• ই-পেপার

জবি নীল দলের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন!

প্রশাসনে বড় রদবদল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রশাসনে বড় রদবদল

প্রশাসনে গতিশীলতা আনতে যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ৯ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি করেছে সরকার। সেই সঙ্গে আরো ২ যুগ্ম-সচিবের পদে রদবদল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-২ ও প্রেষণ-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক ১১টি প্রজ্ঞাপনে তাদের বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

এর মধ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হাইড্রোকার্বন ইউনিটের মহাপরিচালক (যুগ্ম-সচিব) মো. সাবেত আলীকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম-সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে কর্মরত যুগ্ম-সচিব এস এম তুহিনুর আলমকে পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রেষণে দায়িত্ব পালন শেষে সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগদান করা যুগ্ম-সচিব মো. আবুল হোসেনকে জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমির (নাডা) এমডিএস হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত যুগ্ম-সচিব মো. অলিউর রহমানকে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) পরিচালক এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক সৈয়দ ফরহাদ হোসেনকে ‘অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম-সচিব ডি এম আতিকুর রহমানকে নবগঠিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরের’ মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তার চাকরি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো. জহিরুল ইসলাম খানকে সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক এবং রাজশাহী বিভাগের কৃষি বিপণন কার্যালয়ের উপ-পরিচালক বেগম শাহানা আখতার জাহানকে রাজশাহী ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের পরিচালক এরশাদ হোসেন খানকে ঢাকা ওয়াসার উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনগুলো দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আকস্মিক কক্সবাজার সৈকতে ৩ প্রতিমন্ত্রী, কথা বললেন পর্যটকদের সঙ্গে

অনলাইন ডেস্ক
আকস্মিক কক্সবাজার সৈকতে ৩ প্রতিমন্ত্রী, কথা বললেন পর্যটকদের সঙ্গে

আকস্মিক কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত পরিদর্শন করেছেন তিন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী। তারা পায়ে হেঁটে সৈকতে ঘুরতে আসা পর্যটকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সুবিধা-অসুবিধার কথা জানতে চান।

শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাতের নেতৃত্বে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শরিফুল আলম এবং ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখেন।

তারা হেঁটে সৈকতের কলাতলী থেকে শুরু করে সুগন্ধা পয়েন্ট ধরে লাবনী পয়েন্ট পর্যন্ত দীর্ঘ এলাকায় পর্যটকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রীরা পর্যটকদের কাছে তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা জানতে চান। বিভিন্ন স্থান থেকে আগত সর্বস্তরের পর্যটকদের নিরাপত্তা, সৈকতের পরিচ্ছন্নতা, ট্যুরিস্ট পুলিশের ভূমিকা, পরিছন্নতাকর্মীদের তৎপরতাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার খোঁজ নেন তারা।

পর্যটকরা প্রতিমন্ত্রীদের কাছে তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন এবং বিচ ম্যানেজমেন্ট ও নিরাপত্তাসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা প্রতিমন্ত্রীদের কাছে সৈকতের বর্তমান ব্যবস্থাপনা অব্যাহত রেখে আরো আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

জবাবে পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী দিনে কক্সবাজারকে পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের অন্যান্য সব পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে অত্যাধুনিক হোটেল-মোটেল স্থাপনসহ পর্যটকবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা হবে।

পর্যটক টানতে ঢাকার বাইরে হাব করবে সরকার : অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
পর্যটক টানতে ঢাকার বাইরে হাব করবে সরকার : অর্থমন্ত্রী

পর্যটক টানতে ঢাকার বাইরে একটি ‘হাব’ তৈরির কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘ঢাকার বাইরে আমরা একটা হাব করছি, যেখানে থিয়েটার থেকে শুরু করে সব ধরনের এন্টারটেইনমেন্ট থাকবে। বিকালে গেলে যাতে, পুরো সন্ধ্যাটা কাটানো যায়। 

আজ শুক্রবার বিকালে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। আগের দিন বৃহস্পতিবার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সংসদে উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু। বাজেটে সৃজনশীল অর্থনীতি উন্নয়নে প্রাথমিকভাবে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বরাদ্দ থেকে পর্যটন খাতও চাইলে অর্থ পাবে।

সৃজনশীল অর্থনীতির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর খাত থেকে আরো ৫০০ কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহ করার কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী।

বাংলাদেশে ‘ধর্মীয় পর্যটনের’ সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে ধর্মীয় পর্যটন হতে পারে। বৌদ্ধদের অনেক কিছু আছে। যারা এখানে আসবে, এগুলোকে আমরা কোনোদিন ‘রিস্টোর’ করিনি। কোনোদিন এই সাইটগুলোকে ওইভাবে ডেভেলপ করিনি। ওইখানে কোনো অবকাঠামো তৈরি করিনি। আমাদের এই তালিকার মধ্যে সেটাও আছে।’

তিনি বলেন, ‘বিদেশি পর্যটক আসে না, এর জন্য খুব বেশি চিন্তার কোনো কারণ নেই। দেশের যে পর্যটক আছে এদের যদি আমরা পরিচর্যা করতে পারি, আমাদের অর্থনীতিতে বিশাল একটা ভূমিকা রাখবে।’ 

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সৃজনশীল অর্থনীতিতে যে কাজটা আমরা করতে চাচ্ছি, ঢাকাসহ দেশের সব জায়গায় এই সুযোগগুলো তৈরির জন্য একটা বড় উদ্যোগের কাজ শুরু করেছি। ৮০০ কোটি টাকা দিয়ে আমরা শুরু করছি এই কাজটা, যেটা কোনোদিন বাংলাদেশে কেউ চিন্তাও করেনি।’ 

দেশীয় সংগীতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে আমির খসরু বলেন, ‘সুরের কোনো সীমানা নেই। আমরা সারা দুনিয়ার সব গান শুনছি না? এখন তো কোরিয়ান গান, কোরিয়ান থিয়েটার সব চলছে। আমরা এটাকে মনেটাইজ করতে পারিনি। আমাদের যে সুযোগগুলো আছে, এটাকে কাজে লাগানোর জন্য সৃজনশীল অর্থনীতিটা আমরা শুরু করেছি।’

ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল

শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা দেখতে দেশে আসছে চীনা প্রতিনিধিদল

অনলাইন ডেস্ক
শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা দেখতে দেশে আসছে চীনা প্রতিনিধিদল

দেশের উত্তরাঞ্চলে শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠার সুযোগ-সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে আগামী দুই মাসের মধ্যেই একটি চীনা প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে আসবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সম্ভাব্য বিনিয়োগ ও শিল্পায়নের মাধ্যমে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরো গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শুক্রবার (১২ জুন) ঠাকুরগাঁও জেলা শহরের শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য শিল্পায়নের কোনো বিকল্প নেই। সরকার বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন শিল্পকারখানা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে। আমরা দেশে শিল্পকারখানা তৈরি করতে চাই। ঠাকুরগাঁওসহ এ অঞ্চলে শিল্পায়নের সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, একটি জাতির উন্নয়ন কেবল বাইরের সহায়তায় সম্ভব নয়, এর জন্য প্রয়োজন নিজেদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, শিক্ষা বিস্তার এবং কঠোর পরিশ্রম। চীন নিজস্ব প্রচেষ্টা, দক্ষ জনশক্তি এবং উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আজ বিশ্বের অন্যতম অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সহযোগিতামূলক সম্পর্ক আরো জোরদার করতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করে যাবে।

তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, চলতি বছরের জুলাই অথবা আগস্ট মাসের মধ্যেই একটি চীনা প্রতিনিধিদল এখানে আসবে এবং সম্ভাব্য সহযোগিতা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রগুলো পরিদর্শন করবে।

জবি নীল দলের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন! | কালের কণ্ঠ