়া বেশির ভাগ মামলাতেই মাফিয়াদের খোঁজ মেলেনি বলে জানা গেছে।

একাধিক সূত্র জানিয়েছেন, বর্তমানে সক্রিয় মাফিয়াদের মধ্যে মালয়েশিয়ায় অবস্থানকারী নরসিংদীর আনোয়ার, শরীয়তপুরের হান্নান শিকদার ও মুন্সিগঞ্জের জুমন, সৌদিতে অবস্থান করা কুমিল্লার সাইফুল অন্যতম। এ ছাড়া দুবাইয়ে অবস্থান করা শওকত, মোস্তফা, নোমান ও নজরুলের নাম রয়েছে পুলিশের তালিকায়। বিদেশে অবস্থানকারী এ রকম অর্ধশত মাফিয়া নিজ নিজ এলাকায় আলাদা চক্র গড়ে তুলে বিভিন্ন জুয়েলারির দোকানে বিক্রি করছেন। আবার অনেকে প্রতিবেশী দেশে পাচারও করছেন।

কাস্টমস সূত্র জানিয়েছেন, গত সাড়ে পাঁচ বছরে ৩ হাজার ৭২৮ কোটি টাকা মূল্যের ৯০২ কেজি সোনা জব্দ করা হয়েছে। নিয়মিত সোনা জব্দ হলেও রহস্যজনক কারণে চালান থামছে না বলে জানা গেছে।

মুয়াল্লিমদের দলে ভেড়াচ্ছে চক্র : গত বছরের ২২ নভেম্বর শাহজালাল বিমানবন্দরের ১ নম্বর ক্যানোপি-সংলগ্ন এপিবিএন অফিসের পাশ থেকে নূরুল আলম নামে সৌদিফেরত এক যাত্রী ১ কেজি ৩০০ গ্রাম স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার হন। তিনি ওমরাহ করতে গিয়েছিলেন। তার গলায় ঝোলানো হজে ব্যবহৃত কাপড়ের ব্যাগের ভেতর, পরনে থাকা জুব্বা ও পাজামার ভেতর গয়নাগুলো লুকানো ছিল। এ মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, সৌদি থেকে ফেরত আসা হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের সোনা পরিবহনের জন্য বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়ে প্রলোভনে ফেলা হয়। এ কাজে জড়িয়ে পড়ছেন মুয়াল্লিমদের বড় অংশ। ধর্মীয় অনুভূতি ও পোশাক কাজে লাগিয়ে এসব যাত্রী অবৈধ সোনা নিয়ে দেশে প্রবেশ করছেন। মুয়াল্লিমের নেতৃত্বে একসঙ্গে অনেক যাত্রী থাকায় বিমানবন্দরে তেমন অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় না বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন মুয়াল্লিমের নাম উঠে এসেছে পুলিশি তদন্তে। তাদের দ্রুতই আইনের আওতায় আনা হবে।

তদন্তে নাম এলে ধরা পড়বেই : পুলিশের এক সূত্র জানিয়েছেন, বাহকসহ যেসব চালান ধরা পড়ে, সে ক্ষেত্রে যেসব গডফাদারের নাম উঠে আসে তাদের নাম অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা থাকে। সেই সঙ্গে ইমিগ্রেশন পুলিশে তাদের তথ্য দেওয়া আছে। কখনো তারা দেশে প্রবেশ করলেই গ্রেপ্তার হবে।

বিমানবন্দর থানার ওসি কামরুল হাসান তালুকদার বলেন, ‘যেসব দেশে বাংলাদেশি প্রবাসী বেশি, সেখানে কারবারির সংখ্যাও অনেক। প্রতিনিয়তই বিমানবন্দরে সোনা জব্দ হচ্ছে। এর পেছনে গডফাদার ছাড়াও বিমানবন্দরে কোনো সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে কি না আমরা তদন্ত করে দেখছি। এসব চক্রে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, চোরাচালানমুক্ত রাখতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

শনাক্ত হয়নি শীর্ষ সন্ত্রাসী খুনে জড়িতরা

ঢাকায় বেপরোয়া অপরাধ

অনলাইন ডেস্ক
শনাক্ত হয়নি শীর্ষ সন্ত্রাসী খুনে জড়িতরা

রাজধানীতে দিনদুপুরে হত্যাকাণ্ড, সশস্ত্র ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ যেন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নানা তৎপরতার কথা বলা হলেও বাস্তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। অপরাধ জগতের আধিপত্য বিস্তার ও ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের জেরে একদিকে যেমন শীর্ষ সন্ত্রাসী খুনের ঘটনা ঘটছে, অন্যদিকে খোদ ব্যবসায়ীদের বাসভবন লক্ষ্য করে চলছে একের পর এক গুলিবর্ষণ।

সর্বশেষ রাজধানীর উত্তরায় এক গার্মেন্ট ব্যবসায়ীর বাসা ও গাড়ি লক্ষ্য করে দফায় দফায় গুলি এবং নিউমার্কেট এলাকায় ২০০১ সালের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা মহানগরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরে এ কে এস গ্রুপের মালিক ও গার্মেন্ট ব্যবসায়ী আবুল কাশেমের বাড়ির প্রধান ফটক লক্ষ্য করে ২৩ মে রাতে গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। এর আগে গত ১০ মার্চও ওই বাড়ি লক্ষ্য করে একবার গুলি চালানো হয়েছিল।

প্রথম দফার ঘটনায় ব্যবসায়ী মামলা করার পর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও এর মধ্যেই আবার হামলার ঘটনা ঘটে। গতকাল ওই বাড়ির পাশে রাস্তায় আবার গুলির ঘটনা ঘটেছে। ডিবি উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ইলিয়াস কবির জানান, আগের দুই দফায় বাসায় গুলির পর এবার তৃতীয় দফায় রাস্তায় গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, ব্যবসায়িক কোনো দ্বন্দ্বের জেরে এ হামলা চালানো হতে পারে। তবে এখনো কাউকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে গত ২৮ এপ্রিল নিউমার্কেট এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন (৫১) নামে এক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। নিহত টিটন ২০০১ সালে তৎকালীন সরকার ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন। দীর্ঘ কারাভোগের পর গত আগস্ট মাসে তিনি জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। ডিবি রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) রেজাউল করিম জানান, মামলার তদন্ত চলছে। জড়িতদের মোটামুটি শনাক্ত করা গেছে এবং দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

পুলিশ সদর দপ্তর ও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অভ্যন্তরীণ তথ্য বিশ্লেষণ করে ঢাকার অপরাধ পরিস্থিতির একটি ভয়াবহ চিত্র পাওয়া গেছে। এতে দেখা গেছে, গত ২১ মাসে ঢাকা মহানগরে অন্তত ৫৯৭টি খুনের মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ১১টি হত্যাকাণ্ড সরাসরি অপরাধ জগতের আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। একই সময়ে ৭৭৩টি ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। তবে পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে, ভুক্তভোগীদের অনেকেই আইনি জটিলতা এড়াতে মামলা করতে চান না, ফলে প্রকৃত অপরাধের সংখ্যা আরো বেশি।

অপরাধ বিশ্লেষক ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার মোফাখখারুল ইসলাম বলেন, কেবল সাধারণ সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে অপরাধী ধরা কঠিন, কারণ অপরাধ করার পর ফুটেজ দেখে লাভ কম। আমাদের প্রয়োজন ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ বা এআইচালিত ক্যামেরা নেটওয়ার্ক। এ সিস্টেমে ফেসিয়াল রিকগনাইজেশন (Facial Recognition) এবং অটোমেটিক নম্বর প্লেট রিকগনাইজেশন (ANPR) প্রযুক্তির মাধ্যমে তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী, ছিনতাইকারী বা সন্দেহভাজন গাড়ি কোনো এলাকায় প্রবেশ করা মাত্রই কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুমে স্বয়ংক্রিয় অ্যালার্ট চলে যাবে। উত্তরা বা নিউমার্কেটের মতো জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ প্রযুক্তি থাকলে অপরাধীরা গুলি চালিয়ে বা ডাকাতি করে সহজে পালিয়ে যেতে পারত না।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর পুলিশি ব্যবস্থা বড় ধরনের ধাক্কার সম্মুখীন হয়েছিল। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার চার মাস পার হলেও পুলিশ এখনো তাদের পূর্ণ কার্যক্ষমতা ফিরে পায়নি।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (৭ জুলাই)

অনলাইন ডেস্ক
একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (৭ জুলাই)
নেইমারদের বিদায়, মেসিদের পরীক্ষা

নেইমারদের বিদায়, মেসিদের পরীক্ষা

বিশ্বকাপ মানেই লাতিন আমেরিকার দুই পরাশক্তি ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনাকে ঘিরে অন্য রকম উন্মাদনা। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে...

 

তারার আলো নিভছে, জ্বলছেও

তারার আলো নিভছে, জ্বলছেও

সময় যেন এই বিশ্বকাপে এক অদ্ভুত খেলায় মেতে উঠেছে। একদিকে সে কারো কারো ক্যারিয়ারের আলো নিভিয়ে দিচ্ছে তো অন্যদিকে...

 

হলুদ সমুদ্রে নিশীথের সূর্য হালান্ড

হলুদ সমুদ্রে নিশীথের সূর্য হালান্ড

ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হতে তখন কয়েক সেকেন্ড বাকি। ডি বক্সের ঠিক বাইরে আন্দ্রেস শেলডেরাপের বাড়ানো বল ডান...

 

দেশের স্বার্থে সবাইকে দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

দেশের স্বার্থে সবাইকে দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা...

 

কর্মসংস্থান রক্ষায় বড় শিল্পগোষ্ঠীকে সহায়তা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক

কর্মসংস্থান রক্ষায় বড় শিল্পগোষ্ঠীকে সহায়তা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক

দেশের বৃহৎ শিল্প ও ব্যাবসায়িক গ্রুপগুলোর উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখতে প্রয়োজনীয় নীতিগত...

 

চীন প্রস্তাবিত করিডরে বড় বাধা মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ

চীন প্রস্তাবিত করিডরে বড় বাধা মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরে বাংলাদেশ, চীন ও মিয়ানমারকে নিয়ে একটি অর্থনৈতিক করিডর...

 

ইরানে লাখো মানুষের শোকযাত্রা

ইরানে লাখো মানুষের শোকযাত্রা

চারদিকে শুধু মানুষ আর মানুষ। এ যেন অন্তহীন এক সুবিশাল জনসমুদ্র। কেউ নীরবে কোরআন তিলাওয়াত করছে, কেউ বুক চাপড়ে মাতম...

 

টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারে পাহাড় ধসে নিহত ১০

টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারে পাহাড় ধসে নিহত ১০

প্রবল বর্ষণের জেরে পাহাড়ধসে কক্সবাজারে ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এর মধ্যে উখিয়ার তিনটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে...

 

আজতেকার গর্জনে বেলিংহামের বিস্ফোরণ

আজতেকার গর্জনে বেলিংহামের বিস্ফোরণ

বড় ম্যাচে চাপ যখন আকাশছোঁয়া, তখন কিছু খেলোয়াড় আলাদা করে জ্বলে ওঠেন, যাঁরা শুধু মাঠেই থাকেন না, ম্যাচের গতিপথই নতুন...

 

হামে আক্রান্ত শিশু কোলে মা

হামে আক্রান্ত শিশু কোলে মা

  

 

ভর্তির চার দিন পর শুরু মূল চিকিৎসা!

ভর্তির চার দিন পর শুরু মূল চিকিৎসা!

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগের স্যাম্পল কালেকশন ও রিপোর্ট ডেলিভারি বিভাগের সামনে দীর্ঘ লাইন।...

 

মুসলিম সভ্যতায় মরক্কোর অবদান

মুসলিম সভ্যতায় মরক্কোর অবদান

উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোর দাপ্তরিক নাম কিংডম অব মরক্কো। ইসলামের ইতিহাসে মরক্কো মাগরিব নামে পরিচিত। এর উত্তরে...

 

পবিত্র দুই মসজিদের প্রদর্শনীতে মসজিদে নববীর প্রাচীন ঘড়ি

পবিত্র দুই মসজিদের প্রদর্শনীতে মসজিদে নববীর প্রাচীন ঘড়ি

মক্কায় অবস্থিত পবিত্র দুই মসজিদের স্থাপত্য প্রদর্শনীতে একটি বিরল ঐতিহাসিক ঘড়ি সংরক্ষণ করা হয়েছে। ঐতিহাসিক এই...

 

ইসলামের দৃষ্টিতে উচ্চ মনের পরিচয়

ইসলামের দৃষ্টিতে উচ্চ মনের পরিচয়

পশুত্বের স্বভাবের মানুষ নানা পশুর নামেই সম্বোধিত! গাছের নামও এখানে যুক্ত হয়। যেমনঅর্জুন, বট, চুতরাপাতা, কচু,...

 

এআই ব্যবহার করে হালাল উপার্জনের কয়েকটি মাধ্যম

এআই ব্যবহার করে হালাল উপার্জনের কয়েকটি মাধ্যম

ইসলামে হালাল উপার্জনের গুরুত্ব অপরিসীম। একজন মুমিনের ইবাদত, দোয়া কবুল হওয়া এবং জীবনের বরকত অনেকাংশে তার...

 

দুর্নীতি বন্ধ করতে প্রয়োজন আত্মশুদ্ধি

দুর্নীতি বন্ধ করতে প্রয়োজন আত্মশুদ্ধি

বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো দুর্নীতি বন্ধ করার বিষয়ে সব সময়ই একমত। ক্ষমতায় থাকুক, আর বিরোধী দলেই থাকুকসবাই...

 

ছেঁড়া নোটের বিড়ম্বনা ও ‘বাংলা কিউআর’ লেনদেন

ছেঁড়া নোটের বিড়ম্বনা ও ‘বাংলা কিউআর’ লেনদেন

দৈনন্দিন জীবনে টাকার ব্যবহার অপরিহার্য। কোনো বস্তুর দাম পরিশোধের আধুনিক মাধ্যম হলো টাকা। টাকা দিয়েই...

 

ভুল করলে দুজন একসঙ্গেই করব

ভুল করলে দুজন একসঙ্গেই করব

আমি কিন্তু এখনো অভিনয়ের জন্য প্রস্তুত। এখন আমি যে অবস্থায় আছি এই ধরনের কোনো চরিত্র পেলে অবশ্যই ক্যামেরার সামনে...

 

এবার নচিকেতার সুরে রিজিয়া পারভীন

এবার নচিকেতার সুরে রিজিয়া পারভীন

নচিকেতা চক্রবর্তীর সঙ্গে আমাকে শুধু বুঝি না আমি গেয়েছিলেন রিজিয়া পারভীন। এবার পশ্চিমবাংলার এই নন্দিত...

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও অতুল খারের বৈঠক

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ভূমিকা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ভূমিকা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান
ছবি: কালের কণ্ঠ

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের জোরালো ভূমিকা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল অতুল খারে (Atul Khare)-এর এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের এস-২৭২৯ কক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশি সামরিক ও পুলিশ কন্টিনজেন্টগুলোর পরিচালনাগত সহযোগিতা, আর্থিক ক্ষতিপূরণ/প্রতিপূরণ (Reimbursement) দ্রুতকরণ, পরিবেশগত টেকসই উন্নয়ন, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ (WPS) এজেন্ডা এবং হাইতিতে বাংলাদেশের বিশেষায়িত পুলিশ কন্টিনজেন্ট মোতায়েনের প্রস্তুতিসহ দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকের শুরুতে পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পর মন্ত্রী শান্তিরক্ষা মিশনে মোতায়েনকৃত বাংলাদেশি সামরিক ও পুলিশ বাহিনীর প্রতিপূরণ (Reimbursement) সংক্রান্ত বিষয়সমূহ সহজতর করার ক্ষেত্রে ডিপার্টমেন্ট অব অপারেশনাল সাপোর্ট (DOS)-এর ধারাবাহিক ও কার্যকর সহায়তার জন্য আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনগুলোতে সৌর প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য ডিওএস-এর পরিবেশ বিভাগকেও (Environment Section) ধন্যবাদ জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা অন্যতম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা মিশনগুলোর কার্বন ফুটপ্রিন্ট (Environmental Footprint) বা পরিবেশগত ক্ষতি হ্রাস করতে গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৌর প্যানেল স্থাপন করেছে। এই খাতে বাংলাদেশের যে বিশেষায়িত অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা রয়েছে, তা ব্যবহার করে জাতিসংঘের সহযোগিতায় ভবিষ্যতে মিশন এলাকাগুলোতে আরো ব্যাপকভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সৌর প্যানেল স্থাপনে বাংলাদেশ কাজ করতে আগ্রহী।

মন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশ ‘উইমেন, পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি' (WPS) এজেন্ডা বাস্তবায়নে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি মিশন এলাকায় নারী শান্তিরক্ষীদের জন্য নিরাপদ, উপযুক্ত এবং অনুকূল কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে জাতিসংঘকে আরো বেশি পরিবেশবান্ধব ও নারী-বান্ধব অবকাঠামো নির্মাণে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রতিকূল বা শত্রুভাবাপন্ন আক্রমণাত্মক পরিস্থিতিতে শান্তিরক্ষীরা যাতে আরো দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সেজন্য তাদের পর্যাপ্ত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উন্নত প্রশিক্ষণের (Capacity Building) ওপর জোর দেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, হাইতির বর্তমান অস্থিতিশীল ও জটিল নিরাপত্তা পরিস্থিতির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ পুলিশ অত্যন্ত আধুনিক ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ৩টি বিশেষায়িত ফর্মড পুলিশ ইউনিট (Specialized FPUs) মোতায়েনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। মন্ত্রী জানান, প্রচলিত এফপিইউ-এর তুলনায় এই ইউনিটগুলো সোয়াত (SWAT), র‍্যাপিড রেসপন্স প্ল্যাটুন, বিস্ফোরক অর্ডন্যান্স নিষ্ক্রিয়করণ (EOD), ফরেনসিক ও ক্রাইম সিন ম্যানেজমেন্ট, সংগঠিত অপরাধ ও সাইবার ক্রাইম তদন্ত, নৌ-কার্যক্রম (Riverine Operations) এবং মাদকবিরোধী অভিযানে বিশেষভাবে পারদর্শী।

হাইতিতে এই বিশেষায়িত সক্ষমতার সর্বোত্তম ব্যবহারের লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর কাছে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করেন। তিনি জানান, এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য আগামী ১৫-১৭ জুলাই জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশ পুলিশের একটি ৩ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল এমওইউ (MOU) আলোচনায় অংশ নেবে। এ আলোচনা সফল করতে এবং প্রস্তাবিত সরঞ্জামসমূহ অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর পূর্ণ সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন মন্ত্রী। তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, পূর্ণাঙ্গ এফপিইউ মোতায়েনের পাশাপাশি অন্যান্য পুলিশ অবদানকারী দেশের (PCC) স্ব-নির্ভর ইউনিটের সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশের বিশেষায়িত পুলিশ টিম বা প্ল্যাটুন (Co-deploy) মোতায়েন করতেও বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।

আলোচনার শেষভাগে, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের নীল পতাকাতলে বাংলাদেশের অবিচল ও দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের পেশাদারিত্ব এবং জাতিসংঘের লজিস্টিক সাপোর্টের সমন্বয়ে বিশ্ব শান্তিরক্ষা আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল অতুল খারে শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা এবং শৃঙ্খলার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি পরিবেশ সুরক্ষায় বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকার প্রশংসা করে হাইতিতে বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিট মোতায়েনসহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উত্থাপিত প্রস্তাবসমূহ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘের অংশীদারিত্ব আরো জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সাহেদের অস্ত্র মামলায় রায় ২৮ সেপ্টেম্বর | কালের কণ্ঠ