চট্টগ্রামে ‘বে টার্মিনাল’ চালু হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে শুভসূচনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৫ জুলাই) বিকালে সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সরওয়ার জামাল নিজামের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
সংসদ সদস্যের প্রশ্ন ছিল- বিগত সরকার ‘বে টার্মিনাল’ নামে সমুদ্রবন্দর করার নামে কোটি কোটি টাকা অপচয় করে অসমাপ্ত অবস্থায় এটা ফেলে গেছে। এই এই প্রেক্ষিতে আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চাচ্ছি, এই বে টার্মিনাল এবং চট্টগ্রাম বন্দরকে আধুনিকরণ করার জন্য বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার কি কি পদক্ষেপ নেবে?
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই প্রশ্নের ডিটেইলটা এই মুহূর্তে আমার কাছে নেই। আপনি নোটিশ দিলে আমি আপনাকে ডিটেইলটা জানাতে সক্ষম হব। তবে বে টার্মিনাল- এটার বাস্তবায়নের পরিকল্পনা আমরা নিয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘আপনাকে আমি বলতে পারি যে, বে টার্মিনালটা চালু হলে পরে অবশ্যই এটার একটা উপকারিতা সামগ্রিকভাবে অর্থনীতি এবং দেশ পাবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বে টার্মিনাল চালু হলে বড় আকারের আমাদের মাদার ভেসেল সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে ভিরতে পারবে। এখন নাব্যতার জন্য অনেক সময় বড় জাহাজ আসতে পারে না। যখন বড় জাহাজগুলো মাদার ভেসেলগুলো আসবে এর ফলে স্বাভাবিকভাবে ট্রান্স ব্যয় বা খরচ অনেক কমে আসবে। একই সঙ্গে বড় জাহাজগুলো আসার পরে এবং বে টার্মিনাল চালু হলে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের গতি বৃদ্ধি পাবে এবং স্বাভাবিকভাবে যেহেতু ব্যবসা-বাণিজ্যে বা আমদানি রপ্তানির গতি বৃদ্ধি পাবে, এটি জাতীয় অর্থনীতিতে একটি বড় ইতিবাচক ভূমিকাও রাখবে।’
‘এখানে দুর্নীতি হলে ব্যবস্থা’
সরওয়ার জামাল নিজামের সম্পূক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাকে জানাতে চাই যে, চট্টগ্রাম বন্দরটি দেশের সম্পদ এবং এটি একটি রাষ্ট্রীয় সম্পদ, জনগণের সম্পদ। এখানে কোনো কাজ করতে গিয়ে যদি দুর্নীতি হয়ে থাকে, সেটি যখনই হয়ে থাকুক না কেন, অবশ্যই দেশের আইন অনুযায়ী যারা এর জন্য রেসপন্সিবল তাদের বিচার হবে।’
তিনি বলেন, ‘একই সঙ্গে আমাদের সরকারের প্রচেষ্টা থাকবে যেকোনো জায়গায় রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় যেন না হয় এবং একই সঙ্গে আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে যে, দুর্নীতিমুক্ত একটি পরিবেশ পর্যায়ক্রমিকভাবে গড়ে তোলা।’







