kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

রুশ প্রেসিডেন্টের বন্ধুদের আজব ভিলা, ঢোকা যায় না, উড়তে পারে না ড্রোন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ মে, ২০১৯ ২১:৪৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রুশ প্রেসিডেন্টের বন্ধুদের আজব ভিলা, ঢোকা যায় না, উড়তে পারে না ড্রোন

মস্কোর পশ্চিমের গুর্কি-১০ নামক অঞ্চলে ছয় হেক্টর জমির উপর নির্মাণ করা তিনটি রহস্যময় বাড়ির সন্ধান পেয়েছেন রাশিয়ার অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা। গাছ রোপন করে ঘরগুলোকে ঢেকে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে দেখা না যায়। বড়ির পাশেই রয়েছে একটি হেলিপ্যাড। বলা হচ্ছে, এই বাড়িগুলোর অনুমানিক মূল্য হবে প্রায় তিন কোটি ৬০ লাখ ডলার। 

তিনটির বাড়ির মধ্যে প্রথমটির আয়তন হবে দুই হাজার দু’শ স্কয়ার মিটার। আর দ্বিতীয় বাড়িটির আয়তন হবে এক হাজার দু’শ স্কয়ার মিটার। তবে তৃতীয়টির আয়তন এখনো জানা যায়নি। এই বাড়িগুলোর সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য খরচ করা হয়েছে ১১ দশমিক চার মিলিয়ন ডলার।

অন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, মস্কোর পশ্চিম শহরতলীতে থাকা এই তিনটি অট্টালিকায় যাতায়াত করেন মিখাইল কোভালচুক ও গেনডি টিমচেঙ্কোর নামের ভ্লাদিমির পুতিনের দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। রাশিয়ার ফেডারেল প্রোটেক্টিভ সার্ভিস (এফএসও) এই অট্টালিকাটির চারপাশে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে রাখে সব সময়। ওই বাসায় যে কেউ প্রবেশ করতে পারেন না।

ওই বাড়িগুলো আগে সরকারি মালিকানাধীন ছিলো। কিন্তু ২০০১ সালের পরে মিখাইল কোভালচুক ওই বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। দশ বছর পরে কোভালচুক ওই বাড়িগুলো অ্যাপেক্স ও টারটেক্স নামক দুইটি প্রতিষ্টানের কাছে হস্তান্তর করেন। বলা হয় প্রতিষ্টান দু’টির সাথে মিখাইল কোভালচুক ও গেনডি টিমচেঙ্কোর গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

রাশিয়ার ফেডারেল বিমান পরিবহন সংস্থার ভাষ্য, ওই বাড়িগুলোতে নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত রয়েছে ফেডারেল প্রোটেক্টিভ সার্ভিস (এফএসও)। এই তিনটি বাড়ির সাথে একটি নিরাপদ যোগাযোগ লাইনের সংযোগ রয়েছে। তবে কোথায় এই লাইনটির সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে তা কেউ জানেন না। আবার এই বাড়িগুলোর উপর দিয়ে কোনো ধরনের ড্রোন উড়তে পারে না। সেই জন্য সেখানে বিশেষ ধরনের ব্যবস্থা চালু করে রাখা হয়েছে। 

অঞ্চলটির স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, এই নিষিদ্ধ বাড়িগুলোতে প্রেসিডেন্ট পুতিন বসবাস করেন। তবে অন্যান্য সূত্র বলছে, এই এলাকায় কোনো দিনই পুতিনের গাড়ি বহর আসতে দেখা যায়নি। কিন্তু মাত্র একবারই একটি হেলিকপ্টার ওই বাড়ির হেলিপ্যাডে অবতরণ করতে দেখেন।

রাশিয়ার ফেডারেল প্রোটেক্টিভ সার্ভিস (এফএসও) ওই বাড়িগুলো নিয়ে সাংবাদিকদের করা কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়নি।  

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা