• ই-পেপার

নেদারল্যান্ডের নাইটহুড খেতাব পেলেন ফজলে হাসান আবেদ

ঢাকার বাতাস সহনীয়, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকার বাতাস সহনীয়, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা

বিশ্বের বিভিন্ন শহরের বায়ুদূষণ দিন দিন বাড়ছে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাও দীর্ঘদিন ধরে ছিল বায়ুদূষণের কবলে। তবে বর্ষা মৌসুমে বাতাসের মান কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) সকালে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের সবশেষ লাইভ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ৩২তম। শহরটির বায়ুমান সূচক বা একিউআই স্কোর ৬৭, যা যা ঢাকার বাতাসকে সহনীয় বা মোটামুটি ভালো বলা যায়। গতকাল শুক্রবার ঢাকার বায়ুমানের স্কোর ছিল ৮২।

এই অবস্থায় সাধারণ মানুষের জন্য বাতাস সাধারণত নিরাপদ হলেও অতি সংবেদনশীল বা শ্বাসকষ্টে ভোগা নির্দিষ্ট কিছু মানুষের জন্য সামান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকতে পারে।

আইকিউএয়ারের বৈশ্বিক তালিকায় দেখা গেছে, এই সময়ে ১৭৩ স্কোর নিয়ে বায়ু দূষণের শীর্ষে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা। তালিকায় ১৬৬ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে পাকিস্তানের লাহোর। শহর দুটির বায়ুমানের স্কোর অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

এদিকে তালিকার তৃতীয় থেকে নবম পর্যন্ত শহরের বাতাস সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর। এগুলো হলো- ভারতের দিল্লি, দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানসবার্গ, উগান্ডার কামপালা, কঙ্গোর কিনশাসা,  চীনের উহান, ইসরাইলের তেল আবিব,  চিলির শান্তিয়াগো, ইরাকের বাগদাদ।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর।

স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয় এবং ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৩০১ বা তার বেশি হলে বাতাসকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ধরা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

মেগাসিটি ঢাকা দীর্ঘদিন ধরেই বায়ু দূষণে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ শহর হিসেবে তালিকায় থেকেছে। শুষ্ক মৌসুমে ঢাকার বায়ুমান প্রায়ই ‘অস্বাস্থ্যকর’ বা ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ক্যাটাগরিতে চলে যায়। তবে বর্ষার প্রাক্কালে ও বৃষ্টিপাতের কারণে মাঝেমধ্যে বাতাসের এই মানের কিছুটা উন্নতি লক্ষ করা যায়।

বাধ্যতামূলক হচ্ছে এনআইডি নবায়ন

অনলাইন ডেস্ক
বাধ্যতামূলক হচ্ছে এনআইডি নবায়ন

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নবায়ন বাধ্যতামূলক করার কথা ভাবছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এনআইডির মেয়াদ ১৫ বছর পূর্ণ হলে অবশ্যই নবায়ন করতে হতে পারে।

ইসি সূত্রগুলো জানিয়েছে, আইন ও বিধিমালায় এনআইডি নবায়নের বিষয়টি থাকলেও তা বাধ্যতামূলক করা হয়নি। তবে বিষয়টি এখন বাধ্যতামূলক করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, ১৫ বছর দীর্ঘ সময়। এ সময়ের মধ্যে মানুষের চেহারায় অনেক পরিবর্তন আসে। অনেকে ইচ্ছাকৃত পরিবর্তন করেন। অনেকে সার্জারির মাধ্যমে জেন্ডার চেঞ্জ করেন। আবার মানুষের আঙুলের ছাপেরও পরিবর্তন আসে কোয়ালিটি কমে যাওয়ার মাধ্যমে। ব্যক্তির পরিচিতি নিশ্চিত করতে এমন ক্ষেত্রে নানা জটিলতার সৃষ্টি হয়। তাই নবায়ন বাধ্যতামূলক করার আলোচনা চলছে।

জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইন ২০১০ এর ধারা ৭(১)-এ বলা হয়েছে, এ আইনের অধীন কোনো নাগরিককে প্রদত্ত জাতীয় পরিচয়পত্রের মেয়াদ হবে, তা প্রদানের তারিখ থেকে ১৫ বছর। আইনের ২ ধারায় বলা হয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্রের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পূর্বে বা পরে নবায়নের জন্য প্রত্যেক নাগরিককে নির্ধারিত পদ্ধতি ও ফি প্রদান সাপেক্ষে কমিশনের কাছে আবেদন করতে হবে।

এদিকে জাতীয় পরিচয়পত্র বিধিমালার ৫ বিধিতে বলা হয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্র নবায়নের জন্য প্রত্যেক নাগরিক বা ক্ষেত্রমতো তার আইনানুগ অভিভাবককে ফরম-৫ অনুযায়ী সরাসরি অথবা কমিশনের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে বলে বাংলানিউজ এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করে।

সরাসরি আবেদনের ক্ষেত্রে, বিধি ৮-এর উপবিধি (২) অনুসারে ফি পরিশোধপূর্বক রসিদের কপি আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করে ‘জরুরি’ বা ‘সাধারণ’ হিসেবে দাখিল করতে হবে অথবা অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে ফি পরিশোধপূর্বক রসিদের স্ক্যানকৃত কপি ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে ‘জরুরি’ বা ‘সাধারণ’ হিসেবে দাখিল করতে হবে।

‘জরুরি’ আবেদন কমিশনে এবং ‘সাধারণ’ আবেদন স্থানীয় কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে এবং আবেদনপত্রপ্রাপ্তির পর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবেদন ফরমের অংশ ‘ক’ স্বাক্ষর করে তা আবেদনকারী বা তার আইনানুগ অভিভাবককে ফেরত দেবেন অথবা অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদনকারী বা তার আইনানুগ অভিভাবক বরাবর মোবাইল নম্বর বা ই-মেইল ঠিকানায় অংশ ‘ক’ পাঠাবেন।


বিধিমালায় জরুরি আবেদনের জন্য সাত রদিন ও সাধারণ আবেদনের জন্য ৩০ দিন সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। জরুরি আবেদনের জন্য ১৫০ টাকা এবং সাধারণ আবেদনের জন্য ১০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এনআইডির মেয়াদ ১৫ বছর হলে নবায়ন করার বিষয়ে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘এটা হচ্ছেই। কেউ চাইলে যখন-তখন নবায়ন করতে পারেন; আবেদন করে নতুন এনআইডি নিচ্ছেন হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হয়ে গেলে।’

সাধারণত মানুষ এনআইডি নষ্ট বা পুরনো হয়ে গেলে নিজ থেকেই নতুন এনআইডির জন্য আবেদন করেন। এ ক্ষেত্রে ফি কিছুটা বেশি। প্রথমবার আবেদনের ক্ষেত্রে সাধারণ হলে ২০০ টাকা, জরুরি হলে ৩০০ টাকা; ‍দ্বিতীয়বার আবেদন করলে সাধারণ ৩০০ টাকা ও জরুরি ৫০০ টাকার আর পরবর্তী যেকোনোবার সাধারণ আবেদনের জন্য ৫০০ টাকা এবং জরুরি হলে ১০০০ টাকা ফি নির্ধারিত রয়েছে।

এ বিষয়ে এনআইডি মহাপরিচালক এ এইচ এম আনোয়ার পাশা বলেন, এখনো বিষয়টি পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে। দেখা যাক কী হয়।

ব্যক্তি পর্যায়ে ঋণের মেয়াদ বেড়ে হলো ৮ বছর

অনলাইন ডেস্ক
ব্যক্তি পর্যায়ে ঋণের মেয়াদ বেড়ে হলো ৮ বছর

খুচরা ঋণ বৃদ্ধি এবং সাধারণ গ্রাহকদের ঋণপ্রাপ্তি সহজ করার জন্য ব্যক্তিগত ঋণের সর্বোচ্চ পরিশোধের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে আট বছর করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ভোক্তা ঋণ বাড়ার ক্ষেত্রে বহাল থাকা একটি বড় ধরনের বিধিনিষেধও প্রত্যাহার করা হয়েছে। সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) কাছে এই সংক্রান্ত একটি সার্কুলার পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সংশোধিত নীতিমালার আওতায় ব্যাংকগুলো এখন থেকে তাদের সামগ্রিক ঋণ প্রবৃদ্ধির হারের চেয়ে বেশি হারে ভোক্তা ঋণের পোর্টফোলিও বাড়াতে পারবে। এর আগে, ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হারের চেয়ে ভোক্তা ঋণের প্রবৃদ্ধি বেশি হওয়ার অনুমতি ছিল না।

ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, ঋণ পরিশোধের মেয়াদ বাড়ার ফলে গ্রাহকদের মাসিক কিস্তির (ইএমআই) পরিমাণ কমবে। এতে সাধারণ ঋণগ্রহীতাদের জন্য ব্যক্তিগত ঋণ নেওয়া আরও সহজসাধ্য হবে। তবে তারা একই সঙ্গে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ঋণের মেয়াদ বাড়ানোর এ উদ্যোগটি যদি সঠিকভাবে পরিচালনা করা না হয়, তবে ব্যাংকগুলোর ঋণঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

প্রবৃদ্ধির এ সর্বোচ্চ সীমা বা ক্যাপ তুলে নেওয়ার ফলে ব্যাংকগুলো তাদের ভোক্তা ঋণ ব্যবসা সম্প্রসারণে উৎসাহিত হবে এবং ব্যক্তিগত ও খুচরা ঋণের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে বিদ্যুৎচালিত গাড়ি কেনা উৎসাহিত করতে ৫ মে বিদ্যুৎচালিত ও হাইব্রিড গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে ব্যক্তির ঋণ সীমা বাড়িয়ে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। সেমময় বিদ্যুৎচালিত ও হাইব্রিড যানবাহন ক্রয়ে ২০ লাখ টাকা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৮০ লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। এ খাতে ঋণ-বিনিয়োগ অনুপাত করা হয় ৮০:২০ শতাংশ। আগে যা ছিল ৬০:৪০ শতাংশ।

রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ১০.৭ শতাংশে নিতে চায় এনবিআর

বাসস
রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ১০.৭ শতাংশে নিতে চায় এনবিআর

দেশের রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ১০.৭ শতাংশে উন্নীত করার প্রত্যাশা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সরকারের ‘মধ্যমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি বিবৃতি ২০২৬-২৭ থেকে ২০২৮-২৯’ শীর্ষক অর্থনৈতিক পর্যালোচনায় এ প্রক্ষেপণ ও আশাবাদের কথা তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনের পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গতিশীলতা ধরে রাখতে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ ও জরুরি পূর্বশর্ত। এই লক্ষ্য অর্জনে আগামী কয়েক বছরে রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি পাবে।

অর্থনৈতিক নীতি বিবৃতিতে দেখা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট রাজস্ব জিডিপির ৮.৩ শতাংশ থাকলেও সদ্য সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা কিছুটা কমে ৮ শতাংশে নেমে এসেছে। সমপর্যায়ের অন্যান্য অর্থনীতির তুলনায় বাংলাদেশের রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত এখনও নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। কর আহরণে কাঠামোগত দুর্বলতা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর অব্যাহতি এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে আমদানি-সংশ্লিষ্ট রাজস্ব প্রাপ্তি কমে যাওয়াকে এই সাময়িক হ্রাসের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

তবে মধ্যমেয়াদে এ পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে বলে সরকারি প্রক্ষেপণে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, সামগ্রিক রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১০.২ শতাংশ, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ১০.৫ শতাংশ এবং ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ১০.৭ শতাংশে উন্নীত হতে পারে।

একইসঙ্গ এনবিআর-এর নিজস্ব কর রাজস্ব আহরণ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপির ৬.৭ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৮.৮ শতাংশ, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ৯.১ শতাংশ এবং ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ৯.৩ শতাংশে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

অন্যদিকে এনবিআর-বহির্ভূত কর রাজস্ব জিডিপির প্রায় শূন্য দশমিক ৩ থেকে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশের মধ্যে সীমিত থাকবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

এর আগে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে মধ্যমেয়াদে দেশের কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে এবং দীর্ঘমেয়াদে ২০৩৫ সালের মধ্যে তা ১৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়া।

বাজেট বক্তৃতায় মন্ত্রী একটি ন্যায্য, প্রযুক্তিনির্ভর, সর্বজনীন ও পূর্বানুমানযোগ্য রাজস্ব কাঠামো গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির পাশাপাশি বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান, ভোগ এবং কর আদায়ের চক্রকে আরও গতিশীল করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এজন্য কর ব্যবস্থার পূর্ণ ডিজিটালাইজেশন এবং করদাতাদের আস্থা পুনর্গঠনের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও স্বচ্ছ রাজস্ব প্রশাসন গড়ে তোলার ঘোষণা দেন তিনি।

মধ্যমেয়াদি নীতি বিবৃতি প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, দেশের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, মূল্যের স্থিতিশীলতা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক সহনশীলতা বজায় রাখতে উপযুক্ত মাত্রার সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অব্যাহত রাখার পাশাপাশি লক্ষ্যভিত্তিক সরবরাহ ব্যবস্থা সংক্রান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ এই মুহূর্তে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।

অর্থ বিভাগের এই মধ্যমেয়াদি বিশ্লেষণে সামগ্রিক রাজস্ব খাতের সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি জানানো হয়েছে, মোট রাজস্বের হিসাবের মধ্যে আন্তর্জাতিক অনুদানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নেদারল্যান্ডের নাইটহুড খেতাব পেলেন ফজলে হাসান আবেদ | কালের কণ্ঠ