• ই-পেপার

লবণ দিয়ে আর কি করা যায়?

বর্ষায় স্বস্তিতে চলাফেরার জন্য ব্যাগে রাখুন এসব প্রয়োজনীয় জিনিস

অনলাইন ডেস্ক
বর্ষায় স্বস্তিতে চলাফেরার জন্য ব্যাগে রাখুন এসব প্রয়োজনীয় জিনিস
ছবি : এআই জেনারেটেড

বর্ষা মানেই একদিকে বৃষ্টির আনন্দ, অন্যদিকে হঠাৎ ভিজে যাওয়া, কাদামাটি, যানজট ও নানা ধরনের বিড়ম্বনা। সকালে রোদ থাকলেও বিকেলে যে বৃষ্টি নামবে না, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই এই মৌসুমে ঘর থেকে বের হওয়ার আগে ব্যাগে কয়েকটি প্রয়োজনীয় জিনিস গুছিয়ে রাখলে অনেক সমস্যাই সহজে মোকাবিলা করা যায়।

ছাতা বা রেইনকোট রাখুন সঙ্গে

বর্ষার সবচেয়ে প্রয়োজনীয় জিনিস হলো একটি ছোট ভাঁজ করা ছাতা। এটি সহজেই ব্যাগে রাখা যায় এবং হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার ঝুঁকি কমায়। যারা মোটরসাইকেল, স্কুটি বা সাইকেলে চলাচল করেন, তাদের জন্য হালকা রেইনকোটও খুবই প্রয়োজনীয়।

ওয়াটারপ্রুফ পাউচে রাখুন গুরুত্বপূর্ণ জিনিস

বৃষ্টির পানিতে মোবাইল ফোন, টাকা, এটিএম কার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র, অফিসের কাগজপত্র বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই একটি ওয়াটারপ্রুফ পাউচ বা জিপলক ব্যাগে এসব জিনিস আলাদা করে রাখলে নিরাপদ থাকবে।

ফোন সচল রাখতে পাওয়ার ব্যাংক

বর্ষাকালে যানজট বা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে দীর্ঘ সময় বাইরে থাকতে হতে পারে। জরুরি প্রয়োজনে ফোনের চার্জ শেষ হয়ে গেলে সমস্যায় পড়তে হয়। তাই ব্যাগে একটি পাওয়ার ব্যাংক রাখা ভালো।

টিস্যু ও ছোট তোয়ালে রাখুন

বৃষ্টির পানি, কাদা বা ঘাম মুছে ফেলতে টিস্যু খুবই প্রয়োজনীয়। পাশাপাশি একটি ছোট তোয়ালে বা মাইক্রোফাইবার রুমাল থাকলে মাথা কিংবা হাত দ্রুত শুকিয়ে নেওয়া যায়, যা ঠান্ডা লাগার ঝুঁকিও কিছুটা কমায়।

হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন

বর্ষায় আর্দ্রতার কারণে জীবাণুর সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বাইরে হাত ধোয়ার সুযোগ না থাকলে ছোট একটি হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে। বিশেষ করে খাবার খাওয়ার আগে এটি ব্যবহার করা স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সহায়ক।

ফোনের জন্য ওয়াটারপ্রুফ কভার

বর্তমানে মোবাইল ফোন দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সামান্য বৃষ্টির পানিতেও ফোন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই একটি ওয়াটারপ্রুফ ফোন কভার বা পাউচ ব্যবহার করলে ফোন নিরাপদ থাকবে।

ছোট পারফিউম বা বডি স্প্রে

বর্ষার স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় ঘাম ও ভেজা কাপড়ের কারণে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। ব্যাগে ছোট একটি পারফিউম বা বডি স্প্রে থাকলে দীর্ঘ সময় বাইরে থাকার পরও সতেজ অনুভব করা যায়।

বাড়তি পলিব্যাগ রাখুন

ভেজা ছাতা, রেইনকোট বা ভেজা কাপড় ব্যাগের অন্য জিনিসের সঙ্গে রাখলে সবকিছু ভিজে যেতে পারে। তাই কয়েকটি ছোট পলিব্যাগ সঙ্গে রাখলে ভেজা জিনিস আলাদা করে রাখা সহজ হয়।

বর্ষায় প্রস্তুত থাকুন

বর্ষার প্রস্তুতি শুধু বৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য নয়, বরং সারাদিন আরামদায়ক ও ঝামেলামুক্ত থাকার জন্যও জরুরি। ব্যাগে কয়েকটি প্রয়োজনীয় জিনিস গুছিয়ে রাখলে হঠাৎ বৃষ্টি, কাদা কিংবা ভেজা আবহাওয়াতেও নিশ্চিন্তে চলাফেরা করা সম্ভব।

প্রাক্তনকে কেন সহজে ভুলতে পারে না মানুষ?

জীবনযাপন ডেস্ক
প্রাক্তনকে কেন সহজে ভুলতে পারে না মানুষ?
ছবি : কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

ভালোবাসা কখনো সত্যিই ‘শেষ’ হয় কি? সম্পর্কটা ভেঙে যাওয়ার অনেক দিন পরও কোনো পুরনো গান, কোনো ভেজা বিকেলের আলো, কিংবা হঠাৎ চেনা কোনো রাস্তা—সব যেন আবার সেই মানুষটাকে ফিরিয়ে আনে। তখন মনে হয়, মানুষ কি সত্যিই প্রাক্তনকে ভুলতে পারে?

মনোবিজ্ঞানীরা বলেন—না, সহজে পারে না। কারণ কিছু মানুষ শুধু সম্পর্ক হয়ে আসে না, তারা আমাদের ভেতরের একটা অংশ হয়ে যায়।

গভীর আবেগের বন্ধন তৈরি হয় কিভাবে?

বিখ্যাত মনোবিজ্ঞানী জন বোলবির অ্যাটাচমেন্ট থিওরি অনুযায়ী, মানুষের সম্পর্ক শুধু আবেগ নয়—এটা এক ধরনের আবেগিক নিরাপত্তাব্যবস্থা

আমরা যাকে ভালোবাসি, ধীরে ধীরে তাকে শুধু একজন মানুষ হিসেবে দেখি না—সে হয়ে ওঠে ভরসা, অভ্যাস, আশ্রয়।

তাই বিচ্ছেদ মানে শুধু আলাদা হওয়া নয়—এটা এক ধরনের মানসিক শূন্যতা, যেটা একদিনে পূরণ হয় না।

স্মৃতি কেন শুধু ভালো দিকটাই বেশি মনে করায়?

মানুষের মন একটা অদ্ভুত জায়গা—এটা কষ্ট ভুলে গিয়ে সুখের টুকরোগুলো বেশি যত্নে রাখে।

তাই বিচ্ছেদের পর যখন মন একা হয়, তখন খারাপ স্মৃতি নয়—বরং সুখের মুহূর্তগুলো যেন বেশি মনে পড়ে।

আর তখনই জন্ম নেয় সেই নীরব প্রশ্ন—
‘সব কি সত্যিই শেষ হয়ে গিয়েছিল?’

এই ধরনের চিন্তা মানুষকে বারবার অতীতের দিকে টেনে নিয়ে যায়।

অপূর্ণ সম্পর্ক কেন বেশি কষ্ট দেয়?

সব সম্পর্ক পরিষ্কারভাবে শেষ হয় না। অনেক সময় কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই সম্পর্ক ভেঙে যায়। তখন থেকে যায় না বলা কথা, অমীমাংসিত প্রশ্ন এবং আবেগের অপূর্ণতা।

এই বিষয়টি স্মৃতিকে আরো শক্ত করে ধরে রাখে, কারণ মন বারবার সেই গল্পের ‘শেষ অধ্যায়’ খুঁজে বেড়ায়। মনোবিজ্ঞানে এটাকে বলা হয় অপূর্ণতার মানসিক ফাঁক—যেখানে শেষ না হওয়া গল্প মানসিকভাবে আটকে থাকে।

আমরা মানুষটাকে নয়, অনুভূতিটাকে মিস করি

প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে গেলে আমরা সবসময় মানুষটাকে মিস করি না—অনেক সময় আমরা মিস করি তার দেওয়া অনুভূতিগুলোকে। যেমন—যত্ন, নিরাপত্তা, মনোযোগ, এবং মানসিক সঙ্গ।

এই অনুভূতিগুলো হারিয়ে গেলে মনে হয় প্রাক্তনকে ছাড়া থাকা কঠিন, যদিও আসলে অভাবটা হয় সেই আবেগিক সহায়তার।

ভালোবাসা ধীরে ধীরে বদলায়, এক মুহূর্তে শেষ হয় না

প্রেম কোনো সুইচ নয় যে অন-অফ করে দেওয়া যায়। সম্পর্ক শেষ হলেও আবেগ একসঙ্গে বন্ধ হয়ে যায় না। সময় লাগে মানিয়ে নিতে, অভ্যস্ত হতে, এবং নতুন বাস্তবতা মেনে নিতে।

এই ধীর পরিবর্তনই অনেক সময় প্রাক্তনকে ভুলতে না পারার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

মস্তিষ্ক ও আবেগ নিয়ে আধুনিক ব্যাখ্যা

আধুনিক মনোবিজ্ঞানী কার্লা ম্যারি ম্যানলি বলেন, প্রেমের সম্পর্ক শুধু আবেগ নয়—এটা এক ধরনের স্নায়বিক বন্ধন।

দুজন মানুষ যখন একসাথে সময় কাটায়, শারীরিক ঘনিষ্ঠতা ও মানসিক নির্ভরতা তৈরি হয়—তখন মস্তিষ্ক তাদের ‘একসাথে থাকা নিরাপদ’ হিসেবে শিখে নেয়।

এই শেখা অভ্যাস ভাঙা কঠিন—তাই বিচ্ছেদের পরও মন সেই পুরনো নিরাপত্তার দিকে ফিরে যেতে চায়।

সময় কী সত্যিই সব ভুলিয়ে দেয়?

সময় আসলে সব স্মৃতি মুছে দেয় না। বরং সময় মানুষকে কষ্টের সঙ্গে মানিয়ে নিতে শেখায়। একসময় যে স্মৃতি কষ্ট দিত, সেটাই পরে হয়ে যায় জীবনের একটি অধ্যায়—যেটা আর ব্যথা দেয় না, শুধু অভিজ্ঞতা হয়ে থাকে।

শেষকথা

প্রাক্তনকে ভুলতে না পারা কোনো দুর্বলতা নয়।

এটা শুধু প্রমাণ করে—একসময় কেউ তোমার জীবনে এত গভীরভাবে ছিল যে, সে শুধু গল্প হয়ে যায়নি, তোমার ভেতরে থেকে গেছে।

কারণ কিছু সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়,
কিন্তু কিছু মানুষ—
শেষ হওয়ার পরও গল্পের ভেতর বেঁচে থাকে।

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কেন রাখবেন ভিটামিন বি-৩?

জীবনযাপন ডেস্ক
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কেন রাখবেন ভিটামিন বি-৩?
সংগৃহীত ছবি

সুস্থ, সবল ও সতেজ শরীরের জন্য যেসব ভিটামিন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তার মধ্যে ভিটামিন বি৩ (যা ‘নায়াসিন’ নামেও পরিচিত) অন্যতম। এটি একটি পানিতে-দ্রবণীয় ভিটামিন। অর্থাৎ, এই ভিটামিনটি আমাদের শরীর নিজে থেকে জমিয়ে রাখতে পারে না; অতিরিক্ত অংশ প্রস্রাবের সাথে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। তাই শরীরকে সচল রাখতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন বি৩ সমৃদ্ধ খাবার রাখা অত্যন্ত জরুরি।

শরীরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজ পরিচালনা করতে এই ভিটামিনটির প্রয়োজন হয়। যেমন : 
শক্তি উৎপাদন : আমরা প্রতিদিন যে খাবার খাই, সেই খাবারকে ভেঙে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তিতে রূপান্তর করতে প্রধান ভূমিকা নেয় ভিটামিন বি৩।
হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা : এটি রক্তে ‘ভালো’ কোলেস্টেরল বাড়াতে এবং ‘খারাপ’ কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।
মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা : স্নায়ুতন্ত্রকে সচল ও সুস্থ রাখতে এই ভিটামিন অপরিহার্য। এটি মানসিক অবসাদ দূর করে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও কাজ করে।
ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি : ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে বাঁচাতে এবং ত্বকের ডিএনএ মেরামতে নিয়াসিন দারুণ কাজ করে। শরীরে এর চরম ঘাটতি হলে ‘পেলাগ্রা’ নামক মারাত্মক চর্মরোগ হতে পারে।

ভিটামিন বি৩-এর উৎসগুলোকে প্রধানত দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়— প্রাণিজ এবং উদ্ভিজ্জ।
প্রাণিজ উৎস : মুরগির মাংস ও কলিজা, রুই, কাতলা, ইলিশ, মাগুর ও ভেটকি মাছ, ডিম।
উদ্ভিজ্জ উৎস : চিনাবাদাম ও সূর্যমুখীর বীজ, মাশরুম ও সবুজ মটরশুঁটি, লাল চাল ও নারকেল।

যাদের নিয়মিত খাবারের তালিকায় প্রোটিন বা আমিষজাতীয় খাবার বেশি থাকে, তাদের শরীরে সাধারণত ভিটামিন বি৩-এর ঘাটতি হয় না। এর কারণ হলো, প্রোটিনের মধ্যে ‘ট্রিপটোফ্যান’ নামক একটি অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, আমাদের লিভার বা যকৃৎ খুব সহজেই সেই অ্যামিনো অ্যাসিডকে ভিটামিন বি৩-তে রূপান্তর করে নিতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে আজ থেকেই আপনার দৈনন্দিন খাবারের মেন্যুতে এই খাবারগুলো রাখার চেষ্টা করুন।

সূত্র : আনন্দবাজার

কিডনি রোগীরা রাতে দুধ খেতে পারবে?

অনলাইন ডেস্ক
কিডনি রোগীরা রাতে দুধ খেতে পারবে?
সংগৃহীত ছবি

রাতে দুধ খাওয়া অনেকের জন্য উপকারী হলেও কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা অবস্থায় দুধ খাওয়া বিপজ্জনক বা বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। রাতে দুধ খেলে হজম হয়না অনেকের।

দেখে নিন যাদের জন্য রাতে দুধ খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে-
 
১. ল্যাকটোজ ইনটলারেন্ট : এই ব্যক্তিদের শরীরে ল্যাকটোজ নামক দুধের চিনি হজম করার জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম (ল্যাকটেজ) কম বা অনুপস্থিত থাকে। ফলে তারা দুধ খেলে হতে পারে- গ্যাস, পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া ও পেটব্যথা।

২. অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা গ্যাস্ট্রিকের রোগীরা : রাতে দুধ খেলে কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা গ্যাস্ট্রিক বেড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে ঘুমানোর আগে ভারী বা পূর্ণ চর্বিযুক্ত দুধ খাওয়া সমস্যাজনক হতে পারে।
 
৩. নিদ্রাহীনতা : চিনি বা মিষ্টি দুধ রাতে খেলে কার্বোহাইড্রেট বেড়ে যায়, যা রক্তে ইনসুলিন বাড়ায় এবং এতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

৪. দুধে অ্যালার্জি রয়েছে যাদের : দুধের প্রোটিন (বিশেষ করে কেসিন ও ওয়েহ) যাদের শরীর সহ্য করতে পারে না, তাদের ক্ষেত্রে দুধ খাওয়া মারাত্মক অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে- চুলকানি, ত্বকে ফুসকুড়ি, শ্বাসকষ্ট, অ্যানাফাইল্যাক্সিস (জরুরি অবস্থা)।
 
৫. কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা : দুধে উচ্চমাত্রার ফসফরাস, ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন থাকে—যা কিডনি রোগীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

৬. ডায়রিয়া বা পাচনতন্ত্রের দুর্বলতার সময় : এই সময় দুধ খেলে পাচনতন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে, এবং ডায়রিয়ার লক্ষণ বাড়তে পারে।

লবণ দিয়ে আর কি করা যায়? | কালের কণ্ঠ