• ই-পেপার

স্টেপ ভুলে গেলে শার্ট খুলে ফেলব : সালমান খান

অনুপম রায়ের কনসার্ট স্থগিত

অনলাইন ডেস্ক
অনুপম রায়ের কনসার্ট স্থগিত
সংগৃহীত ছবি

কাল শুক্রবার রাজধানীর ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে সংগীত পরিবেশন করার কথা ছিল পশ্চিমবঙ্গের কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার অনুপম রায় ও তাঁর ব্যান্ডের। সেই কনসার্ট স্থগিত করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে আয়োজক ইয়ামাহা মিউজিক বাংলাদেশ।

ইয়ামাহা মিউজিক বাংলাদেশ জানিয়েছে, ‘আমরা সব অনুমতি পেয়েছিলাম। তবে আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের আপাতত এ কনসার্ট স্থগিতের নির্দেশনা দিয়েছে। আমরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরবর্তী তারিখ জানাব, না হলে টিকিটের রিফান্ড প্রসেস প্রকাশ করব। যে কেউ টিকিট চাইলে রিফান্ড করতে পারবেন।’

ফিরে এসো অলকা ইয়াগনিক

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
ফিরে এসো অলকা ইয়াগনিক

সুরেলা কণ্ঠের অলকা ইয়াগনিককে ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। তেজাব সিনেমায় ‘এক দো তিন’ গানে মাধুরী দীক্ষিতের সঙ্গে নেচেছিল গোটা ভারত। পেছনের কণ্ঠটি ছিল অলকা ইয়াগনিকের। চার দশকের ক্যারিয়ারে ‘তালে সে তাল মিলা’, ‘টিপ টিপ বারসা পানি’, ‘দিলবার দিলবার’, ‘সুরাজ হুয়া মাধ্যম’, ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’এর মতো অসংখ্য জনপ্রিয় গান গেয়েছেন তিনি।

কুমার শানুর সঙ্গে ‘চুরা কে দিল মেরা’ গেয়ে তিনি চুরি করেছেন কোটি ভক্তের হৃদয়। ক্যারিয়ারে ২৫টি ভাষায় ২২ হাজার গান রেকর্ড করা অলকার কণ্ঠ থেমে যায় ২০২৪ সালে, ‘অমর সিং চিমকিলা’ ছবির পর আর কোনো গানে কণ্ঠ দেননি তিনি। দুই বছর একদম চোখের আড়ালে ছিলেন অলকা।

দুই বছর পর গত মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে দেখা মিললে অলকা ইয়াগনিকের। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছ থেকে ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক ‘পদ্মভূষণ’ গ্রহণ করেছেন তিনি। অলকা ইয়াগনিকের ’পদ্মভূষণ’ পাওয়া কোনো বিস্ময় নয়, তবে পুরস্কার নিতে তাকে হুইল চেয়ারে আসতে দেখে উদ্বিগ্ন হয়েছেন অনেকে। সুরের রাণী প্রাণবন্ত অলকাকে ম্লান মুখে হুইল চেয়ারে দেখে কষ্ট পেয়েছেন অনেকেই।

কিংবদন্তি গায়িকা অলকা ইয়াগনিক ‘সেন্সোরিনিউরাল হিয়ারিং লস’ নামে একটি বিরল শ্রবণজনিত জটিলতায় ভুগছেন। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে একটি বিমানভ্রমণ শেষে নামার পরপরই হঠাৎ আবিষ্কার করেন, তিনি আর কিছুই শুনতে পাচ্ছেন না। আকস্মিক বধিরতা থমকে দেয় তার ক্যারিয়ার। হঠাৎ কোনো ভাইরাল অ্যাটাকের কারণে তার এ অবস্থা হয়েছে বলে ডাক্তারদের মত। কারো কারো মতে চার দশকের ক্যারিয়ারে বিরামহীনভাবে উচ্চশব্দের সঙ্গে থাকার কারণেও এমনটি হতে পারে।

আড়ালে থাকলেও শ্রোতারা অলকাকে ভুলে যাননি। তিনি ইউটিউবে সর্বকালের সবচেয়ে জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী, যার ২০২০ সালে ১৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন এবং ২০২১ সালে ১৭ বিলিয়ন স্ট্রিমের জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম রয়েছে। ২০২৬ সালেও তিনি ইউটিউবে প্রতি সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি স্ট্রিম হওয়া সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে নিজের অবস্থান বজায় রেখেছেন। বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, দুটি বেঙ্গল ফিল্ম জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন পুরস্কার এবং সেরা প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে সাতটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেছেন সুরের এই জাদুকর।

হুইল চেয়ারে অলকাকে দেখে তার ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। পরদিন অলকা নিজেই ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে নিজের বর্তমান অবস্থার বর্ণনা করে আবেগঘন এক পোস্ট দিয়েছেন। পোস্টটি তিনি শুরু করেছেন এভাবে, ‘গত দুই বছর ধরে আমি লাইমলাইট, গণমাধ্যমের সামনে আসা এবং আপনাদের সঙ্গে নিজের পথচলার গল্প ভাগ করে নেওয়া থেকে দূরে আছি। আপনাদের মধ্যে অনেকেই জানতেন যে, আমি এক কঠিন স্বাস্থ্যগত সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। আর এই পুরোটা সময় আপনাদের ভালোবাসা, প্রার্থনা, বার্তা এবং অবিচল সমর্থন প্রতিটা পদক্ষেপে আমার পাশে ছিল।’

এরপর তিনি যোগ করেন, ‘আজ যখন আমি দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা—মর্যাদাপূর্ণ ‘পদ্মভূষণ’ গ্রহণ করতে বাইরে পা রাখলাম, তখন আমার হৃদয় কৃতজ্ঞতায় ভরপুর ছিল। এই সম্মাননা আমাকে গভীরভাবে বিনম্র করেছে। যদিও এতে আমার নাম লেখা আছে, কিন্তু এটি ঠিক ততটাই সেই প্রতিটি শ্রোতার, যারা আমার কণ্ঠকে তাদের জীবনে স্বাগত জানিয়েছেন, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে আমার গানগুলোকে বহন করে নিয়ে গেছেন এবং আমার ভালো ও খারাপ উভয় সময়েই আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন।’

ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছেন জানিয়ে অলকা লিখেছেন, ‘এই মুহূর্তটি বিশেষভাবে অর্থপূর্ণ মনে হচ্ছে কারণ এটি কেবল আমার কাজের স্বীকৃতি নয়, বরং ভালোবাসা, আশা এবং ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি থেকে যে শক্তি আসে, তার এক অনন্য স্মারক। আমি ধীরে ধীরে নিজের চেনা ছন্দে ফিরে আসছি এবং আজ এখানে উপস্থিত হতে চেয়েছি—শুধু নিজের জন্য নয়, বরং আপনাদের প্রত্যেকের জন্য যারা আমার এই পথচলার অংশ হয়েছেন।’

অলকা ইয়াগনিক তাকে এই সম্মাননা দেওয়ার জন্য দেশের নেতৃত্ব এবং কর্তৃপক্ষের প্রতিও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি শেষ করেছেন ভক্তদের প্রতি ভালোবাসা জিনিয়ে, ‘বছরের পর বছর ধরে আমার প্রতি আপনাদের এই স্নেহ, দয়া, প্রার্থনা এবং বিশ্বাসের জন্য ধন্যবাদ। আমি এর সবকিছুই নিজের সঙ্গে বহন করি। আজ আমি কেবল একটি পুরস্কারই গ্রহণ করিনি—আমি সেই কোটি মানুষের ভালোবাসা অনুভব করেছি, যারা আমার এই যাত্রার অংশ ছিলেন। ধন্যবাদ। ভালোবাসাসহ, অলকা।’

মুহূর্তেই ভাইরাল অলকা ইয়াগনিকের পোস্ট। হাজারো ভক্তের ভালোবাসা, শুভকামনায় উপচে পড়ছে কমেন্ট বক্স। সে তালিকায় সাধারণ মানুষ যেমন আছেন; আছেন কুমার শানু, ইলা অরুণ, অদিতি সিং শর্মা, সুদেশ ভোসলে, অকৃতি কাক্কার, ভূমি পেদনেকার, বীর পাহারিয়ার মতো তারকারাও। অনেকে তাকে পদ্মভূষণ পাওয়ায় অভিনন্দন জানিছেন। অনেকে তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে লিখেছেন, ‘ফিরে এসো অলকা ইয়াগনিক।’

‘হিন্দি সিনেমা তোমার জন্য নয়’, রাশমিকাকে উদ্দেশ্য করে লেখিকা

অনলাইন ডেস্ক
‘হিন্দি সিনেমা তোমার জন্য নয়’, রাশমিকাকে উদ্দেশ্য করে লেখিকা

মুক্তির এক সপ্তাহ পূর্ণ করতে যাওয়া বলিউড সিনেমা ‘ককটেল ২’ বক্স অফিসে বেশ ভালো ব্যবসা করছে। শহীদ কাপুর, কৃতি স্যানন ও রাশমিকা মান্দানা অভিনীত এবং হোমি আদাজানিয়া পরিচালিত এই ছবিটি মাত্র ছয় দিনেই ১০০ কোটি রুপির মাইলফলক পার করেছে। তবে দর্শকদের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া এই ছবিটি নিয়ে এবার তীব্র সমালোচনা করেছেন ভারতের বিখ্যাত লেখিকা ও কলামিস্ট শোভা দে।

ছবিটি দেখার পর ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও রিভিউ শেয়ার করে নিজের ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন শোভা দে। সিনেমাটির গল্পের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘এইমাত্র ‘ককটেল ২’ দেখে বের হলাম। এর মাথা না লেজ, কিছুই নেই। গল্পটা একদম উদ্ভট। থিয়েটার থেকে বের হওয়ার পর এই ধাক্কা সামলাতে আমার এখন পাঁচ গ্লাস ককটেল (নেগ্রোনি) লাগবে!’

শোভা দে সিনেমার মূল তারকাদের অভিনয় নিয়ে বেশ স্পষ্ট ও খোলামেলা মন্তব্য করেছেন। তিনি শহীদ কাপুরকে ছবিটির সেরা অংশ হিসেবে উল্লেখ করলেও তার একটি নতুন হেয়ারকাটের প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন। অন্যদিকে রাশমিকার উদ্দেশ্যে বলেন যে হিন্দি সিনেমা তার জন্য নয়। কৃতি স্যাননের চমৎকার ফিগার ও দারুণ লুকের প্রশংসা করার পাশাপাশি ছবিতে তিনি খুব ভালো কাজ করেছেন বলেও শোভা দে উল্লেখ করেন।

সিনেমার ক্লাইম্যাক্স এবং সংলাপ নিয়ে আপত্তি তুলে এই লেখিকা বলেন, দুই নারী একজন পুরুষকে (শহীদ) নিয়ে মারামারি করছে, আর তারপর শহীদ একটা লম্বা বক্তৃতা দেয়। ছবিতে শহীদের একটি সংলাপ আছে—‘ভালোবাসা বলে কিছু হয় না, এটা এমন একটা জিনিস যা তুমি কয়েক দিন উপভোগ করতে পারো।’ শোভা দে-র মতে, এগুলো সবই ভুয়া জ্ঞানে ভরা এবং সবচেয়ে বাজে ধরনের সস্তা ডায়ালগ।

তিনি দর্শকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ছবিটিতে মাঝে মাঝে কিছু ভালো রসিকতা থাকলেও, এটিকে কোনোভাবেই আসল ‘ককটেল’ সিনেমার সাথে তুলনা করার চেষ্টাও যেন কেউ না করে।

সূত্র : এনডিটিভি

রান্না ও ঘর গোছানো শুধু মেয়েদের দায়িত্ব নয় : প্রিয়াঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
রান্না ও ঘর গোছানো শুধু মেয়েদের দায়িত্ব নয় : প্রিয়াঙ্কা
সংগৃহীত ছবি

ঘরের কাজকর্ম কেবল নারীদের দায়িত্ব—এই প্রচলিত সামাজিক ধারণার বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিলেন বলিউড ও হলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। বিখ্যাত ‘কান লায়ন্স’ উৎসবে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, রান্না করা বা ঘর পরিষ্কার করা কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গের কাজ নয়, বরং এগুলো প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সাধারণ জীবন দক্ষতা।

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জানান, এখনো অনেক পরিবারে ঘরের দৈনন্দিন কাজগুলোকে মূলত নারীর কাজ হিসেবেই দেখা হয়, যা মোটেও ঠিক নয়। নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, পরিষ্কার করা এবং রান্না করা শুধু মেয়েদের কাজ নয়। এগুলো প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ দায়িত্ব। 

একই সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা বিশ্বজুড়ে সিনেমার বিবর্তন নিয়ে কথা বলেন। হলিউডের হরর ছবি ‘অবসেশন’ -এর সাফল্যের উদাহরণ দিয়ে তিনি জানান, প্রযুক্তির অগ্রগতির কারণে এখন চলচ্চিত্র নির্মাণ অনেক সহজলভ্য হয়েছে। তিনি বলেন, আগে এই ইন্ডাস্ট্রিতে ঢোকা খুব কঠিন ছিল। কিন্তু এখন কারো মাথায় কোনো ভালো আইডিয়া থাকলে তিনি তা শুট করে ইউটিউবে আপলোড করতে পারেন, যা পরে একটি বড় সিনেমা হয়ে উঠতে পারে। বিনোদন জগতে থাকার জন্য বর্তমান সময়কে অন্যতম সেরা সময় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

দীর্ঘ আট বছর পর ভারতীয় সিনেমায় বড় ধরনের প্রত্যাবর্তন করতে যাচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা। ‘বাহুবলী’ ও ‘আরআরআর’ খ্যাত জনপ্রিয় পরিচালক এস এস রাজামৌলির পরিচালনায় সর্বভারতীয় চলচ্চিত্র ‘বারাণসী’তে অভিনয় করবেন তিনি। এই মেগা প্রজেক্টে তার সঙ্গে আরও থাকছেন মহেশ বাবু ও পৃথ্বীরাজ সুকুমারন। প্রায় ১,০০০ কোটি রুপি বাজেটে নির্মিত এই ছবিটি ভারতের ইতিহাসের অন্যতম ব্যয়বহুল সিনেমা হতে যাচ্ছে, যা ২০২৭ সালের এপ্রিলে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

সূত্র : এনডিটিভি