• ই-পেপার

শুটিং সেটে ভক্তের কাণ্ডে অস্বস্তিতে কাজল

হিন্দু থেকে খ্রিস্টান, পরে ইসলাম : রাখি সাওয়ান্তের জীবনের নানা মোড়

বিনোদন ডেস্ক
হিন্দু থেকে খ্রিস্টান, পরে ইসলাম : রাখি সাওয়ান্তের জীবনের নানা মোড়
বলিউডের আলোচিত অভিনেত্রী ও রিয়েলিটি শো তারকা রাখি সাওয়ান্ত

বলিউডের আলোচিত অভিনেত্রী ও রিয়েলিটি শো তারকা রাখি সাওয়ান্ত ব্যক্তিগত জীবন, প্রেম, বিয়ে এবং ধর্ম পরিবর্তনের কারণে বহুবার সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন। হিন্দু পরিবারে জন্ম নেওয়া রাখি পরে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর দ্বিতীয় বিয়ের আগে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তবে বর্তমানে তিনি কোন ধর্ম অনুসরণ করছেন, সে বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু জানাননি।

ggg

রাখি সাওয়ান্তের আসল নাম নিরু ভেড়া। ১৯৭৮ সালের ২৫ নভেম্বর ভারতের মুম্বাইয়ে একটি সাধারণ মারাঠি হিন্দু পরিবারে তার জন্ম। বাবার মৃত্যুর পর আর্থিক সংকটে পড়ে পরিবার। সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে ১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে ব্যাকগ্রাউন্ড নৃত্যশিল্পী হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। পরে মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের পর সৎ বাবার পদবি সাওয়ান্ত গ্রহণ করেন। এরপর বলিউডে আইটেম গানের মাধ্যমে পরিচিতি পান এবং ‘ম্যায় হুঁ না’ ও ‘মাস্তি’সহ বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেন।

hh
‘ম্যায় হুঁ না’ সিনেমায় রাখি

২০০৯ সালের দিকে রাখি ও তার মা হিন্দু ধর্ম ছেড়ে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন। এটি তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত ছিল। তবে ধর্ম পরিবর্তনের পরও তিনি আগের মতোই বলিউড ও বিভিন্ন রিয়েলিটি শোতে কাজ চালিয়ে যান। দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় তিনি খ্রিস্টান পরিচয়েই ছিলেন।

২০১৯ সালে রাখি দাবি করেন, যুক্তরাজ্যপ্রবাসী ভারতীয় রিতেশ সিংকে তিনি গোপনে বিয়ে করেছেন। দীর্ঘদিন এই বিয়ে নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। অনেকেই রিতেশের অস্তিত্ব নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন। পরে ‘বিগ বস ১৫’-এ প্রথমবারের মতো রিতেশকে প্রকাশ্যে দেখা যায়। তবে রিতেশের আগের বিয়ে নিয়ে আইনি জটিলতার কারণে ২০২২ সালের শুরুতে তাঁদের দাম্পত্যের ইতি ঘটে।

hhh
আদিলকে বিয়ে করার আগে রাখি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন ও নাম পরিবর্তন করে ফাতিমা রাখেন।

বিচ্ছেদের কিছুদিন পরই মহীশূরের বাসিন্দা আদিল খান দুররানির সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান রাখি। আদিলকে বিয়ে করার আগে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং নিজের নাম পরিবর্তন করে ফাতিমা রাখেন। এ সময় তাকে বোরকা পরতেও দেখা যায়। ২০২২ সালের জুনে তাদের বিয়ে হলেও বিষয়টি কয়েক মাস গোপন রাখা হয়। পরে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিকাহর ছবি প্রকাশ করে বিয়ের খবর জানান রাখি। যদিও শুরুতে আদিল এই বিয়ের কথা অস্বীকার করেছিলেন, পরে তিনি তা স্বীকার করেন।

hhh

তবে বিয়ের অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, আদিল নিজেকে ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিলেও পরে রাখি জানতে পারেন তিনি পেশায় একজন চালক এবং মহীশূরের একটি বস্তিতে বসবাস করতেন। অভিযোগ, আদিল এসব তথ্য তার কাছ থেকে গোপন রেখেছিলেন।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে রাখি বলেন, ‘আদিল যদি শুরুতেই সত্যটা বলতেন, আমি তাকে মেনে নিতাম। কিন্তু এখন আর তা পারছি না।’

্ট্ট্

এরপর ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা থানায় আদিলের বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য সহিংসতা, প্রতারণা, পরকীয়া, অর্থ আত্মসাৎ ও তার অর্থের অপব্যবহারের অভিযোগে মামলা করেন রাখি। তিনি অভিযোগ করেন, আদিল তাকে মারধর করেছেন এবং তার অর্থ নিয়ে নিয়েছেন। একই দিন আদিলকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং আদালতের নির্দেশে বিচারিক হেফাজতে পাঠানো হয়।

পরবর্তীতে বন্ধু শারলিন চোপড়াকে নিয়ে আদিলের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে মহীশূরে গেলে রাখি আরো একটি বিষয় জানতে পারেন। তার দাবি, জন্মসূত্রে তিনি হিন্দু হওয়ায় আদিলের পরিবার তাদের বিয়ে মেনে নিতে রাজি ছিল না।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০২৫ সালের শেষ দিকে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে রাখি ও আদিলের দায়ের করা মামলাগুলো খারিজ করে দেয় বোম্বে হাইকোর্ট। এর মধ্য দিয়ে তাদের আইনি বিরোধেরও সমাপ্তি ঘটে।

ll

২০২৬ সাল পর্যন্ত রাখি সাওয়ান্ত প্রকাশ্যে জানাননি, বর্তমানে তিনি কোন ধর্ম অনুসরণ করছেন। তিনি ইসলাম ধর্মেই আছেন, নাকি আবার খ্রিস্টধর্ম বা হিন্দুধর্মে ফিরে গেছেন—এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলেননি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাখি বলেন, ‘ভারতীয় ও পাকিস্তানিরা একে অপরকে ছাড়া থাকতে পারে না। আমি পাকিস্তানের মানুষকে ভালোবাসি, সেখানে আমার অনেক ভক্ত রয়েছে।’ তিনি আরো জানান, তার সম্ভাব্য পাত্র দোদি খান একজন অভিনেতা ও পুলিশ কর্মকর্তা।

তবে কি রাজনীতিতে আসছেন ধানুশ?

বিনোদন ডেস্ক
তবে কি রাজনীতিতে আসছেন ধানুশ?
সংগৃহীত ছবি

দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা ধানুশকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তামিলনাড়ুতে তাঁর ফ্যান ক্লাবের সাংগঠনিক তৎপরতা, জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড এবং সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আলোচনা চলছে—তবে কি রাজনীতিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন এই তারকা? যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি ধানুশ।

সম্প্রতি ভক্তদের উদ্দেশে দেওয়া এক বক্তব্যে সামাজিক কাজে আরো সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান অভিনেতা। তিনি বলেন, ‘আজ আপনারা সবাই এখানে একত্র হয়েছেন। এভাবে একসঙ্গে হতে পারাটাই আমাদের শক্তি। এই শক্তিকে একটি স্পষ্ট উদ্দেশ্যে কাজে লাগান এবং মানুষের পাশে দাঁড়ান। আরো জনকল্যাণমূলক কাজ করুন। প্রতিবেশীদের সমস্যাগুলো জানুন, তাঁদের একজন হয়ে পাশে দাঁড়ান এবং সাহায্য করুন।’

ধানুশের এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসতে শুরু করে। বিশেষ করে তামিলনাড়ুতে চলচ্চিত্র তারকাদের রাজনীতিতে আসার দীর্ঘ ইতিহাস থাকায় বিষয়টি আরো বেশি আলোচনায় উঠে আসে। 

এর আগে রজনীকান্ত রাজনীতিতে আসার ঘোষণা দিয়েও শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ান। অন্যদিকে অভিনেতা থালাপতি বিজয় ইতোমধ্যে রাজনৈতিক দল গঠন করেছেন। ফলে দক্ষিণী সিনেমার আরেক জনপ্রিয় মুখ ধানুশকে নিয়েও জল্পনা বাড়ছে।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যের শেষে ধানুশ ‘ওম নমঃ শিবায়’ উচ্চারণ করায় তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ায় গত ৯ জুলাই প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানায়, সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ধানুশের বাবা ও নির্মাতা কস্তুরি রাজাকে অভিনেতার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। এর আগে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, তাঁর পরিবারের কেউ ভবিষ্যতে রাজনীতিতে আসতে পারেন। তবে ধানুশকে নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো নির্দিষ্ট মন্তব্য করতে চাননি।

এদিকে ধানুশের ফ্যান ক্লাবের পতাকা নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে এসব গুঞ্জন নাকচ করে ফ্যান ক্লাবের নেতা ও পরিচালক সুব্রামানিয়াম শিবা বলেন, এটি নতুন কোনো রাজনৈতিক পতাকা নয়। প্রায় ১৫ বছর ধরে ভক্তরা বিয়ে, কান ফোঁড়ানোর অনুষ্ঠান, সিনেমা মুক্তি এবং বিভিন্ন আয়োজনে এই পতাকা ব্যবহার করে আসছেন। 

চলতি বছরের ফ্যান ক্লাবের সভায় গাড়িতে ব্যবহারের সুবিধার জন্য পতাকার আকার ছোট করা হয়েছে। আর সেটিকেই অনেকে ভুল করে রাজনৈতিক প্রতীক হিসেবে দেখছেন।

ধানুশকে ঘিরে চলমান রাজনৈতিক গুঞ্জন প্রসঙ্গে ক্ষমতাসীন দল ডিএমকেরও প্রতিক্রিয়া এসেছে। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘যে কেউ রাজনীতিতে আসতে চাইলে আমরা তাঁকে স্বাগত জানাই। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সবাই অংশ নিতে পারেন।’

তবে সব জল্পনার মাঝেও ধানুশের পক্ষ থেকে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। আপাতত তাঁর মূল মনোযোগ রয়েছে অভিনয় ও নির্মাণকাজে।

সার্জারির পর কেউ নেই পাশে, আক্ষেপ ইবরার টিপুর

বিনোদন প্রতিবেদক
সার্জারির পর কেউ নেই পাশে, আক্ষেপ ইবরার টিপুর
সংগৃহীত ছবি

ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের মধ্যেই সম্প্রতি মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার হয়েছে দেশের জনপ্রিয় সুরকার ও সংগীত পরিচালক ইবরার টিপুর। শারীরিক জটিলতার পাশাপাশি মানসিক কষ্টের কথাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুলে ধরেছেন তিনি। 

অস্ত্রোপচারের পর নিজের নিঃসঙ্গতা ও কাছের মানুষের ব্যস্ততা নিয়ে করা তার একটি আবেগঘন পোস্ট ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা।

Ibrar Tipu

সোমবার (২৭ জুলাই) নিজের ফেসবুক পোস্টে ইবরার টিপু লেখেন, ‘আল্লাহর কাছে বিচার দিয়ে রাখলাম। আল্লাহ তুমি মাফ করো না। আমার সবচেয়ে কষ্ট—আমার বাবা নেই। মা থেকেও নেই। আসলে একজন এতিমের কেউ থাকে না। ২ বছর হাসপাতালের এত কষ্ট নিয়েছি আর কিছুই বলার নেই। বাসার খাওয়া তো নসিবে হবে না। সবাই ব্যস্ত। আমি হাসপাতালের আকাশে তাকিয়ে অপেক্ষায় থাকি কেউ যদি একটু হাসিমুখে কথা বলে। একটু সময় কেটে যায়। ব্রেইন সার্জারি হলো ৪ দিন। বউ, মেয়ে, ছেলে সবাই ব্যস্ত। ভালো থাকুক সবাই।’

তবে পোস্টটি প্রকাশের কিছু সময় পর আর তার ফেসবুক টাইমলাইনে দেখা যায়নি।

এরই মধ্যে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে ইবরার টিপুর স্ত্রী ও সংগীতশিল্পী বিন্দু কণা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে অপ্রয়োজনীয় ফোন বা বার্তা না পাঠানোর অনুরোধ জানান। তিনি লেখেন, ‘দয়া করে আমাকে কেউ কল বা মেসেজ করবেন না। পারলে দোয়া করেন। না পারলে মনের আনন্দে কিছু একটা পোস্ট করেন। না হয় এসে সাহায্য করেন। আর তা-ও যদি না পারেন তাহলে দিন গোনেন। আল্লাহ যেন আপনাদেরও এমন একটা সময় পার করায়। মানুষ হন, আল্লাহ হেদায়েত দিক আপনাদের।’

Bindu Kona

উল্লেখ্য, প্রায় দুই বছর আগে ইবরার টিপুর কিডনিতে ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসা নেওয়ার পাশাপাশি নানা শারীরিক জটিলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। ক্যান্সারের চিকিৎসা চলাকালেই সম্প্রতি তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

ক্রিকেটারের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন ম্রুনালের, ভাইরাল ভিডিও

বিনোদন ডেস্ক
ক্রিকেটারের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন ম্রুনালের, ভাইরাল ভিডিও
সংগৃহীত ছবি

দক্ষিণী সুপারস্টার ধানুশকে ঘিরে প্রেম ও বিয়ের জল্পনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার নতুন গুঞ্জনে নাম জড়িয়েছে বলিউড অভিনেত্রী ম্রুনাল ঠাকুরের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে ভারতীয় তরুণ ক্রিকেটার যশস্বী জয়সওয়ালের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।

সম্প্রতি মুম্বাইয়ের বান্দ্রা ওয়েস্ট এলাকার একটি ক্যাফেতে একই সময়ে ম্রুনাল ঠাকুর ও যশস্বী জয়সওয়ালকে দেখা যায়। সেখান থেকে ধারণ করা একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয় নানা জল্পনা।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ২৪ বছর বয়সী যশস্বী জয়সওয়াল ক্যাফে থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে ম্রুনাল ঠাকুর তখনও ক্যাফের ভেতরে অবস্থান করছিলেন। তবে ভিডিওটির কোথাও তাদের একসঙ্গে দেখা যায়নি। এমনকি তাদের মধ্যে কোনো কথোপকথন বা ঘনিষ্ঠ মুহূর্তও ধরা পড়েনি।

তা সত্ত্বেও ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর বিভিন্ন ফ্যান পেজে দুজনকে নিয়ে প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। কেউ কেউ দাবি করছেন, তারা একসঙ্গে ডেটে গিয়েছিলেন। তবে এমন দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য বা প্রমাণ সামনে আসেনি।

এদিকে ভাইরাল ভিডিও কিংবা প্রেমের গুঞ্জন—কোনো বিষয়েই এখন পর্যন্ত মুখ খোলেননি ম্রুনাল ঠাকুর বা যশস্বী জয়সওয়াল। 

কাজের দিক থেকে ম্রুনাল ঠাকুর বর্তমানে ব্যস্ত রয়েছেন ‘পূজা মেরি জান’ এবং তেলুগু সিনেমা ‘রাকা’ নিয়ে। এর মধ্যে ‘পূজা মেরি জান’-এর শুটিং শেষ হয়েছে। বর্তমানে সিনেমাটির পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে এর টিজারও প্রকাশ করা হয়েছে। তবে মুক্তির তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।