• ই-পেপার

গত ১৮ মাস যারা ক্ষমতায় ছিলেন তারাই সুইস ব্যাংকে অর্থ পাচার করেছেন : অ্যাড. মামুন মাহবুব

শিক্ষিত চোররা দেশের টাকা পাচার করে পালিয়েছে : অর্থনীতিবিদ ড. আবু আহমেদ

অনলাইন ডেস্ক
শিক্ষিত চোররা দেশের টাকা পাচার করে পালিয়েছে : অর্থনীতিবিদ ড. আবু আহমেদ
সংগৃহীত ছবি

ব্যবসার নামে শিক্ষিত চোররা দেশ থেকে টাকা পাচার করে নিয়ে পালিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদ ড. আবু আহমেদ। সম্প্রতি এক মতবিনিময় সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

অর্থনীতিবিদ ড. আবু আহমেদ বলেন, কতগুলা ব্যাংক আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি সেগুলা লুণ্ঠন হয়েছে। শিক্ষিত চোরেরা দেশের টাকা লুট করে পালিয়েছে। এখানে হয়তো আছে কেউ কেউ, কিন্তু টাকা দেশ থেকে পাচার করে ফেলেছে। 

তিনি বলেন, আপনারা যদি গরিব থাকতে চান তো কেউ তো আপনাদেরকে ধনী করতে পারবে না। এক সময় ছিল ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রণোদনা দেওয়া হতো। এক লাখ টাকা পর্যন্ত ডিভিডেন্ড ইনকাম ট্যাক্স ফ্রি ছিল, সেটা উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। এখন যারা দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগকারী তাদের কোনো সুবিধা নাই বরং উল্টা তাদের উপর কর আরোপ করা হয়।

এই অর্থনীতিবিদ বলেন, ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের নেতাদের আওয়াজ তুলতে হবে। ব্যবসা-বাণিজ্য যদি করতে হয় তাহলে এতো কর দিয়ে এই দেশে ব্যবসা হবে না। আপনি ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, লাওস, পাকিস্তান ও ভারতের ট্যাক্স রেট দেখেন এবং তাদের সঙ্গে তুলনা করেন।

তাসনিম জারা

সামনের সারির একটি আসনের বিনিময়ে নীতি বিকিয়ে দিলেন

অনলাইন ডেস্ক
সামনের সারির একটি আসনের বিনিময়ে নীতি বিকিয়ে দিলেন
তাসনিম জারা।

একটি আসনের বিনিময়ে আদর্শ বিসর্জনের অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনিসপি) সাবেক নেত্রী তাসনিম জারা। তবে তিনি কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি।

বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন অভিযোগ তোলেন তাসনিম জারা।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, সামনের সারির একটি আসনের বিনিময়ে সেই সব নীতি বিকিয়ে দিলেন যা একসময় আমাদের বিশ্বাস করতে বলেছিলেন।

তাসনিম জারা বলেন, একটি আসন যেমন এক দিনে দেওয়া যায়, তেমনই এক দিনে কেড়েও নেওয়া যায়। কিন্তু আদর্শই একমাত্র জিনিস যা কেউ দিতে পারে না। আর কেউ কেড়েও নিতে পারে না। যদি না নিজেই তা হাতছাড়া করেন।

গতকাল ১১ দলীয় জোটের সমাবেশে মঞ্চের নিজের সারিতে চেয়ারে নারীদের বসে থাকার একটি ছবি পোস্ট করেন এনসিপি নেত্রী সামান্তা শারমিন। এর পর থেকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এই ইস্যুতেই কারো নাম না উল্লেখ করে পোস্টটি দিয়েছেন তাসনিম জারা।

সর্বোচ্চ টাকা পাচারের জন্য ড. ইউনূস ডাবল নোবেলের দাবিদার : গোলাম মাওলা রনি

অনলাইন ডেস্ক
সর্বোচ্চ টাকা পাচারের জন্য ড. ইউনূস ডাবল নোবেলের দাবিদার : গোলাম মাওলা রনি
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি। ছবি : সংগৃহীত

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি বলেন, ইকোনমিতে ১৬ লাখ কোটি টাকা শেখ হাসিনার জামানায় পাচার হয়েছে—বলেছেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তাহলে ২০২৫ সালে সুইস ব্যাংকে যে অর্থপাচার হয়েছে সেজন্য ড. ইউনূস আরেকটা নোবেল পুরস্কারের দাবিদার।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে টকশোতে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সুইস ব্যাংকে ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকার যে রেকর্ড তৈরি করেছিল, ড. ইউনূসের জামানাতে মাত্র এক বছরে তার চেয়েও ৪১% বেশি হয়ে গেছে। তাহলে বুঝার চেষ্টা করুন যে শেখ হাসিনা ১৭ বছরে যে উন্নয়ন করেছেন তার চেয়ে বেশি উন্নয়ন করে এত টাকা উনি চুরি করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে একটা গণভোট হতে হবে। সেই গণভোটে ১৮ কোটি মানুষ নোবেল কমিটিকে ভোট দেবে। আমাদের এই দেশে ১৬ লাখ কোটি টাকা যদি ১৭ বছরে শেখ হাসিনা পাচার করে থাকে, তার থেকে ৪১% বেশি তাহলে অন্তত ২৫ লাখ কোটি হবে। আসলেই তিনি বিশ্ব খেলোয়াড়। বিশ্ব খেলোয়াড় ছাড়া তো সম্ভব না।’

ফেসবুকে এমপি হানজালা

চিড়িয়াখানায় আমি থাকব বাঘের সঙ্গে, রাশেদকে রাখব ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’-এর কাছে

মাদারীপুর প্রতিনিধি
চিড়িয়াখানায় আমি থাকব বাঘের সঙ্গে, রাশেদকে রাখব ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’-এর কাছে
সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা এবং বিএনপি নেতা রাশেদ খান।

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় সম্প্রতি এক সালিস-বৈঠকে বিএনপির এক কর্মীকে ধমক দেন মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা। এ আচরণের জেরে এমপি হানজালাকে চিড়িয়াখানায় রাখা হোক মন্তব্য করে ফেসবুকে পোস্ট করেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা রাশেদ খান।

এবার এই মন্তব্য প্রতিক্রিয়ায় তার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্টে রাশেদ খানকেও চিড়িয়াখানায় রাখায় রাখার দাবি জানান এমপি হানজালা।

আজ রবিবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে দেওয়া পোস্টে এমপি সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা এ কথা লেখেন। হানজালা বলেন, ‘রাশেদ খান আমাকে চিড়িয়াখানা দেখাতে নিতে চান। আমি তো যাবই, তবে থাকব বাঘের সাথে—বাঘ অন্তত নিজের পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্ত না! আর রাশেদ খানকে রেখে আসব ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের এক গরুর (মহিষ) পাশে। দেখি, দুজন মিলে কতক্ষণ গল্প করতে পারে! চিড়িয়াখানার কর্তৃপক্ষকে শুধু একটা অনুরোধ—গরুটা (মহিষ) যেন পরে নাম পরিবর্তনের আবেদন না করে।’

এর আগে শনিবার দুপুর থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সালিস-বৈঠকের এক পর্যায়ে সংসদ সদস্য হানজালা উত্তেজিত হয়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের উদ্দেশে উচ্চৈঃস্বরে কথা বলছেন।

এ সময় তাকে বলতে শোনা যায়, ‘কথা বললেন কেন? আপনারা এখানে কাউন্টার দিলেন কেন?’ এক পর্যায়ে টেবিল চাপড়ে তিনি বলেন, ‘ওই মিয়া চুপ করেন, চুপ করেন। আমি আসছি বিচার করার জন্য। কাউন্টার দিলে আমি দেব।’

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর শনিবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এমপি হানজালার সমালোচনা করে একটি পোস্ট দেন রাশেদ খান। তিনি লেখেন, ‘এমপি হানজালারে চিড়িয়াখানায় রাখা হোক, যাতে চিড়িয়াখানার কাউন্টার থেকে সবাই এই অদ্ভুত প্রাণীটাকে টিকিট কেটে দেখতে পারে।’