• ই-পেপার

যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১০

উত্তরায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের

নিজস্ব প্রতিবেদক
উত্তরায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর উত্তরায় আজমপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় মো. ফজলুল করিম (৮৫) নামে এক বৃদ্ধ পথচারী নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৫ জুন) সকাল সাড়ে নয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ওই বৃদ্ধকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসা পথচারী জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, সকালে আজমপুর ফুটওভার ব্রিজের অদূরে রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় রাস্তায় ছিটকে পড়ে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হন ওই বৃদ্ধ। পরে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য দুপুর একটার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত ফজলুল করিম উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরের বাসিন্দা নিজ ফ্ল্যাটে পরিবার নিয়ে থাকতেন। তার এক ছেলে লন্ডনে থাকেন।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী রায়হানা বিলকিস করিম জানান, তার স্বামী শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। সকালে বাসা থেকে না বলেই বের হয়েছিলেন তিনি। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পান তিনি সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। 

সোমবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
সোমবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

নানা প্রয়োজনে ঢাকার বাসিন্দারা দোকানপাট ও মার্কেট যান। কিন্তু তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে যদি দেখতে পান সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে বিফলে যাবে সব। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক সোমবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ
আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলা নগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস, ওল্ড ডিওএইচএস, কাকলী, তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট এরিয়া, তেজগাঁও ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান-১, ২, বনানী, মহাখালী কমার্শিয়াল এরিয়া, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টারসিটি বাস টার্মিনাল এরিয়া, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ীর একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ ও সানারপাড়।

অর্ধদিবস বন্ধ যেসব মার্কেট
পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসি পল্লী, ইব্রাহীমপুর বাজার, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ এবং ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোরান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স ও মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ড সুপার মার্কেট।

জেনেভা ক্যাম্পে গডফাদারদের ছত্রছায়ায় আরো বেড়েছে মাদক ব্যবসা

নিজস্ব প্রতিবেদক
জেনেভা ক্যাম্পে গডফাদারদের ছত্রছায়ায় আরো বেড়েছে মাদক ব্যবসা
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্পে ৫ আগস্ট পরবর্তী দফায় দফায় অভিযানের পরও মাদক কারবার এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বর্তমানে পুলিশের তালিকাভুক্তদের মধ্যে গডফাদারদের ঘিরে জেনেভা ক্যাম্পে সাধারণ মানুষদের মধ্যে আতঙ্ক রয়েছে।

তারা হলেন- মনু ওরফে গাল কাটা মনু, ইমতিয়াজ, শাহ আলম ও বিল্লু এখন প্রকাশ্যে জেনেভা ক্যাম্পে খুচরা মাদক কারবারিদের নেতৃত্ব দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এছাড়াও সালাম, নেটা সেলিম, ইরফান, লালনসহ পুলিশের অনেক তালিকাভুক্ত গডফাদার ক্যাম্পে মাদক ব্যবসার নেতৃত্ব দেয়। তাদের প্রত্যেকের ৪০ থেকে ৫০ জনের বেশি সহযোগী ক্যাম্প ও আশপাশের এলাকায় ঘুরে ঘুরে অনেকটা প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করে। 

কখনো লাইন ধরে অনেকটা রিলিফের পণ্যের মতোও তাদের কাছ থেকে মাদক কিনতে দেখা যায় সরেজমিনে। অথচ এ এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বারবার জোরালো অভিযানেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি এই মরণনেশার লেনদেন।

এদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দীন কালের কণ্ঠকে বলেন, জেনেভা ক্যাম্পের মাদক গডফাদারদের মধ্যে অনেকেই এরই মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছে। বর্তমানে যারা গ্রেপ্তার হয়নি তাদেরকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তারা থানা তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি। তাদের ধরতে অভিযান চলছে।

পুলিশ জানায় সর্বশেষ গত সোমবার রাতে ক্যাম্পে অভিযানের আগেই তারা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাদক গডফাদাররা আধিপত্য ধরে রাখতে ক্যাম্পে তাদের সহযোগীদের দিয়ে বিপুল অস্ত্রের মজুদ করেছে। এতে প্রায়ই বেধে যাচ্ছে সংঘর্ষ। এর জেরে প্রাণ যাচ্ছে এলাকার নিরীহ মানুষের। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এক আতঙ্কের জনপদ। শুধু মাদক কারবারই নয়, প্রায়ই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে এ এলাকায়। এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কের মধ্যে থাকেন। মাঝে মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান হয় এতে কিছুদিনের জন্য স্বস্তি ফিরলেও ফের একই পরিস্থিতি চলে।

অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছে, মোহাম্মদপুর থানাধীন আটকেপড়া পাকিস্তানিদের আবাসস্থল জেনেভা ক্যাম্পে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা চলছে। সেখানে হাত বাড়ালেই মাদক পাওয়া যায়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও তাদের ক্রেতা। মাদক নিয়ন্ত্রণে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আরো কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। না হলে সমাজে বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ক্যামেরা এলাকায় পুলিশের একাধিক সূত্র বলছে, মোহাম্মদপুর বিহারী ক্যাম্পসহ আশপাশের এলাকা অপরাধমূলক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার (সিসিটিভি) আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে পুলিশ। 

সর্বশেষ গত সোমবার মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে র‌্যাব, পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি)। মাদক অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে চার ঘণ্টাব্যাপী এই বিশেষ অভিযানে ১৬ জনকে আটক করা  হয়। তবে এদের মধ্যে শীর্ষ পর্যায়ের ‘গডফাদার’ মাদক ব্যবসায়ী নেই মোহাম্মদপুর থানার ওসি জানান। মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ সূত্র নিশ্চিত করেছে, মাদকবিরোধী অভিযানে অফিসারসহ সব মিলিয়ে তিন বাহিনীর বিশাল বহর এই অভিযানে অংশ নেয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, গত ৩০ এপ্রিল থেকে রাজধানীসহ সারা দেশে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই এই তৎপরতা বৃদ্ধি পায়।

সূত্র বলছে, আইনের দুর্বলতার কারণে অনেক অপরাধীকে আটক করার পরও দীর্ঘ সময় জেলে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। 

পুলিশ ও ক্যাম্পের বাসিন্দাদের সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়, এর আগে মাদক অপরাধীদের হাতে খুন হয় শাহ আলম নামের এক নিরাপরাধ তরুণ। তাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। গত এক বছরে একই কারণে এই মাদক কারবারিরা আরো পাঁচজন খুন করে। তাদের চাপাতির কোপে ও গুলিতে আহত হয় অর্ধ শতাধিক লোক। এর মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে।

পুলিশ বলছে, ক্যাম্পের অন্তত ৮০ শতাংশ লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এখন মাদকে জড়িয়ে পড়েছে। তবে ক্যাম্পের বাসিন্দারা বলছে, ক্যাম্পে দারিদ্র্যের পাশাপাশি রয়েছে বেকারত্ব। এর সুযোগ নিচ্ছে মাদক ব্যবসায়ীরা।  

পুলিশ বলছে, সম্প্রতি জেনেভা ক্যাম্পে তারা গোয়েন্দা অনুসন্ধান চালিয়ে জানতে পেরেছেন, ক্যাম্পের ৮০ শতাংশ বাসিন্দা মাদক ব্যবসায় জড়িত। জামিনে থাকাদের পাশাপাশি অন্তত ২০ জন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী এখনো নিয়ন্ত্রণ করছে ক্যাম্পের মাদক কারবার। তারা ক্যাম্পে থাকে না। শিশু ও কিশোরদের পাশাপাশি নারীদেরও ব্যবহার করে তারা ক্যাম্পে মাদক কারবার করছে।

সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, জেনেভা ক্যাম্পে ছোট ছোট ঘর রয়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে পান-সিগারেট-চায়ের অনেক দোকান। এর বাইরে ভাসমান কিছু দোকান রয়েছে। এসবের অনেকগুলো মাদক ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করে।

পুলিশ বলছে, গত এক বছরে মোহাম্মদপুর থানায় যেসব মামলা হয়েছে, এর অন্তত ৬০ শতাংশ মামলা হয়েছে মাদককে কেন্দ্র করে। এসব শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনেকেই ৫ আগস্ট-পরবর্তী সরকার পরিবর্তনের পর যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছিল। তবে বিভিন্ন সময়ে জামিনে বের হয়ে তাদের অনেকেই ফের আগের মতো ক্যাম্পে মাদক ব্যবসা শুরু করে। এর মধ্যে বুনিয়া সোহেল ৩৬ মামলার আসামি। অন্যদের বিরুদ্ধেও ১০ থেকে ১২টি করে মাদকদ্রব্যসংক্রান্ত মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।

এক বছরে যারা নিহত : বিভিন্ন সময়ে ক্যাম্পে মাদক বিরোধে সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন। গত বছরের ৬ আগস্ট ক্যাম্পে গুলিতে মারা যান শাহেন শাহ নামের এক যুবক। একই দিনে গলায় গুলিবিদ্ধ হন শুভ নামের আরেক যুবক। তার আগে শাহ আলম নামে এক তরুণকে হত্যা করা হয়। পরে ১৭ আগস্ট আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়, যা চলে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত। আরেক দফা বিরতির পর আবার ৩০ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংঘর্ষ হয়। ৪ সেপ্টেম্বর সোহেলের গুলিতে মারা যান অটোরিকশাচালক সাদ্দাম হোসেন সনু। আহত হন কুরাইশ। এরপর ২২ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে পরদিন সকাল পর্যন্ত চলে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি ও গোলাগুলি। এর মধ্যে চুয়া সেলিমের স্ত্রী নাগিন বেগম এবং ২৩ সেপ্টেম্বর চারকো ইরফান গুলিবিদ্ধ হন। ২৪ সেপ্টেম্বর গুলিবিদ্ধ সাগর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি পেশায় কসাই ছিলেন। এর আগে ৩১ মে ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলিতে মারা যায় রাসেল নামের এক শিশু।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বুনিয়া সোহেল নিজে মোটরসাইকেলে করে এসে ককটেল ফাটিয়ে চলে যায়। এরপর থেকে ক্যাম্পের বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

ক্যাম্পের বাসিন্দারা যা বলছেন : ক্যাম্পের এক বাসিন্দা কালের কণ্ঠকে বলেন, এখনো এই ক্যাম্পের মাদক নিয়ন্ত্রণকারীদের মধ্যে বুনিয়া সোলের লোকজন ক্যাম্পের ৭ নম্বর সেক্টরে মাদক কারবার করছে। আর চুয়া সেলিমের এলাকা হচ্ছে এবি-ব্লক পাক্কা (পাকা) ক্যাম্প।  

গুলিবিদ্ধ ‘কাইল্লা পলাশ’

‘অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক’, স্থানান্তর বেসরকারি হাসপাতালে

নিজস্ব প্রতিবেদক
‘অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক’, স্থানান্তর বেসরকারি হাসপাতালে

রাজধানীর রামপুরায় গুলিবিদ্ধ ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্লা পলাশকে’ (৫০) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

রবিবার (১৪ জুন) রাত সোয়া ১২টার দিকে লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে অন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক।

এর আগে গত শুক্রবার দুপুরে পশ্চিম রামপুরার মক্কি মসজিদ সংলগ্ন রয়েল মিষ্টির দোকানের সামনে তাকে গুলি করা হয়।

প্রাথমিক তথ্যে জানা যায়, আগে থেকেই দুই যুবক সেখানে অবস্থান করছিল। নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় তারা পলাশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর স্থানীয়রা হামলাকারীদের ধাওয়া দিলে তারা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় পলাশকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তার শারীরিক অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১০ | কালের কণ্ঠ