• ই-পেপার

হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন ‘মেঘ মিলন’ গায়ক

প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃতের অভিযোগে শ্রীলেখাকে গ্রেপ্তারের দাবি

বিনোদন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃতের অভিযোগে শ্রীলেখাকে গ্রেপ্তারের দাবি
সংগৃহীত ছবি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরর ছবি বিকৃত করার অভিযোগে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। একই সঙ্গে অভিনেত্রীকে গ্রেপ্তারের দাবিও তুলেছেন বিজেপির একাংশের কর্মী-সমর্থকরা।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আনন্দপুর ও বিধাননগর সাইবার থানায় শ্রীলেখা মিত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। 

অভিযোগের সূত্রপাত শুক্রবার কলকাতায় অনুষ্ঠিত নিট-সংক্রান্ত আন্দোলনের একটি মিছিলকে ঘিরে। ওই মিছিলে অভিনেত্রীর হাতে থাকা একটি পোস্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিকৃত ছবি ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে সরব হতে দেখা গেছে শ্রীলেখাকে। অতীতেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতাদের নিয়ে তার মন্তব্য বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তবে বর্তমান অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে এফআইআর দায়ের হওয়ার পর নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন শ্রীলেখা মিত্র। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি দাবি করেন, বিতর্কিত ছবিটি নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা ভুল-বোঝাবুঝির ফল।

অভিনেত্রী বলেন, ‘রাজনৈতিকভাবে বিজেপির বিরোধিতা করতেই পারি, কিন্তু তাই বলে ইচ্ছাকৃত ভাবে প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃত করার যে অভিযোগ উঠেছে, সেটা ঠিক নয়।’

ঘটনাটি নিয়ে এখনো তদন্ত চলছে। অভিযোগের বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।

আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন আহমেদ শরীফ

বিনোদন প্রতিবেদক
আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন আহমেদ শরীফ
সংগৃহীত ছবি

বাংলা চলচ্চিত্রে দীর্ঘ কয়েক দশকের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বরেণ্য অভিনেতা আহমেদ শরীফকে আজীবন সম্মাননা দিতে যাচ্ছে নিউইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভাল। অভিনয়জীবনে শক্তিশালী চরিত্র নির্মাণ এবং চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হবে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে আহমেদ শরীফ এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। ভিলেন, চরিত্রাভিনেতা কিংবা বহুমাত্রিক নানা চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। তার অভিনীত অসংখ্য স্মরণীয় চরিত্র বাংলা চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করেছে এবং নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে রয়েছে।

নিউইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভাল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, বাংলা চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি দেশের কিংবদন্তি শিল্পীদের সম্মানিত করাও এই উৎসবের অন্যতম উদ্দেশ্য। সেই ধারাবাহিকতায় প্রথম আসরেই আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হচ্ছে আহমেদ শরীফকে।

আগামী ২ আগস্ট নিউইয়র্কের জামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে উৎসবের বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও প্রবাসের চলচ্চিত্র নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, গণমাধ্যমকর্মী এবং চলচ্চিত্রপ্রেমীদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

প্রিয়জন ফিল্মস ও লেমন স্টুডিওর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে নিউইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভাল। সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে আমেরিকান বাংলাদেশি প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন (এবিপিএ)। ৩০ জুলাই থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী চলবে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। এতে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, প্রামাণ্যচিত্র এবং পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে।

উৎসবের প্রথম দিন ৩০ জুলাই প্রদর্শিত হবে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘বিলাই’, প্রামাণ্যচিত্র ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ এবং সোহেল রানা বয়াতি পরিচালিত ‘নয়া মানুষ’। দ্বিতীয় দিন ৩১ জুলাই থাকবে ‘ইশপাইট’, ‘দ্য ইটারনাল জার্নি’ এবং মিশুক মনিরের ‘দেয়ালের দেশ’। তৃতীয় দিন ১ আগস্ট প্রদর্শিত হবে জায়েদ খানের ‘আমেরিকান ড্রিম’ ও ‘ঈদ মোবারক’ এবং পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘বিশ্বাস করেন ভাই’ ও ‘শিকড়’।

২ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে উৎসবের মূল আয়োজন। এতে অংশ নিতে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ থেকে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চলচ্চিত্র তারকা নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন।

প্রথম আসর হওয়ায় ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলা চলচ্চিত্রের সেরা নির্মাতা ও কলাকুশলীদের মোট ২০টি বিভাগে পুরস্কৃত করা হবে। পাশাপাশি বাংলা চলচ্চিত্রের বিশ্বায়নে বিশেষ অবদানের জন্য বায়োস্কোপ ফিল্মস এবং দেশে সিনেমা হলের আধুনিকায়ন, আধুনিক প্রদর্শনব্যবস্থা চালু ও দর্শকদের প্রেক্ষাগৃহমুখী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় স্টার সিনেপ্লেক্সকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে।

‘পথের পাঁচালী’ দেখে স্তম্ভিত হয়েছিলেন নোলান

বিনোদন ডেস্ক
‘পথের পাঁচালী’ দেখে স্তম্ভিত হয়েছিলেন নোলান
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বজুড়ে আলোচিত ‘দি ওডিসি’র সাফল্যের মধ্যেই কিংবদন্তি নির্মাতা সত্যজিৎ রায়কে নিয়ে নিজের মুগ্ধতার কথা জানালেন অস্কারজয়ী পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলান। নিউইয়র্কের বিখ্যাত ‘ক্রাইটেরিয়ন ক্লজেট’ পরিদর্শনে গিয়ে সত্যজিৎ রায়ের ‘দি অপু ট্রিলজি’ হাতে তুলে নিয়ে প্রশংসায় ভাসান তিনি।

সম্প্রতি ‘ক্রাইটেরিয়ন কালেকশন’-এর প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ ক্লাসিক ও সমসাময়িক চলচ্চিত্রের সংগ্রহশালা ‘ক্রাইটেরিয়ন ক্লজেট’ থেকে নিজের পছন্দের সিনেমাগুলো বেছে নিচ্ছেন নোলান। এ সময় তার হাতে উঠে আসে সত্যজিৎ রায়ের কালজয়ী ‘দি অপু ট্রিলজি’।

সেটি হাতে নিয়ে নোলান বলেন, “এখানে রয়েছে সত্যজিৎ রায়ের ‘দি অপু ট্রিলজি’। তিনি ভারতের অন্যতম সেরা পরিচালক। এই ট্রিলজির প্রথম ছবি ‘পথের পাঁচালী’ এককথায় অসাধারণ। ছবিটি আমাকে স্তম্ভিত করে দিয়েছিল। এখনো ট্রিলজির দ্বিতীয় ও তৃতীয় ছবি দেখা হয়নি। তাই এটি নিয়ে পুরোটা শেষ করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রয়েছি।”

নোলানের এমন মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। অনেক ভারতীয় সিনেপ্রেমী মনে করছেন, বিশ্ব চলচ্চিত্রের দুই কিংবদন্তির প্রতি এটি এক নির্মাতার আন্তরিক শ্রদ্ধা।

একজন নেটিজেন লিখেছেন, ‘এক কিংবদন্তি আর এক কিংবদন্তিকে সম্মান জানাচ্ছেন।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘মনে হচ্ছে, যেন এক ঈশ্বর আর এক ঈশ্বরের প্রশংসা করছেন।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘একজন প্রকৃত গুরুই আর এক গুরুকে চিনতে পারেন।’

তবে নোলান এখনো ‘অপরাজিত’ ও ‘অপুর সংসার’ দেখেননি—এ তথ্য জেনে বিস্ময়ও প্রকাশ করেছেন অনেক ভক্ত।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ‘পথের পাঁচালী’ (১৯৫৫), ‘অপরাজিত’ (১৯৫৬) এবং ‘অপুর সংসার’ (১৯৫৯)—এই তিনটি চলচ্চিত্র মিলেই গড়ে উঠেছে বিখ্যাত ‘দি অপু ট্রিলজি’। অপুর শৈশব থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে ওঠা, পরিবার, ভালোবাসা, সংগ্রাম ও জীবনের নানা বাঁককে কেন্দ্র করে নির্মিত এই ট্রিলজি বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হিসেবে স্বীকৃত।

অন্যদিকে ক্রিস্টোফার নোলানের সর্বশেষ সিনেমা ‘দি ওডিসি’ মুক্তির পর থেকেই বিশ্বব্যাপী প্রশংসা কুড়াচ্ছে। হোমারের মহাকাব্য অবলম্বনে নির্মিত এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন ম্যাট ডেমন, অ্যান হ্যাথাওয়ে, টম হল্যান্ডসহ একাধিক হলিউড তারকা।

‘স্পাইডারম্যান’ অভিনেত্রীর ভিডিও ঘিরে রহস্য

বিনোদন ডেস্ক
‘স্পাইডারম্যান’ অভিনেত্রীর ভিডিও ঘিরে রহস্য
সংগৃহীত ছবি

মার্ভেলের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘স্পাইডারম্যান : ব্র্যান্ড নিউ ডে’ মুক্তির আগেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন হলিউড অভিনেত্রী স্যাডি সিংক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি রহস্যময় ভিডিওকে ঘিরে শুরু হয়েছে তুমুল জল্পনা। তবে ভিডিওটির উৎস বা সত্যতা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে স্যাডি সিংককে তার পরিচিত উজ্জ্বল লাল চুলের বদলে গাঢ় রঙের চুল এবং ঘন ভ্রুতে দেখা যায়। অনেকের ধারণা, এটি হয়তো ‘স্পাইডারম্যান : ব্র্যান্ড নিউ ডে’র কোনো দৃশ্য। আবার কেউ মনে করছেন, এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি হতে পারে কিংবা অন্য কোনো প্রকল্পের অংশ। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।

ভিডিওর একটি সংক্ষিপ্ত অংশে দেখা যায়, পাশে থাকা একজনের দিকে দ্রুত তাকিয়ে স্যাডি বলেন, ‘হোয়াট উড ইউ ডু ইফ (তুমি কী করতে, যদি...)।’ এরপরের অংশটি প্রকাশ করা হয়নি।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ভক্তদের মধ্যে নতুন করে শুরু হয়েছে চরিত্র নিয়ে জল্পনা। অনেকেই জানতে চাইছেন, নতুন ‘স্পাইডারম্যান’ সিনেমায় স্যাডি সিঙ্ক কি জিন গ্রে, গ্যোয়েন স্টেসি, নাকি মেরি জেন (এমজে) চরিত্রে অভিনয় করছেন।

তবে এ বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন সিনেমাটির পরিচালক ডেস্টিন ড্যানিয়েল ক্রেটন। 

‘দ্য হলিউড রিপোর্টার’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্যাডির চরিত্র সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করতে রাজি হননি।

তিনি বলেন, ‘এই রহস্যই সিনেমাটিকে আরও উপভোগ্য করে তুলবে।’

ক্রেটনের ভাষায়, ‘সিনেমাটি দেখলেই বুঝতে পারবেন কেন আমরা এত গোপনীয়তা বজায় রেখেছি। কিছু বিষয় আগে থেকে না জানলে সিনেমাটি আরও ভালো লাগে। আমার তো ইচ্ছা, দর্শকরা যেন কিছুই না জেনে হলে প্রবেশ করেন। আমরা অন্য কোনও কারণে নয়, শুধু দর্শকদের অভিজ্ঞতা অক্ষুন্ন রাখতে এসব তথ্য গোপন রেখেছি। যারা মুক্তির প্রথমেই সিনেমাটি দেখবেন, তারা অনেক বেশি রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা পাবেন, যদি কিছু বিষয় আগে থেকে না জানেন।’

মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের (এমসিইউ) নতুন এই সিনেমাটি ভারতে ৩০ জুলাই এবং যুক্তরাষ্ট্রে ৩১ জুলাই মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। মুক্তির আগে রহস্যময় ভিডিও ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের কৌতূহল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন ‘মেঘ মিলন’ গায়ক | কালের কণ্ঠ