• ই-পেপার

সঞ্চয়পত্র ভাঙাতে না পারলে আকবরের চিকিৎসা হবে না

রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কোয়েল মল্লিক

বিনোদন ডেস্ক
রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কোয়েল মল্লিক
সংগৃহীত ছবি

পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী এবং তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্য কোয়েল মল্লিক অবশেষে উচ্চকক্ষের সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। কয়েকদিন ধরেই তাঁর পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনাই সত্যি হলো।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের কাছে ইমেইলের মাধ্যমে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন কোয়েল মল্লিক।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস পরাজয়ের মুখ দেখার পর থেকেই দলটির অভ্যন্তরে নানা পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। এরই ধারাবাহিকতায় এর আগে তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইকও পদত্যাগ করেছেন। কোয়েল মল্লিকের পদত্যাগের পর রাজ্যসভায় দলটির সদস্যসংখ্যা ১৩ থেকে কমে ৯-এ দাঁড়িয়েছে।

রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই দলটির আরও কয়েকজন সদস্য পদত্যাগ করতে পারেন।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন অভিনয়জগতেই সক্রিয় থাকলেও রাজনীতির ময়দান থেকে নিজেকে দূরে রেখেছিলেন কোয়েল মল্লিক। তাই ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যসভার নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকায় তাঁর নাম ঘোষণার পর অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন। পরে এপ্রিল মাসে দিল্লিতে গিয়ে তিনি রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেন।

সেই সময় নিজের নতুন দায়িত্ব নিয়ে কোয়েল বলেছিলেন, ‘অনেক ভেবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তা নয়। এটা তো একটা মহৎ দায়িত্ব, দেশের সেবা, মানুষের সেবা—এর থেকে তো বড় মহৎ কাজ হতে পারে না।’

তবে তৃণমূল কংগ্রেসের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই তিনি রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও তাঁর পদত্যাগের নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

অবশেষে সিনেমায় আদনান আল রাজীব, আসছেন প্রেমের গল্প নিয়ে

বিনোদন প্রতিবেদক
অবশেষে সিনেমায় আদনান আল রাজীব, আসছেন প্রেমের গল্প নিয়ে
সংগৃহীত ছবি

বিজ্ঞাপন নির্মাতা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের কাছে পরিচিত আদনান আল রাজীব। বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি তার নির্মিত একাধিক টেলিভিশন নাটকও দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজের কাজের স্বীকৃতি অর্জন করেছেন তিনি। 

গত বছর তার নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আলী’ কান চলচ্চিত্র উৎসবের স্বল্পদৈর্ঘ্য বিভাগে জায়গা করে নিয়ে দেশের জন্য এক নতুন ইতিহাস গড়ে। পরে ছবিটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উৎসবেও প্রশংসা ও পুরস্কার অর্জন করে।

এরপর থেকেই দর্শকদের মধ্যে প্রশ্ন ছিল, কবে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা নির্মাণ করবেন এই নির্মাতা। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নিজের প্রথম সিনেমার ঘোষণা দিলেন আদনান আল রাজীব। আর তার প্রথম চলচ্চিত্র হবে একটি প্রেমের গল্প।

শুক্রবার নিজের ফেসবুক পোস্টে দীর্ঘ এক বার্তায় রাজীব লিখেছেন, ‘অ্যাডভারটাইজিং ক্যারিয়ারের একেবারে শুরুর দিকে একটা প্রেমের গল্প বানিয়েছিলাম ‘কাছে আসার গল্প’। সেই সময়ের হিসেবে ওটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় হিট। সেখান থেকেই মনের ভেতর একটা স্বপ্ন জন্মেছিল, কোনো এক দিন একটা প্রেমের সিনেমা বানাব। স্বপ্নেরও বয়স বাড়ে। দেখতে দেখতে অনেক বছর কেটে গেল। এর মধ্যে অনেক গল্প বলেছি। অনেক চরিত্র এসেছে, আবার চলে গেছে। কিন্তু নিজের মতো করে একটা প্রেমের গল্প খুঁজে ফিরেছি সব সময়। এমন একটা গল্প, যেটা সত্যি আমার।’

প্রেমের গল্প খুঁজে পাওয়ার দীর্ঘ যাত্রার কথাও তুলে ধরেছেন তিনি। রাজীব লিখেছেন, ‘গল্পগুলো অনেকটা ভালোবাসার মানুষের মতো। কেউ কেউ হঠাৎ এসে দরজায় কড়া নাড়ে। কেউ আসে না। দূরে বসে থাকে। ডাকলেও আসে না। আমার গল্পটাও তেমন ছিল। চুপচাপ বসে ছিল। আমিও চুপচাপ তার পাশে বসে ছিলাম। লিখেছি। কেটেছি। আবার লিখেছি। কখনো মনে হয়েছে পেয়ে গেছি। পরে বুঝেছি পাইনি।’

অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসানের ইঙ্গিত দিয়ে পোস্টের শেষ অংশে তিনি তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমার ঘোষণা দেন। 

রাজীব লিখেছেন, ‘হঠাৎ এক দিন খেয়াল করলাম, গল্পটা আর দূরে বসে নেই। ধীরে ধীরে আমার পাশে এসে বসেছে। গল্পটা এখন স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি। আমার জীবনের প্রথম সিনেমা বানাতে যাচ্ছি। দেখা হবে সিনেমা হলে।’

যদিও সিনেমাটির নাম, অভিনয়শিল্পী কিংবা মুক্তির সময় সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি নির্মাতা, তবে তার ঘোষণার পর থেকেই চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মধ্যে নতুন এই প্রেমের সিনেমা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
 

শুটিং সেটে ‘বার’ লেখা সাইনবোর্ড ঘিরে স্থানীয়দের উত্তেজনা

বিনোদন ডেস্ক
শুটিং সেটে ‘বার’ লেখা সাইনবোর্ড ঘিরে স্থানীয়দের উত্তেজনা
সংগৃহীত ছবি

আউটডোর শুটিংয়ের সময় স্থানীয় পরিবেশ ও সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করার বিষয়টি চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে কখনো কখনো একটি ছোট বিষয়ও বড় বিতর্কের জন্ম দেয়। এবার এমনই এক ঘটনার মুখে পড়েছে ইমরান হাশমির নতুন সিনেমার শুটিং।

বর্তমানে উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে একটি নতুন সিনেমার শুটিংয়ে ব্যস্ত রয়েছেন ইমরান হাশমি। যদিও ছবিটির নাম এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে শুটিং সেট থেকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনেমার প্রয়োজনে একটি কৃত্রিম রেস্তোরাঁর সেট তৈরি করা হয়েছিল। সেই সেটে লাগানো একটি সাইনবোর্ডে লেখা ছিল ‘ক্যাফে অ্যান্ড বার’। আর এই ‘বার’ শব্দটিকেই কেন্দ্র করে আপত্তি তোলেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয়দের সঙ্গে প্রযোজনা টিমের সদস্যদের উত্তপ্ত বাগ্‌বিতণ্ডা। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তারক্ষী ও প্রযোজনা সংস্থার কয়েকজন সদস্যকে এগিয়ে আসতে দেখা গেলেও ভিডিওতে ইমরান হাশমিকে দেখা যায়নি।

স্থানীয়দের দাবি, ‘বার’ শব্দটি ধর্মীয় মর্যাদায় আঘাত করে। শুটিং সেটের সাইনবোর্ডটি নজরে আসতেই বিতর্কের সূত্রপাত বলেই খবর।

এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত ইমরান হাশমি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে উত্তরাখণ্ডে ভক্তদের সঙ্গে তার তোলা কয়েকটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে তিনি বর্তমানে সেখানেই শুটিং করছেন।

এদিকে, ইমরান হাশমির হাতে রয়েছে দুটি নতুন সিনেমা—‘আওয়ারাপন ২’ ও ‘জি টু’। সম্প্রতি ‘আওয়ারাপন ২’-এর নির্মাতারা জানিয়েছেন, ছবিটির শুটিং ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। আগামী ১৪ আগস্ট সিনেমাটি মুক্তির কথা রয়েছে। 

একই দিনে মুক্তি পাবে সানি দেওলের নতুন ছবি ‘বাটওয়ারা’। ফলে বক্স অফিসে দুই তারকার সিনেমার মধ্যে জমজমাট প্রতিযোগিতার আভাস মিলছে।

অক্ষয় কুমার কি অভিনয় থেকে অবসর নিচ্ছেন?

বিনোদন ডেস্ক
অক্ষয় কুমার কি অভিনয় থেকে অবসর নিচ্ছেন?
সংগৃহীত ছবি

বলিউডে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সফলভাবে কাজ করে যাচ্ছেন অক্ষয় কুমার। প্রায় ৩৬ বছরের অভিনয়জীবনে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে দেড় শতাধিক সিনেমা। ক্যারিয়ারে একাধিক উত্থান-পতনের মুখোমুখি হলেও কখনোই পিছিয়ে যাননি তিনি। 

সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি ছবি প্রত্যাশিত সাফল্য না পেলেও কাজের প্রতি তাঁর আগ্রহে কোনো ভাটা পড়েনি।

সম্প্রতি ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’-এর ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠানে অক্ষয় কুমারের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তিনি কখনও অভিনয় থেকে অবসর নেওয়ার কথা ভেবেছেন কি না। উত্তরে নিজের স্বভাবসুলভ রসিকতার মধ্যেই স্পষ্ট করে দেন, আপাতত এমন কোনো পরিকল্পনা তাঁর নেই।

হাসতে হাসতে অক্ষয় বলেন, ‘আমি যদি অবসর নিই তাহলে বাড়িতে বসে ইলেকট্রিশিয়ানের কাজ করব, কুকুর হাঁটানোর কাজ করব, প্রয়োজনে মালী হয়ে যাব। বাড়ির সব কাজই আমার ঘাড়ে এসে পড়বে। তাই আমার মনে হয় কাজে যাওয়াই শ্রেয়। এখুনি অবসর না নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।’

তাঁর এই মন্তব্যে উপস্থিত সবাই হাসিতে মেতে ওঠেন। এরপর আরেক সাংবাদিক বলেন, অবসর নিলে পরিবারের সঙ্গে আরও বেশি সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন। 

জবাবে অক্ষয়ও মজার ছলে বলেন, ‘আমি যাঁদের সঙ্গে সময় কাটাই তারাই আমাকে বলে আপনি কাজে যান।’

রসিকতার আড়ালেই নিজের জীবনদর্শনের কথাও তুলে ধরেন এই অভিনেতা। তাঁর কথায়, ‘অবসর শব্দটাই আমার ভীষণ অপছন্দের। মৃত্যুর পাঁচ মিনিট আগে অবসর নেওয়া উচিত। আমি তো সবাইকে বলব যতক্ষণ পারবেন নিজেকে কাজের মধ্যে নিমজ্জিত রাখুন।’

অক্ষয় আরো জানান, কখনও কখনও তাঁর মনেও অবসরের চিন্তা আসে, তবে তা খুব বেশি সময় স্থায়ী হয় না। 

তিনি বলেন, ‘তবে আমিও মাঝেমধ্যে অবচেতন মনেই অবসরের কথা ভেবে ফেলি। ভোর চারটার সময় ঘুম থেকে উঠলে মাঝে মাঝে এটা মনে হয়। কিন্তু পাঁচ সেকেন্ড পরই মনে পড়ে যায় শুটিংয়ে যেতে হবে। তিনশো মানুষ আমার জন্য অপেক্ষা করছে। তখন অবসরের চিন্তা উধাও হয়ে যায়। মনে হয়, কাল অবসর নেব। পরদিন ভোর চারটায় সময় উঠে আবার সেই একই ভাবনা। এভাবেই ছত্রিশ বছর কেটে গেল।’
 

সঞ্চয়পত্র ভাঙাতে না পারলে আকবরের চিকিৎসা হবে না | কালের কণ্ঠ