• ই-পেপার

মা হচ্ছেন সোহিনী

‘কাট’ বলার পরও থামেননি সহ-অভিনেতা, হেনস্তার অভিযোগ অভিনেত্রীর

বিনোদন ডেস্ক
‘কাট’ বলার পরও থামেননি সহ-অভিনেতা, হেনস্তার অভিযোগ অভিনেত্রীর
সংগৃহীত ছবি

ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে শুটিং সেটে এক অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়া বাপট। 

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, একটি সিনেমার গানের দৃশ্য ধারণের সময় পরিচালকের ‘কাট’ নির্দেশের পরও সহ-অভিনেতা তাকে চুম্বন করতে থাকেন। সেই ঘটনার পাশাপাশি পরবর্তীতে ব্যক্তিগতভাবেও হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

প্রিয়া বাপটের ভাষ্য, তখন তিনি ইন্ডাস্ট্রিতে একেবারেই নতুন ছিলেন। ফলে ঘটনার সময় তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ করার মতো পরিস্থিতি বা সাহস কোনোটিই তার ছিল না। সেই অভিজ্ঞতা তাকে দীর্ঘদিন মানসিকভাবে অস্বস্তিতে রেখেছিল।

অভিনেত্রী জানান, সিনেমার চিত্রনাট্য পড়ার সময় থেকেই একটি চুম্বনের দৃশ্য নিয়ে তার আপত্তি ছিল। তবে পরিচালকের অনুরোধ ও পেশাদার দায়িত্বের কথা বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত তিনি দৃশ্যটি করতে রাজি হন।

কিন্তু শুটিং চলাকালে পরিস্থিতি ভিন্ন মোড় নেয়। প্রিয়ার অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত দৃশ্যের বাইরে গিয়ে সহ-অভিনেতা আচমকাই শারীরিক ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর চেষ্টা করেন। পরিচালকের ‘কাট’ নির্দেশের পরও তিনি থামেননি, যা অভিনেত্রীকে বিব্রত ও অস্বস্তিকর অবস্থায় ফেলে।

শুধু শুটিং সেটেই নয়, ভোপালে আউটডোর শুটিংয়ের সময় হোটেলে অবস্থানকালেও ওই সহ-অভিনেতা ফোন ও বার্তার মাধ্যমে তাকে বিভিন্ন কুপ্রস্তাব দেন বলে অভিযোগ করেন প্রিয়া। এসব ঘটনায় তিনি মানসিক চাপে পড়ে যান এবং পরে বিষয়টি স্বামীকে জানান।

অভিনেত্রীর দাবি, বিষয়টি জানার পর তার স্বামী সরাসরি শুটিং সেটে উপস্থিত হন। এরপর পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে এবং ওই সহ-অভিনেতা নিজের আচরণ সংশোধন করতে বাধ্য হন।

উল্লেখ্য, মারাঠি ও হিন্দি চলচ্চিত্র অঙ্গনের পরিচিত মুখ প্রিয়া বাপট ২০০০ সালে ‘ডক্টর বাবাসাহেব আম্বেদকর’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করেন। পরে ‘মুন্নাভাই এমবিবিএস’ ও ‘লাগে রাহো মুন্নাভাই’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকের নজর কাড়েন। এছাড়া ‘কাকস্পর্শ’ ও ‘টাইমপাস টু’ সিনেমায় তার অভিনয় সমালোচকদের প্রশংসা পায়।

জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘সিটি অব ড্রিমস’-এ অভিনয়ের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের দর্শকের কাছেও ব্যাপক পরিচিতি পান প্রিয়া বাপট। বর্তমানে তিনি তার নতুন মনস্তাত্ত্বিক চলচ্চিত্র ‘ডালিম : দ্য মিথ’-এর কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

পাঁচ মাস সংসারের পর আইনি বিয়ে সারলেন মধুমিতা

বিনোদন ডেস্ক
পাঁচ মাস সংসারের পর আইনি বিয়ে সারলেন মধুমিতা
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে পারিবারিক পরিবেশে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছিলেন মধুমিতা ও দেবমাল্য। এবার পাঁচ মাসের মাথায় আইনি বিয়ের মাধ্যমে সেই সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিলেন এই তারকা দম্পতি।

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে রেজিস্ট্রির কয়েকটি ছবি শেয়ার করেন মধুমিতা। সেখানে দেখা যায়, কোনো জাঁকজমক বা আড়ম্বর ছাড়াই দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়েছে আইনি বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা।

বিশেষ এই দিনে মধুমিতার সাজেও ছিল সরলতার ছাপ। তিনি পরেছিলেন রাস্ট অরেঞ্জ রঙের সালোয়ার-কামিজ এবং ছিলেন প্রায় মেকআপবিহীন। অন্যদিকে দেবমাল্যও বেছে নিয়েছিলেন একেবারে সাধারণ ক্যাজুয়াল পোশাক।

দম্পতির জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তাদের পোষ্য কুকুরটিও ছিল সঙ্গী। রেজিস্ট্রির ছবি প্রকাশ করে ক্যাপশনে মধুমিতা লিখেছেন, ‘আজ থেকে আমি আইনতভাবে তোমার স্ত্রী হলাম।’

উল্লেখ্য, এটি দেবমাল্য চক্রবর্তীর প্রথম বিয়ে হলেও মধুমিতা সরকারের দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে তিনি অভিনেতা ও পরিচালক সৌরভ চক্রবর্তীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। তবে কয়েক বছর পর তাদের দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটে। এরপর দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর দেবমাল্যের সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করেন অভিনেত্রী, যা এবার আইনি স্বীকৃতিও পেল।
 

অস্বস্তিকর দৃশ্য নিয়ে আপত্তি, বিতর্কের মুখে ‘পেডি’

বিনোদন ডেস্ক
অস্বস্তিকর দৃশ্য নিয়ে আপত্তি, বিতর্কের মুখে ‘পেডি’
সংগৃহীত ছবি

মুক্তির পর থেকেই আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে রাম চরণ ও জাহ্নবী কাপুর অভিনীত সিনেমা ‘পেডি’। ছবির কয়েকটি দৃশ্য নিয়ে দর্শকের একাংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তি তুলেছেন। 

তাদের অভিযোগ, জাহ্নবী কাপুরকে ঘিরে কিছু দৃশ্য এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা অস্বস্তিকর এবং ছবির মূল গল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এটি রাম চরণ ও জাহ্নবীর প্রথম বড় পর্দার জুটি। শুটিং শুরুর পর থেকেই নানা কারণে খবরের শিরোনামে ছিল সিনেমাটি। শুটিং চলাকালে চোখে আঘাত পেয়েছিলেন রাম চরণ। পরে প্রচারণার সময়ও এক ভক্তের আচরণে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এবার ছবির কিছু দৃশ্যকে ঘিরেই নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।

সমালোচকদের দাবি, দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণের উদ্দেশ্যে কয়েকটি দৃশ্যে অতিরিক্ত যৌনভঙ্গিমার উপস্থাপন করা হয়েছে, যা অপ্রয়োজনীয় এবং পুরো কাহিনির গতি নষ্ট করেছে। সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ছবির পরিচালক।

নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, ‘কাউকে অস্বস্তিতে ফেলা বা কাউকে অসম্মান করার ইচ্ছা কখনও আমার ছিল না। সিনেমার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত দর্শককে বিনোদন দেওয়া, অনুপ্রাণিত করা এবং দর্শকের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করা।’

পরিচালক আরো জানান, নারীদের অবমাননা বা কেবল বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করার কোনো উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে তিনি সবসময় নারীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল বলেও উল্লেখ করেন। 

একই সঙ্গে চলমান বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে ছবির কিছু দৃশ্যে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাননি অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। ফলে বিতর্ক ঘিরে তাঁর অবস্থান জানতে ভক্তদের আগ্রহ এখনও অব্যাহত রয়েছে।

কেন শিল্পী সমিতির নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বাপ্পারাজ?

বিনোদন প্রতিবেদক
কেন শিল্পী সমিতির নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বাপ্পারাজ?
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার আলোচনা চলছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। তবে শেষ মুহূর্তে সেই সম্ভাবনায় ইতি টানলেন জনপ্রিয় অভিনেতা বাপ্পারাজ। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

বাপ্পারাজের এই সিদ্ধান্তে শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থী ও প্যানেলের সমীকরণেও এর প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে গণমাধ্যমকে বাপ্পারাজ বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত কিছু কারণ রয়েছে। এর মাঝে ব্যবসায়িক কারণ একটি। নির্বাচন করে যদি সময় না দিতে পারি, তাহলে বিষয়টা ভালো দেখায় না। তাই নির্বাচন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত।’

এদিকে শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে এফডিসিপাড়ায় বাড়তে শুরু করেছে নির্বাচনী আমেজ। সম্ভাব্য প্রার্থী, জোট ও প্যানেল গঠন নিয়ে শিল্পী ও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের মধ্যে চলছে নানা আলোচনা ও হিসাব-নিকাশ।

বাপ্পারাজের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণার পর সভাপতি পদে শেষ পর্যন্ত কারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেকেই মনে করছেন, তাঁর সিদ্ধান্ত নির্বাচনের সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সর্বশেষ কার্যনির্বাহী পরিষদ, যার নেতৃত্বে ছিলেন মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল, তাদের মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ২৪ এপ্রিল। সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যেই নতুন নির্বাচন আয়োজনের বিধান রয়েছে।