• ই-পেপার

‘ইকরার সঙ্গে আমার সম্পর্ক খুব ভালো ছিল’, আদালতে দাবি আলভীর

চোখ-মুখ ফুলে যাওয়ায় ভক্তদের উদ্বেগ, অসুস্থ সালমান খান?

বিনোদন ডেস্ক
চোখ-মুখ ফুলে যাওয়ায় ভক্তদের উদ্বেগ, অসুস্থ সালমান খান?
সংগৃহীত ছবি

বলিউড সুপারস্টার সালমান খানকে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে স্বাস্থ্যগত উদ্বেগ। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতির পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ছবি ও পোস্টকে কেন্দ্র করে ভক্তদের মধ্যে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।

কয়েকদিন আগে ‘আমির খান প্রোডাকশনস’-এর ২৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন সালমান। কালো পোশাক, হালকা দাড়ি এবং ন্যাড়া মাথার নতুন লুকে অভিনেতাকে দেখে অনেকেই তাঁর জনপ্রিয় সিনেমা তেরে নাম-এর ‘রাধে’ চরিত্রের কথা মনে করেন। সেই লুক ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

তবে পরবর্তীতে ভারতীয় কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এই পরিবর্তিত চেহারার পেছনে স্বাস্থ্যগত কারণ থাকতে পারে। বিশেষ করে তাঁর সাম্প্রতিক কিছু ছবি দেখে অনেকেরই মনে হয়েছে, অভিনেতার ওজন বেড়েছে এবং মুখমণ্ডলে কিছুটা ফোলাভাব দেখা যাচ্ছে।

মঙ্গলবার এক্স (সাবেক টুইটার)-এ ভাইরাল হওয়া একটি পোস্টে একজন ব্যবহারকারী দাবি করেন, সালমান নাকি কিছু শারীরিক জটিলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

ওই পোস্টে আরো বলা হয়, পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরামর্শ দিলেও তিনি নাকি বর্তমানে হাতে থাকা কাজ শেষ না করে বিদেশ যেতে রাজি নন।

ভাইরাল পোস্টে আরো দাবি করা হয়েছে, স্টেরয়েড ব্যবহারের কারণেই তাঁর ওজন ওঠানামা করতে পারে। তবে এসব দাবির পক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ বা চিকিৎসাগত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

সালমান খান কিংবা তাঁর টিমের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি। 

এদিকে ভক্তদের একাংশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রিয় তারকার সুস্থতা কামনা করছেন।

দেশে আসছে নতুন ‘সুপারগার্ল’

বিনোদন প্রতিবেদক
দেশে আসছে নতুন ‘সুপারগার্ল’
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ চার দশকের অপেক্ষার পর আবারও বড় পর্দায় ফিরছে ডিসি কমিকসের জনপ্রিয় নারী সুপারহিরো ‘সুপারগার্ল’। ১৯৮৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম ‘সুপারগার্ল’ সিনেমা প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারলেও এবার নতুন আঙ্গিকে চরিত্রটিকে দর্শকদের সামনে হাজির করছে ডিসি ইউনিভার্স। 

আগামী ২৬ জুন বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত এই সিনেমা। একই দিনে বাংলাদেশের দর্শকরাও সিনেমাটি দেখতে পারবেন স্টার সিনেপ্লেক্সে।

নতুন ‘সুপারগার্ল’ পরিচালনা করেছেন ক্রেইগ গিলেস্পি। এর আগে ‘আই, টনিয়া’ এবং ‘ক্রুয়েলা’র মতো প্রশংসিত চলচ্চিত্র নির্মাণ করে তিনি দর্শকদের নজর কাড়েন। সিনেমাটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিলি অ্যালকক। এ ছাড়া আরো রয়েছেন ম্যাথিয়াস শোনার্টস, ইভ রিডলি, ডেভিড ক্রামহোল্টজ, এমিলি বিচাম, ডেভিড কোরেনসওয়েট এবং জেসন মোমোয়া।

মিলি অ্যালকককে এর আগে ‘হাউস অব দ্য ড্রাগন’ সিরিজে তরুণ রেনিরা টারগারিয়েন চরিত্রে দেখা গেছে। সেই অভিনয় দিয়েই তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনায় আসেন। এবার সুপারগার্ল চরিত্রে তাঁর অভিষেক নিয়ে ভক্তদের মধ্যে রয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

নতুন গল্পে সুপারগার্লের জীবনকে দেখানো হয়েছে আগের চেয়ে অনেক বেশি গভীর ও আবেগঘনভাবে। কারা জোর-এল বা সুপারগার্ল পৃথিবীতে নয়, ধ্বংসপ্রাপ্ত ক্রিপ্টনের একটি অংশে বেড়ে উঠেছেন। নিজের চোখের সামনে প্রিয়জনদের মৃত্যু দেখার অভিজ্ঞতা তাঁকে কঠিন ও বাস্তববাদী করে তুলেছে।

সিনেমাটির আরেকটি বড় আকর্ষণ হলো জনপ্রিয় কমিক চরিত্র লোবোর লাইভ-অ্যাকশন অভিষেক। এই দুর্ধর্ষ মহাকাশ শিকারির চরিত্রে দেখা যাবে জেসন মোমোয়াকে। নির্মাতাদের দাবি, কমিকসের প্রতি যথাসম্ভব বিশ্বস্ত থেকে চরিত্রটি পর্দায় তুলে ধরা হয়েছে।

ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সিনেমাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেক দর্শকের মতে, এটি প্রচলিত সুপারহিরো গল্পের চেয়ে অনেক বেশি পরিণত, অন্ধকার এবং আবেগময়। 

প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় সমালোচকরাও সিনেমাটির ভিজ্যুয়াল স্টাইল ও নির্মাণশৈলীর প্রশংসা করেছেন। কেউ কেউ এর উপস্থাপনাকে ‘ম্যাড ম্যাক্স: ফিউরি রোড’ ও ‘গার্ডিয়ানস অব দ্য গ্যালাক্সি’র সঙ্গে তুলনা করেছেন।

ডিসি স্টুডিওসের নতুন সিনেমাটিক ইউনিভার্স গঠনের পরিকল্পনায় ‘সুপারগার্ল’ একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। শুধু একক সুপারহিরো গল্প নয়, ভবিষ্যতের ডিসি ইউনিভার্সে সুপারম্যানের পাশাপাশি সুপারগার্লকেও কেন্দ্রীয় নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার পথ তৈরি করবে এই সিনেমা।

মিমির বিরুদ্ধে এফআইআরে স্থগিতাদেশ

বিনোদন ডেস্ক
মিমির বিরুদ্ধে এফআইআরে স্থগিতাদেশ
সংগৃহীত ছবি

আইনি লড়াইয়ে আপাতত স্বস্তি পেলেন অভিনেত্রী ও সাবেক সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। তার বিরুদ্ধে হওয়া এফআইআরের কার্যকারিতায় স্থগিতাদেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্ট। 

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আপাতত মিমির বিরুদ্ধে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।

বিচারপতি কৌশিক চন্দের একক বেঞ্চ এই অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছেন। বনগাঁর এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে আয়োজক তনয় শাস্ত্রীর সঙ্গে মিমির বিরোধের জেরেই আইনি জটিলতার সূত্রপাত।

ঘটনাটি চলতি বছরের জানুয়ারির। তনয় শাস্ত্রীর অভিযোগ, অনুষ্ঠানে মিমির উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল রাত সাড়ে ১০টায়। তবে তিনি পৌঁছান প্রায় রাত পৌনে ১২টায়। ফলে প্রশাসনের নির্ধারিত সময়সীমার কারণে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই অনুষ্ঠান শেষ করতে হয়। 

তনয়ের দাবি, বিষয়টি মঞ্চে জানানো হলে অভিনেত্রী অপমানিত বোধ করেন এবং পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তোলেন।

পরিস্থিতি ক্রমেই আইনি রূপ নেয়। দোল উৎসবের আগে, গত ২ মার্চ বনগাঁ আদালতে মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেন তনয় শাস্ত্রী। 

সে সময় অভিযোগকারীর আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি জানিয়েছিলেন, ‘মানহানি মামলায় ২০ লক্ষ টাকা দাবির পাশাপাশি অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। মিমি নির্দিষ্ট সময়ে অনুষ্ঠানে না এসেও ২ লাখ ৬৫ হাজার রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন। দ্বিতীয় মামলা তারই ভিত্তিতে।’

তরুণজ্যোতি আরো অভিযোগ করেছিলেন, ‘মিমির আচরণ যথার্থ ছিল না। প্রথমত, তিনি অনেক দেরিতে অনুষ্ঠানে আসেন। মাত্র ১৫ মিনিট অনুষ্ঠান করেন। রাত ১২টার পরে অনুষ্ঠানের অনুমতি ছিল না। ফলে, অনুষ্ঠান ওই সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হয়। মিমি সমস্ত দোষ অকারণে তনয়ের উপরে চাপিয়েছেন। মিথ্যা অভিযোগে তরুণজ্যোতির মক্কেলকে সংশোধনাগারে পাঠিয়েছেন। তনয় তাই তাঁর সঙ্গে ঘটা অন্যায়ের বিধান চান।’

তবে হাইকোর্টের সাম্প্রতিক নির্দেশে আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন মিমি। আদালতের এই রায়ের পর তনয় শাস্ত্রীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মধুর সমস্যা নিয়ে বিশ্বকাপে হাজির জার্মান মডেল

অনলাইন ডেস্ক
মধুর সমস্যা নিয়ে বিশ্বকাপে হাজির জার্মান মডেল

বিশ্বকাপে মজেছে গোটা বিশ্ব। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ফুটবলারদের সমর্থন জোগাতে মাঠে হাজির থাকছেন পরিবারের সদস্যরা। কারো কারো সঙ্গে রয়েছেন প্রেমিকা। তবে এই দিকে এক মধুর সমস্যায় পড়েছেন জার্মান মডেল লরা আবলা শ্মিট।

নামটি কিছু দিন আগে অনেকের কাছে অপরিচিত ছিল। যা এখন অধিকাংশ জার্মান ফুটবলভক্তের কাছেই খুব পরিচিত। বিখ্যাত মডেল বনে যাওয়া লরাকে আগে তেমন চিনত না কেউ। উত্তর জার্মানিতে জন্ম নেওয়া মেয়েটির জীবন পুরোপুরি বদলে যায়। তার সঙ্গে দেখা হয় স্প্যানিশ ও লিপজিগের তারকা দানি ওলমোর, আর এভাবেই সে বিখ্যাত হয়ে ওঠে।

রাতারাতি স্যোশাল প্ল্যাটফর্মে বিখ্যাত হয়ে উঠেন তিনি। হাজার হাজার ফলোয়ার তৈরি হয়ে যায় এই ইনফ্লুয়েন্সারের। এই খ্যাতি তৈরি করে আরেক বিড়ম্বনা।  ২০২৪ ইউরোর কোয়ার্টার-ফাইনালে স্পেন বিতর্কিত পেনাল্টিতে জার্মানিকে হারিয়ে সেমিতে জায়গা করে নেয়।

এতে তীব্র সমালোচনার লক্ষ্যবস্তু হয়ে ওঠেন এই জার্মান মডেল। জার্মান সমর্থকরা লরাকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছিল, কারণ তারা জানত তিনি স্প্যানিশ জাতীয় দলের সবচেয়ে কাছের ছিলেন বলে।
 
এ সময় লরা বলেন, ‘জার্মানির হারে আমি হাজার হাজার বিদ্বেষপূর্ণ বার্তা পেয়েছিলাম। তারা আমাকে সম্ভাব্য সবচেয়ে জঘন্য নামে ডাকত।

লরা তার প্রেমিককে সমর্থন করার জন্য স্পেনের জার্সি পরতে পারেননি, আবার ওলমোর সতীর্থদের স্ত্রী ও বান্ধবীদের সঙ্গে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে ওলমোকে সমর্থন করার জন্য জার্মানির জার্সিও পরতে পারেননি। 

লরা বলেন, ‘আমি স্পেনের জার্সি পরি বলে মানুষ আমাকে ঘৃণা করে, আক্রমণ করে, এটা দেখে আমি খুব হতাশ। আমি যদি স্পেনের জার্সি পরতে না পারি, তাহলে আমি কোনো দলেরই জার্সি পরব না। বিশ্বকাপ বা ফুটবল নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই, আমি শুধু আমার প্রেমিককে সমর্থন করছি। আমি ২০২২ সালের টুর্নামেন্টের এক মিনিটও দেখিনি।’

তিনি আরো জানান, ইউরো ২০২৪ ইউরো কাপে স্পেনের কাছে জার্মানি বাদ পড়ার পর তার বন্ধুরা তাকে স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের সঙ্গে বাইরে গিয়ে উদযাপন না করার পরামর্শ দিয়েছিল। এমনকি স্প্যানিশ কোচিং স্টাফও বলেছিলেন যে তারা ভয় পাচ্ছিলেন লরা হয়তো আক্রমণের শিকার হতে পারে।

সেই সময়ের কথা আস্তে আস্তে সবার মন থেকে মুছে যায়। তবে বিপত্তি বাঁধে চলমান বিশ্বকাপে নিজের স্পেনের ১০ নম্বর জার্সি পরে দানি ওলমোকে সমর্থন জানাতে যুক্তরাষ্ট্রে হাজির হলে।

তখনই আবার জার্মান ভক্তরা তার গল্পটি আবার সামনে নিয়ে আসে।  স্পেন যদি আবার জার্মানির মুখোমুখি হয়, তাহলে লরার প্রতিক্রিয়া কেমন হবে? তা নিয়ে প্রশ্ন রাখতে শুরু করেছে নেটিজেনরা।

লরার ইনস্টাগ্রাম এবং টিকটকসহ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে তাঁর বিশাল ফলোয়ার রয়েছে।