kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ মে ২০১৯। ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৮ রমজান ১৪৪০

নির্ধারিত সময়ের আগেই মহেশখালীতে পৌঁছেছে ‘সামিট এলএনজি’

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ এপ্রিল, ২০১৯ ১৮:০১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নির্ধারিত সময়ের আগেই মহেশখালীতে পৌঁছেছে ‘সামিট এলএনজি’

সামিটের ১,৩৮,০০০ ঘনমিটার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটে (এফএসআরইউ) মহেশখালিতে পৌঁছেছে।

এফএসআরইউ ‘সামিট এলএনজি’ বঙ্গোপসাগরের অনুমোদিত স্থানাঙ্কে নির্ধারিত সময়ের আগেই পৌঁছেছে। এফএসআরইউটি এখন কক্সবাজারের মহেশখালী উপকূল থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে নঙ্গর অবস্থায় আছে। সামিট যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিলারেট এনার্জি থেকে এফএসআরইউটি ১৫ বছরের জন্য টাইম চার্টারড চুক্তি করেছে এবং এটি এখন কাতার থেকে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) বহন করে আনলো।

এফএসআরইউটি পুনরায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসে রূপান্তরিত (আরএলএনজি) করবার মাধ্যমে সমুদ্রের তলদেশের পাইপলাইনের দ্বারা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবে। সামিট এলএনজি দৈনিক ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি পুনরায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসে রূপান্তরিত করতে সক্ষম।

সামিট গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান বলেন, সামিট বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানির যথাযথ সক্ষমতা অর্জনে সরকারের সাহসী নেতৃত্বের অধীনে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা উন্নত দেশে উত্তরণের জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সবচেয়ে সাশ্রয়ী, কার্যকরি এবং টেকসই জ্বালানি সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করছি। সামিট এক্ষেত্রে, সাশ্রয়ী পরিবাশবান্ধব সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানি লিমিটেড সম্পর্কে বিস্তারিত:

সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানি সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এবং সামিট-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়ামের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। ২০১৮ সালের আগস্টে সামিট এলএনজিতে জাপানের সুখ্যাত মিতসুবিশি ২৫ শতাংশ বিনিয়োগ করে এবং প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা পরিষদে প্রতিনিধিত্ব করছেন। সামিট এলএনজি ২০১৭ সালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা থেকে ভাসমান সংরক্ষণাগার ও পুনরায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসে রূপান্তরিত করার জন্য একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের অনুমোদন পায়।

প্রকল্পটি বাংলাদেশে ২০২০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও গ্যাস সরবরাহে সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের বাস্তবায়ন। সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানি, (ফ্রান্সের) জিওসান এসএএস এবং (নরওয়ের) ম্যাকগ্রেগরকে এই ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) বাস্তবায়নে টার্নকি চুক্তিতে কাজ দিয়েছিল এবং কক্সবাজারের মহেশখালিতে (সিংগাপুরের) পিএসএ মেরিনকে প্রয়োজনীয় মেরিন সেবার কাজ দেয়।

মন্তব্য