• ই-পেপার

করোনায় মারা গেলেন সিলেটের সাবেক মেয়র কামরান

সংসদে প্রধানমন্ত্রী

‘বে টার্মিনাল’ চালু হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে শুভসূচনা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
‘বে টার্মিনাল’ চালু হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে শুভসূচনা হবে

চট্টগ্রামে ‘বে টার্মিনাল’ চালু হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে শুভসূচনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৫ জুলাই) বিকালে সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সরওয়ার জামাল নিজামের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

সংসদ সদস্যের প্রশ্ন ছিল- বিগত সরকার ‘বে টার্মিনাল’ নামে সমুদ্রবন্দর করার নামে কোটি কোটি টাকা অপচয় করে অসমাপ্ত অবস্থায় এটা ফেলে গেছে। এই এই প্রেক্ষিতে আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চাচ্ছি, এই বে টার্মিনাল এবং চট্টগ্রাম বন্দরকে আধুনিকরণ করার জন্য বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার কি কি পদক্ষেপ নেবে?

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই প্রশ্নের ডিটেইলটা এই মুহূর্তে আমার কাছে নেই। আপনি নোটিশ দিলে আমি আপনাকে ডিটেইলটা জানাতে সক্ষম হব। তবে বে টার্মিনাল- এটার বাস্তবায়নের পরিকল্পনা আমরা নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আপনাকে আমি বলতে পারি যে, বে টার্মিনালটা চালু হলে পরে অবশ্যই এটার একটা উপকারিতা সামগ্রিকভাবে অর্থনীতি এবং দেশ পাবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বে টার্মিনাল চালু হলে বড় আকারের আমাদের মাদার ভেসেল সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে ভিরতে পারবে। এখন নাব্যতার জন্য অনেক সময় বড় জাহাজ আসতে পারে না। যখন বড় জাহাজগুলো মাদার ভেসেলগুলো আসবে এর ফলে স্বাভাবিকভাবে ট্রান্স ব্যয় বা খরচ অনেক কমে আসবে। একই সঙ্গে বড় জাহাজগুলো আসার পরে এবং বে টার্মিনাল চালু হলে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের গতি বৃদ্ধি পাবে এবং স্বাভাবিকভাবে যেহেতু ব্যবসা-বাণিজ্যে বা আমদানি রপ্তানির গতি বৃদ্ধি পাবে, এটি জাতীয় অর্থনীতিতে একটি বড় ইতিবাচক ভূমিকাও রাখবে।’

‘এখানে দুর্নীতি হলে ব্যবস্থা’

সরওয়ার জামাল নিজামের সম্পূক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাকে জানাতে চাই যে, চট্টগ্রাম বন্দরটি দেশের সম্পদ এবং এটি একটি রাষ্ট্রীয় সম্পদ, জনগণের সম্পদ। এখানে কোনো কাজ করতে গিয়ে যদি দুর্নীতি হয়ে থাকে, সেটি যখনই হয়ে থাকুক না কেন, অবশ্যই দেশের আইন অনুযায়ী যারা এর জন্য রেসপন্সিবল তাদের বিচার হবে।’

তিনি বলেন, ‘একই সঙ্গে আমাদের সরকারের প্রচেষ্টা থাকবে যেকোনো জায়গায় রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় যেন না হয় এবং একই সঙ্গে আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে যে, দুর্নীতিমুক্ত একটি পরিবেশ পর্যায়ক্রমিকভাবে গড়ে তোলা।’

চার সাংবাদিকের মুক্তি চাইল ৫ আন্তর্জাতিক সংস্থা

অনলাইন ডেস্ক
চার সাংবাদিকের মুক্তি চাইল ৫ আন্তর্জাতিক সংস্থা

সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুসহ বিচারপূর্ব আটক অবস্থায় (প্রি-ট্রায়াল ডিটেনশন) থাকা চার সাংবাদিককে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে পাঁচটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও সংবাদমাধ্যম অধিকার বিষয়ক সংস্থা।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, আর্টিকেল ১৯, সিভিকাস, কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এক যৌথ বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ২০১৩ সালের ৫-৬ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে পরিচালিত নিরাপত্তা অভিযানের সংবাদ কাভারেজের জেরে রুপা ও বাবুর বিরুদ্ধে আইসিটিতে তদন্ত চলছে। প্রসিকিউশনের অভিযোগ, তারা নিহতের সংখ্যা নিয়ে ‘বিভ্রান্তিকর তথ্য’ ছড়িয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধে ভূমিকা রেখেছেন। এই মামলায় গত ১৪ মে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগপত্র বা প্রমাণ হাজির করা হয়নি। কোনো রাজনৈতিক বা বিতর্কিত ঘটনার সংবাদ প্রচার বা সম্পাদকীয় সিদ্ধান্তকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিচার করা আইনগতভাবে ভুল। এটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী। তাঁদের দাবি গণমাধ্যমের ওপর ভীতিকর প্রভাব তৈরি হয়।

সংস্থাগুলো বলেছে, রুপা এবং বাবুর বিরুদ্ধে আইসিটিতে নেওয়া এই পদক্ষেপ নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তির (ইন্টারন্যাশনাল কোভেন্যান্ট অন সিভিল অ্যান্ড পলিটিক্যাল রাইটস) ১৫ এবং ১৯ অনুচ্ছেদের অধীনে বাংলাদেশের বাধ্যবাধকতার পরিপন্থী।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের সময় নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাংবাদিক ফারজানা রুপা, মোজাম্মেল বাবু, শাকিল আহমেদ ও শ্যামল দত্তকে ২০২৪ সালের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর থেকে বিচারপূর্ব আটকাবস্থায় রাখা হয়েছে। এসব মামলার কোনোটিতেই এখন পর্যন্ত অভিযোগপত্র দেওয়া হয়নি এবং সংবাদ প্রচারের কারণে কিভাবে হত্যার অভিযোগ আনা যায়, তার কোনো ব্যাখ্যাও নেই।

চলতি বছরের ১১ মে হাইকোর্ট রুপা ও শাকিলকে অধিকাংশ মামলায় জামিন দিলেও সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তা স্থগিত করেন। সংস্থাগুলোর মতে, হত্যা মামলাগুলোর জামিনের সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, আইসিটির এই মামলাটি সাংবাদিকদের অব্যাহতভাবে আটকে রাখার একটি পৃথক হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে।

সরকারের প্রতি সংস্থাগুলো আহ্বান জানিয়েছে, কেবল সাংবাদিকতার কারণে ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে যেন আনুষ্ঠানিক আসামি করা না হয়। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইসিটির মামলাগুলো পর্যালোচনায় একটি স্বাধীন ব্যবস্থা গঠনেরও দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সাংবাদিক ফারজানা রুপা, শাকিল আহমেদ, মোজাম্মেল বাবু এবং শ্যামল দত্তের বিরুদ্ধে আনা ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ অভিযোগ প্রত্যাহার করে তাদের মুক্তি এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে মামলা ও গণ এফআইআর দায়ের বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংস্থাগুলো উল্লেখ করেছে, সাংবাদিকদের ওপর নিপীড়ন বন্ধ করার এই পদক্ষেপগুলো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। তাই উল্লিখিত মামলাগুলো প্রত্যাহারের মাধ্যমেই সরকার এই প্রতিশ্রুতিকে বাস্তব পদক্ষেপে রূপান্তরিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে তারা।

পুলিশের ৫ কর্মকর্তাকে বদলি

অনলাইন ডেস্ক
পুলিশের ৫ কর্মকর্তাকে বদলি
সংগৃহীত ছবি

চারজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও একজন সহকারী পুলিশ সুপারকে বদলি করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অ্যাডিশনাল ডিআইজি রায়হান উদ্দিন খান সই করা এক আদেশে তাদের বদলি করা হয়।

আদেশ অনুযায়ী, পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহরাব হোসাইনকে পিরোজপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (টিআর) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও বর্তমানে মিশন শেষে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে রিপোর্ট করা মো. মাহমুদ খানকে বাগেরহাট মোড়েলগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (টিআর) ও বর্তমানে মিশন শেষে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে রিপোর্ট করা এস এম মনসুরা মূসাকে হবিগঞ্জ জেলার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (টিআর) ও বর্তমানে মিশন শেষে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে রিপোর্ট করা মো. মেহেদী হাসান শাতিলকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার তারিক লতিফকে হাইওয়ে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার করা হয়েছে।

আদেশে আরো বলা হয়, কর্মকর্তারা বদলি করা কর্মস্থল যোগদানের জন্য আগামী ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার অর্পণ করবেন। না হলে ৩০ জুলাই তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) হিসেবে গণ্য হবেন।

১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

দেশের মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ভাষা ও দক্ষতা উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।’ বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে সমাপনী বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের সেবা নিশ্চিতে সব ধরনের কার্ড আনা হবে একটি ইউনিভার্সাল কার্ডের আওতায়। পাশাপাশি ক্ষমতায় এসে বর্তমান সরকার কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফের ঘোষণা দেয়।’ এ ছাড়া জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় ফ্যাসিবাদমুক্ত সংসদে বাজেট পাস হওয়া একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। বিগত সময়ে যেসব সংস্থা বাজেটের সমালোচনা করত, তারাই এবার এই বাজেটকে জনবান্ধব বলে মন্তব্য করেছে বলেও জানান তিনি।

শিক্ষা খাতের বেহাল অবস্থার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এবার বাজেটে শিক্ষা খাতের উন্নয়নে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে, আগামীতে এই খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হবে।’

করোনায় মারা গেলেন সিলেটের সাবেক মেয়র কামরান | কালের কণ্ঠ