• ই-পেপার

ঢাকা উত্তরে উন্নয়ন প্রকল্প, আজ একনেকে উঠতে পারে

একটি বাতি ৯৮ হাজার টাকা, খাল-নর্দমা-সড়ক ধরলেই চার কোটি!

কৃষি জমি ভরাট করা ব্যবসায়ীদের শাস্তি চাইলেন এমপি দিপু ভূঁইয়া

অনলাইন ডেস্ক
কৃষি জমি ভরাট করা ব্যবসায়ীদের শাস্তি চাইলেন এমপি দিপু ভূঁইয়া
ভিডিও থেকে নেওয়া

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিভিন্ন অসৎ কম্পানি কৃষিজমি ভরাট করেছে বলে অভিযোগ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু। এর সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবি করেন তিনি।

বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশনে অংশ নিয়ে এ দাবি তোলেন তিনি।

মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু বলেন, রূপগঞ্জে বিভিন্ন অসৎ কম্পানি বালু দিয়ে কৃষিজমি ভরাট করে ফেলছে। আমি আশা করব তাদের বিরুদ্ধে যেন শাস্তিমূলক ব্যাবস্থা নেওয়া হয়।

এসব জমি ভরাটের কারণে রূপগঞ্জের মানুষ তাদের বাড়িঘরে থাকতে পারছেন না বলেও জানান এই সংসদ সদস্য।

এ সময় তিনি গ্যাস সংকট, জলাবদ্ধতা, শিল্পাঞ্চলের পরিবেশ দূষণ এবং নারায়ণগঞ্জের প্রশাসনিক মর্যাদা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জাতীয় সংসদে তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জিডিপির ৭ দশমিক ৫ শতাংশ অবদান রাখে নারায়ণগঞ্জ। এরপরও নারায়ণগঞ্জকে 'বি' ক্যাটাগরির জেলা করে রেখেছে। আমি চাই অতিশিগগির নারায়ণগঞ্জকে 'এ' ক্যাটাগরির জেলাতে পরিণত করা হোক।

এ সময় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনকে মেট্রোপলিটন সিটি করারও দাবি জানান মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু।

উপকূলের জন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দসহ ২১ দফা প্রস্তাব বাস্তবায়নের দাবিতে স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
উপকূলের জন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দসহ ২১ দফা প্রস্তাব বাস্তবায়নের দাবিতে স্মারকলিপি
সংগৃহীত ছবি

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে উপকূলের সংকট নিরসনে বিশেষ বরাদ্দ প্রদানসহ ২১ দফা প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান করেছে গবেষণা সংস্থা ‘ড্রিম রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (ডিআরডিএফ)’ এবং নাগরিক সংগঠন ‘সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন’।

একই স্মারকলিপি পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোতে পাঠানো হয়েছে।

ডিআরডিএফ’র সভাপতি ও শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মীর মোহাম্মদ আলী এবং সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, উপকূলের সংকট মোকাবেলায় স্থানীয় জনগণ, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি, নাগরিক নেতৃবৃন্দ ও বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে উপকূলের জন্য সুনির্দ্দিষ্ট সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দসহ ২১ দফা প্রস্তাবনা প্রণয়ন করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও প্রস্তাবিত বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের প্রস্তাবসহ বেশকিছু প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, যা সংসদে বাজেট আলোচনায় স্থানীয় সংসদ সদস্যরাও বাজেট আলোচনায় তুলে ধরেছেন। বাজেট পাসের আগে উপকূলের জীবন-জীবিকা রক্ষায় ওই সকল গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবগুলো অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে স্মারকলিপিতে।

স্মারকলিপিতে উল্লিখিত ২১ দফায় বলা হয়েছে, দেশের উপকূলীয় অঞ্চলকে জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা করতে হবে। সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উপকূলীয় উন্নয়ন বোর্ড গঠন করতে হবে। পরিবেশবান্ধব ইকোনমিক জোন গঠন করতে হবে। টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ সংস্কার করতে হবে। প্রত্যন্ত উপকূলে সুপেয় পানি নিশ্চিত করতে হবে। ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো সংস্কার করে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও প্রবীণবান্ধব করে গড়ে তুলতে হবে। সুন্দরবন সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। 

এ বিষয়ে শিক্ষক ও গবেষক মীর মোহাম্মদ আলী বলেন, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অভাব ও দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে প্রত্যন্ত এলাকা উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রয়েছে। উপকূলের সংকট এখন শুধু দুর্যোগের বিষয় নয়; এটি জেলে, কৃষক, মৎস্যসম্পদ, খাদ্য নিরাপত্তা ও জাতীয় অর্থনীতির প্রশ্ন। সাগরে জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বোট রেজিস্ট্রেশন, ডিজিটাল ট্র্যাকিং, আবহাওয়া সতর্কবার্তা, উদ্ধারব্যবস্থা এবং নিষেধাজ্ঞা সময়ে যথাযথ সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি।

উপকূলের মানুষের জীবন-জীবিকা, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দসহ সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা এখন সময়ের দাবি। সরকার বাজেট পাসের আগেই এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

টিআইবি জরিপ

দুর্নীতি-ঘুসে শীর্ষে পাসপোর্ট অফিস, দ্বিতীয় বিআরটিএ

অনলাইন ডেস্ক
দুর্নীতি-ঘুসে শীর্ষে পাসপোর্ট অফিস, দ্বিতীয় বিআরটিএ
সংগৃহীত ছবি

সরকারি পর্যায়ে সেবা খাতে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত খাত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে পাসপোর্ট অফিস। পাসপোর্ট সেবায় ঘুসের শিকার হওয়া খানার হার জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৭৬ দশমিক ৬ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর ধানমণ্ডিতে টিআইবি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ‘সেবা খাতে দুর্নীতি : জাতীয় খানা জরিপ ২০২৫’-এ এ তথ্য তুলে ধরা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

প্রতিবেদনের বলা হয়, ভৌগোলিক অবস্থানভেদে এই হার গ্রামাঞ্চলে ৭৯ দশমিক ১ শতাংশ এবং শহরাঞ্চলে ৭১ দশমিক ৮ শতাংশ। পাসপোর্ট অফিসের পর অন্যান্য প্রধান সেবা খাতগুলোর ঘুসের হার যথাক্রমে—বিআরটিএ ৬৩ দশমিক ৫ শতাংশ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা ৪৯ দশমিক ৩ শতাংশ। কৃষি ৪৯ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ভূমি সেবা ৪৭ দশমিক ৬ শতাংশ।

সার্বিকভাবে দেশের ৬৩ দশমিক ৬ শতাংশ পরিবার অন্তত একটি খাতে ঘুসের শিকার হয়েছে, যার মধ্যে পাসপোর্ট খাতের চিত্রটি সবচেয়ে উদ্বেগজনক।

বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনা বিনিয়োগকারীদের যৌথ রূপকার হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বাসস
বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনা বিনিয়োগকারীদের যৌথ রূপকার হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই হোটেলে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরামে বক্তব্য দেন। ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

চীনা কম্পানিগুলোকে এশিয়ার পরবর্তী বৃহৎ অর্থনৈতিক বিস্ময় রচনায় যৌথ রূপকার হতে বাংলাদেশে তাদের মূল্যশৃঙ্খল সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই হোটেলে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরামে ব্যবসায়ী নেতা, শিল্পপতি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ আহ্বান জানান। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা চীনা কম্পানিগুলোকে তাদের মূল্যশৃঙ্খল বাংলাদেশে সম্প্রসারণের আহ্বান জানাচ্ছি। ক্রমবর্ধমান বৃহৎ অভ্যন্তরীণ বাজারের সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি আমরা চীনা কম্পানিগুলোকে বৈশ্বিক বাজারে আরো কার্যকরভাবে সেবা দিয়ে সহায়তা করতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আপনাদের এশিয়ার পরবর্তী অর্থনৈতিক বিস্ময়ের যৌথ রূপকার হওয়ার আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। এরই মধ্যে বহু চীনা বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তারা আমাদের জনগণের কর্মক্ষমতা, আমাদের সহনশীলতা এবং আমাদের বিপুল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরতে পারবেন। তারা বলতে পারবেন বাংলাদেশ ফলাফল দিতে সক্ষম।’

তারেক রহমান আরো বলেন, বাংলাদেশকে নতুন দৃষ্টিতে দেখার জন্য আরো বেশি চীনা কম্পানির দেশটিতে আসা উচিত। 

তিনি বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করে বলেন, ‘তাদের বিনিয়োগ যথাযথ মূল্যায়ন পাবে, উদ্বেগ ও প্রত্যাশার বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হবে এবং আরো গতিশীল ও সেবাকেন্দ্রিক বিনিয়োগ পরিবেশের মাধ্যমে তাদের প্রবৃদ্ধিকে সহায়তা করা হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন, এই ফোরাম থেকে আমরা একটি অভিন্ন প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাই। যেন এ অঞ্চলের সম্ভাবনাগুলোকে দীর্ঘমেয়াদি টেকসই প্রবৃদ্ধি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক সমৃদ্ধিতে রূপান্তর করা যায়।’

ভাষণের শেষে তিনি চীনা বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘বাংলাদেশে আসুন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুন। সমমর্যাদার অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে আমরা একসঙ্গে সমৃদ্ধির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করি।’