• ই-পেপার

করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণ

এক উচ্চতায় আড়াই মাস, উল্লম্ফন ঠেকিয়ে নিচে নামানোই দেশের বড় চ্যালেঞ্জ

নিজের মন্তব্য এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজের মন্তব্য এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার

খেলাফত মজলিশের আমির মাওলানা মামুনুল হককে নিয়ে জাতীয় সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্য খোন্দকার আবু আশফাকের দেওয়া বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে এ বিষয়ে নিজের মন্তব্যও এক্সপাঞ্জ করার কথা জানিয়েছেন স্পিকার।

রবিবার (২১ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতে এ তথ্য জানান স্পিকার।

গত বৃহস্পতিবার আলোচনায় অংশ নিয়ে ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খোন্দকার আবু আশফাক বলেছিলেন, মাওলানা মামুনুল হক অনেক বড় বড় কথা বলেন। বাজেট নিয়ে তিনি সরকারের পতন ঘটাবেন, অনেক কিছু ঘটাবেন। কিন্তু তিনি যে গাজীপুরে একটি নারীসহ ধরা পড়লেন, মুতাহ বিয়ের নামে- সেটা আসলে কী ছিল?

এক পর্যায়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, মাওলানা মামুনুল হকের এ বিষয়টি সংসদের কার্যবিবরণীতে আসার প্রয়োজন নেই। একজন রাজনৈতিক নেতার জীবনের অন্ধকার অংশ এখানে আলোচিত হোক চাই না। তা ছাড়া এ বিষয়ে এখনো তিনি তার অবস্থান পরিষ্কার করেননি।

অধিবেশনের শুরুতে স্পিকার বলেন, গত বৃহস্পতিবার ঢাকা-১ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য খোন্দকার আবু আশফাক হেফাজতে ইসলামীর নেতা মাওলানা মামুনুল হক সম্পর্কে কথিত পরকীয়া নিয়ে দুই-একটি মন্তব্য করেছেন, যা অনভিপ্রেত। যেহেতু যার সম্পর্কে বলা হয়েছে, তার সংসদে এসে আত্মপক্ষ সমর্থন করার সুযোগ নেই, তাই তার সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করা অনুচিত। এই কারণে আবু আশফাকের বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তির জীবনের অন্ধকার অধ্যায় সম্পর্কে আমি যে কথাটি বলেছিলাম, সেটিও এক্সপাঞ্জ করা হলো।

ভবিষ্যতে বাজেট বক্তব্যসহ অন্যান্য বক্তৃতায় সংসদ সদস্যদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যার পক্ষে এখানে এসে নিজেকে ডিফেন্ড করা সম্ভব নয়, তার উদ্দেশ্যে যেন কোনো বিরূপ মন্তব্য করা না হয়।

এদিকে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে কিশোরগঞ্জ-২ আসনের এমপি মো. জালাল উদ্দীন একটি বিষয় উত্থাপন করে বলেন, চলতি সংসদে গত ১৪ জুন নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল মুনতাকিম বাজেটের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে নিজেকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবি করেছেন, যা অসত্য। কারণ তার বাবা এখনো জীবিত আছেন। এই অসত্য বিবৃতিটি সংসদের কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানান তিনি।

জবাবে স্পিকার বলেন, সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য তার চেম্বারে এসে দেখা করেছেন এবং জানিয়েছেন যে, ভুলক্রমে মুখ থেকে এটি বেরিয়ে গেছে। তিনি নিজের ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করায় এটিকে অনিচ্ছাকৃত ভুল বা ‘স্লিপ অব টাং’ হিসেবে বিবেচনা করে সংসদের কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ করা হবে বলে জানান স্পিকার।

এরপর মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন অভিযোগ করেন, দুদিন আগে মুন্সিগঞ্জে গিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ওই এলাকার মানুষকে কটাক্ষ করে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের অভিযোগ এনেছেন, যা মুন্সিগঞ্জের মানুষের ঐতিহ্যের ওপর আঘাত। বিরোধীদলীয় নেতা যখন সংসদে থাকবেন, তখন এর ভিত্তি নিয়ে তিনি কথা বলবেন বলে জানান।

তবে স্পিকার এই দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেন, এটি কোনো পয়েন্ট অব অর্ডার হতে পারে না। বাংলাদেশে বাকস্বাধীনতা আছে এবং রাজনীতিবিদরা বাইরে অনেক কথাই বলে থাকেন। সংসদের বাইরের কথা সংসদের বাইরেই জবাব দেওয়া ভালো।

সরকারি চাকরিতে ৫ লাখ নিয়োগের পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক
সরকারি চাকরিতে ৫ লাখ নিয়োগের পরিকল্পনা

বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে শূন্য পদ পূরণের জন্য ইতোমধ্যে ৬ মাস, ১ বছর এবং ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। এ কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

রবিবার (২১ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১১তম দিনে চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি দপ্তরে বর্তমানে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ শূন্য রয়েছে। এসব পদে নিয়োগের জন্য সরকার ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীদের জনবলসংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত স্ট্যাটিসটিক্স অব পাবলিক সার্ভেন্টস ২০২৪ অনুযায়ী বর্তমানে সরকারি দপ্তরগুলোতে মোট শূন্য পদের সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০।

তিনি জানান, প্রথম শ্রেণিতে (১ম থেকে ৯ম গ্রেড) শূন্য পদ রয়েছে ৬৮ হাজার ৮৮৪টি। দ্বিতীয় শ্রেণিতে (১০ম থেকে ১২তম গ্রেড) শূন্য পদের সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৬টি। সবচেয়ে বেশি শূন্য পদ রয়েছে তৃতীয় শ্রেণিতে (১৩তম থেকে ১৬তম গ্রেড), যার সংখ্যা ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৯। এ ছাড়া চতুর্থ শ্রেণিতে (১৭তম থেকে ২০তম গ্রেড) শূন্য পদ রয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ২৩৫টি। অনারারি, নির্দিষ্ট বেতনভুক্ত ও চুক্তিভিত্তিক অন্যান্য ক্যাটাগরিতে আরো ৮ হাজার ৯৩৬টি পদ শূন্য রয়েছে।

মো. আব্দুল বারী বলেন, এই বিপুলসংখ্যক শূন্য পদ পূরণে সরকার ইতোমধ্যে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে আগামী ৬ মাসের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২ হাজার ৮৭৯টি শূন্য পদে নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে। এ ছাড়া আগামী এক বছরের মধ্যে ৪ হাজার ৪৫৯টি এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ৩ হাজার ১১০টি শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

তিনি আরো বলেন, ‘স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ’—এই লক্ষ্য সামনে রেখে পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের নিয়োগের সর্বশেষ অবস্থা এবং শূন্য পদে নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য পাঠানোর জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

২ এমপি ও নিজের বক্তব্যের বিতর্কিত অংশ এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার

অনলাইন ডেস্ক
২ এমপি ও নিজের বক্তব্যের বিতর্কিত অংশ এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার
সংগৃহীত ছবি

নীলফামারী-৪ আসন থেকে নির্বাচিত জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আবদুল মুনতাকিম বাজেটের ওপর আলোচনায় নিজেকে ‘শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ দাবি করার বিষয়টি সংসদের কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ (প্রত্যাহার) করার ঘোষণা দিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)। একই সঙ্গে মাওলানা মামুনুল হককে নিয়ে দেওয়া নিজের এবং অন্য এক সংসদ সদস্যের বিতর্কিত মন্তব্যও এক্সপাঞ্জ করেছেন তিনি। রবিবার (২১ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১১তম দিনে স্পিকার এ ঘোষণা দেন।

দিনের অধিবেশনের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করার পর পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়ান কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দিন।

তিনি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘গত ১৪ জুন নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল মুনতাকিম বাজেটের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে নিজেকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবি করেছেন, যা সম্পূর্ণ অসত্য। তার পিতা এখনো জীবিত আছেন। এই অসত্য বিবৃতিটি ইতোমধ্যেই সংসদীয় কার্যবিবরণীতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে। আমি এটি এক্সপাঞ্জ করার অনুরোধ করছি।’

জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, “এটি পয়েন্ট অব অর্ডার না হলেও বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট সদস্য (আবদুল মুনতাকিম) সেদিনই আমার চেম্বারে এসে জানিয়েছেন যে ভুলবশত তার মুখ থেকে এটি বেরিয়ে এসেছে। তার পিতা জীবিত আছেন এবং তিনি নিজেও তার ভুল স্বীকার করেছেন। এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল বা ‘স্লিপ অব টাং’। সুতরাং এটিকে সংসদের কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ করা হবে।”

মামুনুল হককে নিয়ে করা মন্তব্যও এক্সপাঞ্জ
এদিকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হককে নিয়ে দেওয়া নিজের একটি বক্তব্য ও ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খোন্দকার আবু আশফাকের করা মন্তব্যও এক্সপাঞ্জ করেছেন স্পিকার।

গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনাকালে ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খোন্দকার আবু আশফাক মাওলানা মামুনুল হকের ব্যক্তিগত জীবন ও কর্মকাণ্ড নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেছিলেন। সে সময় স্পিকার নিজেও মন্তব্য করেছিলেন যে, ‘একজন রাজনৈতিক নেতার জীবনের অন্ধকার অংশ এখানে আলোচিত হোক চাই না’।

রবিবার কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দিনের অনুরোধে স্পিকার এসব বক্তব্য এক্সপাঞ্জের ঘোষণা দেন।

স্পিকার বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার ঢাকা-১ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য খোন্দকার আবু আশফাক হেফাজতে ইসলামের সাবেক নেতা মাওলানা মামুনুল হক সম্পর্কে কিছু মন্তব্য করেছেন, যা অনভিপ্রেত। যার পক্ষে সংসদে এসে আত্মপক্ষ সমর্থন করার সুযোগ নেই, তার সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করা অনুচিত। তাই আবু আশফাক সাহেবের সেই বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করা হলো। একই সঙ্গে আমার দেওয়া ‘কোনো ব্যক্তির অন্ধকার জীবনের অন্ধকার অধ্যায়’ সম্পর্কিত অংশটিও এক্সপাঞ্জ করা হলো।’

সংসদ সদস্যদের সতর্ক করে স্পিকার আরো বলেন, ‘বাজেট বক্তৃতা বা অন্য যেকোনো আলোচনায় আপনারা খেয়াল রাখবেন–যার পক্ষে এখানে এসে নিজেকে ডিফেন্ড (রক্ষা) করা সম্ভব নয়, তার বিরুদ্ধে কোনো বিরূপ মন্তব্য করবেন না। আমি আশা করি, সবাই এ বিষয়ে সচেতন থাকবেন।’

২৩৮৬৫টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার : আইনমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
২৩৮৬৫টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার : আইনমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

এ পর্যন্ত রাজনৈতিক কারণে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং যেসব হয়রানিমূলক মামলা এখনো প্রত্যাহার হয়নি, সেগুলো নিয়ে কমিটি কাজ করছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। রবিবার (২১ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে আইনমন্ত্রী এ কথা জানান।

এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)। রবিবারের প্রশ্ন উত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মামলা করার সময় এজাহারে অভিযুক্তের দলীয় পরিচয় উল্লেখ থাকে না। ফলে সারা দেশে বিএনপি- জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কতগুলো হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে, তার সঠিক পরিসংখ্যান নিরূপণ করা সম্ভব নয় এবং এসংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট তথ্য সরকারের কাছে নেই।

তবে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় হতে প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক ২০০৭ সাল থেকে ১১/০১/২০২৫ পর্যন্ত বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মোট ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৩টি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হয়েছে। ফ্যাসিস্ট আমলে জামায়াতের নেতাকর্মীদের নামে কতটি মামলা দায়ের হয়েছে সে সংক্রান্ত পরিসংখ্যান সরকারের কাছে নেই।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ০৫ মার্চ, ২০২৬ তারিখে রাজনৈতিক কারণে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলাসমূহ প্রত্যাহারের সুপারিশ করার লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সভাপতিত্বে ৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে। মামলা প্রত্যাহারের আবেদনপত্র, এজাহার এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে চার্জশিটের সার্টিফাইড কপি এবং পাবলিক প্রসিকিউটরের মতামত পর্যালোচনা করে মামলাটি রাজনৈতিক হয়রানির উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়েছে, জনস্বার্থে মামলা চালানোর প্রয়োজনীয়তা নেই এবং মামলা চালালে রাষ্ট্রের ক্ষতি হবে মর্মে পরিলক্ষিত হলে উক্ত কমিটি মামলা প্রত্যাহারের জন্য সরকারের নিকট সুপারিশ করবে। জেলা কমিটির নিকট হতে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মামলা প্রত্যাহারের কার্যক্রম গ্রহণ করার জন্য সরকার ৮ মার্চ, ২০২৬ তারিখে আইন মন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে ০৬ (ছয়) সদস্য বিশিষ্ট 'কেন্দ্রীয় কমিটি' গঠন করেছে। এ পর্যন্ত রাজনৈতিক কারণে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। যেসব হয়রানিমূলক মামলা এখনো প্রত্যাহার হয়নি, সেগুলো প্রত্যাহার করার জন্য কমিটি কাজ করে যাচ্ছে।

এক উচ্চতায় আড়াই মাস, উল্লম্ফন ঠেকিয়ে নিচে নামানোই দেশের বড় চ্যালেঞ্জ | কালের কণ্ঠ