• ই-পেপার

২ এমপি ও নিজের বক্তব্যের বিতর্কিত অংশ এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার

দেশে মাছের কোনো ঘাটতি নেই : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশে মাছের কোনো ঘাটতি নেই : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

দেশে বর্তমানে মাছের চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি হওয়ায় দেশের মাছের কোনো ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। রবিবার (২১ জুন) সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সদস্য রুমিন ফারহানার তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী দেশে মাথাপিছু দৈনিক ৬০ গ্রাম মাছের চাহিদা হিসেবে বার্ষিক চাহিদা দাঁড়ায় ৩৮.০৯ লাখ মেট্রিক টন। অথচ একই সময়ে দেশে মোট মাছ উৎপাদন হয়েছে ৫১.১১ লাখ মেট্রিক টন, ফলে দেশে মাছের কোনো ঘাটতি নেই।

তিনি আরও জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট মৎস্য উৎপাদনের তুলনায় আমদানিকৃত মাছের পরিমাণ মাত্র প্রায় ১ শতাংশ। এ সময়ে বিভিন্ন প্রজাতির ৫৫ হাজার ৫৪ মেট্রিক টন মাছ আমদানি করা হয়েছে, যার মূল্য প্রায় ৪৭৫ কোটি টাকা।

মন্ত্রী বলেন, দেশে মাছের ঘাটতি নেই এবং সাধারণ ভোক্তার জন্য আমদানির প্রয়োজন হয় না। তবে বিশেষ ভোক্তা গোষ্ঠীর চাহিদা ও রুচি পূরণের জন্য সীমিত পরিসরে কিছু নির্দিষ্ট প্রজাতির মাছ আমদানি করা হয়।

তিনি জানান, আমদানিকৃত মাছের মধ্যে রয়েছে টুনা, হেরিং ফিশ, রুপচাদা, ম্যাকেরেল, ছুরি, স্ন্যাপার, কিং ফিশ, স্কুইড, অক্টোপাসসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রজাতি।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের মৎস্য খাতকে টেকসই ও উৎপাদনমুখী রাখতে সরকার অবকাঠামো উন্নয়ন, গবেষণা ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে।

সংসদ সদস্যদের মানোন্নয়ন করা দরকার : মান্না

নিজস্ব প্রতিবেদক
সংসদ সদস্যদের মানোন্নয়ন করা দরকার : মান্না
সংগৃহীত ছবি

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, সংসদের মানকে উন্নয়ন করা দরকার। সংসদ সদস্যদেরও মানোন্নয়ন করা দরকার। সংসদ হচ্ছে একটা পুরা জাতির প্রতিবিম্ব। সেই প্রতিবিম্বের মধ্যে আপনি নিজের চেহারা যদি দেখতে না পারেন, সেটা আয়না হয় কি করে?

রবিবার (২১ জুন) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) নাগরিক ঐক্য আয়োজিত ‘জনতুষ্টিমুলক বাজেটের সালতামামি’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় সংসদ সদস্যদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সংসদ সদস্যরা সংসদে দাঁড়িয়ে পর্দা চায়। কেন তারা এমন-এমন কথা বলে? যে কথাগুলো জীবনে তেমন প্রাসঙ্গিকই হয় না, সেই ধরনের কথাবার্তা বলছেন কেন? 

নাগরিক ঐক্যের এই সভাপতি বলেন, ‘প্রায় সোয়া ৯ লাখ কোটি টাকার বাজেটের মধ্যে প্রায় সাত লাখ কোটি টাকা তো আপনাকে উপার্জন করতে হবে। এর মধ্যে বড় লক্ষ্যটা দিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে। এই লক্ষ্য অর্জন করতে হলে এনবিআরে কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে হবে। কিন্তু এই বোর্ডের কোনো কাঠামো পরিবর্তন করা হয়নি, আগের মতোই আছে। গত বছরে এক লাখ কোটি টাকা ঘাটতি ছিল। তো এই বছর সেটা আদায় করতে পারবে? যদি আদায় করতে না পারে, তাহলে কী করবে? আবার ব্যাংক থেকে টাকা ধার নেবে, তাই তো?’

বাজেটকে যারা গণবিরোধী বলে, তারা কখনো জনগণের বন্ধু হতে পারে না—প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে মান্না বলেন, “আবার দেখেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘ট্যাক্স কমিয়ে দিলাম, তারপরেও বাজেটের সমালোচনা করে! এরা কি ভালো চায় দেশের?’ বাজেট একটা দিয়েছেন, সমালোচনা তো হবেই।”

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, সাবেক সচিব আবু আলম মোহাম্মদ শহীদ খান, কবি সোহরাব হাসান, লেখক আলতাফ পারভেজ প্রমুখ।

বক্তব্য এক্সপাঞ্জের দাবি সরকারি দলের

বাজেট, সীমান্ত হত্যা ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সংসদে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাজেট, সীমান্ত হত্যা ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সংসদে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়

প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী জোটের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে তার মন্তব্যকে ‘অসত্য’ আখ্যা দিয়ে তা কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ (বাদ) দেওয়ার দাবি জানায় সরকারি দল বিএনপি। এ নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে তীব্র বাক্যবিনিময় ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটে।

রবিবার (২১ জুন) ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এনসিপির সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বর্তমান সরকারের আকাঙ্ক্ষার দলিল হলেও বাস্তবতার সঙ্গে এর অনেক ব্যবধান রয়েছে। রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, রাজস্ব আদায়, বাজেট ঘাটতি এবং ব্যাংক খাত থেকে ঋণ গ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

করমুক্ত আয়সীমা সামান্য বাড়ানো এবং খাদ্য নিরাপত্তা ও বাজার ব্যবস্থাপনা নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। একই সঙ্গে সীমান্ত হত্যা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মব কালচার, ধর্ষণ ও ডাকাতির ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বক্তব্যের এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতার বিভিন্ন বক্তব্যের সমালোচনা করেন হান্নান মাসউদ। মুহূর্তেই সংসদে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সরকারি দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং হট্টগোল শুরু করেন।

এ সময় ফ্লোর নেন বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদিন ফারুক। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সংসদকে কার্যকর রাখতে সব দলের মধ্যে একটি বোঝাপড়া রয়েছে। এখানে এমন কোনো বক্তব্য দেওয়া হবে না, যা অসত্য বা কারো সম্মানহানিকর। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে দেওয়া বক্তব্যে তারা ক্ষুব্ধ বলে জানান এবং সংশ্লিষ্ট অংশ কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান।

জবাবে বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, কোনো বক্তব্যকে অসত্য দাবি করলে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো অংশটি ভুল, তা উল্লেখ করতে হবে। সংসদ নেতার সমালোচনা করার অধিকার বিরোধী দলের রয়েছে এবং গণতান্ত্রিক চর্চার স্বার্থে এ অধিকারকে সম্মান করতে হবে।

পরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, হান্নান মাসউদ তার বক্তব্যে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অসত্য তথ্য উপস্থাপন করেছেন। বিতর্কিত অংশ কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ করার জন্য স্পিকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় অধিবেশন কক্ষে হট্টগোল শুরু হলে ডেপুটি স্পিকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ বারবার কথা বলতে চাইলে তাকে উদ্দেশ করে কায়সার কামাল বলেন, আপনার সময় শেষ। দয়া করে আসনে বসুন। এটা শাহবাগ চত্বর নয়, জাতীয় সংসদ।

ডেপুটি স্পিকারের এ মন্তব্যের পর বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদের ভেতরে সংসদীয় রীতি ও শালীনতা বজায় রাখা প্রয়োজন। বাইরের রাজনৈতিক বক্তব্যের জবাব বাইরে দেওয়া উচিত এবং সংসদে সত্য-অসত্য নিয়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়ানো সবার জন্য বিব্রতকর হতে পারে। বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। কারো সম্মানহানি না করে পুরো বিতর্ক এড়িয়ে যাওয়াই উত্তম হতে পারে।

শেষে ডেপুটি স্পিকার বলেন, সংসদীয় বিধি-বিধান ও প্রচলিত রীতিনীতি অনুযায়ী বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে হান্নান মাসউদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী আজ সংসদে নেই। তিনি বিভিন্ন ভাষণে বিরোধী দল সম্পর্কে অসত্য তথ্য দিচ্ছেন। তিনি বলেছেন, ‘বিরোধী দল মদের দাম বা সিগারেটের দাম বাড়ানোর কারণে মিছিল করছে।’ এ ধরনের অসত্য তথ্য দিয়ে বক্তব্য দিলে আমরা খুবই আশাহত হই। ঋণ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী যখন বলেন, ‘আপনারা সবাই জমিদার, যারা ঋণ নেননি’, তখন তিনি মূলত ঋণখেলাপিদের উৎসাহিত করছেন। আমরা এমন সংসদ চাই না, যেখানে প্রধানমন্ত্রী অসত্য তথ্য দেন।

দেশে চলমান ‘মব কালচার’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাসসে মব সৃষ্টি করে কর্মকর্তাদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। সরকার ক্ষমতায় থেকে কেন মবের আশ্রয় নিতে হচ্ছে? নিয়োগ বাতিল করলেই তো হতো।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে হান্নান মাসউদ বলেন, একজন শিবির নেতার প্রেমঘটিত বিষয় নিয়ে সংসদে বিবৃতি দেওয়া হলেও তার নিজের আসনে মা-মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় তিনি কোনো বিবৃতি দেননি, কোনো কথাও বলেননি। গত চার মাসে ১১৮ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে এবং ১৭ জনকে হত্যা করা হয়েছে।

সীমান্ত হত্যা প্রসঙ্গে এই সংসদ সদস্য বলেন, আমরা এমন এক সংসদে আছি, যেখানে ফ্যাসিবাদকে উৎখাত করে এসেছি। কিন্তু সীমান্ত হত্যা নিয়ে যেভাবে ভারতের পক্ষে কথা বলা হচ্ছে, যেভাবে আওয়ামী লীগ সরকার ও ফ্যাসিবাদী সরকার বলত, ঠিক একইভাবে এই সংসদের বিভিন্ন মন্ত্রীরা ভারতীয় ভাষায় কথা বলছেন। ফ্যাসিবাদী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেভাবে বক্তব্য দিতেন, আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও একইভাবে বক্তব্য দিচ্ছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, সব সীমান্ত হত্যাকে হত্যা বলা যাবে না। আমরা বলছি, প্রত্যেকটি সীমান্ত হত্যাই হত্যা এবং তা আমাদের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি।

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের নকশা চূড়ান্ত : পানিসম্পদমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের নকশা চূড়ান্ত : পানিসম্পদমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় স্বার্থে এবং দেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, কৃষি, মৎস্য, পরিবেশ ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই সঙ্গে এটি বাস্তবায়নযোগ্য বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

তিনি বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণের প্রেক্ষাপটে প্রকল্পটি পূর্ণাঙ্গ যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ পরামর্শক নিয়োগের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

রবিবার (২১ জুন) সংসদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মো. নূরুল ইসলামের টেবিলে উপস্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প নতুন কোনো ধারণা নয় উল্লেখ করে পানিসম্পদমন্ত্রী জানান, ১৯৬০ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে ব্যারেজ নির্মাণের উপযুক্ত স্থান নির্ধারণে চারটি আন্তর্জাতিক সমীক্ষা পরিচালিত হয়। পরবর্তী সময়ে ২০০২ সালে ওয়াটার রিসোর্সেস প্ল্যানিং অর্গানাইজেশন (ওয়ারপো) পরিচালিত প্রাক-সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় কুষ্টিয়ার ঠাকুরবাড়ী এবং রাজবাড়ীর পাংশা এলাকাকে সম্ভাব্য স্থান হিসেবে সুপারিশ করা হয়।

প্রকল্পটির ফিজিবিলিটি স্টাডি ২০০৫ সালে অনুমোদিত হয় এবং চারটি দেশীয় ও তিনটি আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান, পাশাপাশি পাঁচটি দেশীয় সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে পরিচালিত এ সমীক্ষা ২০১৩ সালে সম্পন্ন হয় বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, সমীক্ষার সুপারিশের ভিত্তিতে প্রণীত নকশা বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক যাচাই-বাছাই করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের কারিগরি কমিটির পর্যালোচনা ও মতামতের আলোকে তা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০১১ থেকে ২০২৫ সালের স্যাটেলাইট চিত্র এবং মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রস্তাবিত এলাকায় নদীতীরের স্থিতিশীলতা রয়েছে। একই সঙ্গে চর গঠনের ফলে ব্যারাজ নির্মাণের জন্য পরিবেশগত ও প্রযুক্তিগত অবস্থান অনুকূল হয়েছে।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, পদ্মার মতো বৃহৎ নদীর গতি-প্রকৃতি পরিবর্তনশীল হওয়ায় প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় হাইড্রো-মরফোলজিক্যাল পরিবর্তন হওয়া অস্বাভাবিক নয়। এ কারণে নকশা হালনাগাদ এবং প্রয়োজনীয় অভিযোজন নিশ্চিত করতে দেশি ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। 

প্রকল্পের জটিলতা বিবেচনায় বুয়েটের একজন অবসরপ্রাপ্ত খ্যাতিমান পানি বিশেষজ্ঞের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।