• ই-পেপার

সোমবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

গ্রাহকের ফ্রি চিকিৎসাসেবায় হটলাইন চালু করল ওয়ালটন

একযোগে ৭ শতাধিক প্লাজায় ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প

অনলাইন ডেস্ক
গ্রাহকের ফ্রি চিকিৎসাসেবায় হটলাইন চালু করল ওয়ালটন
সংগৃহীত ছবি

গ্রাহকদের ফ্রি চিকিৎসাসেবার জন্য হটলাইন চালু করেছে দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিক্রয় ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন প্লাজা। বুধবার (২৪ জুন) সারাদেশে দিনব্যাপী মেডিক্যাল ক্যাম্পের আওতায় জনসাধারণকে ফ্রি চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এদিন একযোগে ৭ শতাধিক ওয়ালটন প্লাজায় দিনব্যাপী এই চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। এসময় ওয়ালটন প্লাজার গ্রাহক থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ ফ্রি মেডিক্যাল সেবা গ্রহণ করে।

রাজধানীর মিরপুর মাজার রোড ওয়ালটন প্লাজায় ফিতা কেটে মেডিক্যাল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং পার্টনার এস এম মাহবুবুল আলম। এসময় তিনি ওয়ালটন প্লাজার হ্যাপিনেস অ্যান্ড হেলথ কেয়ার প্রজেক্টের আওতায় গ্রাহকদের ফ্রি চিকিৎসাসেবা দেওয়ার লক্ষ্যে একটি বিশেষ হটলাইন নাম্বার (০৯৬০৬-৯৯০০২৯) উদ্বোধন করেন। সদ্য চালু হওয়া এই হটলাইন নাম্বারে কল করে ফ্রি চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন ওয়ালটন প্লাজার গ্রাহকগণ।

এদিন ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের আওতায় রোগিদের ব্যবস্থাপত্র এবং ওষুধ প্রদান করা হয়। এছাড়াও থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ছিলো রক্তদান কর্মসূচী। ওয়ালটন প্লাজা থেকে সংগৃহীত রক্ত ব্যবহার করা হবে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীদের সেবায়।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হানসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং চিকিৎসাসেবা গ্রহণকারীগণ। এ ছাড়া অনলাইনে সারা দেশের সব ওয়ালটন প্লাজার প্রতিনিধিরা যুক্ত হন।

আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে ৩ দিনের বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে ৩ দিনের বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা
সংগৃহীত ছবি

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে পুরান ঢাকার হোসেনি দালান ইমামবাড়া থেকে তাজিয়া মিছিল নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।নির্দেশনা অনুযায়ী বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে তাজিয়া মিছিল শেষ না হওয়া পর্যন্ত লালবাগ বিভাগের কিছু সড়ক সাময়িকভাবে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রিত ও বন্ধ রাখা হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, হোসেনি দালান ইমামবাড়ার উত্তর গেট, হোসেনি দালান মোড়, বকশী বাজার মোড়, বকশি বাজার (কল পাড়) মোড়, নল উমেশ দত্ত রোড, কারা সদর দফতর নতুন রাস্তা, চক বাজার থানার সামনে শাহী মসজিদ মোড়, চক বাজার মডেল থানা মোড়, চক-সার্কুলার রোড, চক বাজার শাহী মসজিদ, নূরাণী কোল্ড ড্রিংক্স, বেগম বাজার রোড, নাজিমুদ্দিন রোড, চাঁনখারপুল বা নিমতলী ক্রসিং, হোসেনি দালান রোড হয়ে পুনরায় হোসেনি দালান ইমামবাড়ায় ফিরতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দিবাগত রাত ২টা থেকে তাজিয়া মিছিল শেষ না হওয়া পর্যন্ত লালবাগ বিভাগের কিছু সড়ক সাময়িকভাবে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রিত ও বন্ধ রাখা হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী হোসেনি দালান ইমামবাড়া, চাঁনখারপুল বা নিমতলী ক্রসিং, নাজিমুদ্দিন রোড, জেল রোড, হাজী সেলিম টাওয়ার রোড, চক-সার্কুলার রোড, চক বাজার মডেল থানা মোড়, চক বাজার, থানার সামনে শাহী মসজিদ মোড়, কারা সদর দফতর নতুন রাস্তা, উমেশ দত্ত রোড, বকশি বাজার (কল পাড়) মোড়, বকশি বাজার লেন, হোসেনি দালান রোড হয়ে হোসেনি দালান ইমামবাড়ায় ফিরতে হবে।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল ১০টা থেকে তাজিয়া মিছিল শেষ না হওয়া পর্যন্ত লালবাগ বিভাগের নিম্নলিখিত সড়কগুলোতে সাময়িকভাবে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রিত ও বন্ধ রাখা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে, হোসেনি দালান ইমামবাড়া, হোসেনি দালান রোড, বকশি বাজার লেন, আলিয়া মাদ্রাস মোড়, বকশি বাজার (কল পাড়) মোড়, উমেশ দত্ত রোড, উর্দু রোড মোড়, হরনাথ ঘোষ রোড, লালবাগ চৌরাস্তা মোড়, গোর-এ-শহীদ মাজার মোড়, এতিমখানা মোড়, আজিমপুর চৌরাস্তা মোড়, ইডেন কলেজ, নিউমার্কেট মোড়, মিরপুর রোড, ঢাকা কলেজ, সাইন্স ল্যাব মোড়, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ২ নম্বর রোড, বিজিবি ৪ নম্বর গেট, সাত মসজিদ রোড, ঝিগাতলা ধানমন্ডি লেক (কারবালা) বাসস্ট্যান্ড।

এ সময় নগরবাসী ও মোটরযান চালকদের বিকল্প সড়ক ব্যবহার এবং ট্রাফিক পুলিশের নির্দেশনা অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করছে ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগ।

দুর্যোগ মোকাবেলায় রাজধানীতে ৪৫০ অ্যাসেম্বলি পয়েন্ট নির্ধারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
দুর্যোগ মোকাবেলায় রাজধানীতে ৪৫০ অ্যাসেম্বলি পয়েন্ট নির্ধারণ
ছবি : কালের কণ্ঠ

ভূমিকম্পসহ বড় ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় রাজধানী ঢাকাকে আরো প্রস্তুত ও সহনশীল নগরীতে রূপান্তরের লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য ১ লাখ প্রশিক্ষিত ‘ফার্স্ট রেসপন্ডার’ বা স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্যোগের পর নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় ৪৫০টি অ্যাসেম্বলি পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে।

বুধবার রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে অনুষ্ঠিত আরবান আইএনজিও ফোরাম বাংলাদেশের ‘নবম আরবান ডায়ালগ ২০২৬’-এ এসব তথ্য জানানো হয়। সংলাপে নীতিনির্ধারক, নগর পরিকল্পনাবিদ, গবেষক, উন্নয়ন সহযোগী, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি ও কমিউনিটি নেতারা অংশ নেন।

সচিব মো. সাইদুর রহমান খান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ভূমিকম্প ঝুঁকি নিয়ে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ প্রস্তুতি বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সক্ষমতা সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার অংশ হিসেবে ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যারা দুর্যোগের সময় প্রথম সাড়া প্রদানকারী হিসেবে কাজ করবে। তারা উদ্ধার কার্যক্রম, প্রাথমিক চিকিৎসা, জরুরি সহায়তা ও নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরে ভূমিকা রাখবে।

সচিব আরো জানান, অতীতে থাকা প্রায় ১ লাখ ৪৫ হাজার ভলান্টিয়ারের ডাটাবেস হালনাগাদ করা হচ্ছে। নতুন তালিকায় ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৫০ হাজার ৫০০ জনের নতুন তালিকা প্রস্তুত হয়েছে। অবশিষ্ট স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের জন্য শিগগিরই উন্মুক্ত আবেদন আহ্বান করা হবে।

দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে মানুষের নিরাপদ অবস্থান নিশ্চিত করতে রাজধানীতে ৪৫০টি অ্যাসেম্বলি পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো প্রধানত খোলা স্থান, মাঠ ও উপযুক্ত এলাকা থেকে নির্বাচন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তালিকাটি অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হবে এবং এসব স্থানে নিয়মিত মহড়া ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আরো কার্যকর করতে সশস্ত্র বাহিনী, ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন সংস্থার ভারী যন্ত্রপাতির তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। পাশাপাশি হেলিকপ্টার সেবা, হাসপাতালের শয্যা-সক্ষমতা ও জরুরি চিকিৎসা অবকাঠামোর তথ্যও সংগ্রহ করা হচ্ছে।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সমন্বয় বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি জাতীয় টাস্কফোর্স গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। দুর্যোগকালীন সমন্বয় নিশ্চিত করতে ‘ইনসিডেন্ট কমান্ড সিস্টেম (আইসিএস)’ চালুর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।

বিদেশি সহায়তা দ্রুত ব্যবস্থাপনার জন্য সিভিল অ্যাভিয়েশন বা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ‘হিউম্যানিটারিয়ান স্টেজিং এরিয়া’ গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান সচিব। তিনি বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আবহাওয়া অধিদপ্তর ও ফায়ার সার্ভিসকে মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

শিক্ষাব্যবস্থায় দুর্যোগ প্রস্তুতি অন্তর্ভুক্ত করতে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে পাঠ্যক্রমে বিষয়টি আরো গুরুত্ব দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শারীরিক শিক্ষার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, দ্রুত নগরায়ণ, ভূমিকম্প ঝুঁকি ও জনসংখ্যার চাপের বাস্তবতায় বাংলাদেশকে দুর্যোগ-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ার পরিবর্তে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির ওপর জোর দিতে হবে। রাজধানী ঢাকাকে একটি নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও দুর্যোগ সহনশীল নগরীতে রূপান্তর করতে সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য।

কদমতলীতে মারধরে আহত যুবকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
কদমতলীতে মারধরে আহত যুবকের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় মারধরের শিকার মো. রাসেল (২৮) নামের এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২৩ জুন) দিবাগত রাতে মাতুয়াইলের একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তার মৃত্যু হয়।

নিহত রাসেল নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা উপজেলার রসুলপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে। তিনি কদমতলীর মুন্সীখোলা এলাকার একটি রডের দোকানে কর্মরত ছিলেন। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে রাসেল ছিলেন সবার বড়।

জানা গেছে, সোমবার (২২ জুন) দিবাগত রাতে আর্জেন্টিনার খেলা দেখার কথা বলে বাসা থেকে বের হন রাসেল। পরে রাতে কদমতলী থানার মুন্সীখোলা নদীর পাড় এলাকা থেকে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

নিহতের বোন রেশমা আক্তার বলেন, ‘সোমবার রাতে ভাইয়া যখন বাইরে যায়, আমি ফোন করেছিলাম। ভাইয়া বলেছিল, খেলা দেখছে এবং ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বাসায় ফিরবে। কিন্তু পরে খবর পাই তিনি গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে আছেন।’

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রাসেলের পরিচিত রনি নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি তাকে মুন্সীখোলা নদীর পাড় থেকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় পপুলার হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে খানপুর হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাত দুইটার দিকে খবর পেয়ে রাসেলের মা হাসপাতালে যান। পরে সেখান থেকে রাসেলকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

রেশমা আক্তার আরও বলেন, ঢামেক হাসপাতালের চিকিৎসকেরা রাসেলের অবস্থা আশঙ্কাজনক জানিয়ে দ্রুত আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু সেখানে আইসিইউ বেড খালি না থাকায় চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে মাতুয়াইলের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দিবাগত রাতে তার মৃত্যু হয়। তবে কী কারণে বা কারা রাসেলকে মারধর করেছে, সে বিষয়ে পরিবারের সদস্যরা কিছুই জানাতে পারেননি।

খবর পেয়ে পুলিশ মাতুয়াইলের ওই হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে রাত তিনটার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফারুক বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

সোমবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ | কালের কণ্ঠ